ভালোবাসা দিবসের প্রত্যাশা---- এম. এম. শরফুদ্দিন * ভালোবাসার পবিত্রতা খুঁজতে গেলে আমাদেরকে সর্বপ্রথম বিধাতাপ্রাপ্ত ভালোবাসার কথা টেনে আনতে হবে।

মো: শরফুদ্দিন ‍মৃধা ১৪ ফেব্রুয়ারি ,২০২০ ২০ বার দেখা হয়েছে লাইক কমেন্ট ৫.০০ ()

* ভালোবাসার পবিত্রতা খুঁজতে গেলে আমাদেরকে সর্বপ্রথম বিধাতাপ্রাপ্ত ভালোবাসার কথা টেনে আনতে হবে। ভালোবাসার যে মহত্ব তার ৭০ ভাগের ভাগ বিধাতা মানুষের মাঝে স্থাপন করেন। বিধাতাপ্রদত্ত ভালোবাসার যে একটি অংশ আমরা পেয়েছি তা পবিত্র কিন্তু বিভিন্ন সময়ে সে ভালোবাসা বিভিন্নভাবে প্রভাব ফেলেছে মানুষের মাঝে। সময়কে আমরা সাধারণত দুটি দৃষ্টিকোণ থেকে তুলে ধরতে পারি। একটি হচ্ছে অতীত আর অন্যটি হচ্ছে বর্তমান।

অতীতে ভালোবাসা ছিল একটি নীরব, গুণধর্মী মহৎ সৃষ্টি। তখন ভালোবাসা ছিল সব ভালোর উপকরণের সমষ্টিতে গড়া। তাতে ছিল না কোনো ছলনা, বঞ্চনা আর প্রতারণা; ছিল না দেহলোভের কোনো আকর্ষণ। তখনকার ভালোবাসায় ভালোর বিপরীতে কোনো কিছুই খুঁজে পাওয়া যেত না।

বর্তমানে ভালোবাসা একটি উচ্ছৃঙ্খল ঘাতক ভাইরাসে রূপ নিয়েছে। তা ছাড়া ভালোবাসায় ভালো কোনো কিছুই এখন চোখে পড়ে না। আমাদের মাঝে পবিত্র ভালোবাসা বর্তমানে সম্পূর্ণ অনুপস্থিত।

ভালোবাসার প্রতিক্রিয়া বা সঙ্কট মানুষের মাঝে বিরাজ করছে তা বর্তমানে প্রেক্ষাপটে জ্বলন্ত প্রমাণ। মারামারি, আহাজারি, ঝগড়া, হত্যা, লুণ্ঠন- সবই মানুষ দ্বারা সংঘটিত। যাদের মাঝে ভালোবাসা আছে তারা কখনো এসব ঘটাতে পারে না। দেশের বাইরে অর্থাৎ বহি:বিশ্বে দৃষ্টিপাত করলে দেখা যায় মানুষের প্রতি মানুষের অবিচার সুস্পষ্ট। যা বিশ্বমানবতাকে করে সঙ্কিত আতঙ্কিত। এসব ঘটনা ভালোবাসার হিতে বিপরীত। এতে আমরা বুঝতে পারি এখানে হয়তো ভালোবাসা অনুপস্থিত নতুবা ভালোবাসার রি-অ্যাকশনে ভালো গায়েব হয়ে মন্দের আর্বিভাব ঘটেছে।

আমরা যেন ভালোবাসার পুরনো ঐতিহ্যকে ফিরে পাই। হৃদয়ে লালন করি ভালোবাসার পবিত্র দিক, এই প্রত্যাশাই রইল বিশ্ব ভালোবাসা দিবসে।

মতামত দিন