সহকারী অধ্যাপক
১৫ জুলাই, ২০২৬ ০৫:৫৪ পূর্বাহ্ণ
শেষ নবীর (সাঃ)আহ্বান -মোঃ মুজিবুর রহমান
শেষ নবীর (সাঃ)আহ্বান
মোঃ মুজিবুর রহমান
সহকারী অধ্যাপক
মোজাদ্দেদীয়া ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা,কালিয়াকৈর, গাজীপুর।
সকল প্রশংসা আল্লাহর, সৃষ্টির মহান রব,
তাঁরই আলোয় জাগে ভুবন, প্রাণে জাগে সব।
তিনি দিলেন সত্যের বাণী, করুণার উপহার,
মানবজীবন আলোকিত করে যুগে যুগে বারবার।
অন্ধকারে হারিয়ে গেলে মানুষ পথের দিশা,
নবীদেরই পাঠিয়েছেন তিনি, দিয়েছেন সত্য-শিক্ষা।
নূহ, ইবরাহিম, মূসা, ঈসা—সম্মানের সব নাম,
সবার প্রতি ঈমান আনা মুমিনদেরই কাম।
শেষে এলেন বিশ্বজুড়ে রহমতেরই আলো,
হযরত মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ভালো।
তাঁর জীবন সত্যের দীপ, তাঁর বাণী নূরের পথ,
তাঁর অনুসরণেই মানুষ পায় মুক্তিরই রথ।
তিনি আল্লাহর সর্বশেষ নবী, শেষ রাসূল মহান,
তাঁর পরে আর আসবে না কোনো নবীর আহ্বান।
এই বিশ্বাস ঈমানের এক অটল ভিত্তিপ্রস্তর,
এতেই জাগে হৃদয়জুড়ে সত্যের দীপ্ত ঘর।
তিনি ছিলেন সত্যবাদী, ছিলেন বিশ্বস্ত জন,
"আল-আমীন" নামে চিনেছিল তাঁকে সমগ্র মানবগণ।
অন্যায়ের কাছে মাথা নত করেননি কোনোদিন,
ন্যায়ের পথে থেকেছেন তিনি অবিচল প্রতিদিন।
করুণা ছিল তাঁর হৃদয়ে, ছিল না কোনো ঘৃণা,
ক্ষমার মাঝে খুঁজে নিতেন মানবতার বীণা।
ক্ষুধার্ত মানুষ দেখলে তিনি ভাগ করতেন আহার,
দুঃখী মানুষের চোখের জলে কাঁদত তাঁর অন্তর।
তিনি শিখিয়েছেন—সত্য বলো, রাখো সবার মান,
প্রতিবেশীর সুখ-দুঃখে হও আপনজন।
এতিম, অসহায়, গরিব, দুর্বল—সবার পাশে দাঁড়াও,
ভালোবাসা দিয়ে মানুষের হৃদয় জয় করাও।
তিনি বলেছেন, সালাত কায়েম করো যতন ভরে,
স্রষ্টার স্মরণ রাখো সদা হৃদয়ের অন্তরে।
যাকাত দিয়ে ভাগ করে নাও সম্পদেরই সুখ,
দানের আলোয় মুছে যাবে অসহায়ের দুঃখ।
রোজা শেখায় সংযম কাকে, শেখায় ধৈর্যধারণ,
হজের পথে মিলেমিশে হয় ভ্রাতৃত্বেরই ঘোষণা।
ইসলামের এই মহান শিক্ষা শান্তির দিশারী,
মানবতার কল্যাণে আজও সমান প্রয়োজনীয়।
তিনি বলেছেন—মিথ্যা ছেড়ে সত্য পথে চলো,
অহংকারের মুকুট খুলে বিনয়ের ফুল তোলো।
হিংসা নয়, বিদ্বেষ নয়, নয় প্রতারণা,
মানুষকে ভালোবাসাই হোক জীবনের সাধনা।
মা-বাবার প্রতি শ্রদ্ধা রেখো, করো তাঁদের সেবা,
শিক্ষকেরও মর্যাদা দাও, বাড়ুক জ্ঞানের ভাণ্ডার।
ছোটদের স্নেহ, বড়দের মান—এই হোক পরিচয়,
সুন্দর চরিত্র মানুষকে দেয় শ্রেষ্ঠ সম্মানময়।
তিনি ছিলেন আদর্শ স্বামী, আদর্শ পিতা, বন্ধু,
তাঁর চরিত্রে ফুটে ওঠে মানবতার সিন্দু।
ঘরে-বাইরে, সুখে-দুঃখে, যুদ্ধ কিংবা শান্তি,
সবখানে ছিল ন্যায় ও দয়ার অপরূপ কান্তি।
কুরআন হলো তাঁর ওপর নাযিল হওয়া গ্রন্থ,
যার আলোয় আলোকিত হয় জীবনের প্রতিক্ষণ।
তিনি কুরআনের শিক্ষাকে জীবনে করলেন পালন,
তাঁর চরিত্র তাই কুরআনেরই জীবন্ত অনুবাদসম।
যারা তাঁর দেখানো পথে জীবন গড়ে নেয়,
সত্য, ন্যায় আর সৎকর্মে নিজেদের রাঙিয়ে দেয়;
আল্লাহর রহমতে তাদের জন্য রয়েছে শুভ পরিণাম,
আখিরাতে তারা পাবে জান্নাতের শান্তিধাম।
আর যারা সত্য জেনেও মুখ ফিরিয়ে রয়,
অন্যায়-অবিচারে ডুবে থেকে পাপেই জীবন ক্ষয়;
তাদের জন্য কুরআন দিয়েছে কঠিন সতর্কবাণী,
তাই ফিরে আসো সত্যের পথে—এটাই সবার টানি।
হে নবীর উম্মত, জাগো আজ, জাগুক অন্তর প্রাণ,
সুন্নাহর আলোয় সাজাও তোমার প্রতিটি আয়োজন।
সত্যের পথে দৃঢ় থেকো, করো না অন্যায়,
আল্লাহর সন্তুষ্টিতেই জীবনের সার্থকতায়।
মানুষ মানুষের আপন হোক, থাকুক না বিভেদ,
ন্যায় ও দয়ার বন্ধনে গড়ি সুন্দর ভবিষ্যৎ।
বিদ্বেষ নয়, ভালোবাসা হোক প্রতিটি সম্পর্ক,
মানবতার এই শিক্ষাই নবীজির মহাশক্তি।
চলো সবাই শপথ করি, সত্যকে ভালোবাসি,
মিথ্যা, লোভ আর হিংসা ছেড়ে ন্যায়ের পথে ভাসি।
সুন্দর কথা, সুন্দর কাজ, সুন্দর হোক মন,
তবেই হবে সফল আমাদের পৃথিবীর জীবন।
শেষ নবীর এই মহান পথ আলোকিত দিশারী,
মানবতার কল্যাণে চিরউজ্জ্বল, চিরদিনের ভারী।
এই পথেই আছে শান্তি, এই পথেই মুক্তি,
এই পথেই হৃদয় পায় ঈমানের পরিপূর্ণ তৃপ্তি।
***
শেষ নবীর আহ্বান
সকল প্রশংসা মহান আল্লাহর,
তিনি আসমান-জমিনের প্রতিপালক,
অসীম দয়ালু, পরম করুণাময়,
সমস্ত সৃষ্টির একমাত্র রব।
মানবজাতিকে সত্যের পথে
পরিচালিত করার জন্য
তিনি যুগে যুগে পাঠিয়েছেন
অসংখ্য নবী ও রাসূল।
তাঁরা সকলেই মানুষকে
এক আল্লাহর ইবাদতের আহ্বান জানিয়েছেন,
ন্যায়, সত্য, দয়া ও কল্যাণের শিক্ষা দিয়েছেন।
এই নবুয়তের ধারার সর্বশেষ আলোকবর্তিকা
হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।
তাঁর পর আর কোনো নবী বা রাসূল আসবেন না।
তিনি বিশ্বমানবতার জন্য রহমত,
সত্যের পূর্ণাঙ্গ পথপ্রদর্শক
এবং কিয়ামত পর্যন্ত সমগ্র মানবজাতির জন্য
আল্লাহর প্রেরিত সর্বশেষ রাসূল।
তাঁর জীবন ছিল কুরআনের জীবন্ত ব্যাখ্যা,
তাঁর চরিত্র ছিল সত্য, ন্যায়, দয়া ও ক্ষমার উজ্জ্বল প্রতীক।
তিনি শিখিয়েছেন—
মানুষকে ভালোবাসতে,
সত্যকে ধারণ করতে,
অন্যায়ের বিরুদ্ধে দৃঢ় থাকতে,
দুর্বলকে সাহায্য করতে,
এবং সর্বাবস্থায় আল্লাহর ওপর ভরসা রাখতে।
যারা আন্তরিক ঈমানের সঙ্গে
আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করবে,
কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে জীবন গড়বে,
সৎকর্মে নিজেদের সমৃদ্ধ করবে,
তাদের জন্য রয়েছে
আল্লাহর অসীম রহমত, ক্ষমা ও জান্নাতের সুসংবাদ।
এসো,
শেষ নবীর সুমহান আদর্শকে
জীবনের প্রতিটি অধ্যায়ে ধারণ করি।
সত্যকে ভালোবাসি,
ন্যায়কে প্রতিষ্ঠা করি,
মানবতার সেবায় আত্মনিয়োগ করি,
এবং আল্লাহর সন্তুষ্টিই
জীবনের সর্বোচ্চ লক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করি।
তবেই পৃথিবী হবে শান্তির আবাস,
হৃদয় হবে ঈমানের আলোয় উদ্ভাসিত,
আর আখিরাতে,
আল্লাহর অশেষ রহমতে,
মিলবে চিরস্থায়ী জান্নাতের অনন্ত সুখ।
***
শেষ নবীর আহ্বান
সকল প্রশংসা সেই মহান আল্লাহর,
যিনি আসমান ও জমিনের একচ্ছত্র অধিপতি,
অসীম দয়ালু, পরম করুণাময়,
সমস্ত সৃষ্টিজগতের প্রতিপালক।
তাঁরই ইচ্ছায় সূর্য উদিত হয়,
চাঁদ ছড়িয়ে দেয় স্নিগ্ধ আলো,
নক্ষত্রমালা সাজায় রাত্রির আকাশ,
প্রাণের স্পন্দনে মুখরিত হয় পৃথিবী।
মানুষকে অন্ধকার থেকে আলোর পথে,
অন্যায় থেকে ন্যায়ের পথে,
অজ্ঞতা থেকে জ্ঞানের পথে,
আর শিরক থেকে তাওহীদের পথে ফিরিয়ে আনতে
তিনি যুগে যুগে পাঠিয়েছেন
অসংখ্য নবী ও রাসূল।
আদম আলাইহিস সালাম থেকে শুরু করে
নূহ, ইবরাহিম, ইসমাঈল,
ইসহাক, ইয়াকুব, ইউসুফ,
মূসা, দাউদ, সুলাইমান,
ঈসা আলাইহিমুস সালাম—
সকলেই ছিলেন
একই সত্যের আহ্বানকারী,
একই রবের আনুগত্যের প্রচারক,
একই মুক্তির বাণীর বাহক।
নবুয়তের সেই পবিত্র ধারা
পূর্ণতা লাভ করেছে
হযরত মুহাম্মদ
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আগমনে।
তিনি আল্লাহর সর্বশেষ নবী,
সর্বশেষ রাসূল,
বিশ্বজগতের জন্য রহমত,
মানবতার সর্বশ্রেষ্ঠ আদর্শ।
তাঁর পরে
আর কোনো নবী আসবেন না।
তাঁর ওপরই সম্পূর্ণ হয়েছে
আল্লাহর দ্বীন,
পূর্ণতা পেয়েছে
মানবজীবনের চিরন্তন জীবনব্যবস্থা।
তিনি ছিলেন সত্যবাদী,
বিশ্বস্ত,
বিনয়ী,
ক্ষমাশীল,
দয়ালু,
ন্যায়পরায়ণ
এবং মহান চরিত্রের উজ্জ্বল প্রতীক।
তাঁর প্রতিটি কথা ছিল সত্য,
প্রতিটি কাজ ছিল কল্যাণময়,
প্রতিটি শিক্ষা ছিল মানবমুক্তির দিশা।
তিনি শিখিয়েছেন—
আল্লাহকে একমাত্র উপাস্য মানতে,
সত্যকে আঁকড়ে ধরতে,
মিথ্যা ও অন্যায় থেকে দূরে থাকতে,
মা-বাবার সেবা করতে,
এতিমের মাথায় স্নেহের হাত রাখতে,
দরিদ্রের পাশে দাঁড়াতে,
প্রতিবেশীর হক আদায় করতে,
ক্ষমা, দয়া ও ভালোবাসায়
পৃথিবীকে সুন্দর করে তুলতে।
যারা আন্তরিকভাবে
আল্লাহর প্রতি ঈমান আনবে,
তাঁর সর্বশেষ নবী
হযরত মুহাম্মদ
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের
অনুসরণ করবে,
কুরআন ও সহিহ সুন্নাহর আলোকে
জীবন পরিচালনা করবে,
সৎকর্মে নিজেদের সমৃদ্ধ করবে,
আল্লাহর রহমতে
তাদের জন্য রয়েছে
চিরশান্তির জান্নাত।
আর যারা
সত্যকে জেনেও প্রত্যাখ্যান করবে,
অবাধ্যতায় জীবন কাটাবে,
তাদের জন্য রয়েছে
কঠিন সতর্কবার্তা।
তাই এসো,
আমরা সবাই
শেষ নবীর আদর্শকে
হৃদয়ে ধারণ করি,
চরিত্রে লালন করি,
কর্মে বাস্তবায়ন করি।
সত্যের পতাকা উঁচু করি,
ন্যায়ের প্রদীপ জ্বালাই,
ভালোবাসায় মানুষকে আপন করি,
ঈমানে জীবন আলোকিত করি।
তাহলেই
এই পৃথিবী হবে
শান্তির বাগান,
মানবতার নীড়,
ন্যায় ও সৌহার্দ্যের আবাস।
আর আখিরাতে,
আল্লাহর অসীম রহমতে,
মিলবে জান্নাতের অনন্ত সুখ,
চিরশান্তির অবিনাশী নিবাস।
***
শেষ নবীর আহ্বান
সকল প্রশংসা আল্লাহর, বিশ্বজগতের রব,
তাঁরই কৃপায় প্রাণে জাগে আলোর নব উৎসব।
তিনি সৃষ্টি করেছেন আকাশ, ধরা, সাগর, নীল গগন,
তাঁরই হুকুমে চলে সদা বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের জীবন।
যখন মানবহৃদয় ডুবে অজ্ঞতার অন্ধকারে,
অন্যায়েরই কালো মেঘে হারায় সত্যপথের ধারে,
তখন তিনি পাঠিয়েছেন নবী-রাসূল সারি সারি,
করুণারই অমৃতবাণী নিয়ে দয়ার দিশারি।
আদম থেকে নূহের ডাক,
ইবরাহিমের ত্যাগ,
মূসার দৃঢ় সত্যসংগ্রাম,
ঈসার প্রেমের রাগ—
সবই ছিল এক আহ্বান,
একই সত্যের গান,
এক আল্লাহর ইবাদতেই
মানবজীবনের প্রাণ।
শেষে এলেন শ্রেষ্ঠ মানব,
নূরের দীপ্তি হয়ে,
হযরত মুহাম্মদ ﷺ
করুণাধারা বয়ে।
তিনি শেষ নবী, শেষ রাসূল,
এ বিশ্বাস অটল,
তাঁরই পরে আর হবে না
নবুয়তের সম্বল।
তাঁর মুখে ছিল সত্যবাণী,
হৃদয় ছিল নির্মল,
শত্রুর প্রতিও দয়া ছিল
অতল, অমল, অবিচল।
তিনি ছিলেন আল-আমীন,
বিশ্বস্ততার শিরোমণি,
তাঁর জীবন মানবজাতির
চিরকল্যাণের বাণী।
তিনি শিখিয়েছেন—
সত্যকে ভালোবাসতে,
ন্যায়ের পথে অবিচল থাকতে,
মিথ্যাকে পরিহার করতে,
ক্ষমাকে শক্তি মনে করতে,
দুর্বলের পাশে দাঁড়াতে,
এতিমের অশ্রু মুছাতে,
মায়ের সেবা করতে,
বাবার সম্মান রক্ষা করতে,
প্রতিবেশীর হক আদায় করতে,
মানুষকে ভালোবাসতে।
তিনি শিখিয়েছেন—
সালাত হৃদয়ের আলো,
রোজা আত্মার সংযম,
যাকাত সম্পদের পবিত্রতা,
হজ ভ্রাতৃত্বের মহাসম্মিলন।
তিনি শিখিয়েছেন—
কুরআন জীবনের পথনকশা,
সুন্নাহ জীবনের শ্রেষ্ঠ অনুশীলন।
যারা আল্লাহর প্রতি
আন্তরিক ঈমান আনে,
শেষ নবীর আদর্শ ধরে
জীবনকে সাজায় প্রাণে,
কুরআন ও সহিহ সুন্নাহর
আলোয় পথ চলে,
সৎকর্মে ভরে তোলে জীবন
প্রতিদিনের ফলে—
আল্লাহর অসীম রহমতে
তাদের জন্য সুসংবাদ,
জান্নাত হবে চিরনিবাস,
মিটবে সকল বিষাদ।
আর যারা সত্য জেনেও
অহংকারে মুখ ফেরায়,
অন্যায়েরই অন্ধপথে
নিজেকে হারিয়ে যায়,
কুরআন তাদের সতর্ক করে,
ডাকে ফিরে আসতে,
তাওবার অশ্রু নিয়ে আবার
রবের পথে ভাসতে।
এসো তবে হাতে হাত রেখে
গড়ি সুন্দর ভুবন,
ভালোবাসায় ভরে উঠুক
মানবতার জীবন।
বিদ্বেষ নয়, হিংসা নয়,
ন্যায় হোক আমাদের বল,
সত্যের আলোয় উদ্ভাসিত হোক
প্রতিটি হৃদয়তল।
শেষ নবীর সুমহান আদর্শ
হোক জীবনের দিশা,
ঈমান, আমল, উত্তম চরিত্র
হোক আমাদের আশা।
আল্লাহর সন্তুষ্টিই হোক
প্রাণের সর্বোচ্চ জয়,
তাঁর রহমতেই আখিরাতে
চিরশান্তির পরিচয়।
হে মহান আল্লাহ!
আমাদের অন্তরে দাও
বিশুদ্ধ ঈমানের আলো,
রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর
সুন্নাহর প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা,
সৎকর্মে অটল থাকার শক্তি,
এবং তোমার অশেষ রহমতে
জান্নাতুল ফিরদাউসের
চিরস্থায়ী সুখের অধিকার।
আমীন।
১৩
১৫ মন্তব্য