Loading..

ব্লগ

রিসেট

০৯ আগস্ট, ২০২৬ ০২:৩৯ অপরাহ্ণ

গরমে পানিশূন্যতা দূর করবে গ্রীষ্মকালীন ফল, তবে ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য সতর্কতা

তীব্র গরমে পুষ্টির অন্যতম প্রধান উৎস হলো মৌসুমি ফলমূল। এসব ফলে প্রচুর পরিমাণে পানি, ভিটামিন ও ফাইবার থাকে, যা শরীরকে আর্দ্র রাখতে এবং অতিরিক্ত ঘামের কারণে হারিয়ে যাওয়া তরলের ঘাটতি পূরণে সহায়তা করে।


স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যে 'ভূমধ্যসাগরীয় ডায়েট' অত্যন্ত স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্যাভ্যাস হিসেবে ব্যাপকভাবে স্বীকৃত। এই খাদ্যাভ্যাস মূলত ফলমূল, শাকসবজি ও মাছের ওপর নির্ভরশীল, যা সামগ্রিক স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায় এবং হৃদ্‌রোগ ও ডায়াবেটিসের মতো জটিল রোগ থেকে সুরক্ষিত রাখতে সাহায্য করে।

বিশেষজ্ঞরা জানান, পানি, ভিটামিন ও ফাইবারের আধিক্যের কারণে গ্রীষ্মকালে নিয়মিত ফল খাওয়া অত্যন্ত জরুরি। এটি ক্রমবর্ধমান তাপমাত্রায় শরীর থেকে বেরিয়ে যাওয়া তরলের অভাব পূরণ করে শরীরকে সতেজ রাখে। তবে পানিসমৃদ্ধ ফল খাওয়ার পাশাপাশি পর্যাপ্ত পরিমাণ সাধারণ পানি পানের ওপরও জোর দিয়েছেন তারা।

তবে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা ফল খাওয়ার ক্ষেত্রে সবাইকে পরিমিতিবোধ বজায় রাখার পরামর্শ দিয়েছেন। বিশেষ করে ডায়াবেটিস রোগীদের রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যাওয়া রোধ করতে মেপে ফল খাওয়া উচিত।


তাদের মতে, ফলের প্রভাব ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হতে পারে। শরীর কীভাবে শর্করা গ্রহণ ও শোষণ করে, তার ওপর এটি নির্ভর করে। তাই ডায়াবেটিস বা রক্তে শর্করার মাত্রা বেশি থাকা রোগীদের সতর্কতার সঙ্গে ফল নির্বাচন করা উচিত এবং ফল খাওয়ার পর শর্করার মাত্রা পরীক্ষা করে দেখা উচিত।

বিশেষজ্ঞরা আরও জানান, আঙুর, আম এবং ডুমুরের মতো কিছু ফল কারও কারও রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই এগুলো কোনোভাবেই অতিরিক্ত খাওয়া উচিত নয়, বরং পরিমিত পরিমাণে খেতে হবে।


তারা জোর দিয়ে বলেন, গ্রীষ্মকালে ফল খাওয়ার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো একবারে অনেক বেশি না খেয়ে তা সারা দিন ধরে ভাগ করে খাওয়া। দিনে দুই থেকে চারবার পরিমিত পরিমাণে ফল খেলে তা শরীরের পুষ্টির চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি রক্তে শর্করার ওপর নেতিবাচক প্রভাব কমাতেও দারুণভাবে সাহায্য করে।

মন্তব্য করুন

ব্লগ