নারিকেল গাছের ফলন বাড়ানোর জন্য সুষম সার প্রয়োগ, নিয়মিত পরিচর্যা এবং লবণ ব্যবহার করা উচিত। সঠিক পরিমাণে জৈব সার, যেমন কম্পোস্ট বা গোবর, এবং রাসায়নিক সার, যেমন জিপসাম, জিংক সালফেট, ও বোরিক অ্যাসিড, ব্যবহার করলে ফলন বাড়ে। এছাড়াও, গাছের নিয়মিত ছাঁটাই, সেচ এবং পোকা ও রোগ নিয়ন্ত্রণ করা প্রয়োজন।
সার প্রয়োগ ও পরিচর্যা
- জৈব সার: বর্ষার সময় প্রতি গাছে ২০-৫০ কেজি জৈব সার, যেমন কম্পোস্ট, গোবর, বা হাড়ের গুঁড়ো প্রয়োগ করুন।
- রাসায়নিক সার: প্রতি বছর সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে জিপসাম, বোরিক অ্যাসিড এবং জিংক সালফেট ব্যবহার করুন।
- লবণ: নারিকেলের ফলন বাড়াতে সাধারণ লবণ (NaCl) ব্যবহার করা যেতে পারে। এটি ক্লোরিনের একটি সস্তা উৎস এবং অনেক ক্ষেত্রে ক্লোরিনের ঘাটতি পূরণে সাহায্য করে।
প্রয়োগ পদ্ধতি: গাছের গোড়া থেকে প্রায় ১ মিটার দূরে একটি বৃত্তাকার বেসিন তৈরি করে সার প্রয়োগ করুন এবং তারপর হালকা করে সেচ দিন। অন্যান্য পরিচর্যা
- নিয়মিত ছাঁটাই: গাছের অপ্রয়োজনীয় ডালপালা বা পাতা নিয়মিত ছাঁটাই করলে গাছের পুষ্টির ভারসাম্য বজায় থাকে এবং ফলন বাড়ে।
- সেচ: নারিকেল গাছের জন্য সঠিক পরিমাণে সেচের ব্যবস্থা করুন।
- রোগ ও পোকা নিয়ন্ত্রণ: নিয়মিত গাছ পর্যবেক্ষণ করুন এবং কৃষি বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী কীটনাশক ব্যবহার করুন।
- ইঁদুর দমন: ইঁদুর দমন করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিন, কারণ ইঁদুর গাছের ক্ষতি করতে পারে।
৩
৩ মন্তব্য