উদ্দেশ্য: বছরের প্রথম ছয় মাসের পাঠ্যক্রমের ওপর শিক্ষার্থীদের দখল এবং শিখনফল যাচাই করা।
শিখনকালীন ও সামষ্টিক মূল্যায়ন: নতুন ও পরিমার্জিত শিক্ষাক্রমের ধারাবাহিকতায় শিক্ষার্থীদের লিখিত পরীক্ষার পাশাপাশি ব্যবহারিক কাজ, প্রজেক্ট এবং অ্যাসাইনমেন্টের মাধ্যমে সামগ্রিক মূল্যায়ন করা হয়।
দুর্বলতা চিহ্নিতকরণ: অর্ধবার্ষিক মূল্যায়নের ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে শিক্ষকরা বছরের বাকি সময়ের জন্য শিক্ষার্থীদের বিশেষ যত্ন বা অতিরিক্ত সহায়তার পরিকল্পনা করতে পারেন।
প্রাক-নির্বাচনি পরীক্ষা (১০ম শ্রেণি)
গুরুত্ব: এসএসসি পরীক্ষার আগে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতি যাচাইয়ের জন্য এটিই প্রথম বড় প্রাতিষ্ঠানিক ধাপ।
ভীতি দূরীকরণ: বোর্ড পরীক্ষার অনুরূপ প্রশ্নপদ্ধতি এবং হলে বসে পরীক্ষা দেওয়ার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ভেতরের জড়তা বা ভীতি কেটে যায়।
নির্বাচনি পরীক্ষার ভিত্তি: প্রাক-নির্বাচনি পরীক্ষার ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে চূড়ান্ত নির্বাচনি (টেস্ট) পরীক্ষার প্রস্তুতি আরও নিখুঁত করার সুযোগ পায় শিক্ষার্থীরা।
১৩
১৫ মন্তব্য