সহকারী শিক্ষক
০৯ মে, ২০২৬ ০৪:৪১ অপরাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর নোবেল পুরস্কারের ৯০ ভাগ অর্থ ব্যয় করেছেন বর্তমান বাংলাদেশের নওগাঁর পতিসরে কৃষক ও সাধারণ মানুষকে আর্থিক ভাবে স্বাবলম্বী করার উদ্দেশ্যে।
তাদের আর্থিক দুর্গতি দূরীকরণ ও মহাজনদের হাত থেকে বাঁচাবার জন্য পতিসরে কৃষি- ব্যাঙ্ক প্রতিষ্ঠা করেন তিনি।
স্থানীয় সুদখোর মহাজনদের কারবার চিরতরে বন্ধ হয়ে যায়। বহু গরিব প্রজা সুযোগ পায় ঋণমুক্তির।
পুস্তক ঋণ ও কৃতজ্ঞতা স্বীকার: নানা রবীন্দ্রনাথের মালা, পূর্ণানন্দ চট্টোপাধ্যায়।
“নোবেলের আলোয় মানবতার এক অনন্য নাম”
“তিনি শুধু নোবেলজয়ী কবিই ছিলেন না; মানুষের দুঃখ বুঝতে পারা এক অসাধারণ হৃদয়ের নামও ছিলেন।”
“রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর সম্মানের বড় একটি অংশ ব্যয় করেছিলেন মানুষের মুখে স্বস্তির হাসি ফোটানোর জন্য— এটাই তাঁর মহত্ত্বকে আরও অনন্য করে তোলে।”
“পতিসরের কৃষক আর সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি প্রমাণ করেছিলেন, সত্যিকারের মহৎ মানুষ নিজের অর্জনকে মানুষের কল্যাণেই উৎসর্গ করেন।”
“সুদখোর মহাজনদের অমানবিক শোষণের বিপরীতে তিনি গড়ে তুলেছিলেন আশার এক মানবিক আশ্রয়।”
“ঋণমুক্তির স্বপ্ন দেখা বহু দরিদ্র মানুষের কাছে, তিনি শুধু কবি ছিলেন না; ছিলেন নির্ভরতার আরেক নাম।”
“মানুষের প্রতি গভীর ভালোবাসা আর দায়িত্ববোধই তাঁকে যুগের পর যুগ হৃদয়ের সবচেয়ে উঁচু স্থানে রেখে দিয়েছে।”
৩
৩ মন্তব্য