সহকারী অধ্যাপক
২০ মে, ২০২৬ ০২:৫৩ পূর্বাহ্ণ
জিন ও মানবজাতিকে চ্যালেঞ্জ - মোঃ মুজিবুর রহমান
জিন ও মানবজাতিকে চ্যালেঞ্জ
মোঃ মুজিবুর রহমান
সহকারী অধ্যাপক
মোজাদ্দেদীয়া ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা,কালিয়াকৈর, গাজীপুর।
হে জিন ও মানব, শোনো মহাকালের ডাক—
আকাশ পেরোবে বলো? ভেদ করবে নক্ষত্রের ফাঁক?
চাঁদের গায়ে পতাকা গেড়ে, গ্রহে গ্রহে ঘুরে,
ভাবছ খুব শক্তিশালী তুমি বিজ্ঞান হাতে ধরে?
রকেট উড়ে আগুন বুকে, মহাশূন্যের পথে,
তবু প্রাণের নিঃশ্বাসটুকু কার ইশারাতে?
যে রব দিল জ্ঞান ও শক্তি, দিলো বুদ্ধির আলো,
তাঁরই দয়ায় মানুষ আজও করছে বিশ্ব ভালো।
সূর্য, চন্দ্র, নীহারিকা, কোটি তারা সারি,
কার আদেশে ঘুরছে তারা? কে তাদেরই ভারী?
সাত আসমান, বিশাল ধরনী, রহস্য ভরা রাত,
সবই বলে— “এক আল্লাহর সীমাহীন কুদরাত”।
হে মানুষ, তুমি গর্ব করো দালানকোঠা নিয়ে,
ক্ষমতা আর সম্পদ গুনো বুকটা ফুলিয়ে;
কিন্তু হঠাৎ মৃত্যু এলে থেমে যাবে সব,
কবর হবে নীরব ঘর, হারিয়ে যাবে রব।
আল্লাহ বলেন— “যদি পারো সীমানা ছাড়িয়ে যাও,
আসমান আর জমিন পেরিয়ে বাইরে গিয়ে দাঁড়াও!”
কিন্তু সাথে বলে দিলেন স্পষ্ট ভাষার বাণী—
“আমার দেওয়া শক্তি ছাড়া নেই তো কারো টানি।”
এই আয়াতে লুকিয়ে আছে গভীর শিক্ষা ভাই,
মানুষ যত বড়ই হোক, রবের সমকক্ষ নাই।
ক্ষমতা সব আমানত শুধু, অহংকারের নয়,
আল্লাহ চাইলে রাজা ভিখারী, দুর্বলকে দেন জয়।
ফিরআউনও দম্ভ করেছিল, “আমি বড় প্রভু!”
সাগর মাঝে ডুবে গিয়ে বুঝল আপন ত্রুটি কভু।
কারুন জমায় সোনার পাহাড়, ভান্ডার অগণন,
এক নিমেষে মাটির নিচে হলো বিলীন জীবন।
আজকের মানুষ মহাকাশে ঘুরছে দ্রুত বেগে,
স্যাটেলাইটে চোখ রেখেছে আকাশেরই রঙ্গে।
তবু হৃদয় ভাঙলে তারই ঘুম উড়ে যায় রাতে,
এক ফোঁটা রোগ এলেই কাঁদে হাসপাতালের পথে।
হে মানুষ, শক্তি নিয়ে এত অহংকার কোরো না,
তোমার শিরার রক্তধারা নিজের হাতে গড়ো না।
চোখের পাতা ফেলতে গিয়েও নির্ভর করো যার,
সেই মহান রবের সামনে হও বিনয়ী আবার।
জিনেরাও তো আগুন হতে সৃষ্টি হয়েছিল একদিন,
তাদেরও আছে গতি-শক্তি, দ্রুত উড়ার রঙিন দিন।
তবু তারাও আল্লাহর হুকুম অতিক্রমে অক্ষম,
রবের ইচ্ছার সামনে সবার শক্তি হয় নিস্তব্ধ।
তাই হে মানুষ, দম্ভ ছেড়ে সিজদাতে যাও নত,
এই জীবন ক্ষণিক সফর, আখিরাতই সত্য।
নামাজে খুঁজো হৃদয়জুড়ে প্রশান্তিরই ছায়া,
কুরআনের আলোয় গড়ে তোলো জীবনের মায়া।
যে রব দিল আকাশভরা অসীম নীলের ঢেউ,
যে রব দিল মায়ের বুকে মমতারই ঢেউ,
যে রব দিল রিযিক তোমায় সকাল হতে রাত,
সেই রবের শুকরিয়া কি আদায় করছো হায়?
ফুলের ভেতর সুবাস রাখেন, নদী বইয়ে দেন,
শুকনো মাটিতে বৃষ্টি ঝরিয়ে সবুজ শ্যামল করেন।
তিনি ছাড়া কে-বা পারে মৃত প্রাণে প্রাণ দিতে?
তিনি ছাড়া কে-বা পারে হেদায়াতের পথ দেখাতে?
হে জিন ও মানবজাতি, শোনো কুরআনের ডাক,
ক্ষমতার সব সীমানা একদিন হবে ফাঁক।
রাজত্ব, অর্থ, প্রযুক্তি সব পড়ে থাকবে শেষে,
নেক আমল আর ঈমান শুধু যাবে কবর দেশে।
তাই চল সবাই সত্য পথে, আল্লাহরই দিকে,
অহংকারের মুকুট ফেলে দিই বিনয়ের শিকে।
যে হৃদয়ে রবের ভয় আর ভালোবাসা রয়,
দুনিয়া-আখিরাতের সফলতা তারই সাথেই হয়।
হে আল্লাহ, তুমি আমাদের অন্তর করো নূরে ভরা,
পাপের পথে না হারাই যেন এই জীবনের ধরা।
তোমার দেওয়া শক্তি যেন কাজে লাগে ভালোয়,
তোমার রহমত নিয়ে যেন ফিরি আখিরাতের আলোয়।
আমিন।
***
আসমানের অগণিত তারা নিঃশব্দে বলে যায়,
“মানুষ, তোর শক্তি যত— সবই রবের দান হায়।”
চন্দ্র-সূর্য, গ্রহ-উপগ্রহ ঘুরছে নিয়ম মেনে,
কার হুকুমে সৃষ্টি সবই চলছে ক্ষণে ক্ষণে?
হে জিন ও মানব, শুনো কুরআনের আহ্বান,
রহমানের কালাম যেন নূরের মহাগান।
“যদি পারো, বেরিয়ে যাও আকাশ-পৃথিবী পেরিয়ে!”
তবু পারবে না কখনো রবের ইচ্ছা হারিয়ে।
মহাকাশের গহীন পথে রকেট যত ধায়,
মানুষ ভাবে— “বিজ্ঞান দিয়ে সবই বুঝি যায়!”
তবু কেন মৃত্যু এলে থেমে যায় অহংকার?
কেন একটি ভাইরাসে কাঁপে দুনিয়ার দ্বার?
যে মানুষ চাঁদে গিয়ে গেঁথে এলো পতাকা,
সে মানুষই রাতের শেষে অশ্রু লুকায় ফাঁকা।
বুকের ভেতর কষ্ট এলে বিজ্ঞান থাকে চুপ,
হৃদয় যখন ভেঙে পড়ে, নিভে যায় সব রূপ।
আল্লাহ দিলেন জ্ঞান তোমায়, দিলেন চিনার শক্তি,
তাঁরই দয়ায় মানুষ পেল সভ্যতার মুক্তি।
তাঁরই দেওয়া বুদ্ধি দিয়ে বানাও উড়োজাহাজ,
তাঁরই দেওয়া শক্তি ছাড়া বন্ধ সকল কাজ।
সাগর ভরা ঢেউয়ের গর্জন, পাহাড় মাথা উঁচু,
সবাই যেন সিজদা করে রবের হুকুম পিছু।
গাছের পাতায় বাতাস এলেও তাঁরই অনুমতি,
তাঁর আদেশে সূর্য জ্বলে, নামে রাতের স্মৃতি।
হে মানুষ, এত দম্ভ কেন? কিসের এত গরব?
একদিন তো নিভে যাবে জীবনেরই সব রব।
যে মুখেতে আজ অহংকার, কাল হবে নিরব,
কবরের মাটির নিচে থাকবে শুধু হিসাব।
ফিরআউন বলেছিল একদিন— “আমিই সবার বড়!”
সাগরেরই ঢেউ এসে দিল তারে মরণঘোর।
কারুন গড়ল ধনের পাহাড়, সোনার বিশাল ঘর,
মাটির নিচে ডুবে গিয়ে হারালো সব বর।
নমরূদও শক্তি নিয়ে চ্যালেঞ্জ করল রব,
একটি ক্ষুদ্র মশার কাছে থেমে গেল সব।
এই পৃথিবীর রাজত্ব সব ক্ষণিক মরীচিকা,
আখিরাতের চিরজীবন সত্যেরই দিশা।
হে জিন জাতি, আগুন হতে সৃষ্টি তোমাদের,
তোমরাও তো আল্লাহরই ক্ষমতারই ঘের।
দ্রুতগতিতে ছুটে চলো অদৃশ্য পথ বেয়ে,
তবু রবের সীমানা কি পারবে কেউ ছেয়ে?
আল্লাহ ছাড়া কারো হাতে নেই তো শক্তির চাবি,
তাঁর ইশারায় জেগে ওঠে সূর্যেরই ছবি।
তাঁর ইশারায় ঝড়ে পড়ে শুকনো পাতার দল,
তাঁর ইশারায় নদীর বুকে উথলে ওঠে জল।
এই আয়াতে শিক্ষা আছে গভীর মহাসত্য—
মানুষ যত বড়ই হোক, রবই চূড়ান্ত শক্ত।
ক্ষমতা আর প্রতিভা সব আমানতের ধন,
অহংকারে ডুবে গেলে ধ্বংস হবে মন।
হে মানুষ, নামাজ পড়ে মাথা নত করো,
দুনিয়ার এই ক্ষণিক সুখে নিজেকে না হারাও।
যে জীবন আজ রঙিন লাগে, কাল হবে ফাঁকা,
মৃত্যুর পরে সাথে যাবে নেক আমলের রাখা।
যে রব দিল মায়ের বুকে মমতারই ছায়া,
যে রব দিল শিশুর মুখে হাসির মধুর মায়া,
যে রব দিল রিজিক তোমায় সকাল হতে রাত,
সেই রবের শুকরিয়া কি আদায় করো হায়?
ফুলের বুকে রঙের হাসি, পাখির কণ্ঠ গান,
সবই যেন বলে উঠে— “আল্লাহ মহান!”
রাতের বুকে জোনাক জ্বলে নূরের মতো করে,
সৃষ্টিজগৎ সিজদা করে মহান রবের তরে।
হে মানুষ, তোর জ্ঞান যতই আকাশ ছুঁয়ে যাক,
রবের জ্ঞানের সামনে তাও বিন্দুর সমান থাক।
সমুদ্রভরা কালি হলেও লিখে হবে না শেষ,
আল্লাহর জ্ঞানের মহিমা অনন্ত পরিবেশ।
এই দুনিয়া পরীক্ষাঘর, ভুলে যেও না ভাই,
ক্ষমতা আর সম্পদ এখানে চিরদিনের নাই।
আজ যে রাজা সিংহাসনে, কাল সে মাটির ঘরে,
সবাইকে একদিন যেতে হবে কবরেরই দ্বারে।
তাই এসো, হৃদয় ভরে তাওবা করি আজ,
কুরআনের আলোয় গড়ি জীবনেরই সাজ।
হিংসা, লোভ, অহংকার সব দূরে ফেলে দিই,
মানুষ হয়ে মানুষেরই পাশে গিয়ে দাঁড়াই।
হে আল্লাহ, তুমি আমাদের অন্তর করো পবিত্র,
পাপের কালো আঁধার হতে রাখো সদা মুক্ত।
তোমার দেওয়া জ্ঞান যেন কাজে লাগে ভালোয়,
তোমার রহমত পেয়ে যেন ফিরি নূরের আলোয়।
যেদিন থেমে যাবে হঠাৎ দুনিয়ার সব গান,
সেদিন যেন মুখে থাকে তোমারই পবিত্র নাম।
কবর যেন শান্তিময় জান্নাতের বাগান হয়,
তোমার রহমতে মুমিনের হৃদয় প্রশান্ত রয়।
হে জিন ও মানবজাতি, শোনো শেষের ডাক—
রবের দেওয়া শক্তি ছাড়া সবই যে ফাঁক।
তাই তাঁরই পথে চলো, তাঁরই প্রেমে বাঁচো,
দুনিয়া ও আখিরাতে সফলতার কাছে পৌঁছো।
আমিন।
***
হে জিন ও মানব, শুনো অনন্ত আকাশের বাণী,
রহমানের কালাম বুকে জ্বালে নূরেরই পানি।
“যদি পারো, বেরিয়ে যাও সীমার বাইরে দূর!”
তবু রবের শক্তি ছাড়া সবই অন্ধ সুর।
নক্ষত্রভরা আকাশ যেন কুরআনেরই পাতা,
প্রতিটি তারা লিখে রাখে রবের মহিমাগাথা।
চন্দ্র-সূর্য ঘুরে চলে নিখুঁত নিয়ম ধরে,
কার ইশারায় দিন ফুরোয়, রাত নামে ঘরে ঘরে?
মানুষ আজ লোহার ডানায় মহাশূন্যে উড়ে,
চাঁদের বুকে পা রেখেছে বিস্ময়ভরা সুরে।
তবু কেন বুকের মাঝে ভয় জমে নিরব?
একটি রোগে কেঁপে ওঠে শক্তিমান মানব।
যে বিজ্ঞান আজ সাগর পাড়ি দেয় নিমিষে,
সে বিজ্ঞানও থেমে যায় মৃত্যুর কালো নিশে।
যে মানুষ গ্রহে গ্রহে খোঁজে জীবনের ঠিকানা,
সে মানুষই ভুলে যায় কবরের অন্ধকারখানা।
হে মানুষ, এত গর্ব কেন জ্ঞানের অহংকারে?
তোর জ্ঞান তো এক বিন্দুমাত্র রবের জ্ঞানের ধারে।
সমুদ্র যদি কালি হয়, বৃক্ষ যদি কলম,
তবু শেষ হবে না তাঁর জ্ঞানের মহামরম।
সাত আসমান মাথার উপরে বিশাল নীলের ঢেউ,
কোটি কোটি ছায়াপথে ক্লান্তি তাদের নেই।
কে রেখেছে ভারসাম্যে এত গ্রহ-উপগ্রহ?
কার হুকুমে সূর্য ওঠে আলোকিত প্রত্যহ?
আল্লাহ বলেন— “যদি পারো, সীমা ভেঙে যাও!”
কিন্তু সাথে বুঝিয়ে দিলেন— “আমাকেই চিনে নাও।”
তাঁরই দেওয়া শক্তি ছাড়া অচল সব প্রাণ,
তাঁরই কুদরত ছাড়া থেমে যাবে জাহান।
ফিরআউনের রাজদণ্ড ছিল ক্ষমতার পাহাড়,
তবু সাগরের ঢেউয়ে শেষে হলো ছারখার।
কারুন গুনে সোনার ভাণ্ডার হাসতো অহংকারে,
এক নিমেষে মাটির নিচে হারালো অন্ধকারে।
নমরূদ বলেছিল একদিন— “আমিই মহাশক্তি!”
একটি ক্ষুদ্র মশাই দিল তার গর্বে ভীষণ ভ্রান্তি।
মানুষ যত শক্তিশালী ভাবুক নিজ প্রাণ,
রবের সামনে সবই ক্ষুদ্র, সবই মিথ্যা জ্ঞান।
হে জিন জাতি, আগুন হতে সৃষ্টি তোমাদের,
দ্রুতগামী শক্তি আছে অদৃশ্য পথের ঘের।
তবু তোমরাও পারবে না রবের সীমা ছাড়াতে,
তাঁর ইচ্ছা ছাড়া কিছুই নেই তো ঘটাতে।
এক ফোঁটা বৃষ্টির মাঝে তাঁর রহমতের ছোঁয়া,
একটি ফুলের সুবাস যেন তাঁরই দয়ার হাওয়া।
শুকনো মাটিতে সবুজ ঘাস ওঠে তাঁরই হুকুমে,
মৃত হৃদয় জেগে ওঠে কুরআনের মর্মে।
হে মানুষ, তুই দালান গড়িস আকাশ ছোঁয়ার তরে,
তবু কবরের মাটির ঘর অপেক্ষা করে।
আজকে তুই সম্মান নিয়ে চলিস বুক ফুলিয়ে,
কালকে তোকে মাটিই নেবে নীরব কোলে টেনে।
এই দুনিয়া মরীচিকা, ক্ষণিক সুখের মেলা,
আজ যে হাসে, কাল সে কাঁদে সময় গেলে বেলা।
আখিরাতের অনন্ত জীবন সত্যের মহাপথ,
সেখানে শুধু কাজে লাগবে ঈমান আর সৎরথ।
হে মানুষ, নামাজে খুঁজো প্রশান্তিরই ছায়া,
সিজদার মাঝে লুকিয়ে আছে মুক্তির মহিমা।
কুরআনের আলোয় গড়ো হৃদয় ও সংসার,
তাহলেই তো জীবন হবে জান্নাতের দ্বার।
যে রব দিল মায়ের বুকে মমতারই নূর,
যে রব দিল পাখির কণ্ঠে মধুর সুরের সুর,
যে রব দিল শিশিরভেজা ভোরের স্নিগ্ধ হাওয়া,
সেই রবকে ভুলে গিয়ে কেমন করে চাওয়া?
রাতের বুকে জোনাক জ্বলে ক্ষুদ্র নূরের রেখা,
সৃষ্টিজগৎ সাক্ষ্য দেয়— “আল্লাহ একা একা।”
পাহাড়, নদী, সাগর, বন— সবাই যেন কয়,
“রবের ইচ্ছা ছাড়া কিছুই অস্তিত্বময় নয়।”
হে মানুষ, তোর দম্ভ ছেড়ে বিনয় নিয়ে বাঁচ,
অহংকারের আগুন থেকে অন্তরটাকে বাঁচ।
ক্ষমতা আর প্রতিভা সব আমানতের ধন,
শুকরিয়া না করলে হবে অন্ধকার জীবন।
তাই এসো, তাওবার জলে ধুই হৃদয়ের কালো,
ঈমান দিয়ে সাজাই প্রাণ, নেক আমলের আলো।
হিংসা, লোভ, গীবত, ক্রোধ দূরে সরিয়ে রাখি,
মানুষ হয়ে মানুষেরই কল্যাণপথে থাকি।
হে আল্লাহ, তুমি আমাদের অন্তরে দাও নূর,
সত্য পথে রাখো সদা, দূরে রাখো গুরুর গুর।
তোমার দেওয়া জ্ঞান যেন কল্যাণে লাগে,
তোমার ভয় আর ভালোবাসা হৃদয়ে সদা জাগে।
যেদিন থেমে যাবে হঠাৎ জীবনেরই গান,
সেদিন যেন মুখে থাকে তোমার পবিত্র নাম।
কবর যেন শান্তিময় জান্নাতি বাগান হয়,
তোমার রহমতে মুমিন হৃদয় প্রশান্ত রয়।
হে জিন ও মানবজাতি, শোনো শেষ আহ্বান—
রবের দেওয়া শক্তি ছাড়া দুর্বল সব প্রাণ।
তাই তাঁরই পথে চলো, তাঁরই প্রেমে বাঁচো,
দুনিয়া ও আখিরাতে সফলতার কাছে পৌঁছো।
আমিন।
(সূরাঃ আর-রাহমান আয়াতঃ ৩৩ মাদানী)-
৩
৩ মন্তব্য