Loading..

ব্লগ

রিসেট

৩০ মে, ২০২৬ ০৭:১২ অপরাহ্ণ

খাবার হজম করতে কতক্ষণ সময় লাগে

খাবার মুখ থেকে শুরু করে পুরো পরিপাকনালি পার হয়ে সম্পূর্ণ হজম ও নিষ্কাশন হতে সাধারণত ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত সময় লাগে. তবে খাবার খাওয়ার পর তা পাকস্থলী থেকে ক্ষুদ্রান্ত্র হয়ে বৃহদন্ত্র পর্যন্ত পৌঁছাতে গড়ে ২ থেকে ৪ ঘণ্টা সময় নেয়.খাবারের ধরন, ব্যক্তির বয়স, লিঙ্গ এবং শারীরিক পরিশ্রমের ওপর ভিত্তি করে এই সময়ের পরিবর্তন হয়.খাবারভিত্তিক হজমের সময়সীমাখাবারের উপাদান অনুযায়ী হজম হওয়ার সময়ের একটি তালিকা নিচে দেওয়া হলো:
পানি ও জুস: পানি সরাসরি অন্ত্রে চলে যায় এবং ফলের রস বা জুস মাত্র ১৫ থেকে ২০ মিনিটে হজম হয়.
ফলমূল: তরমুজ বা সাইট্রাস জাতীয় ফল ২৫-৩০ মিনিট এবং আপেল বা নাশপাতির মতো ফাইবারযুক্ত ফল ৪০ মিনিট সময় নেয়.
শাকসবজি: শসা, টমেটোর মতো কাঁচা সবজি ৩০-৪০ মিনিট এবং রান্না করা সবজি ৪০ মিনিট সময় নেয়. আলু বা গাজরের মতো শ্বেতসারযুক্ত সবজি হজম হতে ১.৫ থেকে ২ ঘণ্টা লাগে.
শর্করা (কার্বোহাইড্রেট): ভাত, রুটি বা চিঁড়ের মতো খাদ্যশস্য হজম হতে প্রায় ২ ঘণ্টা সময় লাগে.
ডিম ও মাছ: ডিমের কুসুম ৩০ মিনিট ও সাদা অংশ ৪৫ মিনিটে এবং সাধারণ মাছ ৪৫ থেকে ৬০ মিনিটে হজম হয়.
দুগ্ধজাত খাবার: দুধ, দই বা পনির হজম হতে ২ থেকে ৪ ঘণ্টা পর্যন্ত সময় লাগতে পারে.
মাংস: মুরগির মাংস হজম হতে ১.৫ থেকে ২ ঘণ্টা এবং গরু বা খাসির মাংসের মতো লাল মাংস হজম হতে ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা বা তার বেশি সময় লাগে.
বাদাম ও বীজ: চর্বিযুক্ত বীজ বা বাদাম পুরোপুরি হজম হতে ২ থেকে ৩ ঘণ্টা সময় নেয়.
হজম প্রক্রিয়া ধীর হওয়ার প্রধান কারণউচ্চ ফাইবার ও চর্বি: খাবারে অতিরিক্ত ফাইবার বা চর্বি থাকলে তা পরিপাকনালির গতি ধীর করে দেয়.
লিঙ্গভেদ: গবেষণায় দেখা গেছে, পুরুষদের তুলনায় নারীদের খাবার কিছুটা ধীরগতিতে হজম হয়.
মানসিক চাপ: দুশ্চিন্তা বা মানসিক চাপের কারণে পরিপাকতন্ত্রে রক্ত চলাচল কমে যায়, যা হজমক্রিয়াকে ব্যাহত করে.
শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা: খাওয়ার পর কোনো ধরনের শারীরিক পরিশ্রম বা হাঁটাহাঁটি না করলে হজম হতে বেশি সময় লাগে.

মন্তব্য করুন

ব্লগ