Loading..

ব্লগ

রিসেট

০৪ জুন, ২০২৬ ০৩:১৮ অপরাহ্ণ

হাসনাহেনা ফুলের তীব্র, মিষ্টি ও মাদকতাময় সুগন্ধ

হাসনাহেনা ফুলের তীব্র, মিষ্টি ও মাদকতাময় সুগন্ধ মূলত রাতের বেলা চারপাশকে মোহিত করে তোলে।  যে ব্যবহার করেই ফুলটি তার অনন্য ঘ্রাণের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। এর সুগন্ধ ও এর সাথে জড়িয়ে থাকা নানা তথ্য নিচে তুলে ধরা হলো:

রাতে গন্ধ ছড়ানোর কারণনিশাগন্ধী ফুল: হাসনাহেনা রাতে ফোটে এবং এর সুগন্ধ তখনই ছড়িয়ে পড়ে।পরাগায়ন: রাতের বেলা মথ বা অন্যান্য কীটপতঙ্গকে আকৃষ্ট করে পরাগায়ন ঘটানোর জন্য এটি বাতাসে তীব্র সুগন্ধি উদ্বায়ী যৌগ ছেড়ে দেয়।দিনের নীরবতা: দিনের বেলা এই ফুলগুলো তাদের পাপড়ি গুটিয়ে রাখে, ফলে দিনে এর ঘ্রাণ পাওয়া যায় না।সাপ আসার কুসংস্কার ও আসল সত্যআমাদের সমাজে প্রচলিত আছে যে, হাসনাহেনা ফুলের মিষ্টি গন্ধে দূর-দূরান্ত থেকে সাপ ছুটে আসে। বিজ্ঞান অনুযায়ী এই ধারণাটি সম্পূর্ণ ভুল:

ঘ্রাণশক্তির অভাব: সাপের মানুষের মতো গন্ধ নেওয়ার কোনো ফুসফুসীয় বা নাসিকাতন্ত্র নেই এবং ফুলের সুগন্ধ বোঝার মতো মস্তিষ্কও তাদের নেই। তারা জিহ্বা দিয়ে কেবল বাতাসে ভাসমান রাসায়নিক কণা শনাক্ত করে।

খাদ্য শৃঙ্খল: হাসনাহেনার কড়া গন্ধে রাতে প্রচুর কীটপতঙ্গ ফুলের কাছে আসে। এই কীটপতঙ্গ খেতে আসে ব্যাঙ বা টিকটিকি। আর এই ব্যাঙ-টিকটিকি শিকার করতেই মূলত সাপ ফুলগাছের নিচে আসে, গন্ধের টানে নয়।হাসনাহেনার কিছু সাধারণ বৈশিষ্ট্যফুল ও পাতা: এর ফুলগুলো দেখতে কিছুটা নলাকার এবং সাদা বা হালকা সবুজাভ-সাদা রঙের হয়ে থাকে। এর পাতাগুলো গাঢ় সবুজ ও মসৃণ হয়।আতর তৈরি: এর তীব্র সুগন্ধির কারণে বাণিজ্যিকভাবে সুগন্ধি ও আতর তৈরিতেও হাসনাহেনার নির্যাস ব্যবহার করা হয়।

মন্তব্য করুন