সহকারী অধ্যাপক
১৪ মে, ২০২৬ ০৮:৫৯ অপরাহ্ণ
ভাঙা হৃদয়ের আর্তনাদ - মোঃ মুজিবুর রহমান
ভাঙা হৃদয়ের আর্তনাদ
মোঃ মুজিবুর রহমান
সহকারী অধ্যাপক
মোজাদ্দেদীয়া ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা,কালিয়াকৈর, গাজীপুর।
বন্ধুত্বের নামে হাসিমুখে
যে দিল হৃদয়ে ক্ষত,
বিশ্বাসভরা দুইটি হাতে
তুলে নিল সব রত্ন।
মন দিলাম, প্রাণ দিলাম,
কলিজাখানা উজাড়,
ফিরে পেলাম দীর্ঘশ্বাস
আর চোখভরা আঁধার।
যার কাছে ছিলাম আপনজন,
ছিলাম সুখের সাথী,
সে-ই আজকে হিসাব করে
ভাঙল হৃদয়-পাতি।
টাকার সাথে নিল শান্তি,
নিলো ঘুমের রাত,
বুকের ভিতর আগুন জ্বেলে
করল জীবন ছারখার।
কেমনে সওয়া যায় বলো,
এমন দুঃখভার?
বন্ধুর ছদ্মবেশে যখন
শত্রু করে আঘাত আর।
চোখের জলে সিজদা ভিজে,
রাত পেরোয় নীরবতায়,
হে আল্লাহ! তুমি ছাড়া আর
কেউ তো পাশে নাহি রয়।
হে দয়াময়! ফিরিয়ে দাও
আমার হকের ধন,
তুমি ছাড়া কারো হাতে
নাই তো বিচার-বিবেচন।
তুমি চাইলেই শুকনো ডালে
ফুটে ওঠে ফুল,
তুমি চাইলেই আঁধার রাতে
জ্বলে আশার কূল।
কষ্ট চাখতে চাখতে প্রভু
ক্লান্ত এ হৃদয়,
বঞ্চনারই বিষপানে আজ
নিস্তব্ধ পৃথিবীময়।
তবু জানি, তোমার রহমত
অশেষ সীমাহীন,
এক ফোঁটা দয়া নামলে প্রভু
বদলে যায় দিন।
হয়তো আজকে সর্বহারা,
হতাশ বুকের গান,
তবু তোমার হুকুম ছাড়া
হয় না কিছুই জান।
তাই তো আমি হাত তুলেছি
আরশওয়ালা রব,
তোমার দরেই সুখের চাবি,
তুমিই শেষ সব।
দুনিয়ার এই বঞ্চনাগুলো
কষ্ট দিলেও খুব,
মনে পড়ে কবরের প্রশ্ন,
হাশরেরই রূঢ় রূপ।
জাহান্নামের আগুন প্রভু
কল্পনারও পার,
সে তুলনায় দুনিয়ার ক্ষত
অতি সামান্য ভার।
তাই তো আমি পানাহ চাই
তোমার রহমতে,
হাশরের দিন ছায়া দিও
আরশেরই নীচেতে।
কবরটাকে জান্নাতি এক
বাগিচা করে দিও,
অন্ধকারে নূরের আলো
ঢেলে শান্তি দিও।
বন্ধুর দেওয়া আঘাতগুলো
যেন গুনাহ মুছে,
ধৈর্যের বদলা দিও প্রভু
রহমতেরই পুষ্পে।
যে কেঁদেছে গভীর রাতে
শুধু তোমার তরে,
তাকে তুমি ফিরিয়ে দিও
হাসির নদীর ঘরে।
হে আল্লাহ! দাও এমন সুখ—
শুরু যার দুনিয়ায়,
শেষটা গিয়ে মিলবে প্রভু
ফেরদাউসের ছায়ায়।
যে সুখে নেই অহংকার,
নেই কোনো প্রতারণা,
যে সুখ জুড়ে থাকবে শুধু
ইমানেরই সুবাসনা।
দাও এমন কিছু আপন মানুষ
যারা হবে খাঁটি,
স্বার্থ ফুরালেই পালাবে না,
ভাঙবে না আর ঘাঁটি।
দাও এমন রিজিক প্রভু
হালাল আর বরকত,
যার ভেতরে থাকবে না আর
কোনো হারাম শঙ্কাত।
এই দুনিয়া ক্ষণিক প্রভু,
সবই মরীচিকা,
আজ যে রাজা কাল সে থাকে
মাটির তলে নিঃশ্বাসহীনিকা।
টাকা-পয়সা, বন্ধু-বান্ধব
সবই ফেলে যাবে,
শুধু আমল, দয়া আর ঈমান
সাথী হয়ে রবে।
তাই তো প্রভু ভাঙা বুকে
একটাই আরজি আজ—
দুনিয়ার ক্ষত মুছে দিয়ে
করো আখিরাত সাজ।
যে চোখ কাঁদে তোমার ভয়ে
সে চোখ হাসুক শেষে,
ফেরদাউসের শীতল ছায়া
লভুক অনন্ত দেশে।
যে বন্ধু আজ হক মেরে খায়
তাকেও হেদায়েত দাও,
অন্যের হক ফিরিয়ে দেবার
তাওফিক তারে দাও।
কারণ প্রভু, হকের বিচার
অতি ভয়ংকর দিন,
সেদিন কেউ পারবে না আর
বাঁচাতে কাউকেই বিন।
দুঃখ যদি লিখেই রাখো
দাও সাথে সবর,
কষ্ট যদি বাড়িয়েই দাও
দাও ইমানের ঘর।
কারণ তুমি ছাড়া প্রভু
নাই তো কোনো ঠাঁই,
তোমার দরেই ভাঙা হৃদয়
শান্তি খুঁজে পায়।
যে মানুষটা নিরবে কাঁদে
লোকচক্ষুর আড়াল,
তুমি জানো বুকের ভিতর
কত ঝড়ের জাল।
তুমি জানো কারা প্রভু
অন্যায়ের শিকার,
তুমি ছাড়া মাজলুমের আর
কোথাও নেই অধিকার।
শেষ নিশ্বাস পর্যন্ত যেন
ইমান থাকে অটুট,
শয়তানের সব ধোঁকাবাজি
হোক প্রভু ভস্মভূত।
কালিমাতে শেষ হোক প্রাণ,
কবর হোক রওশন,
হাশরের মাঠে দিও প্রভু
নবীরই সুপারিশের পণ।
তারপর দিও জান্নাতেরই
চিরসবুজ ঠিকানা,
যেখানে নেই দুঃখ-কান্না
নেই কোনো বেদনা।
নেই বিশ্বাসঘাতক বন্ধু,
নেই কোনো হাহাকার,
আছে শুধু শান্তির নদী
আর রবেরই দিদার।
আমিন, ইয়া রব্বাল আলামিন।
বিষাদ ভাঙার প্রার্থনা
মন দিলাম উজাড় করে,
দিলাম বুকের ঠাঁই,
ভাবিনি সেই আপন মানুষ
একদিন পর হয়ে যায়।
বিশ্বাস দিয়ে গড়েছিলাম
স্বপ্নের নরম ঘর,
সে-ই কিনা আগুন হয়ে
করল জীবন ছারখার।
হাসিমুখের আড়ালেতে
ছিল যে বিষদাঁত,
বন্ধুত্বের সুবাস মেখে
করল হৃদয় মাত।
তারপর একদিন হঠাৎ করে
পাল্টে গেল রূপ,
চোখের সামনে ভেঙে দিল
সুখের যত কূল।
মন দিলাম, প্রাণ দিলাম,
কলিজাখানা খুলে,
সে তো শুধু হিসাব কষে
লুটে নিল সব তুলে।
টাকার সাথে নিয়ে গেল
বিশ্বাস, ঘুম আর হাসি,
ফেলে গেল বুকের মাঝে
অশ্রুভেজা উদাসী।
কেমনে বলো সওয়া যায়
এমন নির্মম ক্ষত?
যে ছিল হৃদয়ের আপন
সেই দিলো আঘাত!
মানুষ যখন স্বার্থ দেখে
ভুলে যায় সম্পর্ক,
তখন শুধু রবের দয়ার
খোলে নূরের পথ।
চোখের জলে সিজদা ভিজে
রাত কাটে নিরবে,
হে আল্লাহ! তুমি ছাড়া আর
কেউ তো নাহি রবে।
মানুষ তো আজ বদলে যায়
সময় আর লাভে,
তুমি শুধু একই থাকো
দুঃখেরও অভাবে।
হে দয়াময়! ফিরিয়ে দাও
আমার হকের ধন,
তুমি ছাড়া আর কারো হাতে
নাই ন্যায়ের আয়োজন।
তুমি চাইলেই ভাঙা বুকেও
ফুটে আশার ফুল,
তুমি চাইলেই মরুভূমি
হয়ে যায় শ্যামল কূল।
হে রব! কত কষ্ট প্রভু
বুকের মাঝে জমে,
ধার-কর্জের বোঝা নিয়ে
চলছি নীরব গমে।
একদিকে হকের টাকা
অন্যদিকে দায়,
মাঝরাতে দীর্ঘশ্বাসে
ঘুম ভেঙে শুধু হায়।
তবু জানি, আমার রব
অসহায়ের সাথী,
মাজলুম যদি কেঁদে ডাকে
ফিরাও না তার হাতই।
এক ফোঁটা রহমত নামলে
হাসবে মলিন প্রাণ,
তোমার “কুন” শব্দেই প্রভু
বদলে যায় অবসান।
কষ্ট চাখতে চাখতে আজ
ক্লান্ত এ হৃদয়,
বঞ্চনারই আগুন যেন
চারদিক জ্বালাময়।
তবু বুকের গহীন কোণে
আশার প্রদীপ জ্বলে,
কারণ আমার আল্লাহ আছেন
করুণারই তলে।
দুনিয়ার এ দুঃখগুলো
যদিও বড় ভার,
তবু মনে কবরের প্রশ্ন
করিয়ে দেয় হাহাকার।
হাশরের সেই উত্তপ্ত দিন,
জাহান্নামের আগুন,
ভাবলেই তো অন্তর কাঁপে
শুকিয়ে আসে রঙ।
তাই তো প্রভু পানাহ চাই
তোমার রহমতে,
হাশরের দিন ছায়া দিও
আরশেরই ছায়াতে।
কবরটাকে জান্নাতি এক
বাগিচা করে দিও,
অন্ধকারে নূরের আলো
ঢেলে শান্তি দিও।
যে বন্ধু আজ হক মেরে
হাসছে অহংকারে,
তাকেও তুমি হেদায়েত দাও
ফিরুক সত্যধারে।
কারণ হকের বিচার প্রভু
অতি ভয়ংকর দিন,
সেদিন ধন-সম্পদ কিছুই
করবে না রক্ষা বিন্দুমাত্রও ঋণ।
হে আল্লাহ! দাও এমন সুখ
শুরু যার দুনিয়ায়,
শেষটা গিয়ে মিলবে প্রভু
ফেরদাউসের ছায়ায়।
যে সুখে নেই মিথ্যা অভিনয়,
নেই প্রতারণার ছাপ,
যে সুখজুড়ে থাকবে শুধু
ইমানি নূরের চাপ।
দাও এমন কিছু আপন মানুষ
যারা হবে সত্য,
স্বার্থ ফুরালেই ছেড়ে যাবে না
করবে না অবহেলা নিত্য।
দাও এমন হালাল রিজিক
বরকতে ভরা প্রাণ,
যার ভেতরে থাকবে না আর
হারামির কোনো টান।
এই দুনিয়া ক্ষণিক মেলা,
সবই মরীচিকা,
আজ যে রাজা কাল সে পড়ে
মাটির নিচে একা।
টাকা-পয়সা, বন্ধু-বান্ধব
সবই ফেলে যাবে,
শুধু আমল, দোয়া আর ঈমান
সাথী হয়ে রবে।
যে চোখ কাঁদে তোমার ভয়ে
সে চোখ হাসুক শেষে,
ফেরদাউসের শীতল ছায়া
লভুক অনন্ত দেশে।
যে বুক ভেঙে গেছে আজ
মানুষেরই আঘাতে,
সে বুক ভরিয়ে দিও তুমি
তোমার নূরের প্রভাতে।
শেষ নিশ্বাস পর্যন্ত যেন
ইমান থাকে অটুট,
শয়তানের সব ধোঁকাবাজি
হোক প্রভু ভস্মভূত।
কালিমাতে শেষ হোক প্রাণ,
কবর হোক রওশন,
হাশরের মাঠে দিও প্রভু
নবীরই সুপারিশ দান।
তারপর দিও জান্নাতেরই
চিরসবুজ ঠিকানা,
যেখানে নেই দুঃখ-কান্না
নেই কোনো বেদনা।
নেই বিশ্বাসঘাতক বন্ধু,
নেই কোনো হাহাকার,
আছে শুধু শান্তির নদী
আর রবের দিদার।
ভাঙা বুকের প্রতিটি ব্যথা
তোমার কাছেই রাখি,
মানুষ ছেড়ে তোমার দরেই
শান্তির আলো আঁকি।
তুমি ছাড়া এই জীবনে
নাই তো কোনো কূল,
তোমার রহমতের ছায়াই শুধু
জীবনের আসল ফুল।
আমিন ইয়া রব্বাল আলামিন।
***
মন দিলাম, কলিজাখানা
উজাড় করে তারে,
ভাবছিলাম সুখের সাথী
থাকবে জীবনভরে।
বিশ্বাস দিয়ে গড়েছিলাম
স্বপ্নভরা ঘর,
সে-ই কিনা আগুন হয়ে
করল অন্তর ছারখার।
হাসিমুখের মিষ্টি কথায়
ছিল যে কত মায়া,
ভিতরটাতে লুকিয়ে ছিল
স্বার্থেরই ছায়া।
বন্ধুত্বের সুবাস মেখে
নিলো সবকিছু কাড়ি,
আজকে আমি নিঃস্ব হয়ে
ঘুরি দুঃখভারি।
মন দিলাম, প্রাণ দিলাম,
দিলাম বুকের ঠাঁই,
ফিরে পেলাম দীর্ঘশ্বাস
আর চোখভরা হায়।
টাকার সাথে নিয়ে গেল
বিশ্বাস আর ঘুম,
বুকের মাঝে রক্তক্ষরণ
নীরব বিষাদ-ধূম।
কেমনে বলো সওয়া যায়
এমন কঠিন ক্ষত?
যে ছিল প্রাণের আপনজন
সেই দিলো আঘাত!
দিনের শেষে মানুষ যখন
স্বার্থ বুঝে সরে,
তখন শুধু আল্লাহর নাম
শান্তি দেয় অন্তরে।
চোখের জলে সিজদা ভিজে
নিভে রাতের বাতি,
হে আল্লাহ! তুমি ছাড়া আর
নাই তো কোনো সাথী।
মানুষ বড় বদলে যায়
সময় আর লাভে,
তুমি শুধু একই থাকো
দুঃখেরও অভাবে।
হে দয়াময়! ফিরিয়ে দাও
আমার হকের ধন,
তুমি ছাড়া আর কারো হাতে
নাই ন্যায়ের আয়োজন।
তুমি চাইলেই শুকনো ডালে
ফুটে ওঠে ফুল,
তুমি চাইলেই মরুভূমি
হয়ে যায় শ্যামল কূল।
হে রব! আমি ক্লান্ত বড়
কষ্টের ভার টেনে,
ধার-কর্জের পাহাড় যেন
চাপছে বুকের বেনে।
একদিকে হকের টাকা,
অন্যদিকে দায়,
মাঝরাতে দীর্ঘশ্বাসে
ঘুম ভেঙে শুধু হায়।
কষ্ট চাখতে চাখতে আজ
ভেঙে গেছে প্রাণ,
বঞ্চনারই বিষপানে
নিস্তব্ধ অবসান।
তবু জানি, আমার রব
করুণাতে ভরা,
এক ফোঁটা দয়া নামলে
ফুটবে সুখের ধারা।
হয়তো আমি সর্বহারা
মানুষেরই চোখে,
তবু তোমার রহমত প্রভু
আশা জাগায় বুকে।
তোমার “কুন” শব্দেই তো
বদলে যায় ভাগ্য,
অন্ধকারের গভীর রাতে
জ্বলে নূরের প্রদীপ।
দুনিয়ার এই দুঃখগুলো
অনেক ভারী ঠিক,
তবু মনে কবরের প্রশ্ন
করায় হৃদয় শীর্ণ।
হাশরের সেই উত্তপ্ত দিন,
জাহান্নামের আগুন,
ভাবলেই তো শুকিয়ে আসে
হৃদয়ের সব রঙ।
তাই তো প্রভু পানাহ চাই
তোমার রহমতে,
হাশরের দিন ছায়া দিও
আরশেরই ছায়াতে।
কবরটাকে জান্নাতি এক
বাগিচা করে দিও,
অন্ধকারে নূরের আলো
ঢেলে শান্তি দিও।
যে বন্ধু আজ হক মেরে
হাসছে অহংকারে,
তাকেও তুমি হেদায়েত দাও
সত্যপথের ধারে।
কারণ হকের বিচার প্রভু
অতি ভয়ংকর দিন,
সেদিন ধন-সম্পদ কিছুই
করবে না রক্ষা বিন।
হে আল্লাহ! দাও এমন সুখ
শুরু যার দুনিয়ায়,
শেষটা গিয়ে মিলবে প্রভু
ফেরদাউসের ছায়ায়।
যে সুখে নেই প্রতারণা,
নেই কোনো অহংকার,
যে সুখজুড়ে থাকবে শুধু
ইমানি সুবাস আর।
দাও এমন কিছু আপন মানুষ
যারা হবে খাঁটি,
স্বার্থ ফুরালেই ছেড়ে যাবে না
ভাঙবে না সম্পর্ক ঘাঁটি।
দাও এমন হালাল রিজিক
বরকতে ভরা প্রাণ,
যার ভিতরে থাকবে না আর
হারামির কোনো টান।
এই দুনিয়া ক্ষণিক মেলা,
সবই মরীচিকা,
আজ যে রাজা কাল সে পড়ে
মাটির নিচে একা।
টাকা-পয়সা, বন্ধু-বান্ধব
সবই ফেলে যাবে,
শুধু আমল আর নেক নিয়ত
সাথী হয়ে রবে।
যে চোখ কাঁদে তোমার ভয়ে
সে চোখ হাসুক শেষে,
ফেরদাউসের শীতল ছায়া
লভুক অনন্ত দেশে।
যে বুক ভেঙে গেছে আজ
মানুষেরই আঘাতে,
সে বুক ভরিয়ে দিও তুমি
তোমার নূরের প্রভাতে।
দুঃখ যদি লিখেই রাখো
দাও সাথে সবর,
কষ্ট যদি বাড়িয়েই দাও
দাও ইমানের ঘর।
কারণ তুমি ছাড়া প্রভু
নাই তো কোনো কূল,
তোমার রহমতের ছায়াই শুধু
জীবনের আসল ফুল।
শেষ নিশ্বাস পর্যন্ত যেন
ইমান থাকে অটুট,
শয়তানের সব ধোঁকাবাজি
হোক প্রভু ভস্মভূত।
কালিমাতে শেষ হোক প্রাণ,
কবর হোক রওশন,
হাশরের মাঠে দিও প্রভু
নবীরই সুপারিশ দান।
তারপর দিও জান্নাতেরই
চিরসবুজ ঠিকানা,
যেখানে নেই দুঃখ-কান্না
নেই কোনো বেদনা।
নেই বিশ্বাসঘাতক বন্ধু,
নেই কোনো হাহাকার,
আছে শুধু শান্তির নদী
আর রবের দিদার।
ভাঙা বুকের প্রতিটি ব্যথা
তোমার কাছেই রাখি,
মানুষ ছেড়ে তোমার দরেই
শান্তির আলো আঁকি।
তুমি ছাড়া এই জীবনে
নাই তো কোনো ঠাঁই,
তোমার দয়ার ছায়াতেই
শান্তি খুঁজে পাই।
আমিন ইয়া রব্বাল আলামিন।
***
৫
৫ মন্তব্য