এলোভেরা রসের ৮ উপকারীতা জেনে নিই।

মোসাঃশারমিন আক্তার ২৭ ফেব্রুয়ারি ,২০২১ ১৭ বার দেখা হয়েছে লাইক ১১ কমেন্ট ৫.০০ ()

শরীরকে যদি চাঙ্গা রাখতে চান, তাহলে অ্যালোভেরার রস খাওয়া শুরু করে দিন। কারণ বেশ কিছু গবেষণায় একথা প্রমাণ হয়ে গেছে যে, ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে অ্যালোভেরার যেমন কোনও বিকল্প নেই, তেমনি এই প্রাকৃতিক উপাদানটিকে কাজে লাগিয়ে আরও অনেক রোগকেই দূরে রাখা সম্ভব। যেমন ধরুন...

হার্টের ক্ষমতা বাড়ে

বেশ কিছু স্টাডিতে দেখা গেছে, অ্যালোভেরা জুস খাওয়া মাত্র সারা শরীরে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্তের প্রভাব বেড়ে যায়, যে কারণে শরীরের প্রতিটি অঙ্গের পাশাপাশি হার্টের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পেতেও সময় লাগে না। সেই সঙ্গে রক্তে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রাও হ্রাস পায়। ফলে কোনও ধরনের হার্টের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা যেমন কমে, তেমনি হঠাৎ করে হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাও দূর হয়।

ক্ষতের চিকিৎসায় কাজে আসে

রোজের ডায়েটে এই প্রকৃতিক উপাদানটিকে জায়গা করে দিলে দেখবেন কখনও শরীরে কোনও চোট-আঘাত লাগলে সেই ক্ষত সারতে সময় লাগবে না। কারণ অ্যালোভেরা জুসে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান শরীরে প্রবেশ করা মাত্র এমন খেল দেখায় যে, যে কোনও ধরনের ক্ষত সারতে সময় লাগে না। প্রসঙ্গত, ক্ষতের উপরে অ্যালোভেরা জেল লাগালেও কিন্তু সমান উপকার পাওয়া যায়।

নানাবিধ হরমোনের ক্ষরণ ঠিক মতো হয়

একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত অ্যালোভেরা জেল খাওয়া শুরু করলে দেহের ভেতরে এমন কিছু পরিবর্তন হতে শুরু করে, যার প্রভাবে প্রয়োজনীয় হরমোনের ক্ষরণ ঠিক মতো হতে শুরু করে। ফলে হরমেনাল ইমব্যালেন্স হওয়ার মতো সমস্যা ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না। প্রসঙ্গত, প্যানক্রিয়াস সংক্রান্ত নানা রোগের চিকিৎসাতেও এই প্রকৃতিক উপাদানটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

পুষ্টির ঘাটতি দূর হয়

বেশ কিছু কেস স্টাডিতে দেখা গেছে, নিয়মিত এই প্রকৃতিক উপদানটি খাওয়া শুরু করলে শরীরের প্রয়োজনীয় ভিটামিন এবং মিনারেলের ঘাটতি দূর হয়। সেই সঙ্গে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের ঘাটতিও দূর হতে থাকে। প্রসঙ্গত, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হল সেই উপাদান, যা আমাদের শরীরকে রোগ মুক্ত রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। প্রসঙ্গত, অ্যালোভেরা জেলকে যদি তুলসি, করলা অথবা আমলকির রসের সঙ্গে মিশিয়ে খেতে পারেন, তাহলে আরও বেশি উপকার মেলে। সে ক্ষেত্রে ভিতর এবং বাইরে থেকে শরীরের ক্ষমতা তো বাড়েই, সেই সঙ্গে ছোট-বড় কোনও রোগই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না।

শরীর থেকে টক্সিক উপাদানেরা বেরিয়ে যায়

প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে এই রসটা যদি খেতে পারেন, তাহলে শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টর পরিমাণ এত বৃদ্ধি পায় যে দেহের প্রতিটি কোণায় জমতে থাকা টক্সিক উপাদানেরা বেরিয়ে যেতে শুরু করে। প্রসঙ্গত, এই সব টক্সিক উপাদানদের মাত্রা যদি বৃদ্ধি পেতে থাকে, তাহলে শরীরের প্রতিটি অঙ্গের কর্মক্ষমতা ধীরে ধীরে কমতে শুরু করে। ফলে নানাবিধ রোগ ঘারে চেপে বসতে সময়ই নেয় না। তাই বিষয়ে সাবধান থাকাটা জরুরি!

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটে

সুস্থভাবে দীর্ঘদিন যদি বাঁচতে চান তাহলে অ্যালোভেরা রস খেতে ভুলবেন না যেন! কারণ নিয়মিত এই প্রকৃতিক উপাদানটি গ্রহণ করলে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এতটা শক্তিশালী হয়ে ওঠে যে সর্দি-কাশি থেকে শুরু করে ছোট-বড় কোনও রোগই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না। সেই সঙ্গে সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও কমে।

হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে

শীত মানেই পিকনিক, সেই সঙ্গে এদিক-সেদিকের খাবার খাওয়া তো রোজের নিয়ম হয়ে দাঁড়ায়েছে। আর এমনটা করতে গিয়ে কি পেটের হাল বেজায় বেহাল হয়ে পরেছে? তাহলে তো আজ থেকেই অ্যালোভেরা জুস খাওয়া শুরু করতে হবে। কারণ এই প্রকৃতিক উপাদানটি শরীরে প্রবেশ করার পর পাচক রসের ক্ষরণ এতটা বাড়িয়ে দেয় যে বদ-হজমের মতো রোগ ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না। সেই সঙ্গে গ্যাস-অম্বল, অ্যাসিডিটি এবং কনস্টিপেশনের মতো সমস্যাও কমতে শুরু করে। এবার বুঝেছেন তো খাদ্যরসিকদের জন্য অ্যালোভেরা রস খাওয়ার প্রয়োজন

লোহিত রক্ত কণিকার উৎপাদন বেড়ে যায়

অনেক নারীই অ্যানিমিয়ায় ভুগছেন। এমন পরিস্থিতিতে অ্যালোভেরা প্লান্টের রস খাওয়ার প্রয়োজন যে বেড়েছে, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। কারণ এই প্রকৃতিক উপাদানটিতে উপস্থিত একাধিক উপকারি উপাদান দেহের ভেতরে প্রবেশ করার পর এমন খেল দেখায় যে লহিত রক্ত কণিকার উৎপাদন বাড়তে শুরু করে। ফলে অ্যানিমিয়ার প্রকোপ কমতে সময়ই লাগে না।

একুশে টিভি অনলাইন 

মতামত দিন
সাম্প্রতিক মন্তব্য
মোহাম্মদ শাহাদৎ হোসেন
১১ মার্চ, ২০২১ ০৫:৪৮ অপরাহ্ণ

লাইক ও পূর্ণ রেটিংসহ আপনার জন্য শুভকামনা রইলো। আমার আপলোডকৃত কনটেন্ট দেখে আপনার মূল্যবান মতামত ও পরামর্শ দেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি। ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন এবং নিরাপদে থাকবেন। আবারও ধন্যবাদ।


মোসাঃশারমিন আক্তার
১৫ মার্চ, ২০২১ ০১:৩৮ অপরাহ্ণ

ধন্যবাদ


শামছুন নাহার
২৮ ফেব্রুয়ারি , ২০২১ ০৫:২৮ অপরাহ্ণ

লাইক ও পূর্ণ রেটিংসহ আপনার জন্য শুভকামনা রইল।


মোসাঃশারমিন আক্তার
০৫ মার্চ, ২০২১ ০৯:৪৫ পূর্বাহ্ণ

Thanks


মোঃ নূরল আলম
২৭ ফেব্রুয়ারি , ২০২১ ১১:৫৯ অপরাহ্ণ

মান সম্মত লাইক ও পূর্ণ রেটিং সহ শুভ কামনা রইল। আমার বাতায়ন পেইজে আপনাকে আমন্ত্রন রইল।


মোসাঃশারমিন আক্তার
০৫ মার্চ, ২০২১ ০৯:৪৫ পূর্বাহ্ণ

Thanks


মোসাঃশারমিন আক্তার
০৫ মার্চ, ২০২১ ০৯:৪৫ পূর্বাহ্ণ

Thanks


মোহাম্মদ আমির হোসেন
২৭ ফেব্রুয়ারি , ২০২১ ০৬:৪৭ অপরাহ্ণ

ধন্যবাদ সঠিক তথ্য উপস্থাপনের জন্য ধন্যবাদ।


মোসাঃশারমিন আক্তার
০৫ মার্চ, ২০২১ ০৯:৪৫ পূর্বাহ্ণ

Thanks


লুৎফর রহমান
২৭ ফেব্রুয়ারি , ২০২১ ১২:৩৯ অপরাহ্ণ

লাইক ও পূর্ণ রেটিংসহ আপনার জন্য শুভ কামনা রইলো। আমার এ পাক্ষিকে আপলোডকৃত ৫৩ তম কনটেন্ট ও ব্লগ দেখে লাইক,গঠন মূলক মতামত ও রেটিং প্রদানের জন্য বিনীত অনুরোধ করছি। কনটেন্ট লিংকঃ https://www.teachers.gov.bd/content/details/880562


মোসাঃশারমিন আক্তার
০৫ মার্চ, ২০২১ ০৯:৪৫ পূর্বাহ্ণ

Thanks


মোসাঃশারমিন আক্তার
০৫ মার্চ, ২০২১ ০৯:৪৪ পূর্বাহ্ণ

Thanks