শিক্ষক দিবসে বিছনাকান্দির বুকে ডিজিটাল শিক্ষক গ্রুপ- সুনামগঞ্জ।।

জামিনুর রহমান ১৬ অক্টোবর,২০১৯ ৪০৭ বার দেখা হয়েছে ১৫ লাইক ৮০ কমেন্ট ৪.৬৪ (১৪ )

শিক্ষক দিবসে বিছনাকান্দির বুকে ডিজিটাল শিক্ষক গ্রুপ- সুনামগঞ্জ

ডিজিটাল শিক্ষক গ্রুপ¬¬-সুনামগঞ্জ।প্রতিদিনের মতো রাত নামলো,অমনি আইসিটি শিক্ষকদের নিয়ে গঠিত মেসেঞ্জার গ্রুপ টিংটং শব্দে নেচে উঠলো।যেহেতু এটা নিত্যকার অভ্যাস রাত ঘুমানোর আগে গ্রুপের সবার সাথে কথা না বললে যেন ঘুম আসেনা,এ গ্রুপ যেন একটি মাত্র দেহ,যে দেহে আইসিটি নামক রক্তের শ্রোতধারা প্রবাহমান।তাই এসময়ে গ্রুপের আড্ডায় যুক্ত হয়ে রিংটোন মিউট না করে উপায় নেই। চলছে আইসিটি আড্ডা,কারো সফলতার গল্প,কারো সমস্যার নিমিষেই সমাধান।সমস্যা নিয়ে কেউ এখানে ঘুমরোমুখ করে বসে থাকতে হয়না কেউ না কেউ সমাধান দিবেই।কারণ এ গ্রুপে আছে দেশ সেরা কন্টেন্ট নির্মাতা,আছে অনেক জেলা অ্যাম্বাসেডর।কোন সময় দেখা যায় সমাধান দিতে হুমড়ি খেয়ে পড়েন সুনামগঞ্জ আইসিটির দেশ সেরা আইকন শিক্ষকগণ।

আড্ডা,প্রশ্ন,সমাধান,গল্পের ফাকে হঠাৎ চলে এল ৫ই অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবসের কথা।সেরা কন্টেন্ট নির্মাতা ও সুনামগঞ্জ জেলা অ্যাম্বাসেডর মিসবাহ স্যার বললেন,"চলেন এই বিশ্ব শিক্ষক দিবসে কোথাও বেড়িয়ে আসি।"কি প্রস্থাব!!কবিরুল স্যার,নোমান স্যার,আল আমিন স্যারে সমর্থন আসতে দেরি হলোনা।সবাই যেন উৎসবে মেতে উঠলো।সবার মনে যেন আগেই এ বীজ রোপণ ছিল।পানির সাথে একটু আলোর ঝিলিকেই ভ্রমণ নামক উদ্ভিদের অংকোরোধগম হলো মুহুর্তেই। পুজার বন্ধ যেন আমাদের জন্য মেঘ না চাইতেই বৃষ্টি হয়ে ঝরে পড়লো।

সুন্দরবন যাবার প্রস্তাব এলো,সবাই একমত।সুন্দরবন সিলেক্ট হয়ে যাবে যাবে,এমন সময় খবর এল দেশ ঘূর্ণিঝড়ে আক্রান্ত।সুন্দরবন ভ্রমণ সুবিধাজনক হবেনা।কিন্তু তাই বলে কি এই আড্ডা,এই ভ্রমণ আর এবার হবেনা?এটা হতেই পারেনা।আমাদের জন্মভূমি প্রাণপ্রিয় বাংলাদেশ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপরূপ লীলাভূমি।যেদিকেই চোখ যাবে সেদিকেই অফুরন্ত সুখ,উল্ল্যাস নিয়ে বসে আছে প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য।এদেশেরপরতে পরতে মিশে আছে আমাদের হাজার বছরের ইতিহাস ও ঐতিহ্য।আমাদের সিলেটেই আছে অনেক প্রাকৃতিক বৈচিত্র্যময় লীলাভূমি।শাহজালাল,শাহপরান,বিছনাকান্দি জাফলং,সাদা পাথরের ভোলা গঞ্জ,রাতারগুল,চা বাগান,সুনামগঞ্জের নীলাদ্রিসহ হাজার হাজার দর্শনীয় প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি।প্রস্তাব;দূরে হলনা কাছে যাই?সীমানার কাছে?যার ওপারে যাওয়া আছে নিষেধ! কিন্তু এপারেতো আছে অনেক কিছু?ওখানেই উড়ে গিয়ে ঘুরে আসি অপার সৌন্দর্য্যের লীলাভূমি সিলেটের নয়নাবিরাম কোন দর্শনীয় স্থান।সবার ঐক্যমতে আনন্দ ভ্রমণের স্থান ঠিক হলো সিলেট জেলার সীমান্তবর্তী উপজেলা গোয়াইনঘাটের রুস্তুমপুর ইউনিয়নের সুনিবিড় ছায়াঢাকা বিছানা,ভারতের মেঘালয় পাহাড়ের পাদদেশে  ঝর্ণার শীতল স্বচ্ছজলের বয়ে যাওয়া বিছানাকান্দি।

৫ই অক্টোবর,২০১৯ইং।আজ বিশ্ব শিক্ষক দিবস।পাখি ডাকা ভোরে সুনামগঞ্জ জেলার বিভিন্ন উপজেলার আইসিটিপ্রেমি শিক্ষকদের ঘুম ভাঙলো।যদিও রাতে বিভিন্ন কাজে,পর দিনের ভ্রমণ নিয়ে প্রস্তুতি মুলক আলোচনা করে ঘুমাতে অনেক দেরি।ঘুম না ভেংগে কি পারে?আজ যে আনন্দের মেলা অপেক্ষা করছে!

সকাল ৭.৩০ ঘটিকায় সুনামগঞ্জ সদর আইসিটি দল মাইক্রোবাস চেপে ৮:১০টার দিকে জাওয়া,ছাতক থেকে আসা মাইক্রোর সাথে গোবিন্দগঞ্জ  মিলিত হয়ে তিনটি বাস পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী সকাল ৮:৩০টার দিকে একসাথে যাত্রা করলো সুনামগঞ্জ সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়ক চেপে সুর্যকে সামনে রেখে মাইক্রো বিভাগীয় শহর সিলেটের অভিমুখে। 

সিলেট এসে আইসিটি পাখির দল যাত্রাবিরতি করবে সিলেট পিটিআই।তাই আমি ও মাহফুজুল আলম নমির স্যার জগন্নাথপুর থেকে অনেক আগেই সিলেট পিটিআইয়ে এসে অপেক্ষমান।বিছানাকান্দির শীতল বিছানার পরশের অপেক্ষা আর সময়ের দ্রুত চলা যেন অসহ্য।তাই বার বার ফোনালাপ,আমাদের মাইক্রো এত দেরি কেন সিলেট পৌঁছাতে?মিসবাহ স্যার সারপ্রাইজ করতে জানালেন তারা বুজি এখনও অনেক দূরে।মুহুর্তেই অপেক্ষিত চোখের চাওয়া চাওয়ি ইতি টানতে হুম্মম্মম্ করে পিটিআইর গেইটে ডুকে আমাদের সাজানো মাইক্রো।এক এক করে সবাই গাড়ি হতে নেমে আসেন।উল্লাসে ফেটে পড়ে সিলেট পিটিআই প্রাঙ্গণ।বলে রাখা ভাল, গ্রুপে সবসময় কথা বললেও অনেকে আবার অনেকেরই সাথে ছিল প্রথম সাক্ষাৎ।তাই একে অন্যে পরিচয় করিয়ে দিলেন যথাসময়ে।

যাক,আমরা সবাই হুড়মুড় করে ডুকে পড়লাম সিলেট পিটিআইর অফিসে।এগিয়ে এলেন সবার প্রিয় মুখ,অত্যন্ত অতিথিপরায়ণ জনাব সাঈদ আলী কবির ভাই।কবির ভাইয়ের একটু পরিচয় দেওয়া ভাল।তিনি সিলেট পিটিআইর ডাটা এন্ট্রি অপারেটর। আইসিটিতে বিশেষ দক্ষ।তিনি একসময় প্রাইমারি স্কুল শিক্ষক ছিলেন। 

এখানে সাঈদ আলী কবির ভাইয়ের সৌজন্যে উষ্ণচায়ের কাপে চুমুক দিতে দিতে আইসিটি বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।কিছু সময়ের জন্য রসিকতাপূর্ণ হয়ে উঠে পিটিআই অফিস।সাঈদ ভাই একজন পরিশ্রমী,পরোপকারী,সাদা মনের মানুষ।তিনি অল্প সময়ে শিক্ষায় আইসিটির ব্যবহার ও প্রতিবন্ধকতা সম্পর্কে আলোচনা করেন।আইসিটিতে তার দক্ষতা,সক্ষমতা,কৃতিত্ব ও গবেষণার প্রমান পাই।তার ফোল্ডারে জমানো শিক্ষায় ব্যবহার যোগ্য আইসিটির ভান্ডার সম্পর্কে অবগত হলাম।

ঘড়ির কাটা যেন দ্রুতই ঘুড়ছে,তাই আমাদের দল সিলেটে যাত্রাবিরতি দ্রুত শেষ করে শহরের প্রাণকেন্দ্র জিন্দাবাজার এর অভিজাত রেস্টুরেন্ট #পানসী থেকে সকালের নাস্তা করে নিলাম।দুপুরের খাবার সংগ্রহ করে আমরা যাত্রা শুরু করলাম।যাতায়াতের একমাত্র রাস্তা উসমানি বিমান বন্দরের পাশ দিয়ে দুই পাশের ছোট টিলা মোড়ানো বৃক্ষ,সিলেটের ঐতিহ্য চা পাতায় সবুজে সবুজে ছায়া ঢাকা রাস্তা দ্রুত পিছনে ফেলে আমাদের গাড়ি চলল বিছনাকান্দি অভিমুখে।চলতে চলতে নমির স্যার,মিসবাহ স্যার,শাহিন স্যারের মুখরোচক কথায় আনন্দে ভরে উঠে আমাদের যাত্রা।আমাদের গাড়ি সবার সামনে তাই গাড়ির গ্লাসে মাঝেমধ্যে দেখা গেল পিছনের গাড়ির সহযাত্রীদের উচ্ছ্বসিত মুখ। যাত্রাপথ মোটামোটি সুবিধাজনক হওয়ায় সিলেটের জিন্দাবাজার থেকে আমরা প্রায় এক ঘণ্টায় পৌছে যাই নৌকাঘাট হাদারপাড়ে।হাদারপাড় গিয়েই চোখে পড়লো ইঞ্জিন চালিত সারি সারি নৌকা।এই নৌকা দিয়েই আঁকাবাকা নদী ফেরিয়ে বিছনাকান্দি যেতে হয়।

১২টার কাটা সামনেএকটু আগাতেই আমরা হাদারপাড়ে পৌঁছি।ওখানে আল আমিন স্যারের বন্ধু মানুষ বিছানাকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব নুরুল আমিন স্যার অপেক্ষারত ছিলেন।উল্লেখ্য নুরুল আমিন স্যার অত্যন্ত অথিতিপরায়ন মানুষ। কিন্তু ব্যক্তিগত বিশেষ কাজের কারণে আমাদের সময় দিতে না পারলেও সবকিছু বুঝিয়ে উনার স্টাফ সহকারী অত্যন্ত নম্র,ভদ্র, হাসিমাখা জনাব ইয়াহিয়া ভাইয়ের মাধ্যমে আমাদের নৌকায় যাতায়াতের ব্যবস্থা করে দেন।

পূর্বে ঠিক করে রাখা ২টা নৌকা করে বিছনাকান্দি মূল স্পটের দিকে যাত্রা করলাম।আমাদের মাঝে অনেকেরই নৌকা বেশ একটা চড়া হয়না।ইঞ্জিন চালিত নৌকায় চড়ে তাই উল্ল্যসিত ছিলেন অনেকেই।পাঠক আমরা নৌকা চালিয়ে যে নদীর বুক ছিড়ে আগাচ্ছি তার নাম জানা রাখা দরকার।এটা ভারতের মেঘালয় থেকে নেমে আসা ঝর্ণার স্রোতধারা যা হাদারপাড় এসেছে বিছানাকান্দি থেকে মাঝে একটু মোড় নিয়ে,এই নদীর নাম পিয়ান নদী।

পিয়াইনের বুকে পর্যটকের শত শত নৌকা দুরন্ত গতিতে যেন সাগরের উত্তাল ঢেউ তুলে এপার ওপার আনাগোনা করছে।নৌকা যুগে খানিকটা এগুতেই চোখে পড়ল সবুজে আচ্ছাদিত পাহাড়।নৌকা যতই আগাচ্ছিল ততই আকাশের নীলিমা আর সবুজ পাহাড় যেন আমাদের দিকেই অগ্রসর হয়ে অপরসীম খুশিতে উল্লাস করতে লাগলো। সবুজের বুক ছিড়ে শীতল ঝর্ণা বহুদুরে হলেও যেন অভিবাদন জানাতে উপছে পড়ল আমাদের হৃদয় চোখে।সবুজের একেবারে কাছে গিয়ে দু'হাতের আলিঙ্গনে যেন মিশে যেতে মন চায়।আমরা নদীর দুই পাশের সৌন্দর্য উপভোগ করতে করতে প্রায় ৪০-৪৫ মিনিট নৌকার বটবট শব্দ থামিয়ে যখন বিছনাকান্দি পৌছি তখন বেলা দুপুর ০১.১৩ মিনিট। 

বিছনাকান্দি নৌকা থামতেই আমাদের চঞ্চল মন আর বসে থাকতে চায়না।প্রকৃতির অপরুপ সৌন্দর্যকে আলিঙ্গন করতে যেন হৃদয় হাহাকার করে উঠলো।ভারতের উঁচু পাহাড়ের ঝর্ণা থেকে নেমে আসা স্বচ্ছ-শীতল জলধারা এবং দূরের আকাশচুম্বী পাহাড়ের সৌন্দর্য উপভোগ করতে দেরি যে কারো সহ্য হচ্ছেনা!চোখ জুড়ানো মায়ায় ঝাপ দিতে অশান্ত মন কোনমতে শান্ত করে সবাই দুপুরের খাবার সেরে নিলাম নৌকায় বসেই।

দুপুরের খাওয়া শেষে প্রকৃতির এই সৌন্দর্যকে নিজের করে নিতে সবাই ঝাপিয়ে পড়লাম পাহাড়ের নিচে গড়িয়ে আসা পাথর ঢাকা শীতল পানির উপর।মুহূর্তেই লম্বা ভ্রমণের ক্লান্তি উধাও হলো।সবাই তখন মায়াময় আনন্দঘন মুহুর্তে নিজেকে হারালেন অচিন রাজ্যে।ছাতা মাথায় দাঁড়িয়ে থাকা ক্যামেরাম্যান ছবি তুলে দিতে আসে এগিয়ে।এ ভ্রমণ ইতি হলে স্মৃতি যেন থাকে তাই হাতের উন্নত স্মার্টফোন ক্যামেরার সাথে ভাড়া নিলেন ডিএসএলআর ক্যামেরাম্যানদেরও।ছবি তোলতে লাগলেন নিজেদের ইচ্ছেমত।পাহাড়ি স্বচ্ছ জলধারায় উঁচু-নিচু পাথরগুলোকে দেখা যায় স্পষ্ট।নদীটির দুই পাশেও রয়েছে পাথরের সারি,স্পষ্টতই বুঝা যায় পাহাড় থেকে নেমেছে এই পাথর গুলো।উচু দু'পাহাড়ের মাঝে দিয়ে সামনের দিকে একটু দূরে তাকালে চোখে পড়ে সাদা মেঘ উপরে রেখে নিচে গড়াচ্ছে ঝর্ণা।মনকে উদাসীন করে সবার চোখ নিলো উঁচু পাহাড়ের আঁকাবাঁকা সবুজের ঐ চিরহরিৎ অরণ্যের বুকে।পর্যটকদের হাতের ক্যামেরাও ক্লিকে ক্লিকে বন্ধি করতে লাগলো পাথরের বুকে আমাদের বিচরণ।বাংলাদেশের একেবারে সীমানাঘেষা এই পর্যটন এলাকা বিছনাকান্দির অপারেই হাজার পাহাড়ে বেষ্টিত ভারতের মেঘালয় রাজ্য।মুলত মেঘালয়ের সারি সারি গাছ দিয়ে আচ্ছাদিত পাহাড়গুলো আর পাহাড়ি ঝর্ণার গড়িয়ে আসা শীতল পানি ও হরেক রকমের পাথর বিছনাকান্দিকে পর্যটন এলাকায় পরিণত করেছে।নদীতে সাতারকাটা আর হাঁটতে একটু সাবধানতা অবলম্বন করতে হয়,কারণ উচু পাহাড় থেকে পানির স্রোত হঠাৎ অনেক বেরে যায় এবং পানির নিচের পাথরগুলো উঁচু-নিচু ও খুবই পিচ্ছিল, স্রোতের সাথে পাথর গুলো নিচের দিকে গড়িয়ে সরে যায়।একটু অসাবধানতা টেলে দিতে পারে কোনো দুর্ঘটনার হাতে।দীর্ঘ সময় ঝর্ণা গড়ানো পানিতে সাতার কেটে উঠতে মন চায়না।কিন্তু সময় যে থেমে নেই।ফিরতে যে হবে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে যার যার বাসায়।তাই অনিচ্ছা সত্যেও মনকে জোড় করে সমাপ্তি দিতে হলো এ সারণীর।মূল স্পটের পাশেই রয়েছে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের বাজার যেখানে ভারতীয় পণ্য পাওয়া যায়।তেল, সাবান, ক্রীম, পারফিউম, বিস্কুট আর বিভিন্ন ধরণের চকলেটসহ নানান জাতের পণ্য।আমরা চাহিদামত কিছু পণ্য কিনে লোভের মুখে টোব দিয়ে যখন ফিরতে চাইলাম তখন সারাদিন প্রখর রোদ ছড়ানো সূর্যমামা প্রশ্চিমাকাশে নেমে বসুন্ধরায় সন্ধ্যা নামিয়ে দিলো।ফিরে আসতেই হবে,তাই আর কালবিলম্ব করা সমীচীন না।তাই প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য পাহাড়ের অসীম সবুজের সজীবতা আর অগভীর ক্লান্ত শরীর শান্ত করা শীতল জলের মায়ামোহ ত্যাগ করে অবশেষে নৌকা দিয়ে চলে এলাম আবার হাদারপাড়। 

হাদারপাড়ে এসে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভার পাশাপাশি সুনামগঞ্জ জেলাকে আইসিটিকে এগিয়ে নিতে বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন মিসবাহ স্যার,কবিরুল স্যার,অজয় স্যার,নমির স্যার, নোমান স্যার,আলআমিন স্যার,রোকশানা মেডাম প্রমূখ।নাসরিন মেডামের গানের কলি রস দিল আলোচনায়।দিনশেষে যখন সবাই কিছুটা হলেও ক্লান্ত তখনই চমৎকার পেকেটে আকর্ষণীয় আইসিটি বিষয়ক উপহার সবার হাতে তুলে দিয়ে চমকে দেন মিসবাহ স্যার।অক্লান্ত পরিশ্রম করে সুন্দর একটা মন মাতানো ভ্রমণ আয়োজনের জন্য সবাইকে জানালেন অভিনন্দন। 

এতক্ষণ যাদের নাম বললাম তাদের সাথে ডিজিটাল গ্রুপের শিক্ষকবৃন্দ শ্রদ্ধেয় জনাব কবিরুল ইসলাম , জনাব হারুন রশীদ,জনাব অজয় পাল,জনাব জাহাঙ্গীর হোসেন,জনাব রোকসানা ইয়াছমিন,জনাব মহিউদ্দিন,জনাব আবু তাহের,জনাব নূর মোহাম্মদ,জনাব সাজাদ মিয়া,জনাব আতাউর রহমান,জনাব অজয় ধর, জনাব আবুল কালাম আজাদ,জনাব সাবিহা সুলতানা,জনাব শিউলী মনি,জনাব পারভেজ আহমদ,জনাব নিজাম উদ্দিন,জনাব জমির হোসেন,জনাব রুহেনা আক্তার চায়না,জনাব আমিরুল ইসলাম সার্বক্ষণিক সরব থেকে আমাদের ভ্রমণকে করে তুলেছেন প্রাণবন্ত ও আনন্দঘন।

সারাদিনের অপরিমেয় কোলাহল আর স্মৃতির ভাণ্ডার ভরে যখন আমরা আবার সিলেট শহরে ফিরে কপির কাপে চুমুক দিলাম তখন এশারের আযানের ধ্বণী শুনা যাচ্ছিল।রাতের গভীরতার সাথে শেষ হলো শিক্ষক দিবসের আয়োজন।পিছনে রাখা হলো চিরস্বরণীয় করে রাখার মতো স্মৃতির সজীবতা।আরো মজবুত হলো আমাদের আইসিটি গ্রুপের বন্ধন।

লেখকঃ

জামিনুর রহমান জামিল

সহকারী শিক্ষক

পূর্ব কাতিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়

সহ সাহিত্য সম্পাদক,

বাংলাদেশ প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সমিতি

জগন্নাথপুর,সুনামগঞ্জ।

মতামত দিন
সাম্প্রতিক মন্তব্য
জামিনুর রহমান
২৭ অক্টোবর, ২০১৯ ০২:১৫ অপরাহ্ণ

সবাইকে মতামত দেবার অনুরোধ


ইয়ামিন হোসেন, সিরাজগঞ্জ
২৩ অক্টোবর, ২০১৯ ০৯:০৯ অপরাহ্ণ

ধন্যবাদ।


জামিনুর রহমান
২৭ অক্টোবর, ২০১৯ ০২:১৫ অপরাহ্ণ

ধন্যবাদ


জামিনুর রহমান
২৪ অক্টোবর, ২০১৯ ১১:২৫ পূর্বাহ্ণ

অনেক ধন্যবাদ স্যার আপনাকেও


নাসরীন আক্তার খানম
২৩ অক্টোবর, ২০১৯ ০৯:৪৫ পূর্বাহ্ণ

লেখাটি অত্যন্ত মনোমুগ্ধকর ও সৃজন্সীল,খুব ভাল লাগলো।


জামিনুর রহমান
২৭ অক্টোবর, ২০১৯ ০২:১৫ অপরাহ্ণ

অনেক ধন্যবাদ স্যার। আপনার সুন্দর মন্তব্য আমাকে সামনে যেতে অনুপ্রাণিত করবে। ভাল থাকবেন স্যার


জামিনুর রহমান
২৪ অক্টোবর, ২০১৯ ১১:২৪ পূর্বাহ্ণ

অনেক ধন্যবাদ স্যার। আপনার সুন্দর মন্তব্য আমাকে সামনে যেতে অনুপ্রাণিত করবে। ভাল থাকবেন স্যার


নাসরীন আক্তার খানম
২৩ অক্টোবর, ২০১৯ ০৯:৪৫ পূর্বাহ্ণ

লেখাটি অত্যন্ত মনোমুগ্ধকর ও সৃজন্সীল,খুব ভাল লাগলো।


জামিনুর রহমান
২৪ অক্টোবর, ২০১৯ ১১:২৪ পূর্বাহ্ণ

অনেক ধন্যবাদ স্যার। আপনার সুন্দর মন্তব্য আমাকে সামনে যেতে অনুপ্রাণিত করবে। ভাল থাকবেন স্যার


নাসরীন আক্তার খানম
২৩ অক্টোবর, ২০১৯ ০৯:৪৫ পূর্বাহ্ণ

লেখাটি অত্যন্ত মনোমুগ্ধকর ও সৃজন্সীল,খুব ভাল লাগলো।


জামিনুর রহমান
২৪ অক্টোবর, ২০১৯ ১১:২৩ পূর্বাহ্ণ

অনেক ধন্যবাদ স্যার। আপনার সুন্দর মন্তব্য আমাকে সামনে যেতে অনুপ্রাণিত করবে। ভাল থাকবেন স্যার


নাসরীন আক্তার খানম
২৩ অক্টোবর, ২০১৯ ০৯:৪৫ পূর্বাহ্ণ

লেখাটি অত্যন্ত মনোমুগ্ধকর ও সৃজন্সীল,খুব ভাল লাগলো।


জামিনুর রহমান
২৪ অক্টোবর, ২০১৯ ১১:২৩ পূর্বাহ্ণ

অনেক ধন্যবাদ স্যার। আপনার সুন্দর মন্তব্য আমাকে সামনে যেতে অনুপ্রাণিত করবে। ভাল থাকবেন স্যার


শাহরিণা বিণ সুইটি
২২ অক্টোবর, ২০১৯ ০৮:৪১ অপরাহ্ণ

পূর্ণ রেটিং সহ শুভকামনা। আমার আপলোডকৃত কন্টেন্ট দেখে রেটিং, কমেন্ট, লাইক প্রদানের বিনীত অনুরোধ করছি।


জামিনুর রহমান
২৩ অক্টোবর, ২০১৯ ১২:১৪ পূর্বাহ্ণ

অনেক ধন্যবাদ আপনার সুচিন্তিত মতামত প্রদানের জন্য। ভাল থাকবেন স্যার। সফলতা কামনা করছি


জামিনুর রহমান
২৩ অক্টোবর, ২০১৯ ১২:১৪ পূর্বাহ্ণ

অনেক ধন্যবাদ আপনার সুচিন্তিত মতামত প্রদানের জন্য। ভাল থাকবেন স্যার। সফলতা কামনা করছি


মোঃ জাকির হোসেন
২২ অক্টোবর, ২০১৯ ০১:০৬ অপরাহ্ণ

Congratulations


জামিনুর রহমান
২২ অক্টোবর, ২০১৯ ০১:৩৩ অপরাহ্ণ

স্যার কমেন্টের পাশাপাশি লাইক, রেটিং করার অনুরোধ


জামিনুর রহমান
২২ অক্টোবর, ২০১৯ ০১:৩০ অপরাহ্ণ

most welcome sir. Be happy wish u.tnq


আবুল হাছান মোঃ রফিকুল হক
২২ অক্টোবর, ২০১৯ ১২:২১ অপরাহ্ণ

পূর্ণ রেটিংসহ শুভ কামনা। সুন্দর লেখনীর জন্য ধন্যবাদ


জামিনুর রহমান
২২ অক্টোবর, ২০১৯ ০১:৩২ অপরাহ্ণ

ভালো থাকবেন


জামিনুর রহমান
২২ অক্টোবর, ২০১৯ ০১:৩০ অপরাহ্ণ

অনেক ধন্যবাদ প্রিয় বন্ধু। উৎসাহিত হলাম ।


মোঃ আমিনুল ইসলাম
২১ অক্টোবর, ২০১৯ ০৮:১২ পূর্বাহ্ণ

Congratulations


জামিনুর রহমান
২১ অক্টোবর, ২০১৯ ০২:১৬ অপরাহ্ণ

অনেক ধন্যবাদ রইল স্যা।


জামিনুর রহমান
২০ অক্টোবর, ২০১৯ ০৫:৩৩ অপরাহ্ণ

সবাইকে মন্তব্যএর সাথে রেটিং দেবার অনুরোধ


জামিনুর রহমান
২০ অক্টোবর, ২০১৯ ০৫:৩৩ অপরাহ্ণ

সবাইকে মন্তব্যএর সাথে রেটিং দেবার অনুরোধ


জামিনুর রহমান
২০ অক্টোবর, ২০১৯ ০৫:৩৩ অপরাহ্ণ

সবাইকে মন্তব্যএর সাথে রেটিং দেবার অনুরোধ


জামিনুর রহমান
২০ অক্টোবর, ২০১৯ ০৫:৩৩ অপরাহ্ণ

সবাইকে মন্তব্যএর সাথে রেটিং দেবার অনুরোধ


জামিনুর রহমান
২০ অক্টোবর, ২০১৯ ০৫:৩৩ অপরাহ্ণ

সবাইকে মন্তব্যএর সাথে রেটিং দেবার অনুরোধ


মোহাম্মদ আনোয়ার হোসাইন
২০ অক্টোবর, ২০১৯ ০৪:০৫ অপরাহ্ণ

Congratulations


জামিনুর রহমান
২০ অক্টোবর, ২০১৯ ০৫:২১ অপরাহ্ণ

So tnx. Be happy and success


মুহাম্মদ খালিদুর রহমান মানিক
২০ অক্টোবর, ২০১৯ ০৩:৫৫ অপরাহ্ণ

Congratulations


জামিনুর রহমান
২৭ অক্টোবর, ২০১৯ ০২:১৬ অপরাহ্ণ

অনেক ধন্যবাদ স্যার। আপনার সুন্দর মন্তব্য আমাকে সামনে যেতে অনুপ্রাণিত করবে। ভাল থাকবেন স্যার


জামিনুর রহমান
২০ অক্টোবর, ২০১৯ ০৫:২০ অপরাহ্ণ

Most welcome sir. Tnq so muc. Be happy


Md Nurul Amin
২০ অক্টোবর, ২০১৯ ১০:৫১ পূর্বাহ্ণ

ধন্যবাদ


জামিনুর রহমান
২০ অক্টোবর, ২০১৯ ০১:১৬ অপরাহ্ণ

আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ স্যার। ভালো থাকবেন


Md Nurul Amin
২০ অক্টোবর, ২০১৯ ১০:৫০ পূর্বাহ্ণ

ধন্যবাদ


জামিনুর রহমান
২০ অক্টোবর, ২০১৯ ০১:১৬ অপরাহ্ণ

আপনাকেও ধন্যবাদ স্যার


মোঃআবুল কাশেম
১৯ অক্টোবর, ২০১৯ ০৯:৪৯ অপরাহ্ণ

অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভুমি প্রকৃতি প্রেমীদের হাতছানী দিয়ে ডাকে যে স্থান দর্শনে চোখ জুড়িয়ে যায় সেখানে যাওয়া কতইনা আনন্দের ।সবাইকে প্রানঢালা অভিনন্দন ও একরাশ ফুলের শুভেচ্ছা।মোঃআবুল কাশেম সহকারি শিক্ষক লাকেশ্বর দাখিল মাদ্রাসা ছাতক সুনামগঞ্জ


জামিনুর রহমান
২০ অক্টোবর, ২০১৯ ০১:৪৪ অপরাহ্ণ

আপনার দীর্ঘ মন্তব্য আমাকে অনুপ্রাণিত কর। ভাল থাকবেন।


জামিনুর রহমান
২০ অক্টোবর, ২০১৯ ০৮:২৬ পূর্বাহ্ণ

স্যার আপনার মন্তব্য ভালো লাগলো । ধন্যবাদ


আব্দুল মাজিদ
১৯ অক্টোবর, ২০১৯ ০৬:০০ অপরাহ্ণ

পূর্ণ রেটিংসহ শুভ কামনা রইল। আমার কন্টেন্ট দেখে মতামত ও রেটিং দেওয়ার জন্য বিনীত অনুরোধ রইল।


জামিনুর রহমান
২৭ অক্টোবর, ২০১৯ ০২:১৬ অপরাহ্ণ

অনেক ধন্যবাদ স্যার। আপনার সুন্দর মন্তব্য আমাকে সামনে যেতে অনুপ্রাণিত করবে। ভাল থাকবেন স্যার


জামিনুর রহমান
১৯ অক্টোবর, ২০১৯ ০৬:১৭ অপরাহ্ণ

ধন্যবাদ আপনাকে । ভালো থাকবেন


মীর্জা মোঃ মাহফুজুল ইসলাম
১৯ অক্টোবর, ২০১৯ ০৪:৩৬ অপরাহ্ণ

অসাধারণ সুন্দর লেখা, শুভকামনা।


জামিনুর রহমান
২৭ অক্টোবর, ২০১৯ ০২:১৭ অপরাহ্ণ

অনেক ধন্যবাদ স্যার। আপনার সুন্দর মন্তব্য আমাকে সামনে যেতে অনুপ্রাণিত করবে। ভাল থাকবেন স্যার


জামিনুর রহমান
১৯ অক্টোবর, ২০১৯ ০৫:৫৩ অপরাহ্ণ

ধন্যবাদ স্যার। ভালো লাগলো।ভালো থাকবেই


মোঃ আবু তাহের
১৯ অক্টোবর, ২০১৯ ০৩:২৮ অপরাহ্ণ

বাহ! চমৎকার আপনার হাতের যাদু। ভালোই লেখেছেন। আপনার জন্য শুভ কামনা।


জামিনুর রহমান
১৯ অক্টোবর, ২০১৯ ০৫:৫১ অপরাহ্ণ

অনেকধন্যবাদ স্যা। ভালো থাকবেন


রোকসানা ইয়াসমিন
১৯ অক্টোবর, ২০১৯ ০১:৫১ অপরাহ্ণ

চমৎকার লেখা।


জামিনুর রহমান
২৭ অক্টোবর, ২০১৯ ০২:১৬ অপরাহ্ণ

অনেক ধন্যবাদ স্যার। আপনার সুন্দর মন্তব্য আমাকে সামনে যেতে অনুপ্রাণিত করবে। ভাল থাকবেন স্যার


জামিনুর রহমান
১৯ অক্টোবর, ২০১৯ ০২:১৮ অপরাহ্ণ

ধন্যবা। ভাল থাকবেন


রোকসানা ইয়াসমিন
১৯ অক্টোবর, ২০১৯ ০১:৪৮ অপরাহ্ণ

চমৎকার লেখা। শুভ কামনা রইলো।


জামিনুর রহমান
১৯ অক্টোবর, ২০১৯ ০২:১৮ অপরাহ্ণ

ধন্যবাদ স্যার। আপনার জন্য শুভ কামনা


মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন
১৯ অক্টোবর, ২০১৯ ০১:০৫ অপরাহ্ণ

চমৎকার লেখা। শুভ কামনা রইল।


জামিনুর রহমান
১৯ অক্টোবর, ২০১৯ ০১:০৮ অপরাহ্ণ

ধন্যবাদ স্যার


মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন
১৯ অক্টোবর, ২০১৯ ০১:০৫ অপরাহ্ণ

চমৎকার লেখা। শুভ কামনা রইল।


জামিনুর রহমান
১৯ অক্টোবর, ২০১৯ ০১:০৭ অপরাহ্ণ

অনেক ধন্যবাদ । ভালো থাকবেন


তাহমিনা বেগম
১৯ অক্টোবর, ২০১৯ ১২:০৬ অপরাহ্ণ

ভাল লাগলো স্যার এগিয়ে যান।


জামিনুর রহমান
১৯ অক্টোবর, ২০১৯ ১২:৪১ অপরাহ্ণ

ধন্যবাদ প্রিয় স্যার


শাহীন আলম
১৯ অক্টোবর, ২০১৯ ১১:৫৬ পূর্বাহ্ণ

অসাধারণ হাতের লিখনি। এগিয়ে যান।


জামিনুর রহমান
১৯ অক্টোবর, ২০১৯ ১২:৪৫ অপরাহ্ণ

ভাল থাকবেন


জামিনুর রহমান
১৯ অক্টোবর, ২০১৯ ১২:৪০ অপরাহ্ণ

ভাল লাগলো


শাহীন আলম
১৯ অক্টোবর, ২০১৯ ১১:৫৫ পূর্বাহ্ণ

পূর্ণ রেটিংসহ শুভ কামনা রইল। আমার কন্টেন্ট দেখে মতামত ও রেটিং দেওয়ার জন্য বিনীত অনুরোধ রইল।


জামিনুর রহমান
১৯ অক্টোবর, ২০১৯ ১২:৪০ অপরাহ্ণ

ধন্যবাদ স্যার।ভালো থাকবেন


মুহাম্মদ সজীবুর রহমান
১৯ অক্টোবর, ২০১৯ ১০:২০ পূর্বাহ্ণ

সত্যিই চমৎকার লেখা


জামিনুর রহমান
১৯ অক্টোবর, ২০১৯ ১২:৪৫ অপরাহ্ণ

ভাল থাকবেন স্যার


জামিনুর রহমান
১৯ অক্টোবর, ২০১৯ ১০:৪৯ পূর্বাহ্ণ

উৎসাহিত হলাম স্যার। আপনাকে ধন্যবাদ।আপনার জন্য শুভ কামনা


আবু নছর মোঃ ইব্রাহীম
১৯ অক্টোবর, ২০১৯ ০৯:৫৮ পূর্বাহ্ণ

অসাধারণ লেখা।অনেক ধন্যবাদ।


জামিনুর রহমান
১৯ অক্টোবর, ২০১৯ ১০:৫০ পূর্বাহ্ণ

ভাল থাকবেন স্যার


জামিনুর রহমান
১৯ অক্টোবর, ২০১৯ ১০:৪৮ পূর্বাহ্ণ

আলহামদুলিল্লাহ। প্রিন্সিপাল স্যারের মন্তব্য দেখে খুব খুশি হলাম। ধন্যবাদ স্যার।


মুহাম্মদ খালিদুর রহমান মানিক
১৮ অক্টোবর, ২০১৯ ১০:৫৩ অপরাহ্ণ

অভিনন্দন ও শুভকামনা


জামিনুর রহমান
১৯ অক্টোবর, ২০১৯ ০২:১৭ পূর্বাহ্ণ

অনেক ধন্যবাদ স্যার


মোঃ মাহফুজুল ইসলাম
১৮ অক্টোবর, ২০১৯ ০৬:১৯ অপরাহ্ণ

আপনার জন্য শুভকামনা রইল স্যা।


জামিনুর রহমান
২৭ অক্টোবর, ২০১৯ ০২:১৬ অপরাহ্ণ

অনেক ধন্যবাদ স্যার। আপনার সুন্দর মন্তব্য আমাকে সামনে যেতে অনুপ্রাণিত করবে। ভাল থাকবেন স্যার


জামিনুর রহমান
১৮ অক্টোবর, ২০১৯ ০৬:৩৯ অপরাহ্ণ

ধন্যবাদ স্যার


জাহাঙ্গীর হোসেন
১৮ অক্টোবর, ২০১৯ ১২:৪৯ অপরাহ্ণ

কলমে খুব জাদু আছে।পড়তে পড়তে আবার যেন চলে গেছিলাম সেই বিছনাকান্দি।


জামিনুর রহমান
১৮ অক্টোবর, ২০১৯ ০২:২১ অপরাহ্ণ

অনেক ধন্যবাদ স্যার।আপনার মন্তব্য আমাকে সাহিত্য আড্ডায় নিয়ে গেছে। আপনার জন্য রইল শুভকাম। ভাল থাকবেন


মিছবাহ উদ্দিন
১৮ অক্টোবর, ২০১৯ ১০:৫৩ পূর্বাহ্ণ

চমৎকার লেখনি না পড়লে মিস। সুদক্ষ লেখক হিসেবে স্বীকৃতি দিতেই হবে। অনেক ধন্যবাদ স্যার।


জামিনুর রহমান
২৭ অক্টোবর, ২০১৯ ০২:১৬ অপরাহ্ণ

অনেক ধন্যবাদ স্যার। আপনার সুন্দর মন্তব্য আমাকে সামনে যেতে অনুপ্রাণিত করবে। ভাল থাকবেন স্যার


জামিনুর রহমান
১৮ অক্টোবর, ২০১৯ ০২:২৩ অপরাহ্ণ

স্যার আপনার মন্তব্য আমাকে সবসময়ই অনুপ্রাণিত করে,এখানেও ব্যতিক্রম নয় । ধন্যবাদ আপনাকে