সিনিয়র শিক্ষক
০৮ জানুয়ারি, ২০২২ ০৬:১৪ অপরাহ্ণ
সিনিয়র শিক্ষক
নিম্নে প্রদত্ত স্থানীয় সময় ও প্রমাণ সময়ের সংজ্ঞা ভালোভাবে বুঝলেই এই স্থানীয় সময় ও প্রমাণ সময়ের মধ্যে পার্থক্য বোঝা যাবে।
পৃথিবীর পূর্বদিকে অবস্থিত দেশগুলোতে প্রথমে সূর্যোদয় হয়। পৃথিবীর আবর্তনের ফলে কোনো স্থানের সূর্য যখন ঠিক মাথার উপরে আসে বা সর্বোচ্চ উচ্চতায় অবস্থান করে তখন সে স্থানে মধ্যাহ্ন এবং ঘড়িতে বেলা ১২টা ধরা হয় এবং এ সময় থেকে দিনের অন্যান্য সময় স্থির করা হয়। এভাবে আকাশে সূর্যের অবস্থান হতে যে সময় স্থির করা হয় তাকে স্থানীয় সময় বলা হয়।
অন্যভাবে বলা যায়, আকাশে সূর্যের উন্নতি লক্ষ্য করে সেক্সট্যান্ট যন্ত্রের সাহায্যে যে সময় নির্ধারণ করা হয় তাকে স্থানীয় সময় বলে। একটি দেশের বিভিন্ন স্থানের দ্রাঘিমা এক নয়। কোনো নির্দিষ্ট স্থানের স্থানীয় সময় নির্ণয় করার জন্য ঐ স্থান হতে সূর্যের অবস্থান দেখে করা যায়। এ ছাড়া ঐ দেশের প্রমাণ সময় যে দ্রাঘিমা থেকে করা হয়েছে তা থেকে ঐ নির্দিষ্ট স্থানের দ্রাঘিমা বাদ দিলেও প্রাপ্ত দ্রাঘিমার ভিত্তিতে স্থানীয় সময় নির্ধারণ করা যায়। ১° (এক ডিগ্রি) দ্রাঘিমার জন্য সময়ের ব্যবধান ৪ মিনিট এবং ১ মিনিট
দ্রাঘিমার জন্য ৪ সেকেন্ড।
একই দ্রাঘিমায় অবস্থিত সব স্থানে একই সময় মধ্যাহ্ন হয়; সুতরাং তাদের স্থানীয় সময় এক। কিন্তু একই অক্ষরেখায় অবস্থিত বিভিন্ন স্থানের স্থানীয় সময় এক হয়না। ফলে সময়ের বিভ্রাট দেখা দেয়। সেজন্য প্রত্যেক দেশেই একটি করে প্রমাণ সময় নির্ণয় করা হয়।
প্রত্যেক দেশেই সেই দেশের মধ্যভাগের কোনো স্থানের দ্রাঘিমারেখা অনুযায়ী যে সময় নির্ণয় করা হয় সে সময়কে ঐ দেশের প্রমাণ সময় বলে।
যেমন- বাংলাদেশের প্রমাণ সময় ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমায় ধরা হয় এবং তা গ্রিনিচ সময় অপেক্ষা ৬ ঘণ্টা বেশি।
প্রমাণ সময় কো দেশের একটি দ্রাঘিমাকে ঠিক করে নির্ধারণ করা হয়। বৃহৎ দেশসমূহে তাদের কয়েকটি স্থানীয় সময়কে প্রমাণ সময় হিসেবে ধরা হয়।
৫
৫ মন্তব্য