Loading..

ব্লগ

রিসেট

১৭ জুলাই, ২০২৬ ০২:৫৭ অপরাহ্ণ

সদাচরণ ও সৌজন্য "কারো প্রতি মুচকি হাসাও একটি সদকা।" তিরমিযি) মোঃ মুজিবুর রহমান


সদাচরণ সৌজন্য

"কারো প্রতি মুচকি হাসাও একটি সদকা।"  তিরমিযি)

মোঃ মুজিবুর রহমান

সহকারী অধ্যাপক

মোজাদ্দেদীয়া ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা,কালিয়াকৈর, গাজীপুর।

 

মানুষ যদি মানুষ হতে চায় সত্যিকার অর্থে,
সদাচরণই পথ দেখায় শান্তির মহাসমুদ্রে।
ধন-সম্পদে নয় যে মানুষ, নয় ক্ষমতার জোরে,
মানুষ বড় হয় যে কেবল বিনয়ী আচরণে।

মিষ্টি ভাষার একটি বাণী,
শুকনো প্রাণে আনে পানি;
একটি হাসি, একটি সম্ভাষণ,
মুছে দেয় বহু অভিমান।

সৌজন্যের কোমল ছোঁয়ায়
কঠিন হৃদয় নরম হয়,
বৈরিতার দেয়াল ভেঙে
ভালোবাসার সেতু গড়ে রয়।

সদাচরণ মানবতার
শ্রেষ্ঠ অলংকার মহান,
গুণে মানুষ জয় করে
অসংখ্য হৃদয়, অগণন প্রাণ।

যে মানুষটি নম্র স্বভাবে
সবার সাথে কথা কয়,
তাকে ঘিরে শ্রদ্ধা-ভালোবাসা
ফুলের মতো ফুটে রয়।

অহংকারের উঁচু প্রাচীর
ভেঙে দেয় যে বিনয়,
সৌজন্যের নির্মল আলো
মানবজীবন করে জয়।

একটি হাসি দানের চেয়ে
কখনো কম নয় মোটে,
হাদিস বলেমুচকি হাসিও
সদকা হয়ে যায় রটে।

মুখে যদি থাকে মধুর বাণী,
হৃদয় থাকে পবিত্র,
মানুষ তখন আপন হয়ে
গড়ে তোলে শুভ চরিত্র।

শালীনতা যার অলংকার,
লজ্জাশীল যার মন,
সেই মানুষই গড়ে তোলে
সভ্যতার আপন ভুবন।

সত্য ভাষণ, নরম আচরণ,
ক্ষমা আর সহিষ্ণুতা
এসব গুণে উজ্জ্বল হয়
মানবতার মহিমাটা।

রূঢ় কথার তীরের আঘাত
গভীর ক্ষত করে,
মধুর ভাষা স্নিগ্ধ শিশির
প্রাণকে শীতল করে।

ক্রোধ যদি আসে হৃদয়জুড়ে,
ধৈর্যের প্রদীপ জ্বালো,
অন্যায় দেখে সত্য বলো,
তবু ভাষা রাখো ভালো।

সদাচরণ শেখায় মানুষ
দোষ নয়, গুণ দেখতে,
অন্যের সুখে হাসতে শেখায়,
দুঃখে পাশে দাঁড়াতে।

শিশুর প্রথম পাঠশালা
হচ্ছে নিজের ঘর,
মা-বাবারই আচরণে
গড়ে ওঠে তার অন্তর।

বাবার নম্র ব্যবহার,
মায়ের স্নেহভরা বাণী,
শিশুর হৃদয় গড়ে তোলে
সৌজন্যেরই খনি।

ভাইয়ের প্রতি ভাইয়ের ভালোবাসা,
বোনের প্রতি মমতা,
পরিবারে শান্তি আনে
শ্রদ্ধা আর মানবতা।

স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কটিও
সৌজন্যে হয় দৃঢ়,
সম্মান, ধৈর্য, ক্ষমাশীলতা
সুখের সংসার গড়ে নির্ভর।

প্রতিবেশী যদি বিপদে পড়ে,
ছুটে যাও তার তরে,
এই তো মানবধর্মের শিক্ষা,
এই তো সত্য ঘরে ঘরে।

অতিথি এলে হাসিমুখে
করো তাকে বরণ,
অতিথিসেবায় ফুটে ওঠে
মানবতার চরণ।

বৃদ্ধ মানুষ রাস্তা পেরোয়,
ধরে দাও তার হাত,
একটি ছোট সহানুভূতি
হয়ে যায় আশীর্বাদ।

অসহায় যদি কাঁদে নীরব,
মুছে দাও তার অশ্রু,
মানুষের সেবা ইবাদতও
শিক্ষা অতি সত্য।

কর্মক্ষেত্রে সৌজন্য রাখো,
বিদ্যালয়ে সম্মান,
শিক্ষকের প্রতি শ্রদ্ধা রেখো,
বাড়ুক জ্ঞানের গান।

বন্ধুর ভুলে বিদ্রূপ নয়,
দাও তাকে সৎ পরামর্শ,
ভালোবাসায় মানুষ বদলায়,
রাগে বাড়ে সর্বনাশ।

ক্ষমা করতে শেখো সবাইকে,
নিজের ভুলও মানো,
অহংকারের আগুন নেভাও,
সত্যের পথে জানো।

কথা বলার আগে ভেবে
নাও একটুখানি সময়,
একটি বাক্য সুখও দিতে পারে,
আবার কষ্টও হয়।

মিথ্যা কথা আগুনসম,
সত্য কথা আলো,
ভদ্র ভাষা ফুলের সুবাস,
রূঢ় ভাষা কালো।

পথে-ঘাটে, হাটে-বাজারে,
সৌজন্য রাখো সদা,
মানুষ তোমায় মনে রাখবে
স্নেহের পরশে বাঁধা।

ধর্ম শেখায় উত্তম আচরণ,
শেখায় সত্যপথ,
সদাচরণ ছাড়া কখনো
পূর্ণ হয় না রথ।

আল্লাহ ভালোবাসেন তাদের,
যারা নম্র প্রাণ,
রাসুল (সা.) ছিলেন মানবজাতির
উত্তম আদর্শ মহান।

তিনি হাসতেন মধুর হেসে,
বলতেন কোমল বাণী,
শত্রুকেও দিতেন ক্ষমা,
করতেন না হানি।

কারণেই জয় করেছিলেন
অসংখ্য মানুষের মন,
সদাচরণই ছিল তাঁর
জীবনের শ্রেষ্ঠ ধন।

সৌজন্য কেবল নিয়ম নয়,
এক হৃদয়ের ভাষা,
যেখানে থাকে আন্তরিকতা,
সেখানে ফুটে আশা।

যে ঘরে থাকে ভদ্র আচরণ,
সে ঘরে সুখের বাস,
হিংসা-বিদ্বেষ পালিয়ে যায়,
নামে রহমতের আভাস।

যে সমাজে সৌজন্য থাকে,
থাকে না বিভেদ,
ধনী-গরিব একসাথে গড়ে
সম্প্রীতিরই সেতু।

জাতি, ধর্ম, বর্ণ ভুলে
মানুষ মানুষকে চেনে,
সদাচরণের পবিত্র আলো
বিশ্বমানবকে বেঁধে রাখে।

একটি সালাম, একটি হাসি,
একটি স্নেহের ডাক,
ক্লান্ত হৃদয় জেগে ওঠে,
মুছে যায় সব ফাঁক।

মানবজীবন ক্ষণিকের পথ,
রেখে যাও শুভ স্মৃতি,
সদাচরণেই বেঁচে থাকে
মানুষের অমর গীতি।

বইয়ের পাতায়, জীবনের পথে,
একই শিক্ষা পাই
ভালো মানুষ হও সবার আগে,
এই তো শ্রেষ্ঠ ঠাঁই।

চরিত্র যার দীপ্ত সূর্য,
ভাষা যার ফুল,
সেই মানুষই পৃথিবীজুড়ে
রেখে যায় অমল ফুল।

ক্ষমা যার শক্তি হয়ে
প্রতিদিন জ্বলে রয়,
সেই মানুষই সত্যিকার
জীবনের বিজয়।

হাসিমুখে করো সম্ভাষণ,
মধুর ভাষায় বলো,
সদাচরণের সোনার আলোয়
নিজেকেও গড়ো ভালো।

চল আমরা আজ শপথ করি,
রূঢ়তা দেব ত্যাগ,
সত্য, ন্যায় আর সৌজন্যে
রাঙাব জীবনের ফাগ।

মানুষ হব মানুষ গড়ব,
ভালোবাসা হবে সাথি,
সদাচরণের দীপ জ্বালিয়ে
চলব ন্যায়ের পথে মাতি।

শেষে থাকুক হৃদয়ভরা
একটি পবিত্র প্রার্থনা
হে পরম করুণাময় আল্লাহ,
দাও উত্তম চরিত্রের প্রজ্ঞা।

আমাদের মুখে দাও মধুর বাণী,
হৃদয়ে দাও বিনয়,
সবার প্রতি সৌজন্য দিয়ে
সার্থক হোক মানবজয়।

হাসি হোক সদকার ভাষা,
ভালোবাসা হোক দান,
সদাচরণের আলোকছটায়
উজ্জ্বল হোক বিশ্বপ্রাণ।

***

সদাচরণের সৌরভ

মানুষের শ্রেষ্ঠ পরিচয় নয় ধন-সম্পদের ভার,
চরিত্র যার দীপ্তিময়, সেই তো সত্যিকার।
অহংকারের অন্ধকারে হারায় জীবনের মান,
সদাচরণের আলোকছটায় জাগে মানবপ্রাণ।

বাহিরে যত রঙিন পোশাক, গহনা, রতন, হার,
অন্তর যদি অমল না হয়, সবই হয় যে ভার।
হৃদয় যদি স্নেহে ভরে, মুখে থাকে মধুবাণী,
সেই মানুষই পৃথিবীজুড়ে রেখে যায় অম্লান বাণী।

একটি মধুর সম্ভাষণে ফুটে শত ফুল,
একটি কোমল হাসি পারে ভাঙতে দুঃখের কূল।
একটি আন্তরিক করমর্দন, একটি শুভেচ্ছাবাক্য,
কঠিন হৃদয় গলিয়ে দেয়, মুছে দেয় সব ফাঁক।

মুচকি হাসিনীরব ভাষা, ভালোবাসার দান,
হাসিতেই লুকিয়ে থাকে মানবতার গান।
রাসুল (সা.) বলেছেন তাইহাসিও একটি সদকা,
ক্ষুদ্র কাজে লুকিয়ে থাকে মহৎ জীবনের রেখা।

সৌজন্য শুধু শিষ্টাচার নয়, আত্মার পবিত্র রূপ,
গুণেই মানুষ পায় হৃদয়ের শ্রেষ্ঠ রূপ।
ভাষা যখন ভদ্র হয়, আচরণ হয় নম্র,
তখন মানুষ আপন হয়, পৃথিবী হয় সমৃদ্ধ।

যে ঘরে থাকে মায়ার ছোঁয়া, সম্মানেরই আলো,
সেই ঘরে সুখের পাখি ডাকে সকাল-বিকেল ভালো।
স্বামী-স্ত্রীর পারস্পরিক শ্রদ্ধা, মায়ের স্নেহধারা,
বাবার কোমল উপদেশে গড়ে ওঠে সংসারভরা।

শিশুর কোমল হৃদয়খানি সাদা কাগজসম,
যা লিখিবে আচরণে, তাই হবে তার ধর্ম।
মায়ের মুখের মিষ্টি ভাষা, বাবার নম্র বাণী,
শিশুর প্রাণে রোপণ করে চরিত্রের বীজখানি।

প্রতিবেশী ক্ষুধার্ত হলে ভাগ করে দাও ভাত,
দুঃখের দিনে ধরো তারই কাঁপতে থাকা হাত।
অসহায়ের চোখের জলে মুছে দাও বিষাদ,
মানুষ সেবায় জেগে ওঠে ইমানেরই সাধ।

অতিথি এলে হাসিমুখে বলোএসো, বসো ভাই,
একটু পানি, একটু স্নেহএতেই সুখের ঠাঁই।
বৃদ্ধ যদি পথ হারায়, হও তারই সাথি,
একটি ছোট সহায়তায় জীবন পায় গতি।

ক্ষমা যার অলংকার হয়, ক্রোধ থাকে পরাজিত,
সেই মানুষই সমাজজুড়ে হন শ্রদ্ধায় সমাদৃত।
বিনয় যার মুকুট শোভে, সত্য যার পরিচয়,
পৃথিবীর সব হৃদয় তার আপন হয়ে রয়।

সদাচরণ নদীর মতোবয়ে চলে নীরব,
তৃষ্ণার্ত প্রাণ সিক্ত করে অবিরাম অনুরাগ।
ফুলের মতো সুবাস ছড়ায়, সূর্যের মতো দীপ,
মানবতার প্রতিটি বুকে জ্বালে আশার দীপ।

ধর্ম শেখায় উত্তম বাণী, মানবতার ডাক,
ঘৃণার পথে নয় কখনো, ভালোবাসার হাক।
আল্লাহ ভালোবাসেন তাদের, যারা নম্র প্রাণ,
যাদের মুখে সত্যের বাণী, হৃদয়ে কল্যাণ।

রাসুল (সা.) ছিলেন জগতজুড়ে করুণারই ছায়া,
শত্রুকেও তিনি দিয়েছেন ক্ষমার নির্মল মায়া।
তাঁরই পথে চলতে শিখি, রাখি হৃদয় খাঁটি,
সদাচরণের দীপ জ্বেলে গড়ি মানবজাতি।

এসো তবে শপথ করি আজ, রূঢ়তা দেব ত্যাগ,
মধুর ভাষায় ভরিয়ে তুলব প্রতিটি দিনের ফাগ।
হাসি হবে সদকার ভাষা, সেবা হবে প্রাণ,
সদাচরণের আলোয় ভরুক বিশ্বভুবনখান।

হে পরম দয়াময় আল্লাহ! করো হৃদয় পবিত্র,
আমাদের চরিত্র করো ফুলের মতো সুগন্ধিত্র।
মুখে দাও সত্যের বাণী, অন্তরে দাও নূর,
সদাচরণের পথেই হোক জীবনভর ভোর।

***

সদাচরণের সৌরভ

পরম করুণাময় নামে করি আজ সূচনা,
যাঁর কৃপায় জাগে প্রাণে সত্যের প্রেরণা।
যাঁর আলোয় ভোরের আকাশ রঙিন হয়ে রয়,
তাঁরই নামে মানবজীবন শুভপথ খুঁজে লয়।

অশেষ দরুদ বর্ষিত হোক বিশ্বনবীর তরে,
যিনি এলেন করুণা হয়ে মরুর বুকে ঘুরে।
মধুর ভাষা, কোমল হাসি, উদার হৃদয়খানি
মানবতার ইতিহাসে অমর তাঁর বাণী।

সদাচরণ মানুষেরই সর্বশ্রেষ্ঠ পরিচয়,
বাহ্য অলংকার ম্লান হয়ে যায়, চরিত্র থাকে অক্ষয়।
ক্ষমতার নয়, ধনের নয়, নয় গৌরবের মান,
মানুষকে মহৎ করে তার নির্মল আচরণ।

দেহে যদি থাকে রতন, অন্তর থাকে শূন্য,
তবে সে জীবন মরুভূমি, নয় সে কভু পূর্ণ।
অন্তর যদি স্নেহে ভরা, ভাষা যদি মধুময়,
সেই মানুষই পৃথিবীতে অমর সম্মান লয়।

হাসিমুখের সম্ভাষণে গলে বরফপ্রাচীর,
মধুর বাণী মুছে দেয় শত দুঃখের নীর।
একটি ক্ষুদ্র সৌজন্য কত হৃদয় করে জয়,
একটি নির্মল মুচকি হাসি শত আশার পরিচয়।

বিনয় যেন বৃক্ষশাখা ফলের ভারে নত,
অহংকারের শুষ্ক ডালে থাকে না ফলের রত্ন।
যে যত বড়, সে তত নতপ্রকৃতির বাণী,
এই শিক্ষাই যুগে যুগে দিয়েছেন জ্ঞানী-গুণী।

সত্য যেখানে সৌজন্য মেশে, জন্ম নেয় বিশ্বাস,
ভালোবাসার সুবাসে ভরে সংসারের আকাশ।
রূঢ় কথার আগুন নেভায় কোমল ব্যবহারে,
শান্তির নদী বয়ে চলে হৃদয় থেকে দ্বারে।

মায়ের কোলে প্রথম শেখে শিশুর কোমল প্রাণ,
হাসিমুখে কথা বলার পবিত্র আহ্বান।
বাবার স্নেহ, শিক্ষকের বাণী, সৎজনের উপদেশ,
গড়ে তোলে চরিত্রমালা, উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ দেশ।

প্রতিবেশীর দুঃখে যে যায় নীরবে পাশে দাঁড়ায়,
তারই জীবন মানবতার শ্রেষ্ঠ গানে গায়।
অতিথিকে সম্মান দিলে বাড়ে ঘরের মান,
ভালোবাসায় প্রস্ফুটিত হয় সম্পর্কের প্রাণ।

ধনী-গরিব, জাতি-ধর্ম, বর্ণের ভেদ ভুলে,
সদাচরণ শেখায় সবাই মানুষ হই মিলে।
একটি সালাম, একটি দোয়া, একটি স্নেহস্পর্শ,
জীবনভরা অন্ধকারে জ্বালায় আশার প্রদীপ।

মহানবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ছিলেন
চরিত্রের মহাগ্রন্থ,
তাঁর জীবনেই ফুটে উঠেছে
মানবতার অনন্ত অর্থ।

ক্ষমা ছিল তাঁর মহিমা,
সত্য ছিল তাঁর ঢাল,
সৌজন্যের মিষ্টি ভাষায়
জয় করেছেন কালের কাল।

এসো আজ প্রতিজ্ঞা করি
রূঢ় বাক্য আর নয়,
সত্য, দয়া, নম্র আচরণ
হোক জীবনের জয়।

হাসি হোক সদকার দান,
সেবা হোক ইবাদত,
মানবতার সিঁড়ি বেয়ে
উঠুক শুভ সভ্যতা।

হে আল্লাহ! অন্তর ভরো
ঈমান, প্রেম নূরে,
সদাচরণের সৌরভ ছড়াক
প্রতিটি ঘরে ঘরে।

এই কাব্যের প্রতিটি সর্গে
জাগুক শুভ আহ্বান
মানুষ হোক মানুষ সবার,
উজ্জ্বল হোক বিশ্বপ্রাণ।

মন্তব্য করুন