Loading..

ব্লগ

রিসেট

২০ জুলাই, ২০২৬ ১০:৫২ পূর্বাহ্ণ

পড়তে শেখা, পড়ে শেখা: শিশুর আজীবন শিক্ষার ভিত্তি
শিশুকে প্রথমে 'পড়তে শেখানো' (শব্দ ও বর্ণ চেনা) এবং পরে তাদের 'পড়ে শেখার' (বোঝা ও জ্ঞান অর্জন) যোগ্য করে গড়ে তোলাটাই আজীবন শিক্ষার মূল ভিত্তি। খেলার ছলে, প্রচুর পড়ার উপকরণ দিয়ে এবং শিশুদের চারপাশের পরিবেশকে সমৃদ্ধ (Print-Rich) করে এই অভ্যাস তৈরি করা যায়। এর ফলে তাদের শব্দভাণ্ডার বাড়ে ও চিন্তাশক্তি উন্নত হয়। 
১. পর্যায় ১: পড়তে শেখা (Learn to Read)
এটি হলো প্রাথমিক পর্যায়, যেখানে শিশু বর্ণ, শব্দ ও ধ্বনি চিনতে শেখে। 
ধ্বনি সচেতনতা: শিশুরা যাতে শব্দের ভেতরের ধ্বনিগুলো আলাদা করতে ও বুঝতে পারে।
বর্ণজ্ঞান: খেলার ছলে বিভিন্ন ছবির বই, বর্ণমালা ও চার্ট দেখিয়ে বর্ণ চেনানো।
পঠন সাবলীলতা: মুখস্থ না করিয়ে বারবার পড়ে শব্দ উচ্চারণের জড়তা দূর করা।
২. পর্যায় ২: পড়ে শেখা (Read to Learn)
এই ধাপে শিশুরা পাঠ্য বিষয় নিজে পড়ে তার অর্থ বুঝতে ও নতুন তথ্য শিখতে শুরু করে। 
বোধগম্যতা: শুধু রিডিং পড়া নয়, গল্পের মূল ভাব, সমস্যার কারণ ও সমাধান নিজ থেকে বুঝতে পারা।
সমালোচনামূলক চিন্তা: গল্প নিয়ে প্রশ্ন করা, নিজের মতামত প্রকাশ করা এবং যুক্তি দিয়ে ভাবার দক্ষতা তৈরি করা। 
৩. আজীবন শিক্ষার ভিত্তি
পড়ার অভ্যাস শিশুকে স্বাবলম্বী পাঠক হতে সাহায্য করে। শৈশবের এই চর্চাই আজীবন শেখার মানসিকতা তৈরি করে। 
অনুপ্রেরণা বৃদ্ধি: অভিভাবকরা নিজেরা বই পড়ে শিশুদের সামনে রোল মডেল হিসেবে কাজ করতে পারেন।
নিয়মিত সময় দেওয়া: প্রতিদিন ১০-১৫ মিনিট শিশুদের সাথে নিয়ে বই পড়া বা গল্প করা তাদের বইয়ের প্রতি ভালোবাসা বাড়ায়
মন্তব্য করুন