সেবার উচ্চতা দেখিয়েছিলেন মাদার তেরেসা

অচিন্ত্য কুমার মন্ডল ১৭ জানুয়ারি,২০২১ ১৫২ বার দেখা হয়েছে ১৯ লাইক ২২ কমেন্ট ৪.৭৬ (২১ )

সমাজের বিভিন্ন পর্যায়ে যারা অবহেলিত অনাথ, মাদার তেরেসা তাদেরই বেঁচে থাকার অনুপ্রেরণা জুগিয়েছেন, সাধারণ থেকে অসাধারণ হয়ে উঠেছেন। আজ ৫ সেপ্টেম্বর এ মহীয়সী নারীর মৃত্যুবার্ষিকী। ১৯৯৭ সালের এই দিনে তিনি মারা যান। তার পারিবারিক নাম অ্যাগনেস গনজা বয়াজু। সন্ন্যাসজীবনে তেরেসা নামটি নেওয়া হয়। জন্ম ১৯১০ সালের ২৬ আগস্ট বর্তমান মেসিডোনিয়ার রাজধানী স্কোপিয়েতে। তবে তিনি সন্ন্যাসজীবন গ্রহণের তারিখ ২৭ আগস্টকেই জন্মদিন মানতেন। 

তিনি ছিলেন নিকোলা ও দ্রানা বয়াজু দম্পতির কনিষ্ঠ সন্তান। তাকে ডাকা হতো অ্যাগনেস নামে। বাবা ছিলেন আলবেনীয় রাজনীতির একজন সক্রিয় কর্মী। মাত্র আট বছর বয়সে তিনি তার বাবাকে হারান। বাবার মৃত্যুর পর মা বয়াজু তাকে ক্যাথলিক আদর্শে লালন-পালন করেন। ছোট্ট অ্যাগনেস মিশনারিদের জীবন ও কাজকর্মের গল্প শুনতে ভীষণ ভালোবাসতেন। ১২ বছর বয়সেই তিনি ধর্মীয় জীবনযাপনের সিদ্ধান্ত নেন। ১৮ বছর বয়সে তিনি গৃহত্যাগ করে একজন মিশনারি হিসেবে যোগ দেন সিস্টার্স অব লোরেটোতে। মা-দিদিদের সঙ্গে আর কোন দিন দেখা হয়নি তার। পরের বছর সংগঠন তাকে ধর্মসেবার কাজে ভারতে পাঠায়। ১৯৩১ সালে প্রথম, তারপর ১৯৩৭ সালে কলকাতায় কনভেন্ট স্কুলে পড়ানোর সময় চূড়ান্তভাবে তিনি সন্ন্যাসব্রত গ্রহণ করেন। উপমহাদেশে মন্বন্তর ও সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় অসংখ্য মানুষের মৃত্যু তাকে বিচলিত করেছিল। ১৯৪৮ সালের ১৭ আগস্ট কনভেন্ট ছেড়ে তিনি বেরিয়ে পড়েন, ক্ষুধার্ত মানুষের জন্য হাত পাতেন দ্বারে দ্বারে। স্কুলে পড়াতে তার ভাল লাগলেও কলকাতার দারিদ্র্যে তিনি উত্তরোত্তর উদ্বিগ্ন হয়ে উঠতে লাগলেন। পঞ্চাশের মন্বন্তরে শহরে নেমে আসে অবর্ণনীয় দুঃখ আর মৃত্যু। ১৯৪৬ সালে হিন্দু-মুসলমান দাঙ্গাতেও বহু মানুষ মারা যান। এই সব ঘটনা তেরেসার মনে গভীর প্রভাব বিস্তার করে।

১৯৪৬ সালের ১০ সেপ্টেম্বর ধর্মীয় নির্জনবাসের জন্য দার্জিলিং যাওয়ার সময় তার মধ্যে এক গভীর উপলব্ধি আসে। এই অভিজ্ঞতাকে পরবর্তীতে ‘আহ্বানের ভিতরে আরেক আহ্বান’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছিলেন। এ নিয়ে তিনি আরও বলেছিলেন, ‘কনভেন্ট ত্যাগ করে দরিদ্রদের মাঝে বাস করা এবং তাদের সহায়তা করা আমার জন্য আবশ্যক ছিল। এটা ছিল এক সরাসরি আদেশ। এই আদেশ পালনে ব্যর্থ হওয়ার অর্থ ছিল বিশ্বাস ভেঙে ফেলা।’

১৯৪৮ সালে এই মোতাবেক দরিদ্রের মাঝে ধর্মপ্রচার কাজ শুরু করেন। প্রথাগত লোরেটো অভ্যাস ত্যাগ করেন। পোশাক হিসেবে পরিধান করেন নীল পারের একটি সাধারণ সাদা সুতির বস্ত্র। এ সময়ই ভারতীয় নাগরিকত্ব গ্রহণ করে বস্তি এলাকায় কাজ শুরু করেন। প্রথমে একটি ছোট স্কুল স্থাপনের মাধ্যমে শুরু করেছিলেন। পরবর্তীতে ক্ষুধার্ত ও নিঃস্বদের ডাকে সাড়া দিতে শুরু করেন। তাদের বিভিন্নভাবে সাহায্য করতে থাকেন। তার এই কার্যক্রম অচিরেই ভারতীয় কর্মকর্তাদের নজরে আসে। স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীও তার কাজের স্বীকৃতি দিয়েছিলেন।

প্রথম দিকের এই দিনগুলো তার জন্য বেশ কষ্টকর ছিল। এ নিয়ে ডায়রিতে অনেক কিছুই লিখেছেন। সে সময় তার হাতে কোন অর্থ ছিল না। গরীব এবং অনাহারীদের খাবার ও আবাসনের অর্থ জোগাড়ের জন্য তাকে দ্বারে দ্বারে ঘুরতে হতো। ধনী ব্যক্তিদের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করতে হতো। এসব কাজ করতে গিয়ে অনেক সময়ই হতাশা, সন্দেহ ও একাকিত্ব বোধ করেছেন। মাঝে মাঝে মনে হয়েছে, কনভেন্টের শান্তির জীবনে ফিরে গেলেই বোধহয় ভাল হবে। ডায়রিতে লিখেছিলেন, ‘ঈশ্বর চান যে, আমি এক বন্ধনমুক্ত সন্ন্যাসিনীই থাকি, ক্রুশ চিহ্নের দীনতা আমাকে আবৃত করে থাক। আজ একটা ভাল শিক্ষা পেলাম। গরিব লোকদের দারিদ্র্য কত কষ্টকর। যখন বাড়ি খুঁজে বেড়াচ্ছি, হেঁটে হেঁটে আমার গা-হাত-পা ব্যথা হয়ে যেত। আমি ভেবে দেখলাম, বাসস্থান, খাদ্য, সাহায্য কোথায় পাবে, তার চেষ্টাতেই গরিব মানুষদের দেহ এবং আত্মা কী যন্ত্রণা ভোগ করে। তখন প্রবল হয়ে উঠলো লোভ। লরেটোর প্রাসাদোপম গৃহগুলির কথা মনে উদয় হল। সুন্দরী, কী আরামদায়ক! আর কী চাই? কে যেন আমায় লোভ দেখাতে লাগল, একবার মুখ ফুটে চাইলেই, সে-সবই আবার ফিরে পাব। আমার প্রভু, নিজের ইচ্ছায়, তোমার প্রতি প্রেমে, আমি তাই করতে চাই, যা আমাকে দিয়ে তুমি করাতে চাও। এক বিন্দু অশ্রুও আমার চোখ থেকে আমি পড়তে দিলাম না।’

দুস্থ মানুষকে সহায়তা করার কাজটি তার কাছে নেশার মতো হয়ে গেল। আর্তমানবতার সেবা করার জন্যই যেন তার জন্ম হয়েছে। আজীবন এটাই তিনি করতে চান। এরপর সত্যি সত্যি তিনি সম্পূর্ণভাবে মানবসেবায় আত্মনিয়োগ করার সংকল্পে লোরেটো স্কুলের চাকরি ছেড়ে দিলেন। তিনি যখন লোরেটো স্কুলের চাকরি ছেড়ে দেন, তখন তার হাতে ছিল মাত্র পাঁচ টাকা। এ রকম নিঃস্ব অবস্থাতেই তিনি স্কুলের সাজানো ফুলের বাগান, স্নিগ্ধ পরিবেশ, সুখময় নিশ্চিন্ত জীবন ফেলে এসে আশ্রয় নিলেন শিয়ালদহ রেলস্টেশন-সংলগ্ন এক পুরনো ভাঙা বাড়িতে।

১৯৫০ সালের ৭ অক্টোবর তেরেসা ‘ডায়োসিসান ধর্মপ্রচারকদের সংঘ’ করার জন্য ভ্যাটিকানের অনুমতি লাভ করেন। এ সমাবেশই পরবর্তীতে মিশনারিস অফ চ্যারিটি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। কলকাতায় মাত্র ১৩ জন সদস্যের ছোট্ট অর্ডার হিসেবে চ্যারিটির যাত্রা শুরু হয়েছিল। বর্তমানে এর অধীনে ৪,০০০ এরও বেশি সন্ন্যাসিনী কাজ করছেন। চ্যারিটির অধীনে এতিমখানা ও এইড্‌স আক্রান্তদের পুনর্বাসন কেন্দ্র পরিচালিত হয়। বিশ্বব্যাপী শরণার্থী, অন্ধ, পক্ষাঘাতগ্রস্ত, বয়স্ক, মাদকাসক্ত, দরিদ্র্য, বসতিহীন এবং বন্যা, দুর্ভিক্ষ বা মহামারিতে আক্রান্ত মানুষের সেবায় চ্যারিটির সবাই অক্লান্ত পরীশ্রম করে যাচ্ছেন। ১৯৫২ সালে মাদার তেরেসা কলকাতা নগর কর্তৃপক্ষের দেয়া জমিতে মুমূর্ষুদের জন্য প্রথম আশ্রয় ও সেবা কেন্দ্র গড়ে তোলেন। পরবর্তীতে এই কেন্দ্রের নাম পরিবর্তন করে রাখেন ‘নির্মল হৃদয়’। এই কেন্দ্রে যারা আশ্রয়ের জন্য আসতেন তাদেরকে চিকিৎসা সুবিধা দেয়া হত এবং সম্মানের সাথে মৃত্যুবরণের সুযোগ করে দেয়া হয়। কিছু দিনের মধ্যেই তেরেসা হ্যানসেন রোগে (সাধারণ্যে কুষ্ঠরোগ নামে পরিচিত) আক্রান্তদের জন্য একটি সেবা কেন্দ্র খোলেন যার নাম দেয়া হয় ‘শান্তি নগর’। এক সময় শিশুর সংখ্যা অনেক বেড়ে যাওয়ায় তেরেসা তাদের জন্য একটি আলাদা হোম তৈরির প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন। এই অনুভূতি থেকেই ১৯৫৫ সালে ‘নির্মল শিশু ভবন’ স্থাপন করেন। এই ভবন ছিল এতিম ও বসতিহীন শিশুদের জন্য এক ধরনের স্বর্গ। 

অচিরেই মিশনারিস অফ চ্যারিটি দেশ-বিদেশের বহু দাতা প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির দৃষ্টি আকর্ষণে সমর্থ হয়। এর ফলে অনেক অর্থ সংগ্রহ করা সম্ভব হয়। ১৯৬০’র দশকের মধ্যে ভারতের সর্বত্র চ্যারিটির অর্থায়ন ও পরিচালনায় প্রচুর দাতব্য চিকিৎসা কেন্দ্র, এতিমখানা ও আশ্রয় কেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত হয়। ভারতের বাইরে এর প্রথম কেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬৫ সালে ভেনিজুয়েলায়। মাত্র ৫ জন সন্ন্যাসিনীকে নিয়ে সে কেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এরপর ক্রমান্বয়ে বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়ে। ১৯৬৮ সালে রোম, তানজানিয়া এবং অস্ট্রিয়াতে শাখা খোলা হয়। ১৯৭০’র দশকে এশিয়া, আফ্রিকা, ইউরোপ ও আমেরিকার কয়েক ডজন দেশে শাখা প্রতিষ্ঠিত হয়। এর সাথে অবশ্য তার দর্শন ও প্রায়োগিক দিক নিয়ে কিছু সমালোচনাও হয়। মাদার তেরেসার বিরুদ্ধে সমালোচকরা খুব কম তথ্যই হাজির করতে পেরেছিলেন। এ কথা স্বীকার করে নিয়েই ডেভিড স্কট বলেন, ‘মাদার তেরেসা স্বয়ং দারিদ্র্য বিমোচনের বদলে ব্যক্তি মানুষকে জীবিত রাখার উপর বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন।’ এ ছাড়া কষ্টভোগ বিষয়ে তার মনোভাবও সমালোচিত হয়েছে। অ্যালবার্টার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘তিনি মনে করতেন, কষ্টভোগের মাধ্যমে যীশুর কাছাকাছি যাওয়া যায়।’ এছাড়া ব্রিটিশ মেডিক্যাল জার্নাল ও দ্য ল্যান্সেট পত্রিকায় তার সেবা কেন্দ্রগুলোর চিকিৎসা সেবার মান নিয়ে সংশয় প্রকাশ করা হয়েছে। অনেকেই এক হাইপোডার্মিক সূচ একাধিক বার ব্যবহারের কথা বলেছেন। কেন্দ্রগুলোর জীবনযাত্রার নিম্নমানও সমালোচিত হয়েছে। তার উপর সংঘের অবস্তুবাদী দৃষ্টিভঙ্গি পদ্ধতিগত রোগ-নিরূপণকে প্রায় অসম্ভব করে তুলেছিল।

১৯৭৯ সালের ১৭ অক্টোবর তিনি তার সেবাকর্মের স্বীকৃতি হিসেবে নোবেল শান্তি পুরস্কার ও ১৯৮০ সালে ভারতের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান ‘ভারতরত্ন’ লাভ করেন। বিভিন্ন ব্যক্তি, সংস্থা ও একাধিক রাষ্ট্রের সরকার তার কাজের ভূয়সী প্রশংসা করে। কিন্তু কোন কোন ব্যক্তি বা সংস্থার সমালোচনার মুখেও তাকে পড়তে হয়। ক্রিস্টোফার হিচেন্স, মাইকেল প্যারেন্টি, অরূপ চট্টোপাধ্যায়, বিশ্ব হিন্দু পরিষদ প্রভৃতি ব্যক্তি ও সংস্থা জন্মনিরোধক এবং গর্ভপাতের বিষয়ে তার আপত্তি, দারিদ্র্যের আধ্যাত্মিক মাহাত্ম্যে তার বিশ্বাস ও মৃত্যুপথযাত্রীদের খ্রিস্টধর্মে দীক্ষিত করার সমালোচনা করেন।

বাংলাদেশে আর্তমানবতার সেবায় তিনি বারবার পাশে দাঁড়িয়েছেন। একাত্তর সালে বাংলাদেশে এসে তিনি নির্যাতিত নারী ও অনাথ শিশুদের জন্য গড়ে তোলেন চ্যারিটি মিশন। এসেছিলেন ১৯৯১ সালে ঘূর্ণিঝড়ের পরও। নোবেল পুরস্কারের অর্থ পেয়ে তিনি বলেছিলেন, ‘ভালোই হলো, এই টাকায় ফুটপাতের মানুষগুলোর জন্য কিছু করা যাবে।’ তিনি প্রায় ৮০০টি পুরস্কার পেয়েছিলেন।

১৯৮৩ সালে পোপ জন পল ২ এর সাথে দেখা করার উদ্দেশ্যে রোম সফরের সময় মাদার তেরেসার প্রথম হার্ট অ্যাটাক হয়। ১৯৮৯ সালে আবার হার্ট অ্যাটাক হওয়ার পর তার দেহে কৃত্রিম পেসমেকার স্থাপন করা হয়। ১৯৯১ সালে মেক্সিকোতে থাকার সময় নিউমোনিয়া হওয়ায় হৃদরোগের আরও অবনতি ঘটে। এই পরিস্থিতিতে তিনি মিশনারিস অফ চ্যারিটির প্রধানের পদ ছেড়ে দেয়ার প্রস্তাব করেন। কিন্তু চ্যারিটির নানরা গোপন ভোটগ্রহণের পর তেরেসাকে প্রধান থাকার অনুরোধ করে। অগত্যা তেরেসা চ্যারিটির প্রধান হিসেবে কাজ চালিয়ে যেতে থাকেন।

১৯৯৬ সালের এপ্রিলে পড়ে গিয়ে কলার বোন ভেঙে ফেলেন। আগস্টে ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হন। এর পাশাপাশি তার বাম হৃৎপিণ্ডের নিলয়, রক্ত পরিবহনে অক্ষম হয়ে পড়ে। ১৯৯৭ সালের ১৩ই মার্চ মিশনারিস অফ চ্যারিটির প্রধানের পদ থেকে সরে দাঁড়ান। সে বছর ৫ সেপ্টেম্বর তিনি মৃত্যুবরণ করেন। (সংকলিত)

সংগৃহীত 

মতামত দিন
সাম্প্রতিক মন্তব্য
Chameli Afroz
০৯ ফেব্রুয়ারি , ২০২১ ০৫:৪৪ অপরাহ্ণ

সম্মানিত শিক্ষক আমার বাতায়ন আইডিটি আপনার মূল্যবান সময় নিয়ে ঘুরে দেখার জন্য ধন্যবাদ। আপনার সু-পরামর্শ আমার আগামীর পথ চলার পাথেয়।


শাহেনা আক্তার
২৪ জানুয়ারি, ২০২১ ১০:৩৩ অপরাহ্ণ

পূর্ণ রেটিংসহ শুভ কামনা রইলো স্যার


মোঃ জোবায়ের হোসেন
২৩ জানুয়ারি, ২০২১ ০৭:১৩ পূর্বাহ্ণ

লাইক ও পূর্ণ রেটিংসহ আপনার জন্য শুভ কামনা রইল। এ পাক্ষিকে আমার আপলোডকৃত ৩১তম কনটেন্ট দেখে লাইক ও রেটিংসহ আপনার মতামত দেওয়ার জন্য সবিনয় অনুরোধ করছি।


নার্গিস খাতুন
২২ জানুয়ারি, ২০২১ ০১:৪০ অপরাহ্ণ

লাইক ও পূর্ণ রেটিংসহ আপনার জন্য শুভকামনা রইলো। আমার এ পাক্ষিকের আপলোডকৃত কনটেন্ট দেখে আপনার মূল্যবান মতামত ও পরামর্শ দেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি।


নির্মল কুমার রায়
২০ জানুয়ারি, ২০২১ ০৭:৩৪ পূর্বাহ্ণ

শুভ নববর্ষ। বাতায়নে সক্রিয় থাকায় আপনাকে -স্বাগত। আপনি মানসম্মত ও শ্রেণি উপযোগী কন্টেন্ট আপলোড করে বাতায়নকে সমৃদ্ধ করেছেন। আপনাকে অভিনন্দন। লাইক, কমেন্ট, পূর্ণ রেটিং সহ শুভ কামনা রইল সেই সাথে ১৯/০১/২০২১ তারিখে আমার আপলোডকৃত চতুর্থ শ্রেণির বাংলা বিষয়ের প্রথম অধ্যায় থেকে "বাংলাদেশের প্রকৃতি" (দ্বিতীয় অংশ) শীর্ষক কনটেন্টটি দেখে লাইক, রেটিং সহ আপনার অত্যন্ত মূল্যবান মতামত কামনা করছি।


নির্মল কুমার রায়
২০ জানুয়ারি, ২০২১ ০৭:৩২ পূর্বাহ্ণ

সম্মানিত শিক্ষক আমার বাতায়ন আইডিটি আপনার মূল্যবান সময় নিয়ে ঘুরে দেখার জন্য ধন্যবাদ। আপনার সু-পরামর্শ আমার আগামীর পথ চলার পাথেয়।


রাহিমা আক্তার
১৯ জানুয়ারি, ২০২১ ১২:২৩ পূর্বাহ্ণ

লাইক ও পূর্ণ রেটিংসহ আপনার জন্য শুভকামনা রইলো। আমার এ পাক্ষিকের আপলোডকৃত কনটেন্ট দেখে আপনার মূল্যবান মতামত ও পরামর্শ দেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি।


প্রদীপ কুমার রায়
১৮ জানুয়ারি, ২০২১ ১১:৪৩ অপরাহ্ণ

OK SIR


শাহানাজ বেগম
১৮ জানুয়ারি, ২০২১ ১১:০৫ অপরাহ্ণ

পুর্ন রেটিং সহ শুভকামনা রইল


হারুন অর রশিদ
১৮ জানুয়ারি, ২০২১ ০৯:৫৮ অপরাহ্ণ

পূর্ণ রেটিং সহ শুভকাম।


রেহানা আক্তার ঝর্ণা
১৮ জানুয়ারি, ২০২১ ০৯:৫২ অপরাহ্ণ

শুভকামনা


মোছাঃ শিরীন সুলতানা
১৮ জানুয়ারি, ২০২১ ০৯:৫০ অপরাহ্ণ

শুভ কামনা রইল।


মোছাঃ শিরীন সুলতানা
১৮ জানুয়ারি, ২০২১ ০৯:৪৮ অপরাহ্ণ

https://www.facebook.com/hasan.rakib.96/videos/3605299712898182/


লুৎফর রহমান
১৮ জানুয়ারি, ২০২১ ১২:০৩ অপরাহ্ণ

আসসালামু অ্যালাইকুম ওয়ারহমাতুল্লাহ। লাইক ও পূর্ণ রেটিংসহ আপনার জন্য শুভ কামনা রইলো। আমার এ পাক্ষিকে আপলোডকৃত ৫০ তম কনটেন্টটি দেখে লাইক,গঠন মূলক মতামত ও রেটিং প্রদানের জন্য বিনীত অনুরোধ করছি। কনটেন্ট লিংকঃ https://www.teachers.gov.bd/content/details/836568 Blog link: https://www.teachers.gov.bd/blog-details/589408


মোঃ সাইফুর রহমান
১৮ জানুয়ারি, ২০২১ ০৯:৩৭ পূর্বাহ্ণ

শ্রেণি উপযোগী ও মান সম্মত কনটেন্ট আপলোড করে বাতায়নকে সমৃদ্ধি করার জন্য ধন্যবাদ। লাইক ও পূর্ণ রেটিংসহ আপনার জন্য শুভ কামনা রইল। এ পাক্ষিকে আমার আপলোডকৃত "ট্রাপিজিয়ামের ক্ষেত্রফল" শিরোনামে ৪৬তম কনটেন্ট ও ব্লগ দেখে লাইক ও রেটিংসহ আপনার মতামত দেওয়ার জন্য সবিনয় অনুরোধ করছি। স্যার আপনার সাফল্য কামনা করছি। ধন্যবাদ।


আবু হানিফ
১৮ জানুয়ারি, ২০২১ ০৭:৫২ পূর্বাহ্ণ

শ্রেণি উপযোগী ও মান সম্মত কনটেন্ট আপলোড করে বাতায়নকে সমৃদ্ধি করার জন্য ধন্যবাদ। লাইক ও পূর্ণ রেটিংসহ আপনার জন্য শুভ কামনা রইলো। আমার আপলোডকৃত কনটেন্ট দেখে লাইক ও রেটিংসহ আপনার মতামত দেওয়ার জন্য সবিনয় অনুরোধ করছি। http://teachers.gov.bd/content/details/840972


মোঃ তারেকুন্নবী
১৮ জানুয়ারি, ২০২১ ১২:৫৪ পূর্বাহ্ণ

লাইক ও পূর্ণ রেটিংসহ আপনার জন্য শুভকামনা রইলো। আমার এ পাক্ষিকের আপলোডকৃত কনটেন্ট দেখে আপনার মূল্যবান মতামত ও পরামর্শ দেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি।


আব্দুল মাজিদ
১৮ জানুয়ারি, ২০২১ ১২:৩৩ পূর্বাহ্ণ

পূর্ণ রেটিংসহ আপনার জন্য শুভকামনা রইলো। আমার আপলোডকৃত কনটেন্ট দেখে আপনার মূল্যবান মতামত ও পরামর্শ দেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি।


শামছুন নাহার
১৮ জানুয়ারি, ২০২১ ১২:১০ পূর্বাহ্ণ

লাইক ও পূর্ণ রেটিংসহ আপনার জন্য শুভ কামনা রইল। এ পাক্ষিকে আমার আপলোডকৃত 28 তম কনটেন্ট দেখে লাইক ও রেটিংসহ আপনার মতামত দেওয়ার জন্য সবিনয় অনুরোধ করছি।


জুবায়েদা পারভিন
১৭ জানুয়ারি, ২০২১ ১০:৫৪ অপরাহ্ণ

রেটিং সহ শুভকামনা


মনির হোসেন হাওলাদার
১৭ জানুয়ারি, ২০২১ ১০:২৭ অপরাহ্ণ

রেটিং সহ শুভকামনা


মোছাঃ জেসমিন আক্তার
১৭ জানুয়ারি, ২০২১ ১০:২৪ অপরাহ্ণ

শুভকামনা