Loading..

ব্লগ

রিসেট

১৮ জুলাই, ২০২৬ ১০:৫২ অপরাহ্ণ

মানুষের তুলনায় বিড়ালের টার্মিনাল ভেলোসিটি (terminal velocity)

বিড়ালের ক্ল্যাভিকল (কলারবোন) আকারে খুব ছোট এবং এটি মানুষের মতো কাঁধ ও বুকের খাঁচার সঙ্গে শক্তভাবে সংযুক্ত নয়; বরং পেশির মধ্যে ভাসমান অবস্থায় থাকে।


অত্যন্ত নমনীয় মেরুদণ্ড এবং সংবেদনশীল ভেস্টিবুলার (ভারসাম্য) ব্যবস্থার সঙ্গে মিলিত হয়ে এই বৈশিষ্ট্য বিড়ালকে রাইটিং রিফ্লেক্স (righting reflex) সম্পাদন করতে সাহায্য করে।

পড়ে যাওয়ার সময় বিড়াল প্রায় ০.১–০.১৫ সেকেন্ডের মধ্যেই নিজের শরীরের অবস্থান শনাক্ত করতে শুরু করতে পারে এবং পর্যাপ্ত উচ্চতা থাকলে শরীর ঘুরিয়ে পা আগে রেখে অবতরণের চেষ্টা করে।

মানুষের তুলনায় বিড়ালের টার্মিনাল ভেলোসিটি (terminal velocity) কম হওয়ায় অনেক ক্ষেত্রে উঁচু থেকে পড়েও বেঁচে থাকার সম্ভাবনা তুলনামূলক বেশি হতে পারে। তবে এর অর্থ এই নয় যে, এমন পড়ে যাওয়া নিরাপদ। উঁচু থেকে পড়লে বিড়ালের গুরুতর এমনকি প্রাণঘাতী আঘাতও লাগতে পারে।

মন্তব্য করুন