সহকারী শিক্ষক
০১ মে, ২০২৪ ১২:২৮ অপরাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
এক ব্যক্তি অন্যকে যদি দ্বীনি এলেম শিক্ষা দেয়, সে ব্যক্তি অন্যকে পরবর্তীতে কাউকে না কাউকে শিক্ষা দেবে। এভাবে কেয়ামত পর্যন্ত এ সৎ কাজের সওয়াব কবরে পৌঁছতে থাকবে। নবি মুহাম্মদ (সা.) ওই ব্যক্তিকে সবচেয়ে বড় দানশীল হিসাবে ঘোষণা দিয়েছেন। যিনি পবিত্র কুরআন-সুন্নাহর এলেম অন্যদের শিক্ষা দেন। মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানা রাস্তাঘাট ইত্যাদিতে দান করলে অনেক বেশি মানুষ উপকৃত হয় এবং সওয়াব দীর্ঘস্থায়ী হয়। বুখারি শরিফে এসেছে-হজরত আবু হুরায়াহ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলে পাক (সা.) ইরশাদ করেন, যখন কোনো ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করে, তার সব আমল বন্ধ হয়ে যায়, তবে তিনটি আমলের সওয়াব কেয়ামত পর্যন্ত জারি থাকে- সদকায়ে জারিয়া, উপকারী জ্ঞান, ভালো সন্তান যে তার জন্য দোয়া করে।
দানের গুরুত্ব সম্পর্কে সূরা যারিয়াতের ১৯নং আয়াতে বলা হয়েছে, ‘তোমাদের সম্পদে গরিব-অসহায়দের অধিকার রয়েছে’।
অর্থাৎ আমরা যা দান করি, ইসলামের দৃষ্টিতে তা দয়া নয়, তা গরিবদের অধিকার বা হক্কুল ইবাদ। যখন দান করা হয়, তখন সৃষ্টির অধিকারকেই সম্মান করা হয়। আল্লাহতায়ালা আরও বলেন, ‘তাদের সম্পদে নির্দিষ্ট হক রয়েছে। ভিক্ষুক এবং বঞ্চিত (যারা লজ্জায় কারও কাছে হাত পাতে না) সবার হক রয়েছে’।
দানের গুরুত্ব সম্পর্কে সূরা বাকারার ২৬১নং আয়াতে ইরশাদ হচ্ছে-‘যারা আল্লাহর রাস্তায় সম্পদ ব্যয় করে তার উদাহরণ হচ্ছে সেই বীজের মতো, যা থেকে সাতটি শীষ জন্মায়। আর প্রতিটি শীষে একশতটি করে দানা থাকে। আর আল্লাহ যাকে ইচ্ছা অতিরিক্ত দান করেন’।
হাদিস শরিফেও দান করতে উৎসাহ দেওয়া হয়েছে-বুখারি ও মুসলিম শরিফে এসেছে-যারা গোপনে দান করেন, কিয়ামতের দিন মহান আল্লাহ তাদের আরশের নিচে ছায়া ও শান্তি দান করবেন। নবি (সা.) বলেন, দান-সদকা গুনাহ এমনভাবে মিটিয়ে ফেলে যেমন পানি আগুনকে নিভিয়ে ফেলে। দান জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচায়। সুবহানাল্লাহ। তিনি আরও বলেন, দান করলে বিপদ কেটে যায় আর হায়াত বাড়ে।
৩
৩ মন্তব্য