Loading..

ব্লগ

রিসেট

১৮ জুলাই, ২০২৬ ০৫:৩৪ অপরাহ্ণ

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ-

(Nationalization of Educational Institutions) বাংলাদেশে শিক্ষা ব্যবস্থার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং বহুল আলোচিত বিষয়। বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে সরকারি ব্যবস্থাপনায় নিয়ে আসাই মূলত জাতীয়করণ।

বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে বিভিন্ন সময়ে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে এবং শিক্ষকদের মর্যাদা অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ধাপে ধাপে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ করা হয়েছে।

 

জাতীয়করণের মূল উদ্দেশ্যসমূহঃ

ü  শিক্ষার মানোন্নয়ন: দেশের সর্বত্র বৈষম্যহীন এবং মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা।

ü  শিক্ষকদের আর্থিক নিরাপত্তা: বেসরকারি শিক্ষকদের সরকারি বেতন স্কেল, উৎসব ভাতা পেনশনের আওতায় এনে তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নত করা।

ü  খরচ কমানো: শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার খরচ কমিয়ে সাধারণ মানুষের জন্য শিক্ষা সহজলভ্য করা।

ü  অবকাঠামোগত উন্নয়ন: সরকারি তহবিলের মাধ্যমে স্কুলের ভবন, ল্যাব অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার উন্নয়ন।

 

বর্তমান প্রেক্ষাপট শিক্ষকদের দাবিঃ

বর্তমানে দেশের প্রায় ৯৫% মাধ্যমিক উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা ব্যবস্থা বেসরকারি (এমপিওভুক্ত এবং নন-এমপিও) শিক্ষকদের দ্বারা পরিচালিত। এর ফলে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষক সংগঠনগুলো "শিক্ষা ব্যবস্থা একযোগে জাতীয়করণ"-এর দাবি জানিয়ে আসছে।

শিক্ষকদের মূল যুক্তি:

ü  এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা সরকারি শিক্ষকদের তুলনায় বাড়ি ভাড়া, চিকিৎসা ভাতা এবং উৎসব ভাতার ক্ষেত্রে চরম বৈষম্যের শিকার হন।

ü  একযোগে জাতীয়করণ করলে শিক্ষা খাতের বৈষম্য দূর হবে এবং মেধাবীরা শিক্ষকতা পেশায় আসতে আগ্রহী হবে।

সরকারের চ্যালেঞ্জ:

ü  একযোগে সব প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ করার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বাধা হলো বিশাল বাজেট বা আর্থিক সংকুলান

ü  এছাড়া শিক্ষকদের যোগ্যতা যাচাই, জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণ এবং সরকারি বিধিমালায় অন্তর্ভুক্তির প্রশাসনিক জটিলতা।

মন্তব্য করুন