ইসলামের দৃষ্টিতে সঠিক বিচার হলো পক্ষপাতহীন, সত্যনিষ্ঠ এবং কুরআন-সুন্নাহ নির্দেশিত সুবিচার। ইসলামে বিচারককে সর্বোচ্চ নৈতিকতার অধিকারী হতে বলা হয়েছে। নিচে এর মূলনীতিগুলো দেওয়া হলো: [
1,
2,
3]
- কুরআন ও সুন্নাহর বিধান: সঠিক বিচার সর্বদা আল্লাহর কিতাব এবং রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নাহ অনুযায়ী পরিচালিত হবে। [1]
- নিরপেক্ষতা ও সমতা: বিচারক ধনী-দরিদ্র, আত্মীয়-স্বজন বা শত্রু-মিত্র নির্বিশেষে সবার জন্য সমান রায় প্রদান করবেন। কোনো অবস্থাতেই ব্যক্তিগত আবেগ বা পক্ষপাতিত্বকে প্রশ্রয় দেওয়া যাবে না। [1, 2]
- জ্ঞানের চর্চা ও সততা: সত্য ও ন্যায় উপলব্ধি করে রায় দেওয়া বিচারকের প্রধান দায়িত্ব। জেনেশুনে অন্যায় রায় দেওয়া বা সত্য না জেনে ফয়সালা করাকে হাদিসে জাহান্নামের কারণ বলা হয়েছে। [1]
- বাহ্যিক বিষয়ের ওপর ভিত্তি: হযরত উমর (রা.)-এর একটি বিখ্যাত মূলনীতি অনুযায়ী, বিচারক মানুষের বাহ্যিক আচরণ বা প্রকাশ্য প্রমাণের ওপর ভিত্তি করে বিচার করবেন এবং তাদের গোপন নিয়তের হিসাব আল্লাহর ওপর ছেড়ে দেবেন। [1]
অন্যের ব্যক্তিগত দোষ খোঁজার ক্ষেত্রে:ইসলামে অহেতুক অন্যের দোষ খোঁজা বা সমালোচনা করা নিষেধ। কারো গোপনীয় বিষয়ে নাক না গলিয়ে তার প্রকাশ্য ভুলত্রুটি সংশোধনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। [
1,
2]
৭০
১৪৪ মন্তব্য