Loading..

ব্লগ

রিসেট

২১ জুলাই, ২০২৬ ০৮:২১ অপরাহ্ণ

যেখানে দেবদূতরা যেতে ভয় পায় সেখানেই বোকারা যায়

এক বনের জলাশয়ে ছিল একটা হিংস্র কুমির। এই কুমিরে অত্যাচারেই বনের পশুপাখিকে পানি পান করতে হতো জীবনের ঝুঁকি নিয়ে। কারন বনের মধ্যে একটিই জলাশয় ছিল যা পান করার যোগ্য। যেই পশুপাখিই সেখনে যাক না কেন কেউ অক্ষত অবস্থায় নিড়ে ফিরে আসতে পারতো না। এই সমস্যার সমাধানের উপায়ের জন্য একদিন বনের সব পশুপাখিকে নিয়ে সভা বসা হলো। সভায় অনেকে অনেক মন্তব্য করে। কেউ বলে হরিণকে সামনে এগিয়ে দিবো যাতে কুমির হরিণকে ধরতে যাবে আর আমরা ঐ সুযোগে সবাই পানি পান করব। যেহেতু হরিণ দ্রুতগামী তাই হরিণকে ধরা এত সহজ নয়।

কিন্তু কেউ কি নিজের ঝুঁকি বুঝতে পেরে এই সিদ্ধান্তে রাজি হতে পারে? হরিণ এই প্রস্তাব প্রত্যাখান করল। 

তারপর বলা হল খরগোশকে,খরগোশ তুমি যাবে। তাছাড়া তোমার যা কান খাড়া দৌড় কুমির ধারের কাছেও নেই। কিন্তু খরগোশও সেই প্রস্তাবটি প্রত্যাখান করল। এরপরে বলা হল শাহিন পাখিকে বা পেরেগ্রিন ফ্যালকন, শাহিন তুমি যাবে। তুমি যে দ্রুতগামী, তোমার থেকে দ্রুত এবং শক্তিশালী পাখীদের মধ্যে কেউ নেই। তুমি চাইলে এক নিমিষেই আকাশের গহীনে লুকায়ইতে পারো। চাইলে তুমি তুচ্ছ কুমিরের মুখের ভিতরে গিয়ে তার দাঁতও তুলে নিয়ে আসতে পার।

এই প্রশংসায় পুলকিত হইয়া শাহিন পাখি অহংকারের বসে আগে-পিছে না ভেবেই রাজি হলেন। 

এখন পরিকল্পনা মাফিক শাহিন পাখি আগে আগে চলতে লাগলো, জলাশয়ের পাশাপাশি এসে অন্য পশুপাখিরা চলে গেল জলাশয়ের বিপরীত পাশে। আর এদিকে শাহিন পাখি স্ব গর্বে কুমিরের সামনে মনে মনে বলতেছে কুমির তুমি আমার কাছাকাছি আসো। আমি এক নিমিষেই আকাশে উড়ে যাবো।

আর এদিকে ক্ষুদার্ত কুমির মাংসের ঘ্রাণ পেয়ে মাতালের মতন স্বগতিতে  শাহিন পাখিকে চোঁখের পলোকেই গ্রাস করে ফেললেন।


অন্যদিকে সবাই হায় - হায় বলে যে যেদিকে পারে দিলো এক ভৌ-দৌড়।

মন্তব্য করুন