Loading..

ব্লগ

রিসেট

১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ ০৮:০৫ অপরাহ্ণ

হোমিও প্যাথিক চিকিৎসায় অতি প্রয়োজনীয় ও গুরূত্ব পূর্ণ কোভিড ১৯ এর চিকিৎসায় আর্সেনি অ্যালবাম(arsenicum album).যে সব রোগে ব্যবহার্যঃ( ১)হাঁপানি ২)

নিম্ন প্রকৃতির রোগ টাইফয়েড অবস্থা।অত্যাধিক প্রাখ র্যতা পূর্ণ প্রদাহ ও তার সাথে টিসু বা কলা ধবংস করার প্রবনতা আর্সেনিকেরআবসাদ ল ক্ষ ণীয় এর সাথে ঘোরা ফেরার ইচ্ছা অথবা অবিরত ঘোরাফেরা করা।রোগী সামান্য পরিশ্রমে অত্যাধিক ক্লান্ত হয়ে পড়ে। রোগী যখন শুয়ে থাকে তখন কোন ক্লান্তিবোধ করে না,কিন্তু সে সামান্য চলা ফেরা  করে তবে নিজেকে খুবই দূর্বলঅনুভব করে।

সম্বন্ধঃ ক্রিয়ানাস করে বিষাক্ত মাত্রায় দু গ্ধ অ্যাল্বুমেন,স্নিগ্ধ কারক পানীয়ে,স রিষা,সালফেট, অব জিন্ধ অথবা সালফেট অব কপারের পরবমিকারকের ক্ষেত্রে কাস্টর অয়েল সব চেয়ে ভালো বিরেচক ঔষধ। রাসায়নিক ক্রিয়ানাস ক রে জ্যান্তব কাঠ কয়লা লোহায় হাইডেসারপার অক্সাইড,ম্যাগনেসিয়া, চুনের পানি।

কারণঃপানির মধ্যে শীতে কম্পন ঠান্ডা, কাশি, মাতা ব্যথা, জ্ব্‌র, সবিরাম জ্বর,

বরফ খাওয়া নিম্ন মানের খাবার ।ফল খাওয়া থেকে অসুস্থ, অতিরিক্ত মদ্যপান।

তামাক ব্যবহার কুফল , সমুদ্রস্নান, সমুদ্রে ভ্রমন, পর্বতারোহনে,। পরিশ্রম, ক্রোধ

 থেকে অজ্ঞান ,উদ্ধেগ, দুঃখ, আতঙ্ক।

আর্সেনিক যে সব ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলেঃ মনঃমস্তক, চোখ, কান, মূখ মন্ডল, দাঁত,

মূখ বিবর, গ্লদেশ, পাকস্থলী, তলপেট,মল ওমলদ্বার, প্রস্রাব যন্ত্র,বুক,হার্ট,গ্রীবা ও পিঠ,উপর বাহু, নিম্ন বাহু, সার্ব দৈহিক, লক্ষন , চামড়া, নিদ্রা,ইত্যাদি।

নিম্নে আর্সেনিকের দ্বারা চিকিৎসা

করা হয়ে থাকে তার মধ্যে এই গুলোর নাম উল্লেখ্য করা হলো।

ক্ষুধাঃ মুখে তিক্ত আস্বাদ, প্রধানত সকালে পান ও আহারের পর ।সংকোচক  ঔষধ অথবা ফুটগন্ধ অম্ল আস্বাদ  মূখে,খাদ্য এসিডের মতো স্বাধীন অতিরিক্তলব ন যুক্ত।খাদ্যস্বাদ হীন, খাদ্যের তিক্ত আস্বাদ, বিশেষ করে রোটি ও মদে।ভ য়ান ক জ্বালা শ্বাস বদ্ধকর ও দুদমনীয় পিপাসা যার ফলে তাকে অবিরত জল পান করতে  হয়কিন্তু প্রতিবার সামান্য পান করে।

পাকস্থলীঃ ঘন ঘন ঢেকুর ওঠে, বিশেষত পান অথবা আহারের পর, অধিকাংশ

ক্ষেত্রে শূন্য, অম্ল অ থবা তিক্ত। মিউকাস।কটুগুনের বস্তুর উদিগরন অথবা তিক্ত সবুজ জাত মিউকাস।ঘন ঘন আক্ষেপিক হিককা প্রধানত রাতে।ঘন ঘন এবং

অত্যাধিক বমনেচ্ছা,সময় সময় উদগীরন এমন কি গলা থেকে সেই সাথে বমির প্রবনতা।

প্রস্রাযন্ত্রঃ প্রস্রাব বন্ধ  যেন মুত্র থলির পক্ষাঘাত থেকে ঘন ঘন প্রস্রাব ত্যাগের ই চছা,এমনকি রাতে ও তার সাথে প্রচুর প্রস্রাব হয়। অনিচ্ছায় মূত্রস্রাব যা প্রায় অ সাড়ে হয়ে থাকে। এম ন কি রাতে বিছানায় ক ষ্ট ক র ও ব্যথা পূর্ণ ভাবে প্রস্রাব

নিগর্ত।প্রস্রাব সামান্য গাঢ় হলুদ বর্নের।

বুকঃ ঘন ঘন শ্বাস প্রশ্বাস,  কষ্ট শ্বাস বন্ধ হওয়ার উপক্রম,শ্বাসকৃচ্ছতা,এবংশ্বাস বন্ধ হওয়ার আক্রমন,সময় সময় ঠান্ডা ঘাম,বুকের আক্ষেপিক সংকোচন।

তলপেটঃলিভার অঞ্চলে সংকোচন। প্লীহার স্ফীতি।তলপেটে অত্যধিকব্যথা,প্রধান ত বাম পাশে এবংপ্রায়ই তার সাথে তলপেটে নিদারূন যন্ত্রনা।উদরে জল জমা।

উদর শোথের ন্যায় তলপেট ফোলা।

হার্টঃ হার্ট ভয়ান ক ও অসমর্থনীয় দপদপানি ,প্রধানত যখন চিৎ হয়ে শুয়ে থাকে এবংবিশেষ করে রাতে। হার্টে র অনিয়মিত বিট ,সময় সময় তার সাথেতীব্র

মনঃকষ্ট। হার্টে খালধরা।হার্টে বিট উত্তেজিত।বুক ধড়ফড়ানি তার সাথে নিদারূন

মানসিক যন্ত্রণা।

জ্বরঃসম্পূর্ণ দেহের উপর ঠান্ডা,সময় সময় তার সাথে ঠান্ডা ও আঠালো ঘাম।

সাধারন  শীতলতা,চামড়ার শুস্কগতা পার্চমেন্ট কাগজের মতো অথবা তার

সাথে অত্যধিক ঠান্ডা, আঠালো ঘাম।পিপাসা ছাড়া শীতার্ততা,পান করার পর কষ্ট

সেই সাথে বাহু সমূহের বিস্তারন ও অস্থির তা,একই সময়ে বাইরে তাপ যখন মুক্ত বাতাসের মধ্যে হাঁটে।শীতে ও ভয়বশত কম্পিত হওয়া প্রাধনত সন্ধ্যায়বিছানায়

অথবা মুক্ত বাতাসে হাঁটলে।পান বা আহার করার পর এবংপ্রায়ই তার সাথে অ ন্যান্য কষ্ট গুলোর সাথে বিদ্যমান যেমন বাহুর তীক্ষনব্যথা,মাথাব্যথা,বক্ষেরচাপ

এবংশ্বাস-প্রশ্বাসেরকষ্ট,বাহুর মধ্যে টেনে ধরা, উৎকন্ঠা ও অস্থিরতা।বিশ্বজনীন তাপ, প্রধানত রাতে এবং প্রায়ইমাথা ঘোরা,মাথাঝিম ঝিম করাবক্ষে চাপ ও কাঁটা বিদ্ধ মতো, চামড়া লাল বর্ণ ইত্যাদি।

চামড়াঃদেহের চামড়া থেকে শক্লপাত।চামড়াপার্চমেন্ট কাগজের মতো শুক্ল,ঠান্ডা

ও নীলাভ। গ্রাত্র চামড়ার হলুদাভ রর্ণ।চামড়ার মধ্যে চুলকানি, চিড়িকমারা ব্যথা ও ভয়াণক জ়্বালা।চামড়ায় লাল অথবা নীলাভ দাগ।লাল বর্ণের দাগ,যেন বসন্তের

উদ্ভেক থেকে প্রাধনত মস্তক মূখমন্ডল ও গ্রীবায়।জল পূর্ণক্ষুদ্র উদ্ভেদ,লাল ওসাদা।

 

 

 

মন্তব্য করুন