Loading..

ব্লগ

রিসেট

২৮ মে, ২০২৬ ০৪:৪৯ পূর্বাহ্ণ

কুরবানীর ঈদ : ত্যাগের মহিমা মোঃ মুজিবুর রহমান

কুরবানীর ঈদ : ত্যাগের মহিমা

মোঃ মুজিবুর রহমান

সহকারী অধ্যাপক

মোজাদ্দেদীয়া ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা,কালিয়াকৈর, গাজীপুর।

ত্যাগের ডাকে আবার এলো
পবিত্র ঈদের দিন,
মানবতার আলো জ্বেলে
হাসুক ভুবনজিন।

কুরবানী শুধু পশু জবাই
রক্ত ঝরার নাম নয়,
নিজের ভেতর লুকিয়ে থাকা
অহং ভাঙার জয়।

লোভ-লালসা, হিংসা-বিদ্বেষ
দূরে ফেলাই শিক্ষা,
মানুষ হয়ে মানুষের তরে
গড়ি ভালোবাসার দীক্ষা।

ইবরাহিমের ত্যাগের স্মৃতি
জাগায় হৃদয় মাঝে,
আল্লাহ প্রেমে আত্মসমর্পণ
শিখায় প্রতিটি কাজে।

হযরত ইসমাঈল (.) দিলেন
আনুগত্যের দান,
তাই তো আজও কুরবানীতে
জাগে ঈমানের গান।

ধনী-গরিব এক কাতারে
মেশে হৃদয়-প্রাণ,
ভাগাভাগির আনন্দেতে
হাসে সারা জাহান।

কেউ যেন আর ক্ষুধায় কাঁদে
কথা যেন না হয়,
পাশের ঘরের দুঃখ দেখেও
নীরব থাকা ক্ষয়।

কুরবানীর এই মহান দিনে
খুলি মমতার দ্বার,
ভালোবাসার সুবাস ছড়াক
প্রতিটি পরিবার।

অসহায়ের মুখে ফুটুক
একটুখানি হাসি,
সবার সুখে সুখী হওয়ার
শিক্ষা দিক উদাসী।

যে সম্পদে গরিবের হক
লুকিয়ে থাকে চুপে,
ঈদের দিনে তা পৌঁছে দিই
স্নেহ-মায়ার রূপে।

ত্যাগ ছাড়া কি মহৎ কিছু
পৃথিবীতে গড়ে?
নিজের সুখকে বিলিয়ে দিতে
শিখি যেন পরের তরে।

কুরবানী মানে আত্মশুদ্ধি,
নফসের সাথে যুদ্ধ,
অন্যায়ের পথ ছেড়ে দিয়ে
সত্যে থাকার বুদ্ধ।

হিংসা যেন দূরে সরে যায়,
মুছে যাক বিভেদ,
মানুষ মানুষকে আপন ভাবুক
ভালোবাসুক নির্ভেদ।

শিশুর মুখে আনন্দ ফুটুক,
বৃদ্ধ পাক সম্মান,
বিধবার চোখ শুকিয়ে যাক
মুছে যাক অবসান।

ঈদের চাঁদে জেগে উঠুক
সহমর্মী মন,
মানবতার সেতু গড়ুক
দেশে দেশে জন।

কেউ থাকবে না একা পড়ে
অবহেলার ভিড়ে,
ভ্রাতৃত্বের বন্ধন গড়ে
চলি আমরা নীড়ে।

কুরবানীর ত্যাগের শিক্ষা
হোক জীবনের পথ,
সত্য-ন্যায়ের আলো জ্বেলে
মুছে যাক সব ক্ষত।

পরের দুঃখ নিজের ভেবে
যে এগিয়ে আসে,
মানুষ নামে সেই তো মানুষ
রয় মানুষের পাশে।

আসুন সবাই হাত বাড়াই
ভাঙি স্বার্থের দেয়াল,
ভালোবাসার বীজ বুনে দিই
হোক পৃথিবী উজ্জ্বল।

সকলে মোরা পরের তরে
এই হোক শপথ,
ত্যাগের মহিমায় রাঙুক ধরা
মুছে যাক সব ক্লান্তি-ব্যথা।

কুরবানীর ঈদ আসুক নিয়ে
শান্তি, সুখের বান,
মানবতার জয়ধ্বনি উঠুক
প্রাণে প্রাণে গান।

দুঃখ-কষ্ট দূর হোক সব
হাসুক সবার মন,
ত্যাগের আলোয় উদ্ভাসিত হোক
সুন্দর ভুবন।

ঈদের সুখ ছড়িয়ে পড়ুক
গ্রাম থেকে নগরে,
মানুষ যেন মানুষ হয়ে
দাঁড়ায় মানুষের তরে।

আল্লাহ তুমি কবুল করো
আমাদের এই প্রাণ,
ত্যাগ, তাকওয়া, ভালোবাসায়
ভরে দাও জাহান।



কুরবানীর ঈদ : ত্যাগ, মানবতা ভ্রাতৃত্বের

আবার এলো কুরবানীর ঈদ
ত্যাগের সুমহান বারতা নিয়ে,
আকাশজুড়ে তাকবীর ধ্বনি
বইছে হৃদয় ছুঁয়ে।

আল্লাহু আকবার ধ্বনিতে আজ
কাঁপে ধরণীর বুক,
মানবতার আলোয় ভরে
দূর হোক যত দুঃখ।

কুরবানী শুধু রক্ত ঝরা
পশু জবাইয়ের নাম নয়,
যে মানুষের অন্তরজুড়ে
অহং ভাঙার জয়।

নিজের ভেতর জমে থাকা
লোভ, হিংসা আর ভয়,
আল্লাহ প্রেমে বিসর্জন দিলে
মানুষ সত্যময়।

হযরত ইবরাহিম (.) যেদিন
স্বপ্নে পেলেন ডাক,
প্রভুর হুকুম পালনে তিনি
করেননি কোনো ফাঁক।

প্রিয় পুত্র ইসমাঈল (.) তখন
ছিলেন প্রাণের ধন,
তবুও তাঁরা শিখিয়েছেন
ত্যাগেই বড় জীবন।

সেই স্মৃতি আজ যুগে যুগে
জাগায় ঈমানী গান,
আল্লাহর পথে বিলিয়ে দিতে
শেখায় প্রাণ মান।

কুরবানীর এই মহান শিক্ষা
হোক সবার অন্তরে,
স্বার্থ ভুলে ভালোবাসা
ছড়িয়ে যাক ঘরে ঘরে।

ধনী-গরিব ভেদ ভুলে যাক
মিলুক হৃদয়-প্রাণ,
এক টুকরো সুখ ভাগাভাগিতে
হাসুক সারা জাহান।

কেউ যেন আর ক্ষুধার জ্বালায়
কাঁদে না নিরবে,
অসহায়ের মুখে হাসি ফুটুক
মানবতার রবে।

কুরবানীর গোশতের সাথে
ভালোবাসাও দিই,
দুঃখী মানুষের কষ্টগুলো
নিজের মনে নিই।

ঈদের দিনে নতুন কাপড়
পায় যে ছোট্ট শিশু,
তার হাসিতে লুকিয়ে থাকে
স্বর্গের সুখের নিশু।

বৃদ্ধ পিতা, ক্লান্ত মাতা
পাক স্নেহ-সম্মান,
ভালোবাসার পরশ পেয়ে
ভরুক তাঁদের প্রাণ।

বিধবার চোখ শুকিয়ে যাক
মুছে যাক সব ক্ষত,
এতিম শিশুর মুখে ফুটুক
নতুন দিনের রথ।

কুরবানী মানে আত্মশুদ্ধি,
নফসের সাথে যুদ্ধ,
সত্য পথে অবিচল থাকা
অন্যায়ের বিরুদ্ধে দৃঢ়।

মানুষ যেন মানুষ হয়ে
মানুষের পাশে রয়,
পৃথিবী জুড়ে শান্তির বাণী
ছড়িয়ে পড়ুক সয়।

পরের দুঃখ নিজের ভেবে
যে বাড়িয়ে দেয় হাত,
মানবতার ইতিহাসে সে
জ্বালে আশার বাতি রাত।

আসুন সবাই শপথ করি
স্বার্থ ভুলে আজ,
মানুষ হয়ে মানুষের তরে
গড়বো ভালো সমাজ।

মসজিদ ভরা নামাজ হোক,
মন ভরা তাকওয়া,
আচরণে ফুটে উঠুক
ইসলামেরই ছোঁয়া।

হিংসা-বিদ্বেষ দূরে যাক
মুছে যাক বিভেদ,
ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে গড়ে উঠুক
ভালোবাসার দেশ।

ঈদের চাঁদ উঠুক ভেসে
শান্তির নীল গগনে,
ত্যাগের আলো ছড়িয়ে পড়ুক
প্রতিটি মানব-মনে।

গ্রাম থেকে নগরজুড়ে
বইুক সুখের ঢেউ,
অসহায়ের কান্না শুনে
ফিরে না যাক কেউ।

যার ঘরে নেই অন্নের হাসি
তার ঘরেও যাই,
ঈদের খুশি সবার তরে
ভাগ করে নিতে চাই।

কুরবানীর রক্ত নয়,
প্রভু দেখেন মন,
কে কতখানি ত্যাগ করেছে
সেই তো আসল ধন।

তাই আসুন আজ শুদ্ধ করি
নিজের অন্তর প্রাণ,
লোভ-অহংকার মুছে ফেলে
গাই মানবতার গান।

সকলে মোরা পরের তরে
এই হোক আজ ব্রত,
ত্যাগের মহিমায় রাঙুক ধরা
মুছে যাক সব ক্ষত।

আল্লাহ তুমি কবুল করো
আমাদের কুরবানী,
তোমার প্রেমে জাগ্রত হোক
মানবতার বাণী।

দুঃখ-কষ্ট দূর হোক সব
হাসুক প্রতিটি প্রাণ,
ত্যাগ, তাকওয়া, ভালোবাসায়
ভরে উঠুক জাহান।

ঈদের সুখ ছড়িয়ে পড়ুক
সকল ঘরের দ্বারে,
মানুষ যেন বাঁচতে শেখে
মানুষেরই তরে।

শান্তি নামুক পৃথিবীজুড়ে
বন্ধ হোক হানাহানি,
ভালোবাসায় গড়ে উঠুক
নতুন মানবগাঁথা জানি।

কুরবানীর এই মহাশিক্ষা
রহুক চির অম্লান,
ত্যাগের আলোয় উদ্ভাসিত হোক
বাংলা বিশ্বজাহান।
***

কুরবানীর ঈদ : ত্যাগ, তাকওয়া মানবতার অনন্ত শিক্ষা

আবার এলো ঈদুল আযহা
ত্যাগের মহা বারতা নিয়ে,
তাকবীর ধ্বনি উঠছে ভেসে
আকাশ-বাতাস ছুঁয়ে।

আল্লাহু আকবার ধ্বনিতে আজ
কম্পিত ধরণীপ্রাণ,
কুরবানীর এই মহিমাতে
জাগুক ঈমানী গান।

ঈদ শুধু উৎসব নয়,
নয় কেবলই হাসি,
ঈদ শেখায় বিলিয়ে দিতে
ভালোবাসার বাঁশি।

কুরবানী শুধু পশু জবাই
রক্ত ঝরার নাম নয়,
নিজের ভিতর লুকিয়ে থাকা
অহং ভাঙার জয়।

লোভ-লালসা, হিংসা-বিদ্বেষ
মুছে ফেলার শিক্ষা,
মানুষ হয়ে মানুষের তরে
গড়ি মানবতার দীক্ষা।

হযরত ইবরাহিম (.) যেদিন
স্বপ্নে পেলেন ডাক,
আল্লাহরই সন্তুষ্টির তরে
করেননি কোনো ফাঁক।

প্রিয় পুত্র ইসমাঈল (.) তখন
ছিলেন চোখের আলো,
তবুও তাঁরা ত্যাগের পথে
রয়েছেন অবিচল ভালো।

সেই কাহিনী যুগে যুগে
জাগায় হৃদয় মাঝে,
আল্লাহ প্রেমে আত্মসমর্পণ
শেখায় প্রতিটি কাজে।

কুরবানীর এই মহান শিক্ষা
জাগুক সবার প্রাণে,
ত্যাগের আলো ফুটুক এসে
অন্ধকারের টানে।

ধনী-গরিব এক কাতারে
মিলুক হৃদয়-হাত,
ভ্রাতৃত্বেরই বন্ধন গড়ে
হোক সুন্দর প্রভাত।

কেউ যেন আর ক্ষুধার কষ্টে
কাঁদে না নিরবে,
অসহায়ের মুখে হাসি ফুটুক
মানবতার রবে।

যে ঘরে আজ অন্ন নেই আর
নেই যে সুখের আলো,
ঈদের খুশি পৌঁছে দিই
সেখানে ভালোবেসে ভালো।

এতিম শিশুর মুখের হাসি
হোক ঈদের চাঁদ,
বিধবার চোখের অশ্রু মুছে
ফুটুক সুখের বাঁধ।

বৃদ্ধ পিতা-মাতার মুখে
ফিরে আসুক প্রাণ,
সন্তানেরা সেবা দিয়ে
করুক সম্মান দান।

কুরবানীর গোশতের সাথে
ভাগ করি মমতা,
মানবসেবাই হোক আমাদের
জীবনেরই নিত্যতা।

ত্যাগ ছাড়া মহৎ কিছু
পৃথিবীতে হয় না,
নিজের সুখকে বিলিয়ে দিলে
মানুষ কখনো ক্ষয় না।

কুরবানী মানে আত্মশুদ্ধি,
নফসের সাথে যুদ্ধ,
সত্য পথে অবিচল থাকা
অন্যায়ের বিরুদ্ধে দৃঢ়।

মিথ্যা, পাপ আর অন্যায় যত
দূরে সরে যাক,
সত্য-ন্যায়ের আলো ছড়িয়ে
নতুন সকাল হোক।

স্বার্থপরতার দেয়াল ভেঙে
ভালোবাসা ছড়াই,
মানুষ হয়ে মানুষের পাশে
সবসময় দাঁড়াই।

পরের দুঃখ নিজের ভেবে
যে এগিয়ে আসে,
মানবতার শ্রেষ্ঠ পরিচয়
রয় তারই পাশে।

কুরবানীর এই মহান দিনে
শপথ করি সবাই,
অসহায়ের হাতটি ধরে
পাশে গিয়ে দাঁড়াই।

গ্রাম থেকে নগরজুড়ে
বইুক সুখের ঢেউ,
অভাবীদের কান্না শুনে
ফিরে না যাক কেউ।

ঈদের মাঠে নামাজ শেষে
যখন মেলে হাত,
হৃদয় জুড়ে জেগে উঠুক
ভালোবাসার প্রভাত।

হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে গিয়ে
ক্ষমা করি আজ,
মানবতার সোনার বাঁধনে
গড়ি সুন্দর সমাজ।

মসজিদ ভরা তাকওয়া হোক,
মন ভরা ঈমান,
আচরণে ফুটে উঠুক
ইসলামের সম্মান।

শিশুরা পাক নতুন স্বপ্ন,
তরুণ পাক পথ,
সততা আর ন্যায়ের আলো
মুছে দিক সব ক্ষত।

কুরবানীর শিক্ষা নিয়ে
চলি সারা বছর,
শুধু ঈদেই নয় মানবতা
থাকুক অন্তর ভর।

সকলে মোরা পরের তরে
এই হোক অঙ্গীকার,
ত্যাগের মহিমায় ভরে উঠুক
পৃথিবীর সংসার।

দুঃখ-কষ্ট দূর হোক সব
মুছে যাক হতাশা,
ভালোবাসার সুবাস ছড়াক
মানুষে মানুষে ভাষা।

কুরবানীর ঈদ আসুক নিয়ে
শান্তি, সুখের বান,
মানবতার জয়ধ্বনি উঠুক
প্রাণে প্রাণে গান।

আল্লাহ তুমি কবুল করো
আমাদের কুরবানী,
ত্যাগ, তাকওয়া মানবতায়
ভরে দাও ধরণী।

বিশ্বজুড়ে শান্তি নামুক
বন্ধ হোক হানাহানি,
মানুষ যেন মানুষ হয়ে
বাঁচতে শেখে জানি।

ঈদের সুখ ছড়িয়ে পড়ুক
ঘরে ঘরে আজ,
ত্যাগের আলোয় উদ্ভাসিত হোক
বাংলা বিশ্বসমাজ।



***

কুরবানীর ঈদ : ত্যাগের আলোয় মানবতার জাগরণ

পবিত্র ঈদুল আযহা আবার
এলো খুশির বারতা নিয়ে,
ত্যাগের মহিমা হৃদয়ে জাগে
তাকবীর ধ্বনি দিয়ে।

আকাশ-বাতাস মুখরিত আজ
আল্লাহু আকবার সুরে,
মানবতার দীপ জ্বালাতে
ডাকে ঘরে ঘরে।

কুরবানী শুধু পশু জবাই
নয় তো রক্তধারা,
যে মনের অহংকারকে
ভেঙে ফেলার ধারা।

লোভ-লালসা, হিংসা-বিদ্বেষ
দূর করার আহ্বান,
মানুষ যেন মানুষ হয়ে
ভালোবাসে প্রাণ।

হযরত ইবরাহিম (.) দিলেন
ত্যাগের অনুপম শিক্ষা,
আল্লাহ প্রেমে আত্মসমর্পণ
জীবনের শ্রেষ্ঠ দীক্ষা।

ইসমাঈল (.) ছিলেন যাঁর
চোখের মণি প্রিয়,
প্রভুর আদেশ পালনে তবু
হলেন না বিন্দু ক্ষীয়।

সেই ইতিহাস আজও জাগায়
ঈমান ভরা গান,
ত্যাগের পথেই লুকিয়ে থাকে
মুমিন জীবনের মান।

কুরবানীর এই মহান শিক্ষা
ছড়িয়ে পড়ুক প্রাণে,
স্বার্থ ভুলে ভালোবাসা
ফুটুক মানুষের টানে।

ধনী-গরিব এক কাতারে
মিলুক হাতে হাত,
ভ্রাতৃত্বেরই বন্ধনে গড়ে
সুখের প্রভাত।

অসহায়ের মুখে ফুটুক
একটুখানি হাসি,
মানবতার সুবাস ছড়াক
ভালোবাসার বাঁশি।

যে ঘরে আজ অন্ন নেই আর
নেই ঈদের সুখ,
সেখানে যাক সহমর্মিতা
মুছে দিয়ে দুঃখ।

কুরবানীর গোশতের সাথে
ভাগ করি মমতা,
মানবসেবাই হোক আমাদের
জীবনেরই নিত্যতা।

এতিম শিশুর চোখে ফুটুক
নতুন দিনের আলো,
বিধবার মুখে হাসি ফিরুক
ভালোবাসা ভালো।

বৃদ্ধ পিতা-মাতার প্রতি
থাকুক শ্রদ্ধাবোধ,
সেবার মাঝে খুঁজে নেবো
জীবনের আসল রোধ।

কুরবানী মানে আত্মশুদ্ধি,
নফসের সাথে যুদ্ধ,
অন্যায়ের পথ ছেড়ে দিয়ে
সত্যের পথে দৃঢ়।

মিথ্যা, পাপ আর হানাহানি
দূরে সরে যাক,
শান্তি, ন্যায় আর মানবতা
পৃথিবীজুড়ে থাক।

পরের দুঃখ নিজের ভেবে
যে এগিয়ে আসে,
মানুষ নামে সেই তো মানুষ
রয় সবার পাশে।

স্বার্থপরতার দেয়াল ভেঙে
গড়ি ভালো সমাজ,
মানুষ যেন মানুষ হয়ে
রাখে মানবতার লাজ।

ঈদের মাঠে নামাজ শেষে
যখন উঠবে হাত,
দোয়ার সাথে জেগে উঠুক
ভালোবাসার প্রভাত।

মসজিদ ভরা তাকওয়া হোক,
মন ভরা ঈমান,
আচরণে ফুটে উঠুক
ইসলামের সম্মান।

শিশুরা পাক স্বপ্ন নতুন,
তরুণ পাক পথ,
সততা আর ন্যায়ের আলো
মুছে দিক সব ক্ষত।

কুরবানীর শিক্ষা নিয়ে
চলি সারা বছর,
শুধু ঈদেই নয় মানবতা
থাকুক অন্তর ভর।

সকলে মোরা পরের তরে
এই হোক অঙ্গীকার,
ত্যাগের আলোয় ভরে উঠুক
পৃথিবীর সংসার।

গ্রাম থেকে নগরজুড়ে
বইুক সুখের ঢেউ,
অভাবীদের কান্না শুনে
ফিরে না যাক কেউ।

কেউ থাকবে না অবহেলায়
একাকী নিরাশ,
মানুষ মানুষকে আপন ভাবুক
ভালোবাসুক নিঃশ্বাস।

দুঃখ-কষ্ট দূর হোক সব
মুছে যাক হতাশা,
মানুষে মানুষে ছড়িয়ে পড়ুক
ভালোবাসার ভাষা।

কুরবানীর ঈদ আসুক নিয়ে
শান্তি, সুখের বান,
ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত হোক
প্রাণে প্রাণে গান।

আল্লাহ তুমি কবুল করো
আমাদের কুরবানী,
ত্যাগ, তাকওয়া, মানবতায়
ভরে দাও ধরণী।

বিশ্বজুড়ে শান্তি নামুক
বন্ধ হোক হানাহানি,
মানুষ যেন মানুষ হয়ে
বাঁচতে শেখে জানি।

ঈদের সুখ ছড়িয়ে পড়ুক
ঘরে ঘরে আজ,
ত্যাগের আলোয় উদ্ভাসিত হোক
বাংলা বিশ্বসমাজ।

মন্তব্য করুন

ব্লগ