Loading..

ব্লগ

রিসেট

২৯ অক্টোবর, ২০২৩ ১০:৩২ পূর্বাহ্ণ

ট্রিপয়েলের থাবা কি ক্রমেই গ্রাস করবে মানবজাতিকে

বর্তমান সময়ে ক্যানসার সহ বিভিন্ন ঘাতক ব্যাধিতে মানবজাতিকে কপোকাত করতে স্লো মোশনে এগিয়ে যাচ্ছে এ তেজস্ক্রিয়তা নামক পদার্থের থাবা।

জাপানে নিক্ষিপ্ত লিটলবয় & ফ্যাটম্যান এর  হিরোশিমা ও নাগাসাকির ঘটনা আমাদের অজানয় নয়।দীর্ঘ মেয়াদি রোগ সহ বিকলাঙ্গ হওয়ার ঘটনা আমাদের অপরিচিত নয়।

বর্তমান সময়ে লেড ও ক্রোমিয়াম পানি সহ বিভিন্ন খাদ্যে নীরবে মিশে অন্ত্রে জমা হচ্ছে।তেজস্ক্রিয়তাকে স্লো মোশান কিলার বলা যায়।আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না কি ভাবে আপনার জীবন প্রদীপ শেষ করে দিয়ে মানবজাতিকে হার মানাবে।জন সচেতনতার এইতো অভাব যে আমরা নির্বিগ্নে বিভিন্ন খাবার সহ যেমন কলা,বিভিন্ন ফল, শাক সবজি, ওষধ ও নিত্য ব্যবহার্য্য জিনিস পএে নির্বিগ্নে ব্যবহার হচ্ছে ক্ষতিকর পদার্থটি।

তেজস্ক্রিয় মৌল সমূহ দিয়ে  রোগ নির্ণয় করা যায়। 

তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ আমাদের অনেক উপকার করে বটে কিন্তু এটি আমাদের জন্য ক্ষতির কারণও হতে পারে।তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ থেকে আলফা,বিটা ও গামা রশ্মি নির্গত হয়।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমার বিস্ফোরণ ঘটেছিলো,তার জন্য কয়েক লক্ষ জীবন ধ্বংস হয়েছে।১৯৮৬সালে রাশিয়ার চেরনোবিলে পারমাণবিক বিদ্যুতকেন্দ্রে যে দুর্ঘটনা ঘটেছিলো তার ফলে অনেক প্রাণ হারিয়েছে এবং ঐ এলাকায় পরিবেশে দূষণ ঘটেছে।

বিভিন্ন উন্নত দেশ তাদের পোশাক আমদানিতে নীতিগত ভাবে ISO টেস্টিং বাধ্যগত করেছে।যার কারনে পরিধেয় বস্র এ সকল তেজস্ক্রিয় রোগঘটিত মরন অস্রের হাত থেকে রক্ষা পাবে।

আমরা মানবজাতি হিসেবে মৃত্যু নিংডের ছায়া তলে এগিয়ে যচ্ছি।

তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের নিয়ন্ত্রিত ব্যবহার দিয়ে মানুষ অনেক কিছু করতে পারে যেটি অন্যভাবে করা দুঃসাধ্য ছিলো।বর্তমানে তেজস্ক্রিয়  আইসোটোপ চিকিৎসাক্ষেএে,কৃষিক্ষেত্রে, খাদ্য ও বীজ সংরক্ষণে, বিদ্যুৎ উৎপাদনে,কোন কিছুর বয়স নির্ণয় সহ অনেক ক্ষেএে ব্যবহার করা হয়।

তেজস্ক্রিয়তাকে অল রাউন্ডার অপ ডিজিজেজ হিরো বলা যেতে পারে।উন্নত বিশ্ব সৃষ্টির পাশাপাশি বিভিন্ন ভাবে দূষণ এগিয়ে যাচ্ছে।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে সংঘটিত বিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ সহ বিশ্ব মানবতার জন্য সর্বদা বিশেষজ্ঞের দৃষ্টি বাঞ্চনীয়। 


মন্তব্য করুন