Loading..

ব্লগ

রিসেট

১৯ জুলাই, ২০২৬ ১১:৩৬ অপরাহ্ণ

১৩ বছরের আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নিষিদ্ধের পক্ষে ৯৪ শতাংশ

১৩ বছরের আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নিষিদ্ধের পক্ষে ৯৪ শতাংশ

এখন ইউরোপীয় ইউনিয়নও (ইইউ) এমনটা করার কথা ভাবছে। ইইউর একটি উপদেষ্টা প্যানেল প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠানগুলো তাদের প্ল্যাটফর্ম নিরাপদ বলে প্রমাণ করতে না পারা পর্যন্ত ১৩ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বন্ধ রাখার সুপারিশ করেছে।শিশুদের মানসিক ও আবেগগত বিকাশে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ এখন বিশ্বজুড়ে। কত বছর বয়স হলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করা যাবে, সেই সময়সীমা এরই মধ্যে বেঁধে দিয়েছে কয়েকটি দেশ। এখন ইউরোপীয় ইউনিয়নও (ইইউ) এমনটা করার কথা ভাবছে। ইইউর একটি উপদেষ্টা প্যানেল প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠানগুলো তাদের প্ল্যাটফর্ম নিরাপদ বলে প্রমাণ করতে না পারা পর্যন্ত ১৩ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বন্ধ রাখার সুপারিশ করেছে। এমতাবস্থায় দেশের ৯৪ শতাংশ মানুষও ১৩ বছরের আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নিষিদ্ধে আইন হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন।দেশের শিক্ষাবিষয়ক পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল পত্রিকা দৈনিক শিক্ষাডটকমের এক জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে। তবে জরিপে অংশ নেয়া ৫ শতাংশ মানুষ ১৩ বছরের আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নিষিদ্ধে আইন হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন না। আর অবশিষ্ট ১ শতাংশ মানুষ এর পক্ষে বিপক্ষে কোনো মতামত দেননি।

গতকাল শনিবার সকাল থেকে শুরু হয়ে আজ রোববার সকাল পর্যন্ত দৈনিক শিক্ষাডটকমের ওয়েবসাইটে এই জরিপ চালানো হয়। দৈনিক শিক্ষাডটকম পরিচালিত এই জরিপে অংশ নিয়েছেন মোট তিন হাজার ১০৫ জন ইন্টারনেট ব্যবহারকারী। ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছেন দুই হাজার ৯০৬ জন এবং ‘না’ ভোট দিয়েছেন ১৬৩ জন। ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ কোনো মন্তব্য করেননি ৩৬ জন।

জরিপে প্রশ্ন করা হয়েছিলো, ১৩ বছরের আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নিষিদ্ধে আইন হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন কি? জরিপে ‘হ্যাঁ’ এবং ‘না’ এর পাশাপাশি ‘মন্তব্য নেই’ নামে আরেকটি ঘর ছিলো।

প্রসঙ্গত, প্রশিক্ষিত এই চিকিৎসকের মতে, তিন বছরের কম বয়সী শিশুদের কোনোভাবেই স্ক্রিনের সামনে আনা উচিত নয়। তাঁর পরামর্শ, শিশুদের বয়স ও পরিপক্বতা বিবেচনা করে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া উচিত। সুযোগটি পর্যায়ক্রমে ধাপে ধাপে বাড়ানো দরকার। অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, তুরস্ক, ইন্দোনেশিয়াসহ বেশ কয়েকটি দেশ ইতিমধ্যে কম বয়সীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নিয়েছে। টিকটক, ইউটিউব ও ইনস্টাগ্রামের মতো প্ল্যাটফর্মে শিশুদের প্রবেশাধিকার সীমিত করতে বিভিন্ন বিধিনিষেধ চালু বা অনুমোদন করেছে দেশগুলো।

#জরিপ

মন্তব্য করুন