করোনাভাইরাস: লক্ষ্মণ, চিকিৎসা ও সুরক্ষার উপায় কী, কতটা মারাত্মক, কোথা থেকে এলো, কোন প্রাণী থেকে ছড়ালো, চীনে কেন?

গাজী সারওয়ার ২৮ মার্চ,২০২০ ২২৬২ বার দেখা হয়েছে ৭৭ লাইক ৩৭ কমেন্ট ৪.৯৫ (৭৯ )

করোনাভাইরাস, যার পোশাকি নাম কোভিড-১৯, সেই রোগটিকে এখন বিশ্ব মহামারি ঘোষণা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

এই ভাইরাস- যা পূর্বে বিজ্ঞানীদের অজানা ছিল- এর মধ্যেই চীনে অনেক মানুষের ফুসফুসের মারাত্মক রোগ সৃষ্টি করেছে এবং বিশ্বের বেশিরভাগ দেশে এরই মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে।

ভাইরাসটা কী?

করোনাভাইরাস এমন একটি সংক্রামক ভাইরাস - যা এর আগে কখনো মানুষের মধ্যে ছড়ায়নি।

সারাবিশ্বে এরই মধ্যে ১৫০টির বেশি দেশে ছড়িয়েছে এই ভাইরাস, বিশ্বব্যাপী প্রাণহানি হয়েছে ৭ হাজারের বেশি মানুষের।

ভাইরাসটির আরেক নাম ২০১৯ - এনসিওভি বা নভেল করোনাভাইরাস। এটি এক ধরণের করোনাভাইরাস। করোনাভাইরাসের অনেক রকম প্রজাতি আছে, কিন্তু এর মধ্যে মাত্র ছয়টি প্রজাতি মানুষের দেহে সংক্রমিত হতে পারে। তবে নতুন ধরণের ভাইরাসের কারণে সেই সংখ্যা এখন থেকে হবে সাতটি।

২০০২ সাল থেকে চীনে মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়া সার্স (পুরো নাম সিভিয়ার এ্যাকিউট রেসপিরেটরি সিনড্রোম) নামে যে ভাইরাসের সংক্রমণে পৃথিবীতে ৭৭৪জনের মৃত্যু হয়েছিল আর ৮০৯৮জন সংক্রমিত হয়েছিল। সেটিও ছিল এক ধরণের করোনাভাইরাস।

নতুন এই রোগটিকে প্রথমদিকে নানা নামে ডাকা হচ্ছিল, যেমন: 'চায়না ভাইরাস', 'করোনাভাইরাস', '২০১৯ এনকভ', 'নতুন ভাইরাস', 'রহস্য ভাইরাস' ইত্যাদি।

এ বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা রোগটির আনুষ্ঠানিক নাম দেয় কোভিড-১৯ যা 'করোনাভাইরাস ডিজিজ ২০১৯'-এর সংক্ষিপ্ত রূপ।

রোগের লক্ষ্মণ কী:

রেসপিরেটরি লক্ষণ ছাড়াও জ্বর, কাশি, শ্বাস প্রশ্বাসের সমস্যাই মূলত প্রধান লক্ষণ।

এটি ফুসফুসে আক্রমণ করে।

সাধারণত শুষ্ক কাশি ও জ্বরের মাধ্যমেই শুরু হয় উপসর্গ দেখা দেয়, পরে শ্বাস প্রশ্বাসে সমস্যা দেখা দেয়।

সাধারণত রোগের উপসর্গগুলো প্রকাশ পেতে গড়ে পাঁচদিন সময় নেয়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, ভাইরাসটির ইনকিউবেশন পিরিয়ড ১৪দিন পর্যন্ত স্থায়ী থাকে। তবে কিছু কিছু গবেষকের মতে এর স্থায়িত্ব ২৪দিন পর্যন্ত থাকতে পারে।

মানুষের মধ্যে যখন ভাইরাসের উপসর্গ দেখা দেবে তখন বেশি মানুষকে সংক্রমণের সম্ভাবনা থাকবে তাদের। তবে এমন ধারণাও করা হচ্ছে যে নিজেরা অসুস্থ না থাকার সময়ও সুস্থ মানুষের দেহে ভাইরাস সংক্রমিত করতে পারে মানুষ।

শুরুর দিকের উপসর্গ সাধারণ সর্দিজ্বর এবং ফ্লু'য়ের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ হওয়ায় রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে দ্বিধাগ্রস্থ হওয়া স্বাভাবিক।

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব অনেককে সার্স ভাইরাসের কথা মনে করিয়ে দিয়েছে যা ২০০০ সালের শুরুতে প্রধানত এশিয়ার অনেক দেশে ৭৭৪ জনের মৃত্যুর কারণ হয়েছিলো ।

নতুন ভাইরাসটির জেনেটিক কোড বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে এটি অনেকটাই সার্স ভাইরাসের মতো।

কোথা থেকে এলো করোনাভাইরাস?

অনেক সময়ই কোন একটি প্রাণী থেকে এসে নতুন নতুন ভাইরাস মানব শরীরে বাসা বাধতে শুরু করে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ধারণা সাম্প্রতিক ভাইরাসটির উৎস কোনো প্রাণী।

যতটুকু জানা যায়, মানুষের আক্রান্ত হবার ঘটনাটি ঘটেছে চীনের উহান শহরে সামুদ্রিক মাছ পাইকারি বিক্রি হয় এমন একটি বাজারে।

করোনাভাইরাস ভাইরাস পরিবারে আছে তবে এ ধরণের ছয়টি ভাইরাস আগে পরিচিত থাকলেও এখন যেটিতে সংক্রমিত হচ্ছে মানুষ সেটি নতুন।

বেশিরভাগ করোনাভাইরাসই বিপজ্জনক নয়, কিন্তু আগে থেকে অপরিচিত এই নতুন ভাইরাসটি ভাইরাল নিউমোনিয়াকে মহামারির দিকে ঠেলে দিতে পারে বলে আশংকা করা হচ্ছে এবং অবশেষে এই রোগটির সংক্রমণ বিশ্বব্যাপি ছড়িয়ে পড়ায় এটিকে বিশ্ব মহামারি ঘোষণা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

কোন প্রাণী থেকে ছড়িয়েছে করোনাভাইরাস?

একবার যদি ভাইরাসের উৎস প্রাণীটি শনাক্ত করা সম্ভব হয়, তাহলে রোগটি মোকাবেলা করা অনেক সহজ হয়।

করোনাভাইরাসের সঙ্গে সম্পর্ক আছে চীনের উহানের দক্ষিণ সমুদ্রের খাবারের পাইকারি বাজারের সঙ্গে।

যদিও বেশ কিছু সামুদ্রিক প্রাণী করোনাভাইরাস বহন করতে পারে (যেমন বেলুগা তিমি), ওই বাজারটিতে অনেক জীবন্ত প্রাণীও পাওয়া যেত, যেমন মুরগি, বাদুর, খরগোশ, সাপ- এসব প্রাণী করোনাভাইরাসের উৎস হতে পারে।

গবেষকরা বলছেন, চীনের হর্সশু নামের একপ্রকার বাদুরের সঙ্গে এই ভাইরাসের ঘনিষ্ঠ মিল রয়েছে।

ক্ষণগুলো কতটা মারাত্মক?

জ্বর দিয়ে ভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হয়, এরপরে শুকনো কাশি দেখা দিতে পারে। প্রায় এক সপ্তাহ পরে শ্বাসকষ্ট শুরু হয়ে যায়। অনেক রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দিতে হয়।

এখন পর্যন্ত এই রোগে মারা যাওয়ার হার কম (১% থেকে ২% এর মধ্যে) - তবে এই পরিসংখ্যান পুরোপুরি বিশ্বাসযোগ্য নয়।

ইউরোপের কোন কোন অঞ্চলে এখন অধিক মৃত্যুহারও দেখা যাচ্ছে।

৫৬ হাজার আক্রান্ত রোগীর উপর চালানো এক জরিপ নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এক পরিসংখ্যানে উঠে এসেছে:

  • এই রোগে ৬% কঠিনভাবে অসুস্থ হয় - তাদের ফুসফুস বিকল হওয়া, সেপটিক শক, অঙ্গ বৈকল্য এবং মৃত্যুর সম্ভাবনা তৈরি হয়।
  • ১৪% এর মধ্যে তীব্রভাবে উপসর্গ দেখা যায়। তাদের মূলত শ্বাস প্রশ্বাসে সমস্যা তৈরি হয়।
  • ৮০% এর মধ্যে হালকা উপসর্গ দেখা যায় - জ্বর এবং কাশি ছাড়াও কারো কারো নিউমোনিয়ার উপসর্গ দেখা যেতে পারে।

বয়স্ক ব্যক্তি এবং যাদের কোনো ধরণের অসুস্থতা রয়েছে (অ্যাজমা, ডায়বেটিস, হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ) তাদের মারাত্মক অসুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

চীন থেকে পাওয়া তথ্য যাচাই করে জানা যায় যে, এই রোগে নারীদের চেয়ে পুরুষের মৃত্যুর সম্ভাবনা সামান্য বেশি।

আক্রান্ত ব্যক্তি যেন শ্বাস প্রশ্বাসে সহায়তা পায় এবং তার দেহের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা যেন ভাইরাসের মোকাবেলা করতে পারে তা নিশ্চিত করা থাকে চিকিৎসকদের উদ্দেশ্য।

ভাইরাসটি কীভাবে ঠেকানো যেতে পারে?

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র তাদের আবিষ্কৃত একটি টিকা নিয়ে মানুষের দেহে পরীক্ষা চালিয়েছে।

এই টিকার উপাদান হলো, কোভিড-নাইনটিন ভাইরাসের একটি জেনেটিক কোড - যা আসল ভাইরাসটি থেকেই নকল করে তৈরি করা হয়েছে। এই কপিটি বিপদজনক নয়, এবং এটা মানবদেহে সংক্রমণ ঘটাতেও পারে না।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ভ্যাকসিনটি, বা এরকম যে আরো কয়েকটি টিকা এখন গবেষণার পর্যায়ে আছে - তাতে আদৌ কোন কাজ হবে কিনা তা জানতে আরো অনেক মাস পর্যন্ত সময় লেগে যাবে।

বিজ্ঞানীরা সারা পৃথিবীজুড়েই বিজ্ঞানীরা চেষ্টা করছেন গবেষণার কাজ দ্রুততর করতে

এই রোগ থেকে এখন পর্যন্ত রক্ষার একমাত্র উপায় হলো অন্যদের মধ্যে ভাইরাসের সংক্রমণ হতে না দেয়া।

যার মানে হলো:

মানুষজনের চলাচল সীমিত করে দেয়া।

হাত ধুতে সবাইকে সবাইকে উৎসাহিত করা।

স্বাস্থ্যকর্মীরা প্রতিরক্ষামূলক পোশাক পরে রোগীদের আলাদা আলাদা করে চিকিৎসা সেবা দেয়া

রোগীদের ভাইরাস রয়েছে কিনা তা জানতে এবং রোগীদের সংস্পর্শে আসা লোকদের শনাক্ত করার জন্যও গোয়েন্দা কর্মকাণ্ড বা নজরদারি ব্যবস্থার প্রয়োজন।

বাংলাদেশ কী পদক্ষেপ নিচ্ছে?

অন্য অনেক দেশের মত বাংলাদেশও করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। এরই মধ্যে দেশটিতে বেশ কয়েকজন করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে।

এরই মধ্যে ইংল্যান্ড ছাড়া ইউরোপের সব দেশ থেকে যাত্রী আসায় নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে ৩১শে মার্চ পর্যন্ত। অন্য অনেক দেশের সাথেও বিমান চলাচল স্থগিত করা হয়েছে।

১৭ই মার্চ থেকে দুই সপ্তাহের জন্য দেশের সব স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় সহ দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা বিভাগের পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হয়েছে যেন বিদেশ ফেরত যাত্রীরা হোম কোয়ারেন্টিন, সেল্ফ কোয়ারেন্টিন বা আইসোলেশনের নিয়মকানুন মেনে চলেন।

বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বুধবার ঘোষণা দেন যে কোয়ারেন্টিনে থাকার নির্দেশনা না মানলে শাস্তির ব্যবস্থা করবে সরকার।

ভাইরাসটির কি পরিবর্তন ঘটতে পারে?

ভাইরাসটি কোন একটা প্রাণী থেকে মানুষের দেহে ঢুকেছে এবং একজন থেকে আরেকজনের দেহে ছড়াতে ছড়াতে আবার নিজের জিনগত গঠনে সবসময় পরিবর্তন আনছে - যাকে বলে মিউটেশন।

তাই এ ভাইরাস হয়তো আরো বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে, এমন আশংকা রয়েছে।

কিন্তু এ ভাইরাসটির প্রকৃতি এবং কিভাবেই বা তা রোধ করা যেতে পারে - এ সম্পর্কে এখনো বিজ্ঞানীরা বিশদভাবে জানার চেষ্টা করছেন।

সার্স বা ইবোলার মতো নানা ধরণের প্রাণঘাতী ভাইরাসের খবর মাঝে মাঝেই সংবাদ মাধ্যমে আসে। এই করোনাভাইরাস তার মধ্যে সর্বশেষ।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, ভাইরাসটি হয়তো মানুষের দেহকোষের ভেতরে ইতিমধ্যেই 'মিউটেট করছে' অর্থাৎ গঠন পরিবর্তন করে নতুন রূপ নিচ্ছে এবং সংখ্যাবৃদ্ধি করছে - যার ফলে এটি আরো বেশি বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে।

এই ভাইরাস মানুষের ফুসফুসে সংক্রমণ ঘটায় এবং শ্বাসতন্ত্রের মাধ্যমেই এটি একজনের দেহ থেকে আরেক জনের দেহে ছড়ায়। সাধারণ ফ্লু বা ঠান্ডা লাগার মতো করেই এ ভাইরাস ছড়ায় হাঁচি-কাশির মাধ্যমে ।


মতামত দিন
সাম্প্রতিক মন্তব্য
মুহাম্মাদ আলীমুদ্দীন
০৩ এপ্রিল, ২০২০ ০৮:২৭ পূর্বাহ্ণ

রেটিংসহ অভিনন্দন। আমার আপলোড কন্টেন্টগুলো দেখে লাইক, কমেন্ট ও রেটিং করার অনুরোধ রইলো।


মো: আবুল হাছান
০২ এপ্রিল, ২০২০ ০২:১৩ অপরাহ্ণ

পূর্ণ রেটিংসহ শুভকামনা ও অভিনন্দন।


মো: আবুল হাছান
০২ এপ্রিল, ২০২০ ০২:১২ অপরাহ্ণ

১. তুলনা (হিংসা) ২. পটেনশিয়াল (আমি ডিজার্ভ করি) ৩. কেউ আমাকে দেখতে পারে না (লোনলি) ৪. ঘৃণা (হেটার্স) ৫. ইগো (আমিই সেরা) ৬. অজুহাত (কমপ্লেইন) ৭. রাগ(মেজাজ খারাপ) ৮. ভয়(কনফিউশন) ৯. মন খারাপ (ভাল্লাগে না) Thanks


zohurul islam
০২ এপ্রিল, ২০২০ ০১:৪১ অপরাহ্ণ

পূর্ণ রেটিংসহ শুভকামনা ও অভিনন্দন।


ইশরাত জাহান
০২ এপ্রিল, ২০২০ ০৯:৫৫ পূর্বাহ্ণ

অনেক মূল্যবান তথ্য দিয়েছেন যা সবার উপকারে আসবে।ধন্যবাদ


মাকসুদা খাতুন
০১ এপ্রিল, ২০২০ ১১:২১ অপরাহ্ণ

ধন্যবাদ স্যার, আপনার গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের জন্য।


মোঃ এমদাদুল হক
০১ এপ্রিল, ২০২০ ০৯:৩৮ অপরাহ্ণ

লেখার মান অনেক ভালো।


মো: তৌহিদুল ইসলাম
০১ এপ্রিল, ২০২০ ০২:৫৫ অপরাহ্ণ

পূর্ণ রেটিংসহ শুভকামনা। আমার কনটেন্টগুলো দেখে লাইক, রেটিং ও মতামত প্রদানের বিনীত অনুরোধ রইল।


ফজলুল হক রতন
০১ এপ্রিল, ২০২০ ১১:০৬ পূর্বাহ্ণ

অনেক সুন্দর একটি পোষ্ট


সবুজ ভট্টাচার্য্য
০১ এপ্রিল, ২০২০ ১২:৪৮ পূর্বাহ্ণ

পূর্ণ রেটিংসহ শুভকামনা। আমার কনটেন্টগুলো দেখে লাইক, রেটিং ও মতামত প্রদানের বিনীত অনুরোধ রইল।


মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
৩১ মার্চ, ২০২০ ১১:৪৪ অপরাহ্ণ

Thanks sir


ইমরান কবির
৩১ মার্চ, ২০২০ ০৪:৩২ অপরাহ্ণ

ধন্যবাদ স্যার।


মো:তাজুল ইসলাম ভূইয়া
৩১ মার্চ, ২০২০ ০২:০০ অপরাহ্ণ

ধন্যবাদ স্যার, আপনার গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের জন্য।


শেখ মোঃ সোহেল রানা
৩১ মার্চ, ২০২০ ১২:২৭ পূর্বাহ্ণ

শুভ কামনা


প্রশান্ত কুমার দাস
৩০ মার্চ, ২০২০ ১০:০১ অপরাহ্ণ

পূর্ণ রেটিং সহ শুভ কামনা। আমার কন্টেন্ট দেখে আপনার মূল্যবান মতামত ও রেটিং প্রদান করার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি।


কমলকান্ত রায় তাং
৩০ মার্চ, ২০২০ ০৫:৪৭ অপরাহ্ণ

লাইক ও পূর্ণ রেটিংসহ আপনার জন্য শুভ কামনা রইলো। আমার কনটেন্টগুলো দেখে রেটিং, লাইক ও কমেন্ট দেয়ার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি


মোঃরাজা মিয়াঁ
৩০ মার্চ, ২০২০ ০৩:৪৫ অপরাহ্ণ

রেটিং সহ শুভ কামনা


মোঃ নিজাম উদ্দিন তালুকদার
৩০ মার্চ, ২০২০ ১২:২৬ অপরাহ্ণ

সুন্দর পোস্ট এর জন্য অনেক ধন্যবাদ।


মীর্জা মোঃ মাহফুজুল ইসলাম
৩০ মার্চ, ২০২০ ১১:৫৮ পূর্বাহ্ণ

করোনা ভাইরাস থেকে নিজে সর্তক থাকুন , অন্যকে ভালো রাখুন । সুন্দর পোস্ট এর ধন্যবাদ


মোহাম্মদ আতাউর রহমান সিদ্দিকী
৩০ মার্চ, ২০২০ ০৮:১৩ পূর্বাহ্ণ

পূর্ণ রেটিংসহ শুভ কামনা রইলো। আমার এ পাক্ষিকের কনটেন্ট দেখে রেটিং, লাইক ও কমেন্ট দেয়ার জন্য বিনীত অনুরোধ রইল। মো: আতাউর রহমান ICT4E জেলা অ্যাম্বাসেডর , মাদারীপুর।


মোহাম্মদ আব্দুল হান্নান
২৯ মার্চ, ২০২০ ০৭:৩৬ অপরাহ্ণ

Many many thanks.


মোঃ হাসনাইন
২৯ মার্চ, ২০২০ ০৬:০৬ অপরাহ্ণ

লাইক ও রেটিং সহ শুভ কামনা। আমার কন্টেন্ট দেখে আপনার মূল্যবান মতামত ও রেটিং প্রদান করার জন্য অনুরোধ করছি। (করোনাভাইরাস মোকাবেলায় শঙ্কা নয়, দরকার সচেতনতা। বাড়ির বাইরে না গিয়েও ডিজিটালি কানেক্টেড থাকা, রেগুলারলি হাত ধোয়া এবং Social Distancing এর মাধ্যমেই সম্ভব করোনা প্রতিরোধ। আল্লাহ সবাই কে ভালো রাখুক, আমিন)


সৈয়দ মুহাম্মদ জসিম উদ্দীন
২৯ মার্চ, ২০২০ ০৮:০১ পূর্বাহ্ণ

রেটিং সহ শুভ কামনা


মোঃ হাসনাইন
২৯ মার্চ, ২০২০ ০৬:০৭ অপরাহ্ণ

পূর্ণ রেটিংসহ শুভকামনা ও অভিনন্দন।


মোঃ হাসনাইন
২৯ মার্চ, ২০২০ ০৬:০৬ অপরাহ্ণ

লাইক ও রেটিং সহ শুভ কামনা। আমার কন্টেন্ট দেখে আপনার মূল্যবান মতামত ও রেটিং প্রদান করার জন্য অনুরোধ করছি। (করোনাভাইরাস মোকাবেলায় শঙ্কা নয়, দরকার সচেতনতা। বাড়ির বাইরে না গিয়েও ডিজিটালি কানেক্টেড থাকা, রেগুলারলি হাত ধোয়া এবং Social Distancing এর মাধ্যমেই সম্ভব করোনা প্রতিরোধ। আল্লাহ সবাই কে ভালো রাখুক, আমিন)


দুলাল হালদার
২৮ মার্চ, ২০২০ ০৯:২২ অপরাহ্ণ

পূর্ণ রেটিংসহ শুভকামনা ও অভিনন্দন।


মোঃ নুরুল ইসলাম
২৮ মার্চ, ২০২০ ০৮:৩১ অপরাহ্ণ

লাইক ও রেটিং সহ শুভ কামনা। আমার কন্টেন্ট দেখে আপনার মূল্যবান মতামত ও রেটিং প্রদান করার জন্য অনুরোধ করছি। (করোনাভাইরাস মোকাবেলায় শঙ্কা নয়, দরকার সচেতনতা। বাড়ির বাইরে না গিয়েও ডিজিটালি কানেক্টেড থাকা, রেগুলারলি হাত ধোয়া এবং Social Distancing এর মাধ্যমেই সম্ভব করোনা প্রতিরোধ। আল্লাহ সবাই কে ভালো রাখুক, আমিন)


মোঃ মেরাজুল ইসলাম
২৮ মার্চ, ২০২০ ০৭:০৪ অপরাহ্ণ

ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন । আপনি ভালো থাকলে ভালো থাকবে দেশ । চমৎকার নির্মাণের জন্য লাইক, কমেন্ট ও রেটিংসহ শুভেচ্ছা ও ভালবাসা রইল । আমার বাতায়ন বাড়িতে আমন্ত্রণ রইল ।


আব্দুল্লাহ আত তারিক
২৮ মার্চ, ২০২০ ০৭:০২ অপরাহ্ণ

নিজে সতর্ক থাকুন, অপরকে ভালো রাখুন । চমৎকার নির্মাণের জন্য লাইক, কমেন্ট ও রেটিংসহ শুভেচ্ছা ও ভালবাসা রইল । আমার বাতায়ন বাড়িতে আমন্ত্রণ রইল । আমার উপস্থাপন করা নবম-দশম শ্রেণির সাহিত্য কণিকা বইয়ের কবি সৈয়দ শামসুল হকের লেখা আমার পরিচয় কবিতাটি দেখার জন্য নিবেদন রইলো। লিংক - https://teachers.gov.bd/content/details/544114


মোহা:ইমরুল হাসান
২৮ মার্চ, ২০২০ ০২:১৫ অপরাহ্ণ

শ্রেণি উপযোগি মান ও সম্মত কনটেন্ট আপলোড করে শিক্ষক বাতায়নকে সমৃদ্ধ করার জন্য ধন্যবাদ। পূর্ণ রেটিংসহ শুভ কামনা রইলো। আমার এ পাক্ষিকের কনটেন্ট দেখে রেটিং, লাইক ও কমেন্ট দেয়ার জন্য বিনীত অনুরোধ রইল।


মোঃ হাসনাইন
২৯ মার্চ, ২০২০ ০৬:০৭ অপরাহ্ণ

পূর্ণ রেটিংসহ শুভকামনা ও অভিনন্দন।


Md. Obaidul Islam Tuhin
২৮ মার্চ, ২০২০ ০২:১২ অপরাহ্ণ

লাইক এবং পূর্ণ রেটিংসহ ধন্যবাদ ও শুভকামনা রইল। আমার কনটেন্ট দেখে লাইক, রেটিং ও মতামত দেওয়ার জন্য বিনীত অনুরোধ রইল


মোঃ হাসনাইন
২৯ মার্চ, ২০২০ ০৬:০৭ অপরাহ্ণ

পূর্ণ রেটিংসহ শুভকামনা ও অভিনন্দন।


Md. Mizanur Rahman
২৮ মার্চ, ২০২০ ০২:১১ অপরাহ্ণ

পূর্ণ রেটিংসহ শুভকামনা। আমার কনটেন্টগুলো দেখে লাইক, রেটিং ও মতামত প্রদানের বিনীত অনুরোধ রইল।


মোঃ হাসনাইন
২৯ মার্চ, ২০২০ ০৬:০৭ অপরাহ্ণ

পূর্ণ রেটিংসহ শুভকামনা ও অভিনন্দন।


Md. Masuduzzaman
২৮ মার্চ, ২০২০ ০২:১০ অপরাহ্ণ

শ্রেণি উপযোগি মান ও সম্মত কনটেন্ট আপলোড করে শিক্ষক বাতায়নকে সমৃদ্ধ করার জন্য ধন্যবাদ। পূর্ণ রেটিংসহ শুভ কামনা রইলো। আমার এ পাক্ষিকের কনটেন্ট দেখে রেটিং, লাইক ও কমেন্ট দেয়ার জন্য বিনীত অনুরোধ রইল।


মোঃ হাসনাইন
২৯ মার্চ, ২০২০ ০৬:০৭ অপরাহ্ণ

পূর্ণ রেটিংসহ শুভকামনা ও অভিনন্দন।