"ডিজিটাল বাংলাদেশ"নিয়ে কিছু জানা-অজানা জিজ্ঞাসা। মো. আব্দুল বারী, বোয়াইলমারী কামিল (এমএ)মাদরাসা, সাঁথিয়া, পাবনা।

মোঃ আব্দুল বারী ১০ ডিসেম্বর,২০১৯ ৮ বার দেখা হয়েছে লাইক কমেন্ট ৫.০০ ()

রুপকল্প-২০২১ সালে স্বাধীনতার ৫০ বৎসর পূর্তির মধ্য দিয়ে "ডিজিটাল বাংলাদেশে" পরিনত হবে আমাদের প্রিয় লাল-সবুজের বাংলাদেশ। 


এ ঘোষণা ২০০৮ সালের ১২ ডিসেম্বর বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের নির্বাচনী ইশতেহারের মাধ্যমে প্রথম "ডিজিটাল বাংলাদেশ" এর পরিচয় ঘটে। 


নানান গুঞ্জন, আলোচনা-সমালোচনা মারিয়ে ২০২১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীনতার ৫০ বৎসরে পা রাখার পাশাপাশি বিশ্বের বুকে বাংলাদেশ "ডিজিটাল বাংলাদেশ" হিসেবে চূড়ান্তভাবে আত্মপ্রকাশ করবে। এই দিবস উপলক্ষ্যে জানা-অজানার কিছু তথ্য উপস্থাপন করা হলো -


১। ডিজিটাল বাংলাদেশ কত তারিখে ঘোষণা করা হয়?

উত্তরঃ ১২ ডিসেম্বর ২০০৮খ্রি.(আঃলীগের নির্বাচনী  

       ইশতেহারে)।


২। প্রথম ডিজিটাল ওয়াল্ড সামিট কত তারিখে অনুষ্ঠিত হয়?

উত্তরঃ ২০১১ সালে। "Ready for tomorrow "থিম নিয়ে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। 


৩। তথ্য সেবাকে জনগনের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সরকার কত সালে " তথ্য সেবা কেন্দ্র " প্রতিষ্ঠা করে- যা বর্তমানে "ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার" নামে পরিচিত? 

উত্তরঃ ২০১০ সালে।


৪। মুক্তপাঠ কী?

উত্তরঃ বাংলাদেশ সরকারের তৈরিকৃত বাংলা ভাষায় 

       নির্মিত সর্ববৃহৎ "ই লার্নিং প্লাটফর্ম "।


৫। জনগনের তথ্য পাবার অধিকার নিশ্চিত করতে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের তথ্যকে সম্মিলিতভাবে যে পোর্টাল প্রকাশ করে -তার নাম কি?

উত্তরঃ বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।


৬। অনলাইনের সর্বপ্রথম পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয় কত সালে?

উত্তরঃ ২০১০ সাল হতে।


৭। বাংলা ভাষা চর্চায় সরকার ইউনিকোড সুবিধা সম্বলিত যে প্রমিত বাংলা ফন্ট প্রকাশ করে - তার নাম কি? 

উত্তরঃ আমার বর্ণমালা।


৮। এটুআই (একসেস টু ইনফরমেশন) কোন ধরনের প্রতিষ্ঠান?

উত্তরঃ প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর কর্তৃক পরিচালিত একদল স্পেশালিস্ট টিম এর নিরলস পরিশ্রমে শিক্ষাসহ নানাবিধ তথ্য সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিয়ে   "ডিজিটাল বাংলাদেশ" গড়ার কাজে আত্ম নিবেদিত একটি প্রতিষ্ঠান। 


৯। কোন প্রত্যয় থেকে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন জেগেছিল?

উত্তরঃ ফোর্থ ইন্ডাস্ট্রিয়াল রেভল্যুশন।


১০। সাম্প্রতিক সরকার শিক্ষার্থীদের অনলাইন আউটসোর্সিং বিষয়ে প্রশিক্ষণের জন্য যে প্রকল্প দাঁড় করিয়েছে - তার নাম কি?

উত্তরঃ লার্নিং এ্যান্ড আর্নিং।


১১। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট -১ কত তারিখে উৎক্ষেপণ করা হয়?

উত্তরঃ ১২ মে ২০১৮। সময়ঃ ২:১৪(বাংলাদেশ সময়)


১২। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট -১ যে রকেটে উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল, তার নাম কি?

উত্তরঃ ফ্যালকন -৯


১৩। বাংলাদেশে ঐ স্যাটেলাইটের গ্রান্ড স্টেশন কোথায়?

উত্তরঃ জয়দেবপুর, গাজীপুর এবং বেতবুনিয়া, রাঙ্গামাটি জেলা।


১৪। প্রথম ডিজিটাল জেলা কোনটি?  

উত্তরঃ যশোর। 


১৫। SDG-4 কী?

উত্তরঃ Sustainable Development Goal -4। 

২০৩০ সালকে লক্ষমাত্রায় এনে রুপান্তরমুখী, অংশীদারিত্বমুলক, অন্তর্ভুক্তিমুলক এবং সার্বজনিন -এসডিজি এর অভিষ্ঠ লক্ষমাত্রা গ্রহণ করা হয়। 


১৬। রুপকল্প ২০২১ থেকে ২০৪১ সালে মুলমন্ত্র কী?

উত্তরঃ ২০২১ সাল "দিনবদলের পালা /ডিজিটাল বাংলাদেশ। আর ২০৪১ সাল "আলোক উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ / মধ্যম আয়ের দেশের দেশ।

---------------------------------------------------------

মো.আব্দুল বারী

সহকারী শিক্ষক

বোয়াইলমারী কামিল (এমএ) মাদরাসা, সাঁথিয়া, পাবনা।

মতামত দিন
সাম্প্রতিক মন্তব্য
মোহাম্মদ গোলাম ছামদানী
১০ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০৮:২৬ অপরাহ্ণ

সুন্দর শ্রেণী উপযোগী ও মানসম্মত কন্টেন্ট আপলোড এর জন্য পূর্ণ রেটিং সহ শুভকামনা রইল। আমার কন্টেন্ট দেখে রেটিং সহ মতামত প্রদানের জন্য বিনীত অনুরোধ করছি। আমার ছবির উপর ক্লিক করেন > কনটেন্ট টাইটেলের উপর ক্লিক করেন প্লিজ পূর্ণ রেটিং সহ মন্তব্য করুন। ধন্যবাদ। ICT4E জেলা শিক্ষক অ্যাম্বাসেডরশিপ প্রোগ্রাম শিক্ষাক্ষেত্রে আইসিটির বহুমাত্রিক ব্যবহার নিশ্চিত করে ডিজিটাল বাংলাদেশ রূপকল্প ২০২১ বাস্তবায়নে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের একসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রোগ্রামের আওতায় শিক্ষাক্ষেত্রে বিভিন্ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। শিক্ষায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার, গুণগত শিক্ষা বাস্তবায়ন ও শিক্ষায় উদ্ভাবনী সংস্কৃতির বিকাশে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর ও এটুআই এর যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত হচ্ছে ICT4E জেলা শিক্ষক অ্যাম্বাসেডরশিপ প্রোগ্রাম। আমাদের লক্ষ্য আইসিটির বহুমাত্রিক ব্যবহারে প্রতি উপজেলায় কমপক্ষে ১০ জন করে দক্ষ শিক্ষকদের ICT4E জেলা শিক্ষক অ্যাম্বাসেডর হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করা যারা নিজ জেলা ও উপজেলায় শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন ও গুণগত শিক্ষা নিশ্চিত করণে শিক্ষাক্ষেত্রে চলমান আইসিটির বিভিন্ন কার্যক্রমে প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করবেন। ICT4E জেলা শিক্ষক অ্যাম্বাসেডর নির্বাচনের ক্ষেত্রে কিছু মানদণ্ডঃ - শিক্ষক বাতায়নের সক্রিয় সদস্য হতে হবে। - শিক্ষক বাতায়নে নিজের তৈরি কমপক্ষে ২০ টি কনটেন্ট থাকতে হবে। - সপ্তাহের সেরা কনটেন্ট নির্মাতা (শিক্ষক বাতায়ন) - মাল্টিমিডিয়া কনটেন্ট কম্পিটিশনে সেরা মডেল কনটেন্ট নির্মাতা - মাস্টার ট্রেইনার অফ আইসিটি ইন এডুকেশন - অ্যাডভানসড আইসিটি ট্রেনিং কোর্স সম্পন্নকারী - মাইক্রোসফট ইনোভেটিভ এডুকেটর -মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম সক্রিয়করণে বিশেষ ভুমিকা পালনকারী - মুক্তপাঠ প্রত্যয়িত (মাল্টিমিডিয়া কনটেন্ট তৈরি –MMCD ও বেসিক টিচার্স ট্রেনিং (BTT) কোর্স) - বেসিক টিচার্স ট্রেনিং (BTT) কোর্স)- আইসিটি ২ প্রকল্প - ধারাবাহিক মুল্যায়ন প্রশিক্ষণ- সেসিপ প্রকল্প উপরিউক্ত যে মানদণ্ডে (কমপক্ষে ৪ টি মানদণ্ড) আপনি নির্বাচিত হবেন তার প্রমাণপত্র সহ উপজেলা মাধ্যমিক/জেলা শিক্ষা অফিসের সুপারিশ দাপ্তরিক পত্রের মাধ্যমে স্ক্যান কপি avijitsdu@gmail.com এই ঠিকানাই পাঠাতে হবে।