ঈদুল আজহার দিনের সর্বশ্রেষ্ঠ ফজিলত হলো আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে পশু কোরবানি করা। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, কোরবানির দিন রক্ত প্রবাহিত করার চেয়ে আল্লাহর কাছে অধিক প্রিয় কোনো আমল নেই। কোরবানির পশুর রক্ত মাটিতে পড়ার আগেই তা আল্লাহর কাছে বিশেষ মর্যাদায় পৌঁছে যায় এবং প্রতিটি পশুর লোমের বিনিময়ে নেকি দেওয়া হয়。 [
1,
2]
এই দিনের ফজিলত ও তাৎপর্যপূর্ণ দিকগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:
- গুনাহ মাফ ও নৈকট্য লাভ: কোরবানির পশুর প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ, লোম ও ক্ষুর কেয়ামতের দিন নেয়ামত হিসেবে উপস্থিত হবে। কোরবানিদাতা আল্লাহর নৈকট্য ও অশেষ রহমত লাভ করেন。
- আত্মত্যাগের আদর্শ: ইব্রাহিম (আ.) ও ইসমাইল (আ.)-এর পরম ত্যাগের স্মৃতিবিজড়িত এই দিনটি মুসলিম উম্মাহকে নিজ জানমাল আল্লাহর রাস্তায় বিলিয়ে দেওয়ার শিক্ষায় উজ্জীবিত করে。
- তাকবির পাঠ: জিলহজের ৯ তারিখ ফজর থেকে ১৩ তারিখ আসর পর্যন্ত প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর তাকবিরে তাশরিক (আল্লাহু আকবর আল্লাহু আকবর, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু, আল্লাহু আকবর আল্লাহু আকবর, ওয়ালিল্লাহিল হামদ) পাঠ করা ওয়াজিব, যা আল্লাহর বড়ত্ব প্রকাশ করে。 [1, 2, 3, 4, 5, 6]
ঈদুল আজহার দিনের সুন্নাত আমল:
- ঈদের দিন সকালে গোসল করা, মিসওয়াক করা এবং সামর্থ্য অনুযায়ী সুন্দর ও পরিষ্কার পোশাক পরিধান করা。
- ঈদগাহে যাওয়ার আগে কিছু না খেয়ে খালি পেটে যাওয়া এবং ঈদের নামাজ শেষে বাড়ি ফিরে নিজের কোরবানির গোশত দিয়ে দিনের প্রথম খাবার গ্রহণ করা。
- ঈদগাহে যাওয়ার সময় এক রাস্তা দিয়ে যাওয়া এবং ফেরার সময় অন্য রাস্তা ব্যবহার করা。
- উচ্চস্বরে তাকবির পড়তে পড়তে ঈদগাহে গমন করা。 [1, 2, 3, 4]
ঈদুল আজহার পূর্ণাঙ্গ ইবাদত, কোরবানির নিয়মকানুন ও আনুষঙ্গিক মাসয়ালা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে
ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ অথবা বিশ্বস্ত আলেমদের শরণাপন্ন হতে পারেন।
[1]
৫৩
৯১ মন্তব্য