সহকারী অধ্যাপক
১২ জুলাই, ২০২৬ ০৩:৪৬ পূর্বাহ্ণ
পরিবারের আলো (আদর্শ পরিবার, আদর্শ সমাজ, সমৃদ্ধ দেশ) -মোঃ মুজিবুর রহমান
পরিবারের আলো
(আদর্শ পরিবার, আদর্শ সমাজ, সমৃদ্ধ দেশ)
মোঃ মুজিবুর রহমান
সহকারী অধ্যাপক
মোজাদ্দেদীয়া ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা,কালিয়াকৈর, গাজীপুর।
পরিবার মানে প্রথম পাঠশালা,
প্রথম হাসি, প্রথম ভাষা, প্রথম ভালোবাসা।
এখানেই মানুষ শেখে
শ্রদ্ধা কাকে বলে,
দায়িত্ব কী,
মানবতা কেন পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ অলংকার।
পরিবার মানে—
একটি ছাদের নিচে
কয়েকটি হৃদয়ের মিলন,
যেখানে সুখ ভাগ হয়,
দুঃখও ভাগ হয়,
আর ভালোবাসা প্রতিদিন নতুন করে জন্ম নেয়।
স্বামী আর স্ত্রী—
প্রতিদ্বন্দ্বী নন,
একজন আরেকজনের পরিপূরক।
একজনের শক্তি
অন্যজনের সাহস;
একজনের হাসি
অন্যজনের প্রশান্তি।
মহান রব
মানুষকে যুগল করে সৃষ্টি করেছেন,
যাতে তারা একে অপরের মাঝে
শান্তি খুঁজে পায়,
ভালোবাসার আশ্রয় পায়,
রহমতের সুবাসে ভরে ওঠে সংসার।
সংসার কেবল ইট-পাথরের ঘর নয়,
সংসার মানে বিশ্বাসের ভিত্তি,
ক্ষমার জানালা,
ধৈর্যের প্রদীপ,
মমতার আঙিনা।
যেখানে রাগ আসে,
কিন্তু অপমান আসে না।
যেখানে মতের অমিল থাকে,
তবু হৃদয়ের বিচ্ছেদ ঘটে না।
যেখানে কথার আগে
বিবেক কথা বলে,
আর সিদ্ধান্তের আগে
ভালোবাসা পথ দেখায়।
স্বামী হোন দায়িত্ববান,
স্ত্রী হোন মর্যাদাশীলা;
উভয়ে হোন
পরস্পরের বিশ্বস্ত বন্ধু,
জীবনের সহযাত্রী।
শ্রদ্ধা থাকুক দু'জনার চোখে,
সৌজন্য থাকুক কথার ভাঁজে,
সহমর্মিতা থাকুক আচরণে,
বিনয় থাকুক হৃদয়ের গভীরে।
অহংকার নয়—
ক্ষমাই হোক মহত্ত্বের পরিচয়।
অভিমান নয়—
বোঝাপড়াই হোক সম্পর্কের সেতু।
একটি কোমল বাক্য
কত অশান্তি থামিয়ে দেয়!
একটি আন্তরিক হাসি
কত ক্লান্তি ভুলিয়ে দেয়!
একটি ক্ষমা
কত ভাঙা হৃদয় জোড়া লাগায়!
পরিবারে কেউ বড় নয়,
কেউ ছোট নয়—
দায়িত্বের রূপ ভিন্ন,
মর্যাদার নয়।
যে বাবা সন্তানের হাত ধরে
সততার পথ শেখান,
যে মা ভালোবাসা দিয়ে
মানুষ হওয়ার শিক্ষা দেন,
সেই ঘরই হয়ে ওঠে
ভবিষ্যতের আলোকিত বিদ্যালয়।
সন্তান দেখে,
তারপর শেখে।
শোনে,
তারপর বলে।
অনুকরণ করেই
চরিত্র গড়ে তোলে।
তাই যদি বাবা-মায়ের মাঝে
থাকে শ্রদ্ধা,
থাকে সৌহার্দ্য,
থাকে ন্যায় ও সত্যের চর্চা,
তবে শিশুর হৃদয়ে
সততার বীজ অঙ্কুরিত হয়।
যে ঘরে কুরআনের বাণী ধ্বনিত হয়,
যে ঘরে সত্য কথা সম্মান পায়,
যে ঘরে মিথ্যা লজ্জিত হয়,
যে ঘরে অন্যের হক রক্ষা করা হয়,
সে ঘরই কল্যাণের উদ্যান।
সেখানে প্রতিবেশী নিরাপদ,
আত্মীয় আপন,
অতিথি সম্মানিত,
দরিদ্র অবহেলিত নয়।
পরিবার শেখায়—
নিজের আগে অন্যের কথা ভাবতে।
পরিবার শেখায়—
কৃতজ্ঞ হতে।
পরিবার শেখায়—
ক্ষমা করতে,
ক্ষমা চাইতেও।
যে পরিবারে
সকলে মিলে সিদ্ধান্ত নেয়,
একজন আরেকজনের কথা শোনে,
ভুল হলে বিনয়ের সঙ্গে সংশোধন করে,
সেই পরিবার
ঝড় এলেও ভেঙে পড়ে না।
অভাব এলেও
ভালোবাসা কমে না।
সময় কঠিন হলেও
বিশ্বাস হারায় না।
শান্ত পরিবার
শান্ত সমাজ গড়ে।
শান্ত সমাজ
সমৃদ্ধ দেশ গড়ে।
কারণ একটি দেশ
শুধু রাস্তা, সেতু, ভবন দিয়ে বড় হয় না;
দেশ বড় হয়
সৎ মানুষ দিয়ে।
সেই সৎ মানুষ
জন্ম নেয়
একটি আদর্শ পরিবারে।
যেখানে সত্য কথা বলা হয়,
অন্যায়কে প্রশ্রয় দেওয়া হয় না,
বয়োজ্যেষ্ঠ সম্মান পান,
শিশুরা স্নেহ পায়,
নারী মর্যাদা পান,
পুরুষ দায়িত্ব পালন করেন,
আর সকলেই আল্লাহভীতি নিয়ে জীবন সাজান।
একটি পরিবার—
একটি প্রদীপ।
হাজার পরিবার—
একটি আলোকিত জনপদ।
লক্ষ পরিবার—
একটি উন্নত জাতি।
যে ঘরে ভদ্রতা আছে,
সে ঘরে সৌন্দর্য আছে।
যে ঘরে সততা আছে,
সে ঘরে বরকত আছে।
যে ঘরে ভালোবাসা আছে,
সে ঘরে জান্নাতের সুবাস আছে।
এসো আমরা
দোষারোপ নয়,
দায়িত্বকে আপন করি।
অবহেলা নয়,
সহযোগিতার হাত বাড়াই।
কঠোরতা নয়,
কোমল ভাষায়
হৃদয় জয় করি।
স্বামী হোক স্ত্রীর নিরাপদ আশ্রয়,
স্ত্রী হোক স্বামীর শান্তির ঠিকানা।
সন্তান হোক
সত্য, জ্ঞান আর নৈতিকতার উত্তরাধিকারী।
প্রত্যেক পরিবার হোক
বিশ্বাসের বাগান,
শান্তির নীড়,
কল্যাণের আলো।
একটি ঘরের প্রদীপ
আরেকটি ঘর আলোকিত করুক,
একটি পরিবারের আদর্শ
আরেকটি পরিবার গ্রহণ করুক।
এভাবেই গড়ে উঠুক
সহমর্মিতার সমাজ,
ন্যায়ের রাষ্ট্র,
মানবতার সভ্যতা।
হে পরম দয়াময় রব!
আমাদের প্রতিটি পরিবারে
দাও পারস্পরিক ভালোবাসা,
রহমত,
সবর,
শুকর,
ক্ষমা,
সত্যনিষ্ঠা,
বিশ্বস্ততা এবং কল্যাণ।
স্বামী-স্ত্রীর হৃদয়ে দাও
শ্রদ্ধা ও প্রশান্তি।
পিতা-মাতাকে দাও
উত্তম আদর্শের শক্তি।
সন্তানদের দাও
সুন্দর চরিত্র ও দীপ্ত ভবিষ্যৎ।
আমাদের প্রতিটি ঘরকে করো
ইমানের আলোয় আলোকিত,
নৈতিকতার সৌরভে সুগন্ধিত,
ভালোবাসায় পূর্ণ।
যেন পরিবারের সমষ্টিতে
সমাজ এগিয়ে যায়,
দেশ উন্নতির শিখরে পৌঁছে,
আর মানবতার পতাকা
সম্মান নিয়ে উড়ে থাকে যুগ থেকে যুগান্তরে।
আমীন।
***
সুখের সংসার, সমৃদ্ধ দেশ
যিনি সৃষ্টি করেছেন মানুষকে,
জ্ঞান দিয়েছেন, বিবেক দিয়েছেন,
হৃদয়ে ভালোবাসার দীপ জ্বালিয়েছেন,
পরিবার নামের পবিত্র আশ্রয় দান করেছেন।
তাঁরই প্রশংসা, তাঁরই শোকর।
দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক
মানবতার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক,
বিশ্বনবী মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর প্রতি,
যিনি পরিবারকে শান্তির নীড়,
পরিবার মানে—
পৃথিবীর প্রথম বিদ্যালয়,
প্রথম শিক্ষাগৃহ,
প্রথম ভালোবাসার স্পর্শ,
প্রথম আদর্শের পরিচয়।
এখানেই শিশুর চোখে
প্রথম সত্যের আলো জ্বলে,
প্রথম মমতার ভাষা শেখে,
প্রথম শ্রদ্ধার বীজ অঙ্কুরিত হয়।
পরিবার মানে কেবল
একটি ঘর নয়,
চারটি দেয়াল নয়,
একটি ছাদ নয়—
পরিবার মানে
বিশ্বাসের বন্ধন,
হৃদয়ের মিলন,
দায়িত্বের অঙ্গীকার,
স্নেহের অফুরন্ত প্রবাহ।
যেখানে মা
স্নেহের নদী হয়ে বহে,
বাবা
ছায়াদানকারী বৃক্ষ হয়ে দাঁড়ান,
সন্তান
আশার কুঁড়ি হয়ে ফুটে ওঠে,
বয়োজ্যেষ্ঠরা
অভিজ্ঞতার প্রদীপ জ্বালিয়ে রাখেন।
এই ঘরেই শেখা হয়—
সত্য বলতে,
অন্যায়কে ঘৃণা করতে,
মানুষকে সম্মান করতে,
দুর্বলকে সাহায্য করতে,
অতিথিকে আপন করে নিতে,
আর স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ হতে।
স্বামী আর স্ত্রী—
দুজন দুটি দেহ,
কিন্তু এক স্বপ্নের যাত্রী।
তারা প্রতিদ্বন্দ্বী নন,
তারা সহযোগী;
কর্তৃত্বের নয়,
কল্যাণের সাথী।
একজনের মুখে হাসি ফুটলে
অন্যজনের হৃদয়ও উজ্জ্বল হয়;
একজনের কষ্ট
অন্যজনের অশ্রু হয়ে ঝরে।
মহান আল্লাহ
তাঁদের সম্পর্কে
ভালোবাসা ও রহমতের বন্ধন স্থাপন করেছেন;
সেই বন্ধন
শুধু সংসার টিকিয়ে রাখে না,
মানুষের হৃদয়ে
প্রশান্তির বাগানও রচনা করে।
যেখানে সমঝোতা আছে,
সেখানে কলহ স্থায়ী হয় না।
যেখানে ক্ষমা আছে,
সেখানে সম্পর্ক ভাঙে না।
যেখানে বিনয় আছে,
সেখানে অহংকার মাথা তোলে না।
যেখানে শ্রদ্ধা আছে,
সেখানে ভালোবাসা কখনো শুকিয়ে যায় না।
স্বামী যদি হন
দায়িত্ববান, ন্যায়পরায়ণ ও স্নেহশীল,
স্ত্রী যদি হন
মর্যাদাবান, বিশ্বস্ত ও প্রজ্ঞাবতী,
তবে সংসার হয়ে ওঠে
সুখের বাগান,
শান্তির নীড়,
রহমতের ছায়াতল।
সেখানে কঠিন কথার পরিবর্তে
মধুর বাক্য উচ্চারিত হয়,
অভিযোগের পরিবর্তে
বোঝাপড়া জন্ম নেয়,
রাগের পরিবর্তে
ধৈর্যের আলো জ্বলে।
সন্তান তখন শেখে—
মানুষ হওয়ার শিক্ষা,
সততার শিক্ষা,
শ্রমের মর্যাদা,
বিনয়ের সৌন্দর্য,
ক্ষমার মহিমা,
আর আল্লাহভীতির মহৎ পথ।
একটি আদর্শ পরিবার
একটি আলোকবর্তিকা।
শত পরিবার
একটি সুন্দর সমাজ।
হাজার পরিবার
একটি সমৃদ্ধ জাতি।
লক্ষ পরিবার
একটি উন্নত দেশ।
দেশের অগ্রযাত্রা
শুরু হয় ঘরের উঠোন থেকে।
জাতির চরিত্র গঠিত হয়
মায়ের কোল থেকে।
সভ্যতার ভিত্তি রচিত হয়
পরিবারের সুশিক্ষায়।
তাই আসুন,
আমরা পরিবারকে করি
শান্তির আশ্রয়,
সততার বিদ্যালয়,
মানবতার কর্মশালা,
ইমানের উদ্যান।
হে মহান রব!
আমাদের প্রতিটি পরিবারে
দাও পারস্পরিক ভালোবাসা,
দাও রহমত,
দাও ধৈর্য,
দাও কৃতজ্ঞতা,
দাও সত্যনিষ্ঠা,
দাও ন্যায়পরায়ণতা,
দাও ক্ষমার মহত্ত্ব।
স্বামী-স্ত্রীর অন্তরে
স্থাপন করো প্রশান্তি;
পিতা-মাতাকে দাও
উত্তম আদর্শ;
সন্তানদের দাও
সুন্দর চরিত্র,
শুদ্ধ জ্ঞান
এবং কল্যাণময় ভবিষ্যৎ।
আমাদের ঘর হোক
ইমানের আলোয় আলোকিত,
নৈতিকতার সৌরভে সুগন্ধিত,
ভালোবাসার বন্ধনে দৃঢ়।
যেন প্রতিটি পরিবারের সমষ্টিতে
সমাজ আলোকিত হয়,
দেশ উন্নতির শিখরে আরোহণ করে,
আর মানবতার পতাকা
চিরদিন সম্মানের সঙ্গে উড্ডীন থাকে।
আমীন।
***
সৃষ্টি যখন পূর্ণতার গান গায়,
মানুষ তখন একা নয়—
তার পাশে থাকে
একজন আপনজন,
যার চোখে থাকে বিশ্বাস,
যার হৃদয়ে থাকে আশ্রয়,
যার হাতে থাকে
সুখ-দুঃখ ভাগ করে নেওয়ার অঙ্গীকার।
স্বামী ও স্ত্রী—
দুটি নদীর মতো,
ভিন্ন উৎস থেকে এসে
একই সাগরে মিলিত হয়।
তাদের মিলন
শুধু সংসার গড়ার জন্য নয়,
চরিত্র গড়ার জন্যও।
মহান আল্লাহ
তাঁদের মাঝে স্থাপন করেছেন
মাওয়াদ্দাহ—
নির্মল ভালোবাসা,
আর রহমাহ—
অশেষ দয়া ও মমতা।
এই দুই-ই
দাম্পত্যের প্রকৃত অলংকার।
যেখানে ভালোবাসা আছে,
সেখানে কণ্ঠস্বর কোমল হয়।
যেখানে শ্রদ্ধা আছে,
সেখানে কঠোরতা স্থান পায় না।
যেখানে বিশ্বস্ততা আছে,
সেখানে সন্দেহের অন্ধকার
দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে না।
একজন ক্লান্ত হলে
অন্যজন সাহস জোগায়।
একজন ভুল করলে
অন্যজন সংশোধনের আলো দেখায়।
একজন নিরাশ হলে
অন্যজন আশার প্রদীপ জ্বালায়।
এভাবেই
দুই হৃদয়
একটি স্বপ্ন বুনে,
একটি পরিবার গড়ে,
একটি ভবিষ্যৎ নির্মাণ করে।
সংসারের সৌন্দর্য
বিলাসিতায় নয়,
পরস্পরের প্রতি
সৌজন্যময় আচরণে।
মহামূল্য অলংকারে নয়,
বিশ্বাসের দীপ্তিতে।
বাহ্যিক আভিজাত্যে নয়,
সুন্দর চরিত্রে।
কখনো মতের অমিল হবে,
এটাই মানবজীবনের নিয়ম।
কিন্তু মতভেদ যেন
মনভেদে রূপ না নেয়;
অভিমান যেন
ভালোবাসাকে আড়াল না করে।
ধৈর্য হোক
প্রতিটি কথার আগে,
বিবেক হোক
প্রতিটি সিদ্ধান্তের আলো,
আর ক্ষমা হোক
প্রতিটি সম্পর্কের সেতুবন্ধন।
পরিবারে জয়ী হওয়ার
প্রয়োজন নেই,
প্রয়োজন
একসঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার।
কথায় নয়,
আচরণে প্রকাশ পাক
পারস্পরিক সম্মান।
স্বামী যেন
স্ত্রীর মর্যাদা রক্ষা করেন,
স্ত্রী যেন
স্বামীর সম্মান অটুট রাখেন।
উভয়েই যেন
আল্লাহর সন্তুষ্টিকে
সর্বোচ্চ লক্ষ্য করেন।
সন্তান তখন দেখে—
কীভাবে মানুষ
মানুষকে সম্মান করে,
কীভাবে একটি পরিবার
ত্যাগ, সহযোগিতা
ও ভালোবাসার বন্ধনে
অটুট থাকে।
যে ঘরে
পরস্পরের কথা মন দিয়ে শোনা হয়,
সেখানে ভুল বোঝাবুঝি কমে।
যে ঘরে
কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়,
সেখানে সুখ বেড়ে যায়।
যে ঘরে
আল্লাহর স্মরণ থাকে,
সেখানে হৃদয় প্রশান্ত হয়।
স্বামী-স্ত্রী
একজন আরেকজনের
দুর্বলতা ঢেকে রাখেন,
শক্তিকে উৎসাহ দেন,
কল্যাণে সহযোগিতা করেন,
অকল্যাণ থেকে
পরস্পরকে ফিরিয়ে আনেন।
এটাই
আদর্শ দাম্পত্য,
এটাই
সুন্দর সংসারের ভিত্তি,
এটাই
শান্তিময় সমাজের সূচনা।
একটি আদর্শ দম্পতি
একটি আদর্শ পরিবার গড়ে;
একটি আদর্শ পরিবার
একটি আদর্শ সমাজ গড়ে;
অসংখ্য আদর্শ সমাজ মিলেই
সমৃদ্ধ, শান্তিপূর্ণ
ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গড়ে ওঠে।
হে পরম করুণাময়!
আমাদের দাম্পত্যজীবনে
দাও সত্যের দীপ্তি,
শ্রদ্ধার সৌন্দর্য,
ধৈর্যের শক্তি,
ক্ষমার মহত্ত্ব,
আর অফুরন্ত ভালোবাসা।
আমাদের ঘরগুলোকে
কোরো রহমতের বাগান,
শান্তির আশ্রয়,
সৎ মানুষের
প্রথম পাঠশালা।
আমীন।
৬
৬ মন্তব্য