সহকারী শিক্ষক
২৫ মে, ২০২১ ০১:৫৭ অপরাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
অন্য ব্যবহারের জন্যে দেখুন আবদুল হক (দ্ব্যর্থতা নিরসন)
আবদুল হক | |
|---|---|
| জন্ম | ১৯১৮ উদয়নগর গ্রাম, চাপাইনবাবগঞ্জ জেলা, বাংলাদেশ |
| মৃত্যু | ১৯৯৭ |
| জাতীয়তা | |
| পরিচিতির কারণ | বাঙ্গালী প্রাবন্ধিক, নাট্যকার, লেখক |
| পুরস্কার | বাংলা একাডেমী পুরস্কার |
আবদুল হক (১৯১৮-১৯৯৭) বাংলাদেশের প্রাবন্ধিক, সাংবাদিক এবং লেখক ছিলেন। তিনি বাংলা একাডেমির উপ-পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ১৯৭৪ সালে তিনি বাংলা একাডেমী পুরস্কার লাভ করেছিলেন। এছাড়া তিনি দাউদ পুরস্কার হিলালী স্মৃতি স্বর্ণপদক লাভ করেছিলেন।
আবদুল হক ১৯১৮ চাপাইনবাবগঞ্জ জেলার উদয়নগর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৪৪ সালে তিনি রাজশাহী কলেজ থেকে ইংরেজিতে বিএ এবং ১৯৪৬ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ নিয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। [১]
হক ১৯৩৬ সালে কানসাট হাই ইংলিশ স্কুল থেকে প্রথম বিভাগে ম্যাট্রিকুলেশন এবং ১৯৩৯-এ করটিয়ার সাদত কলেজ থেকে প্রথম বিভাগে আই.এ. পাস করেন। রাজশাহী সরকারি কলেজ থেকে ১৯৪৪ সালে ইংরেজিতে স্নাতক এবং ১৯৪৬ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম এ পাস করেন।[২]
আবদুল হক ১৯৪৫ সালে ডেইলি আজাদ এর উপ-সম্পাদক হিসাবে যোগদান করেন। পরে তিনি সাওগাত- এ কাজ করেছিলেন। তিনি ১৯৪৭ সালে ঢাকার আঞ্চলিক তথ্য অফিসে কর্মী লেখক হিসাবে যোগ দিয়েছিলেন। পরে ভারত বিভাগের পরে তিনি বাংলা উন্নয়ন বোর্ডে সহকারী প্রকাশনা অফিসার হিসাবে কাজ করেছিলেন। পরে তাকে পদোন্নতি অফিসার পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়। ১৯৬৪ সালে তিনি দাউদ পুরস্কারে ভূষিত হন। পেশাগত জীবনে তিনি ১৯৬৫ থেকে ১৯৮১ সাল পর্যন্ত বাংলা উন্নয়ন বোর্ড ও বাংলা একাডেমীতে দায়িত্বরত ছিলেন। তিনি ১৯৭৪ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন।[১] [৩]
১৯৭৪ সালে তিনি বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারে ভূষিত হন । তিনি বেশ কয়েকটি নাটক রচনা করেছিলেন। তার প্রবন্ধগুলি জার্নালে প্রকাশিত হত এবং বইগুলিতে প্রকাশিত হত। ১৯৮১ সালে তিনি বাংলা একাডেমি থেকে পরিচালক হিসাবে অবসর গ্রহণ করেন। ১৯৮৮ সালে তিনি আবুল হাসনাত সাহিত্য পুরস্কার এবং ১৯৯০ সালে হিলালী স্মৃতি স্বর্ণপদক লাভ করেন। [১]
হক ১৯৯৭ সালে মারা যান। [১]
তার উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধগ্রন্থসমূহ হচ্ছে
গল্পগ্রন্থসমূহ হচ্ছে
নাটকগ্রন্থসমূহ হচ্ছে
অনুবাদগ্রন্থসমূহ হচ্ছে