সহকারী শিক্ষক
১৮ জানুয়ারি, ২০২৩ ০৬:৪৭ পূর্বাহ্ণ
জানেন কি সাগুর উৎস কী??? সাগু দানার মূল উপাদান এক প্রকার পামগাছ।
মজার কথা হলো এই গাছে মাত্র একবারই ফুল ফোটে এবং ফল ধরার পর গাছটি মারা যায়। সাগু পাওয়া যায় এই পাম গাছের কান্ডের ভেতরে। তবে ওরকম গোল দানাদার আকারে নয় , ওরকম গোল গোল পরে বানানো হয়। ৭ থেকে ১৫ বছর বয়সে যখন সাগু গাছে ফুল ধরার সময় হয়, তখন গাছ কেটে এর কান্ডকে চিড়ে ফেলা হয়। এরপর এর কান্ডের ভেতরের নরম “পিথ”কে ধারাল কিছু দিয়ে কুপিয়ে আলাদা করা হয়। এরপর একে পানিতে ভিজিয়ে রাখলে এর ভেতরের স্টার্চ পানির নিচে জমা হয়। পানি দূর করে এই সাদা রংয়ের স্টার্চকে আলাদা করে শুকানো হয়। শুকিয়ে নিলে, এটাকে বলে সাগুর ময়দা। একে এভাবেই খাওয়া যায়।তবে এই ময়দা আকারে সাগু সাধারনত আমরা খাই না। আমরা যে সাগুদানা খাই তা মেশিনে সাগুর ময়দা থেকে ছোট ছোট দানা আকারে তৈরি করা হয়। একটি পূর্ণ গাছ থেকে ১৪০ থেকে ৩৫০ কেজি পর্যন্ত সাগু পাওয়া যেতে পারে।
??উপকারিতাঃ
এটি সহজেই হজম হয় , শরীরে দ্রুত শক্তি যোগায়, পানির ভারসাম্য রক্ষা করে। সম্পৃক্ত চর্বি খুবই কম থাকায় হার্টের রোগীদের জন্য ভালো একটি খাবার। এটি শর্করার বেশ ভাল একটি উৎস। কোষ্ঠকাঠিন্য হলে সাগু খেলে বেশ উপকার পাওা যায়। বাচ্চা ও নতুন মা দের জন্য খুবই উপকারী এই সাবু দানা।
?? সাগু দিয়ে নানা ধরনের মজাদার ফালুদা, পায়েস , সুজি, সাগুর হালুয়া ছাড়াও আলু ও অন্যান্য সব্জির সংগে পানিতে ভেজানো সাগু দিয়ে চপ ,বড়া তৈরি করা হয়।পাপড়, চিপস ও করা যায়। তবে সবচাইতে মজাদার খাবার হচ্ছে এর তৈরি পায়েস।
৭১
১৪৫ মন্তব্য