সাইবার বুলিং, যাকে সাইবার বুলিং বা ভার্চুয়াল বুলিং বলা হয়, হ'ল হুমকি, হয়রানি, অবমাননা বা যেকোন ব্যক্তিগত আঘাত

Chameli Afroz ১৪ সেপ্টেম্বর,২০২১ ৩৫ বার দেখা হয়েছে লাইক কমেন্ট ৫.০০ ()

প্রিন্ট সংস্করণ বুলিং বলতে সাধারণত দুজন ব্যক্তির মধ্যে তর্ক বা কথা কাটাকাটির জেরে একজন ব্যক্তিকে সুনির্দিষ্টভাবে সবার সামনে দোষারোপ বা খারাপ ভাষায় আক্রমণ করা বোঝায়। আবার একজনের ছবি বা ভিডিও বিকৃত করে অনলাইনে তুলে ধরাও বুলিংয়ের মধ্যে পড়ে।সাইবার বুলিং’ হচ্ছে অনলাইনে কোনো শিশুকে প্রলুব্ধ বা হেয় প্রতিপন্ন করা, ভয় দেখানো এবং মানসিক নির্যাতন করা। শুরুতে কিশোর-কিশোরীরাই কেবল এ ধরনের কাজে জড়িত থাকে ভেবে বুলিং সংজ্ঞায়িত করা হলেও পরে দেখা যায় অনেক ক্ষেত্রে স্বনামে বা ফেক আইডির আড়ালে প্রাপ্তবয়স্ক অনেকেও এ ধরনের হীন কাজে জড়িত থাকে।সাইবার বুলিংয়ের ঘটনা বেশির ভাগ ক্ষেত্রে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে ঘটলেও ফোনে কিংবা ইমেইলেও অনেক সময় এ ধরনের নির্যাতনের ঘটনা ঘটে থাকে। সাইবার বুলিংয়ের কোনো সূত্র পাওয়া গেলে বা এ ধরনের ঘটনা একবার ঘটলে বিকৃত ও অসুস্থ মানসিকতার আরো অনেকের কাছে আক্রান্ত ব্যক্তির খোঁজ বা যোগাযোগের তথ্য চলে যায় বলে ধীরে ধীরে এর মাত্রা বাড়তেই থাকে। এর ক্রমবর্ধমান চাপে শিশুর মাঝে হতাশা,লেখাপড়ার প্রতি অনীহা, ইনসমনিয়া থেকে শুরু করে আত্মহত্যার প্রবণতা পর্যন্ত তৈরি হতে পারে।সাইবার বুলিং প্রতিরোধে এ বিষয়ে মা-বাবার ধারণা থাকা, সন্তান ইন্টারনেটে (কম্পিউটার এবং মোবাইলে) কী করছে তা জানা এবং সন্তানদের সাথে বন্ধুসুলভ সুসম্পর্ক বজায় রাখা উচিত।টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিমের দেওয়া তথ্য মতে, দেশের তিন-চতুর্থাংশ নারীই সাইবার নিপীড়নের শিকার।

সাইবার বুলিং, যাকে সাইবার বুলিং বা ভার্চুয়াল বুলিং বলা হয়, হ'ল হুমকি, হয়রানি, অবমাননা বা যেকোন ব্যক্তিগত আঘাতের মাধ্যমে কোনও ব্যক্তি বা একদল লোককে তাড়না ও হয়রানি করার জন্য ডিজিটাল মিডিয়া ব্যবহার করা is টেলিফোনি, ইন্টারনেট, অনলাইন ভিডিও গেমস, সোশ্যাল নেটওয়ার্ক ইত্যাদির মতো টেলিমেটিক যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমের মাধ্যমে অন্তরঙ্গ তথ্যের প্রকাশের অন্য ধরণের । এটি কোনও ফৌজদারি অপরাধ হতে পারে। সাইবার বুলিংয়ে বৈদ্যুতিন মাধ্যমে প্রক্রিয়া করা ঘন ঘন, পুনরাবৃত্তিক ক্ষতিতে জড়িত। বর্বরতা আক্রান্তদের আবেগজনিত উদ্বেগ, অস্থিরতা ও উদ্দীপনা জাগিয়ে তোলে এবং ইচ্ছাকৃতভাবে যোগাযোগের জন্য কোনও আসল উদ্দেশ্য নেই।

বুলিং বলতে সাধারণত ২ জন ব্যক্তির মধ্যে তর্ক বা কথা কাটাকাটির জেরে একজন ব্যক্তিকে সুনির্দিষ্টভাবে সবার সামনে দোষারোপ বা খারাপ ভাষায় আক্রমণ করাকে বোঝায়। আবার একজনের ছবি বা ভিডিও বিকৃত করে অনলাইনে তুলে ধরাও বুলিংয়ের মধ্যে পড়ে। ফেসবুক স্ক্রল করতে করতে দেখলেন যে, কেউ নেতিবাচক মন্তব্য করে অন্য আরেকজনকে আঘাত করছে। অথবা আপনার প্রিয় কারো গোপন তথ্য ফাঁস করে হুমকি দিচ্ছে। ইন্টারনেটকেন্দ্রিক এ ধরনরের কর্মকাণ্ডকে সাইবার বুলিং বুলিং বলা যায়।

অনেকেই ফেসবুক, ম্যাসেঞ্জার, টুইটার, হোয়াটসঅ্যাপসহ নানান প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে তারা সাইবার অপরাধীদের শিকারে পরিণত হচ্ছে। নারীরা ও শিশুরা এর প্রধান শিকার। কিশোর-কিশোরীরাই প্রথম দিকে এ ধরনের হয়রানির শিকার হচ্ছিল। এখন মধ্যবয়সিরাও এ ফাঁদে পা দিচ্ছেন।

ইউনিসেফের এক জরিপ অনুযায়ী, সাইবার বুলিংয়ের শিকার হওয়া ৩৮ শতাংশ মানুষের বয়স ১০-১৩ বছর, ৩৬ শতাংশের বয়স ১৪-১৫ বছর এবং ২৫ শতাংশের বয়স ১৬-১৭ বছর। ঢাকায় অনলাইনে হয়রানির শিকার নারীদের ৭০ শতাংশের বয়স ১৫-২৫ বছরের মধ্যে, বাংলাদেশসহ এশিয়ার কয়েকটি দেশের ওপর চালানো এক জরিপের বরাত দিয়ে ২০১৭ সালে বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়- এসব দেশে সাইবার বুলিংয়ের ঝুঁকি উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে এবং নারী ও অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোরীরা সবচেয়ে বেশি শিকার হচ্ছে বুলিংয়ের।

আপনি যদি একজন অভিভাবক হয়ে থাকেন, তাহলে আপনার সন্তানের ডিজিটাল বিহেভিয়ার লক্ষ করুন। অস্বাভাবিক আচরণ প্রত্যক্ষ করলে নিচের পদ্ধতি অনুসরণ করুন।

লক্ষ রাখুন

সন্তানের বা পরিবারের কোনও ছোট সদস্যের মেজাজ খুব দ্রুত পরিবর্তন ঘটছে কিনা খেয়াল রাখুন। এ মেজাজ খারাপের সাথে তার ডিজিটাল ডিভাইসের কোনও সম্পর্ক আছে কিনা বোঝার চেষ্টা করুন।

কথা বলুন

কথা বলে জানার চেষ্টা করুন কী ঘটেছে। কোনও ক্লু পেলে কিভাবে এ ঘটনার সূত্রপাত ঘটল, কে বা কারা এর সাথে জড়িত জানার চেষ্টা করুন।

প্রমাণ রাখুন

কোথায় কি ঘটছে তার রেকর্ড রাখুন। সম্ভব হলে ক্ষতিকর পোস্ট বা কমেন্টের স্ক্রিনশট নিয়ে রাখুন। বিভিন্ন আইন ও নীতিমালা বলে যে বুলিং সংঘটিত হয় এমন একটি অপরাধ, সুতরাং আপনি রেকর্ড রাখার সুযোগ নিশ্চয়ই পাবেন।

সাপোর্ট করুন ভিক্টিমকে

বুলিংয়ের শিকার কোনো ভিকটিমের জন্য সবচেয়ে জরুরি হচ্ছে সাপোর্ট। পরিবারের জুনিয়র সদস্যটির অস্বাভাবিক আচরণে ক্ষুব্ধ না হয়ে তার সমস্যাটি বোঝার চেষ্টা করুন। কীভাবে সে এ সমস্যা থেকে বের হয়ে আসতে পারবে সে ব্যাপারে তাকে সাহায্য করুন। সাহস জোগান, মনোবল অটুট রাখতে উৎসাহিত করুন।

প্রতিকারের চেষ্টা

অনলাইনে সহিংসতা ও সাইবার হয়রানির শিকার হলে আইনি সহায়তা নেয়ার জন্য কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইমের সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন ডিভিশন, সাইবার পুলিশ সেন্টার, হ্যালো সিটিঅ্যাপ, রিপোর্ট টু র‌্যাব অ্যাপ, ৯৯৯ এবং প্রতিটির ফেসবুক পেজেও অভিযোগ করতে পারেন। শিশুদের সহায়তায় ১০৯৮ নম্বরে, নারী ও শিশুদের সহায়তায় ১০৯ হটলাইনে ফোন করেও সেবা নেয়া যায়।সংগৃহিত

মতামত দিন
সাম্প্রতিক মন্তব্য
সন্তোষ কুমার বর্মা
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০৯:০৯ পূর্বাহ্ণ

লাইক ও পূর্ণ রেটিং সহ অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা আমার কনটেন্ট দেখার জন্য অনুরোধ করছি।


মোঃ মামুনুর রহমান
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০৮:৫৬ পূর্বাহ্ণ

মানসম্মত, দৃষ্টিনন্দন ও চমৎকার ব্লগ তৈরি করে শিক্ষক বাতায়নকে সমৃদ্ধ করার জন্য লাইক ও পূর্ণ রেটিংসহ শুভকামনা এবং আন্তরিক অভিনন্দন। এই পাক্ষিকে আমার আপলোডকৃত ৭২-তম কনটেন্ট ও ব্লগগুলোতে লাইক ও পূর্ণ রেটিং সহ গঠনমূলক মতামত এবং গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা প্রদানের জন্য আপনার নিকট ও বাতায়নপ্রেমী সকলের নিকট বিনীতভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি । বাতায়ন আইডি : mamunggghsc10 , My Content Link: https://www.teachers.gov.bd/content/details/1115838


ডিটু রায়
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ১১:৩৫ অপরাহ্ণ

লাইক ও পূর্ণ রেটিং সহ শুভকামনা রইল। আমার এ পাক্ষিকে আপলোডকৃত কনটেন্টটি দেখে লাইক,গঠন মূলক মতামত ও পূর্ণ রেটিং প্রদানের জন্য বিনীত অনুরোধ করছি।  কনটেন্ট লিংকঃ https://www.teachers.gov.bd/content/details/1114146 বাতায়ন আইডিঃ https://www.teachers.gov.bd/profile/ditu.ray


লুৎফর রহমান
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ১১:৩৩ অপরাহ্ণ

Best wishes with full ratings. Sir/Mam. Please give your like, comments and ratings to watch my all contents PowerPoint, blog, image, video and publication of this fortnight. Link: PowerPoint: https://www.teachers.gov.bd/content/details/1114759 Blog: https://www.teachers.gov.bd/blog-details/621422 Video: https://www.teachers.gov.bd/content/details/1110246 Video 2: https://www.teachers.gov.bd/content/details/1123933 Publication: https://www.teachers.gov.bd/content/details/1114058 Batayon ID: https://www.teachers.gov.bd/profile/Lutfor%20Rahman