শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২০ উদযাপন করে ফেনী আলীয়া কামিল মাদ্রাসা, ফেনী

জিয়াউল হক ২১ ফেব্রুয়ারি ,২০২০ ২৭ বার দেখা হয়েছে লাইক কমেন্ট ৫.০০ ()

শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস- ২০২০

ঐতিহ্যবাহী ফেনী আলীয়া কামিল মাদ্রাসায় যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপিত হয় শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২০। এতে সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অত্র মাদ্রাসা অধ্যক্ষ জনাব মাহমুদুল হাছান মহোদয়। উক্ত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন শিক্ষকবৃন্দ ও শিক্ষার্থীরা। আলোচনা সভায় শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বক্তারা, তার সার সংক্ষেপ হল--------             

  একুশে ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের জনগণের গৌরবোজ্জ্বল একটি দিন। এটি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসাবেও সুপরিচিত। বাঙালি জনগণের ভাষা আন্দোলনের মর্মন্তুদ ও গৌরবোজ্জ্বল স্মৃতিবিজড়িত একটি দিন হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে। ১৯৫২ সালের এই দিনে (৮ ফাল্গুন১৩৫৮) বাংলাকে পূর্ব পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে আন্দোলনরত ছাত্রদের ওপর পুলিশের গুলিবর্ষণে কয়েকজন তরুণ শহীদ হন। তাদের মধ্যে অন্যতম হলো রফিক,জব্বার,শফিউল,সালাম,বরকত সহ অনেকেই। তাই এ দিনটি শহীদ দিবস হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে। ২০১০ খ্রিষ্টাব্দে জাতিসংঘ কর্তৃক গৃহীত সিদ্ধান্ত মোতাবেক প্রতিবছর একুশে ফেব্রুয়ারি বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করা হয়।

 ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারির সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা ১৪৪ ধারা অমান্য করে রাজপথে বেরিয়ে এলে পুলিশ তাদের ওপর গুলি চালায়। এতে আবুল বরকতআবদুল জব্বারআবদুস সালামসহ কয়েকজন ছাত্রযুবা হতাহত হন। এ ঘটনার প্রতিবাদে ক্ষুব্ধ ঢাকাবাসী ঢাকা মেডিকেল কলেজ হোস্টেলে সমবেত হয়। নানা নির্যাতন সত্ত্বেও ছাত্রদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষ প্রতিবাদ জানাতে পরের দিন ২২ ফেব্রুয়ারি পুনরায় রাজপথে নেমে আসে। তারা মেডিকেল কলেজ হোস্টেল প্রাঙ্গণে শহীদদের জন্য অনুষ্ঠিত গায়েবি জানাজায় অংশগ্রহণ করে। ভাষাশহীদদের স্মৃতিকে অমর করে রাখার জন্য ২৩ ফেব্রুয়ারি এক রাতের মধ্যে মেডিকেল কলেজ হোস্টেল প্রাঙ্গণে গড়ে ওঠে একটি স্মৃতিস্তম্ভ, যা সরকার ২৬ ফেব্রুয়ারি গুঁড়িয়ে দেয়। একুশে ফেব্রুয়ারির এই ঘটনার মধ্য দিয়ে ভাষা আন্দোলন আরও বেগবান হয়। ১৯৫৪ সালে প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট জয়লাভ করলে ৭ মে অনুষ্ঠিত গণপরিষদের অধিবেশনে বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। বাংলাকে পাকিস্তানের দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষা হিসাবে স্বীকৃতি দিয়ে সংবিধানে পরিবর্তন আনা হয় ১৯৫৬ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি।

১৯৮৭ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদে 'বাংলা ভাষা প্রচলন বিল' পাশ হয়। যা কার্যকর হয় ৮ মার্চ ১৯৮৭ সাল থেকে।

আলোচনা সভায় শিক্ষার্থীদের জন্য ভাষা দিবসের একটি কন্টেন্ট প্রদর্শন করা হয়। 

আলোচনা সভা শেষে শহীদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া পরিচালনা করেন উপাধ্যক্ষ জনাব এ.কে.এম আতিকুর রহমান।       

মতামত দিন
সাম্প্রতিক মন্তব্য
মোঃ নাজমুল হক
২১ ফেব্রুয়ারি , ২০২০ ০৫:২১ অপরাহ্ণ

রেটিং সহ শুভেচ্ছা। আমার কনটেন্ট দেখার আমন্ত্রণ রইলো।


মোঃ মেরাজুল ইসলাম
২১ ফেব্রুয়ারি , ২০২০ ১২:২৯ অপরাহ্ণ

আসসালামু আলাইকুম। শ্রদ্ধেয় প্যাডাগজি রেটার মহোদয়, এডমিন মহোদয়, সেরা কন্টেন্ট নির্মাতা মহোদয় এবং বাতায়নের সকল স্যার, ম্যাডামদের আমার আপলোডকৃত ৫৬ তম কনটেন্ট দেখার এবং মতামত প্রদানের জন্য বিনীত অনুরোধ রইল। আমার বাতায়ন আইডি - marajul.hobi@gmail.com . মোঃ মেরাজুল ইসলাম, সহকারী শিক্ষক বিরাট সারদা সুন্দরী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় । আজমিরী গঞ্জ , হবি গঞ্জ ।