সহকারী অধ্যাপক
২৪ মে, ২০২৬ ১০:৪৩ অপরাহ্ণ
সরলতা.....জান্নাতি বৈশিষ্ট্য..; দাম্ভিকতা,অহংকার....জাহান্নামী বৈশিষ্ট.. -মোঃ মুজিবুর রহমান
সরলতা.....জান্নাতি বৈশিষ্ট্য..;
দাম্ভিকতা,অহংকার....জাহান্নামী বৈশিষ্ট..
মোঃ মুজিবুর রহমান
সহকারী অধ্যাপক
মোজাদ্দেদীয়া ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা,কালিয়াকৈর, গাজীপুর।
দুনিয়ার মঞ্চে কত মানুষ হাঁটে
কারো চোখে আগুন, কারো চোখে প্রার্থনা,
কারো কণ্ঠে অহংকারের বজ্রধ্বনি,
কারো বুকে নীরব “আলহামদুলিল্লাহ”।
কেউ প্রাসাদের চূড়ায় দাঁড়িয়ে বলে—
“আমিই শ্রেষ্ঠ! আমিই বড়!”
আর কেউ ভাঙা ঘরের চাটাই পেতে
রাতে কাঁদে—
“হে আল্লাহ! তুমি ছাড়া আমার আর কেউ নেই…”
সেদিন আসমানের ওপারে
জান্নাত আর জাহান্নামের মাঝে
হলো এক গভীর কথা—
যার শব্দ আজও কাঁপায় মুমিন হৃদয়।
জান্নাত বলল—
“হে রব!
আমার পথে কেন আসে
সরল মানুষ,
নরম হৃদয়ের মানুষ,
অসহায়, নিরহংকার, শান্ত মানুষ?
যাদের পোশাক সাধারণ,
চোখে বিনয়,
মুখে কম কথা,
কিন্তু অন্তরে তোমার ভয়!”
জাহান্নাম তখন গর্জে উঠল—
“আর আমার দিকে ছুটে আসে
অহংকারী, দাম্ভিক, উদ্ধত মানুষ!
যারা মানুষকে তুচ্ছ করে,
ক্ষমতা পেয়ে সীমা ভুলে যায়,
টাকার নেশায় অন্ধ হয়ে
অন্যের হক গিলে খায়!”
তখন মহান রব বললেন—
“হে জান্নাত!
তুমি আমার রহমত।
তোমার মাধ্যমে আমি
আমার প্রিয় বান্দাদের সম্মানিত করব।”
আর জাহান্নামকে বললেন—
“তুমি আমার শাস্তি।
তোমার মাধ্যমে আমি
অত্যাচারী ও অবাধ্যদের বিচার করব।”
এই হাদিস শুধু গল্প নয়,
এ যেন আয়না—
যেখানে মানুষ নিজের চেহারা দেখে।
কার বুক নরম?
কার অন্তরে তাকওয়া?
কার হৃদয়ে মানুষের জন্য মায়া আছে?
আর কার অন্তরে লুকিয়ে আছে
ইবলিসের পুরোনো অহংকার?
অহংকার বড় ভয়ংকর আগুন—
যা ইবাদতও পুড়িয়ে দেয়।
ইবলিসও তো একদিন
ইবাদতে আকাশ ছুঁয়েছিল,
কিন্তু একটি “আমি শ্রেষ্ঠ”
তাকে চিরতরে অভিশপ্ত করল।
আজও কত মানুষ
নামাজ পড়ে, দান করে,
কিন্তু অন্তরে লুকিয়ে রাখে
দাম্ভিকতার বিষধর সাপ।
কেউ গরিবকে দেখে হাসে,
কেউ অশিক্ষিতকে অপমান করে,
কেউ ক্ষমতার জোরে
অন্যের স্বপ্ন ভেঙে দেয়।
কেউ বন্ধুর বিশ্বাস নিয়ে খেলে,
কারো সরলতাকে পুঁজি বানিয়ে
নিজের পকেট ভারী করে।
তারপর ভাবে—
“আমি খুব চালাক!”
না…
চালাকি মানুষকে বড় করে না,
আল্লাহর কাছে বড় হয়
যে মানুষ বিনয়ী।
যে কাঁদতে জানে,
ক্ষমা চাইতে জানে,
অন্যায়ের পর তওবা করতে জানে,
মানুষের হক ফিরিয়ে দিতে জানে।
সরল মানুষ দুর্বল নয়—
বরং তারা শক্তিশালী,
কারণ তাদের হৃদয়ে অহংকার নেই।
তারা মানুষের ক্ষতি করে না,
অন্যের হক মারে না,
মিথ্যা অভিনয়ে নিজেকে সাজায় না।
তাদের চোখে লোভ কম,
দোয়া বেশি।
তাদের হাতে প্রতারণা নেই,
বরং আছে সাহায্যের স্পর্শ।
হয়তো তারা দুনিয়ায় বিখ্যাত নয়,
তাদের নামে বড় সাইনবোর্ড নেই,
তবু আসমানে ফেরেশতারা
তাদের নাম ভালোবেসে উচ্চারণ করে।
আর অহংকারী মানুষ?
সে হাঁটে বুক ফুলিয়ে,
কথা বলে আগুনের মতো,
মানুষকে ছোট করে আনন্দ পায়।
কিন্তু কবরের অন্ধকারে
তার পদবি থাকবে না,
ব্যাংক ব্যালেন্স থাকবে না,
ক্ষমতার চেয়ারও থাকবে না।
সেখানে শুধু থাকবে—
আমল,
সত্য,
আর আল্লাহর বিচার।
তাই হে মানুষ!
নিজেকে বড় ভাবো না।
কারণ মাটিই তোমার শুরু,
মাটিই তোমার শেষ ঠিকানা।
নরম হও,
ক্ষমাশীল হও,
মানুষের প্রতি দয়ালু হও।
কারো হক নষ্ট কোরো না।
অন্যের চোখের জল দিয়ে
নিজের সুখ গড়ো না।
যে হৃদয়ে অহংকার কমে,
সেখানে ঈমানের আলো বাড়ে।
যে মাথা আল্লাহর সামনে নত হয়,
সে কখনো অপমানিত হয় না।
দুনিয়া ক্ষণিকের মেলা—
আজ আছে, কাল নেই।
কিন্তু আখিরাতের জীবন
চিরস্থায়ী।
তাই চলো,
আমরা সরলতার পথে হাঁটি,
বিনয়ের আলো বুকে রাখি,
তওবার অশ্রুতে হৃদয় ধুই।
যেন একদিন
রহমতের দরজা খুলে গিয়ে
জান্নাত ডেকে বলে—
“এসো,
হে বিনয়ী আত্মা!
এসো,
হে নরম হৃদয়ের মানুষ!
আজ তোমাদের কোনো ভয় নেই,
কোনো হিসাবের কষ্ট নেই—
তোমরা তোমাদের রবের সন্তুষ্টি লাভ করেছ…”
***
দুনিয়ার পথে কত মানুষের ভিড়,
কেউ আলো খোঁজে, কেউ আগুনে জ্বলে,
কেউ মাথা নত করে রবের দরবারে,
কেউ অহংকারে নিজেকেই উপাস্য বলে।
কেউ রাতের অন্ধকারে সিজদায় কাঁদে—
“হে আল্লাহ! আমায় ক্ষমা করো…”
আর কেউ মানুষের সামনে বুক ফুলিয়ে বলে—
“আমার মতো আর কে বড়?”
সেদিন আরশের ওপারে
এক অপূর্ব দৃশ্য হলো—
জান্নাত আর জাহান্নাম
নিজেদের কথা বলল রবের সামনে।
জান্নাত বলল—
“হে আমার রব!
আমার বুকে কেন আসে
ওই সরল মানুষগুলো?
যাদের হাতে দুনিয়ার ধন কম,
কিন্তু অন্তরে ঈমানের আলো বেশি।
যারা ভাঙা ঘরেও শুকরিয়া পড়ে,
ক্ষুধার মধ্যেও হারাম ছোঁয় না,
মানুষের কষ্টে কাঁদে,
নিজের ভুলে তওবা করে।
যারা ছোট ছোট আমল নিয়েও
তোমার সন্তুষ্টি খোঁজে—
তারা কেন আমার অতিথি?”
তখন আকাশ কেঁপে উঠল নূরের মহিমায়।
জাহান্নাম বলল—
“আর আমার দিকে আসে
ওই অহংকারী মানুষগুলো!
যারা টাকার নেশায় অন্ধ হয়,
ক্ষমতার দম্ভে মানুষকে পিষে ফেলে।
যারা গরিবকে তুচ্ছ করে,
অসহায়কে ঠকায়,
বন্ধুর বিশ্বাস ভেঙে
নিজের স্বার্থ গড়ে।
যারা মুখে ধর্মের কথা বলে,
কিন্তু অন্তরে আগুন লালন করে।
যারা নামাজ পড়ে ঠিকই,
তবু অহংকার ছাড়তে পারে না।”
তখন মহান আল্লাহ বললেন—
“হে জান্নাত!
তুমি আমার রহমত।
তোমার মাধ্যমে আমি
আমার প্রিয় বান্দাদের শান্তি দেব।”
আর জাহান্নামকে বললেন—
“তুমি আমার শাস্তি।
তোমার মাধ্যমে আমি
অত্যাচারী ও দাম্ভিকদের বিচার করব।”
এই হাদিস শুধু বর্ণনা নয়,
এ যেন জীবনের মানচিত্র।
মানুষ কোন পথে হাঁটছে—
তারই স্পষ্ট পরিচয়।
সরলতা মানে বোকামি নয়,
বরং হৃদয়ের পবিত্রতা।
বিনয় মানে দুর্বলতা নয়,
বরং আত্মার সৌন্দর্য।
অহংকার মানুষকে বড় দেখায়,
কিন্তু আল্লাহর কাছে ছোট করে দেয়।
আর বিনয় মানুষকে ছোট দেখায়,
কিন্তু আসমানে সম্মানিত করে।
ইবলিসও তো একদিন
ইবাদতের পাহাড় গড়েছিল,
কিন্তু একটি অহংকার—
“আমি আদমের চেয়ে শ্রেষ্ঠ”—
সব আমল ধূলায় মিশিয়ে দিল।
আজও কত মানুষ
অন্যের হক মেরে সুখ খোঁজে,
কারো চোখের জল দিয়ে
নিজের ভবিষ্যৎ গড়ে।
কেউ সরল মানুষকে ঠকিয়ে ভাবে—
“আমি খুব বুদ্ধিমান!”
কিন্তু আখিরাতের আদালতে
সব চালাকি থেমে যাবে।
সেখানে থাকবে না
মিথ্যা হাসি,
নকল সম্মান,
ক্ষমতার চেয়ার,
ব্যাংকের অঙ্ক।
সেখানে শুধু থাকবে—
একটি হৃদয়,
একটি আমলনামা,
আর মহান রবের বিচার।
তাই হে মানুষ!
নিজেকে বড় ভাবো না।
তোমার জন্ম একফোঁটা পানি থেকে,
শেষ ঠিকানা মাটির নিচে।
মানুষকে ভালোবাসো,
ক্ষমা করতে শেখো,
অন্যের হক ফিরিয়ে দাও।
কারো বিশ্বাস ভেঙো না।
কারো সরলতাকে উপহাস কোরো না।
কারণ আল্লাহ অহংকারীকে ভালোবাসেন না,
আর বিনয়ী হৃদয়কে খুব ভালোবাসেন।
যে মানুষ একাকী রাতে বলে—
“হে রব!
আমি ভুল করেছি…”
আল্লাহ তার কান্না শুনেন।
যে মানুষ গোপনে দান করে,
ক্ষুধার্তকে খাওয়ায়,
অন্যের দোষ ঢেকে রাখে,
মানুষের জন্য দোয়া করে—
তার জন্য আসমানে রহমত নেমে আসে।
দুনিয়ার চাকচিক্য ক্ষণিকের,
আজ আছে, কাল মুছে যাবে।
কিন্তু আখিরাতের জীবন—
চিরন্তন, অনন্ত।
তাই এসো,
আমরা অহংকার ভেঙে ফেলি,
বিনয়ের চাদর জড়িয়ে নিই,
তওবার জলে হৃদয় ধুই।
যেন মৃত্যুর পরে
ফেরেশতারা হাসিমুখে বলে—
“ভয় পেয়ো না,
দুঃখ কোরো না,
তোমাদের জন্য রয়েছে সেই জান্নাত
যার প্রতিশ্রুতি তোমাদের দেওয়া হয়েছিল…”
আর জান্নাতের দরজা খুলে গিয়ে
ডেকে উঠবে—
“এসো হে সরল হৃদয়ের মানুষ,
এসো হে বিনয়ী আত্মা,
আজ তোমাদের কোনো ভয় নেই,
কোনো অপমান নেই—
আজ শুধু শান্তি,
রহমত,
আর আল্লাহর সন্তুষ্টি…”
***
দুনিয়ার এ পথ ক্ষণিকের সফর,
কেউ হাসে গর্বে, কেউ কাঁদে অন্তর,
কেউ সোনার প্রাসাদে নিজেকে রাজা ভাবে,
কেউ ছেঁড়া জায়নামাজে রবকে ডাকে।
কেউ বলে—
“আমার ধন, আমার শক্তি, আমার সম্মান!”
আবার কেউ নীরবে বলে—
“হে আল্লাহ, তুমি ছাড়া আমি কিছুই না…”
এই দুই হৃদয়ের মাঝেই
লুকিয়ে আছে দুই পথ—
এক পথ জান্নাতের দিকে,
আরেক পথ জাহান্নামের আগুনে।
হযরত আবু হুরায়রা (রা.) বর্ণনা করেন—
রাসূল ﷺ বলেছেন,
একদিন জান্নাত ও জাহান্নাম
নিজেদের কথা বলল মহান রবের সামনে।
জান্নাত বলল—
“হে রব!
আমার মাঝে কেন আসে
এত সরল মানুষ?
যাদের গায়ে দামী পোশাক নেই,
কিন্তু অন্তরে তাকওয়ার আলো আছে।
যারা মানুষের ক্ষতি করে না,
অন্যের হক নষ্ট করে না,
দুনিয়া কম পেয়েও
তোমার শুকরিয়া আদায় করে।
যারা রাতের আঁধারে কাঁদে,
নিজের গুনাহে লজ্জা পায়,
মানুষের সামনে নয়—
নীরবে তোমার কাছে ক্ষমা চায়।”
জাহান্নাম তখন গর্জে উঠল—
“আর আমার দিকে আসে
ওই দাম্ভিক লোকগুলো!
যারা মানুষকে তুচ্ছ করে,
ক্ষমতার অহংকারে অন্ধ হয়ে যায়।
যারা টাকার পাহাড় গড়ে
অসহায়ের কান্না ভুলে যায়।
যারা বন্ধুর বিশ্বাস ভেঙে
নিজের স্বার্থ হাসিল করে।
যারা ভাবে—
চালাকি মানেই বুদ্ধিমত্তা,
প্রতারণা মানেই সফলতা!”
তখন মহান আল্লাহ বললেন—
“হে জান্নাত!
তুমি আমার রহমত।
তোমার মাধ্যমে আমি
আমার প্রিয় বান্দাদের দয়া করব।”
আর জাহান্নামকে বললেন—
“তুমি আমার শাস্তি।
তোমার মাধ্যমে আমি
অত্যাচারী ও অহংকারীদের বিচার করব।”
এই হাদিস শুধু একটি বর্ণনা নয়,
এ যেন প্রতিটি মানুষের জন্য সতর্কবার্তা।
কারণ অহংকার শুধু মুখের ভাষা নয়—
এটা হৃদয়ের রোগ।
যে রোগ মানুষকে অন্ধ করে দেয়।
ইবলিসও তো এই অহংকারেই ধ্বংস হয়েছিল।
সে বলেছিল—
“আমি আদমের চেয়ে উত্তম!”
একটি অহংকার
তাকে রহমত থেকে চিরদিনের জন্য দূরে সরিয়ে দিল।
আজও পৃথিবীতে
কত মানুষ ইবলিসের সেই পথেই হাঁটে।
কেউ গরিবকে অপমান করে,
কেউ অশিক্ষিতকে তুচ্ছ করে,
কেউ নিজের পদ-পদবি নিয়ে
মানুষকে ছোট করে দেখে।
কেউ বন্ধুর সরলতা দেখে হাসে,
কেউ মানুষের বিশ্বাস নিয়ে ব্যবসা করে।
কেউ কাগজের স্বাক্ষরে
অন্যের জীবন ভেঙে দেয়।
তারপরও ভাবে—
“আমি তো খুব সফল!”
কিন্তু আখিরাতের আদালতে
চালাকি চলবে না।
সেখানে থাকবে না
ক্ষমতার চেয়ার,
টাকার হিসাব,
মানুষের প্রশংসা।
সেখানে শুধু থাকবে—
একটি হৃদয়,
একটি আমলনামা,
আর মহান রবের ন্যায়বিচার।
সরল মানুষকে দুনিয়া দুর্বল ভাবে,
কিন্তু আল্লাহ তাদের ভালোবাসেন।
যে মানুষ
অন্যের হক মারে না,
হারাম থেকে বেঁচে থাকে,
মানুষকে সম্মান করে,
ক্ষমা করতে জানে—
সে-ই প্রকৃত শক্তিশালী।
বিনয় মানুষকে ছোট করে না,
বরং সম্মানিত করে।
আর অহংকার মানুষকে বড় দেখালেও
আল্লাহর কাছে তুচ্ছ বানিয়ে দেয়।
তাই হে মানুষ!
তুমি যদি জান্নাতের পথ চাও,
তবে হৃদয়কে নরম করো।
অন্যের কষ্ট বুঝতে শেখো।
মানুষকে ঠকিয়ে সুখ খুঁজো না।
কারো চোখের জল দিয়ে
নিজের ভবিষ্যৎ গড়ো না।
কারণ মজলুমের দীর্ঘশ্বাস
আসমান কাঁপিয়ে দেয়।
তুমি যদি ভুল করে থাকো—
তওবা করো।
যার হক নষ্ট করেছ—
ফিরিয়ে দাও।
যাকে কষ্ট দিয়েছ—
ক্ষমা চাও।
কারণ আল্লাহর দরজা এখনও খোলা।
দুনিয়া তো ক্ষণিকের ছায়া,
আজ আছি, কাল নেই।
কবরের মাটিই
শেষে সবার ঠিকানা।
সেদিন না থাকবে অহংকার,
না থাকবে পরিচয়,
না থাকবে সম্পদের গর্ব।
শুধু থাকবে—
কে বিনয়ী ছিল,
কে মানুষকে ভালোবেসেছিল,
কে আল্লাহকে ভয় করেছিল।
তাই এসো—
আমরা হৃদয় পরিষ্কার করি,
অহংকার ভেঙে ফেলি,
সরলতার আলোয় বাঁচি।
যেন একদিন
জান্নাতের দরজা খুলে যায়,
আর ফেরেশতারা ডেকে বলে—
“এসো হে শান্ত হৃদয়ের মানুষ,
এসো হে বিনয়ী আত্মা!
আজ তোমাদের কোনো ভয় নেই,
কোনো অপমান নেই।
আজ শুধু রহমত,
শান্তি,
আর মহান রবের সন্তুষ্টি…”
৭১
১৪৫ মন্তব্য