Loading..

ব্লগ

রিসেট

২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০৪:৩৬ অপরাহ্ণ

অজু ভঙ্গের কারনসমুহ এবং ওযুর মাকরুহসমুহঃ-

অজু ভঙ্গের কারনসমুহ এবং ওযুর মাকরুহসমুহঃ-

অজু ভঙ্গের মৌলিক ও প্রধান কারণ ৭টি। যথা-

(১) পায়খানা ও পেশাবের রাস্তা দিয়ে কোনো কিছু বের হওয়া

পায়খানা ও পেশাবের রাস্তা দিয়ে কোনো কিছু বের হওয়া। যেমন বায়ু, পেশাব-পায়খানা, পোকা ইত্যাদি।

পবিত্র কোআনে ইরশাদ হয়েছে, ‌তোমাদের কেউ প্রসাব-পায়খানা সেরে আসলে (নামাজ পড়তে পবিত্রতা অর্জন করে নাও) (সুরা মায়িদা-৬)

হযরত আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত। নিশ্চয় রাসুল (সা.) ইরশাদ করেছেন, শরীর থেকে যা কিছু বের হয়, তার কারণে অজু ভেঙে যায়...।

(২) রক্ত, পূঁজ, বা পানি বের হয়ে গড়িয়ে পড় ।

হযরত আব্দুল্লাহ বিন উমর (রা.)-এর যখন নাক দিয়ে রক্ত ঝড়তো, তখন তিনি ফিরে গিয়ে অজু করে নিতেন।

(৩) মুখ ভরে বমি করা।

হযরত আয়শা (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুল (সা.) ইরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তির বমি হয়, অথবা নাক দিয়ে রক্ত ঝরে, বা মজি (সহবারের আগে বের হওয়া সাদা পানি) বের হয়, তাহলে ফিরে গিয়ে অজু করে নিবে।

(৪) থুথুর সঙ্গে রক্তের ভাগ সমান বা বেশি হওয়া।

হাসান বসরি (রহ.) বলেন, যে ব্যক্তি তার থুথুতে রক্ত দেখে তাহলে থুথুতে রক্ত প্রবল না হলে তার ওপর অজু করা আবশ্যক হয় না।

(৫) চিৎ বা কাত হয়ে হেলান দিয়ে ঘুম যাওয়া।

হযরত ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত। রাসুল (সা.) ইরশাদ করেছেন, সিজদা অবস্থায় ঘুমালে অজু ভঙ্গ হয় না, তবে চিৎ হয়ে শুয়ে পড়লে ভেঙ্গে যাবে, কেননা চিৎ বা কাৎ হয়ে শুয়ে পড়লে শরীর ঢিলে হয়ে যায়।

(৬) পাগল, মাতাল বা অচেতন হলে।

হযরত হাম্মাদ (রহ.) বলেন, যখন পাগল ব্যক্তি সুস্থ্ হয়, তখন নামাজের জন্য তার অজু করতে হবে।

(৭) নামাজে উচ্চস্বরে হাসি দিলে।

হযরত ইমরান বিন হুসাইন (রা.) থেকে বর্ণিত। রাসুল (সা.) ইরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি নামাজে উচ্চস্বরে হাসে, সে ব্যক্তি অজু ও নামাজ পুনরায় আদায় করবে। হযরত হাসান বিন কুতাইবা (রহ.) বলেন, যখন কোনো ব্যক্তি উচ্চস্বরে হাসি দেয়, সে ব্যক্তি অজু ও নামাজ পুনরায় আদায় করবে।

ওজুর মাকরূহসমূহ
.
ওযু শুরু করার সময় বিসমিল্লাহ না বলা ।

 
২. প্রয়োজনের বেশি পানি ব্যয় করা।

৩.
 প্রয়োজনের চেয়ে কম পানি ব্যয় করা।

৪.
 মুখমণ্ডলে এমনভাবে পানি নিক্ষেপ করা যে, পানির ছিঁটা অন্যত্র পড়ে।

৫.
 ওজুর সময় অপ্রয়োজনীয় কথা-বার্তা বলা।

.
 ওজুর সময় বিনা ওজরে অন্যের সাহায্য নেয়া।

৭.
   নতুন পানি নিয়ে তিনবার মাথা মাসেহ করা।

.  নাপাক স্হানে বসে ওজু করা । 

মন্তব্য করুন