এসএসসিতে বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের তথ্য সফটওয়্যারে অন্তর্ভুক্তি ১৮ জানুয়ারির মধ্যে

মুক্তা রাণী ০৭ জানুয়ারি,২০২১ ৩৭ বার দেখা হয়েছে লাইক কমেন্ট ৫.০০ ()

জিটুপি পদ্ধতিতে বৃত্তির টাকা পাঠাতে এসএসসি পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে বৃত্তির জন্য নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের তথ্য এমআইএস সফটওয়্যার অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর। গত ৫ জানুয়ারি থেকে ২০২০ খ্রিষ্টাব্দের এসএসসি পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে বৃত্তির জন্য নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের তথ্য এমআইএস সফটওয়্যারে অন্তর্ভুক্ত করা শুরু হয়েছে। আগামী ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের তথ্য সফটওয়্যারটিতে এন্ট্রি করা যাবে। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে মাঠপর্যায়ের শিক্ষা কর্মকর্তা ও সরকারি-বেসরকারি কলেজগুলোর অধ্যক্ষদের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের বৃত্তির টাকা পাওয়ার ভোগান্তি কমাতে সরাসরি জিটুপি এর আওতায় অনলাইনে ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো হচ্ছে। ইতোমধ্যে ২০২০ খ্রিষ্টাব্দের এসএসসি পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে বৃত্তির জন্য নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের গেজেট প্রকাশ করেছে শিক্ষা বোর্ডগুলো। জিটুপি পদ্ধতিতে ইএফটির মাধ্যমে সরাসরি শিক্ষার্থীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠাতে এমআইএস সফটওয়্যারে বৃত্তির জন্য নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের তথ্য এন্ট্রি করতে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে বলা হয়েছে। 

এমআইএস সফটওয়্যারে তথ্য অন্তর্ভুক্ত করতে কিছু নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থী নিয়মিত ও ধারবাহিবাহিকভাবে অধ্যয়নরত রয়েছে তা নিশ্চিত  হয়ে তথ্য অন্তর্ভুক্ত করতে বলা হয়েছে। পাঠবিরতিতে আছে এমন শিক্ষার্থীদের তথ্য অন্তর্ভুক্ত করা যাবে না। মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ড থেকে বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের তথ্য এন্ট্রি করা যাবে না। এসব শিক্ষার্থী কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে বৃত্তির টাকা পাবে। 

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, অনলাইন সুবিধা সম্পন্ন তফসিলভুক্ত ব্যাংকে শিক্ষার্থীদের নিজ নামে বা ১৮ বছরের নিচে হলে বাবা-মায়ের সাথে যৌথ নামে বা স্কুল ব্যাংক হিসাব খুলতে হবে। যৌথ নামে ব্যাংক হিসাব বা স্কুল ব্যাংক হিসাব খোলা হলে এমআইএসে তথ্য এন্ট্রির ক্ষেত্রে যৌথ নাম অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে। শিক্ষার্থীর একক বা যৌথ নামের অ্যাকাউন্ট ছাড়া বাবা-মা বা অন্য কোন অভিভাবকের ব্যাংক হিসাব দেয়া যাবে না। অনলাইন ব্যাংক হিসাব নম্বর অবশ্যই ১৩ থেকে ১৭ ডিজিটের মধ্যে হতে হবে। ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর নির্ভুলভাবে পূরণ করতে হবে। কোন এজেন্ট ব্যাংকের হিসাব নম্বর দেয়া যাবে না। 

এছাড়া শিক্ষার্থীর রেজিস্ট্রেশন নম্বর, পরীক্ষার নাম, বছর, বৃত্তির ক্যাটাগরি, ব্যাংকের নাম, ব্যাংকের শাখার নাম সঠিকভাবে পূরণ করতে নির্দেশনা দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর। তথ্য পাঠানো ক্ষেত্রে ভুল হলে প্রতিষ্ঠান প্রধান ও কর্মকর্তারা দায়ী থাকবেন বলে বলেছে শিক্ষা অধিদপ্তর। ৫ জানুয়ারি থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের তথ্য পাঠানো সুযোগ পাবেন প্রতিষ্ঠান প্রধান ও কর্মকর্তারা। 

এইচএসসি-এমআইএস সফটওয়্যারের নির্ধারিত ওয়েবসাইটে (http://hspbd.com/HSP-MIS/login) ইউজার নেইম ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করে তথ্য অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

মতামত দিন
সাম্প্রতিক মন্তব্য
মোঃ মেহেদুল ইসলাম
০৮ জানুয়ারি, ২০২১ ০৩:৪৫ অপরাহ্ণ

দয়া করে আমার আপলোডকৃত ব্লগ দেখে লাইক,কমেন্ট ও রেটিং প্রদানের জন্য বিনীত অনুরোধ করছি। https://teachers.gov.bd/blog-details/588210


মোঃ মেরাজুল ইসলাম
০৮ জানুয়ারি, ২০২১ ০২:০৫ অপরাহ্ণ

স্যার আপনার কনটেন্ট অনেক সুন্দর হয়েছে। শ্রেণি উপযোগী ও মান সম্মত কনটেন্ট আপলোড করে বাতায়নকে সমৃদ্ধি করার জন্য ধন্যবাদ। লাইক ও পূর্ণ রেটিংসহ আপনার জন্য শুভ কামনা রইল।


মোঃ সাইফুর রহমান
০৭ জানুয়ারি, ২০২১ ১০:৪৬ অপরাহ্ণ

ম্যাম আপনার কনটেন্ট অনেক সুন্দর হয়েছে। শ্রেণি উপযোগী ও মান সম্মত কনটেন্ট আপলোড করে বাতায়নকে সমৃদ্ধি করার জন্য ধন্যবাদ। লাইক ও পূর্ণ রেটিংসহ আপনার জন্য শুভ কামনা রইল। এ পাক্ষিকে আমার আপলোডকৃত ৪৫তম কনটেন্ট,ভিডিও কনটেন্ট, ব্লগ দেখে লাইক ও রেটিংসহ আপনার মতামত দেওয়ার জন্য সবিনয় অনুরোধ করছি। স্যার আপনার সাফল্য কামনা করছি। ধন্যবাদ।