সহকারী শিক্ষক
১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০২:৪৬ অপরাহ্ণ
মক্কার সাফা ও মারওয়া পাহাড় কোনো সাধারণ পাথর নয়, পবিত্র কুরআনে একে সরাসরি আল্লাহর নিদর্শন হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
মক্কার সাফা ও মারওয়া পাহাড় কোনো সাধারণ পাথর নয়, পবিত্র কুরআনে একে সরাসরি আল্লাহর নিদর্শন হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। সূরা আল-বাকারার ১৫৮ নম্বর আয়াতে আল্লাহ বলেন, "নিশ্চয়ই সাফা ও মারওয়া আল্লাহর নিদর্শনসমূহের অন্তর্ভুক্ত।" আজ থেকে প্রায় ৪,০০০ বছর আগে আল্লাহর নির্দেশে এক জনমানবহীন মরুভূমিতে তৃষ্ণার্ত শিশু ইসমাইল (আঃ)-এর পানির খোঁজে মা হাজেরা (আঃ) এই দুই পাহাড়ের চূড়ায় বারবার দৌড়েছিলেন। যখনই তিনি দুই পাহাড়ের মাঝখানের নিচু উপত্যকায় নামতেন, সন্তানকে চোখের আড়াল হতে না দেওয়ার গভীর মাতৃত্বের আকুলতায় তিনি ওই অংশটুকু দ্রুত দৌড়ে পার হতেন। মায়ের সেই ঐতিহাসিক প্রচেষ্টার স্মরণে ও সম্মানেই আজ বিশ্বজুড়ে মুসলিমদের জন্য হজে 'সাঈ' করা আবশ্যক করা হয়েছে। ভূতাত্ত্বিক দিক থেকে এগুলো প্রাক-ক্যাম্ব্রিয়ান যুগের প্রাচীন শিলা। বর্তমানে মক্কার বিশাল সম্প্রসারণের ফলে পাহাড় দুটির অবশিষ্টাংশ আধুনিক শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত স্থাপনার মধ্যে সম্পূর্ণ সুরক্ষিত করা হয়েছে এবং সাঈ করার জন্য মধ্যবর্তী পথটিকে প্রশস্ত ও সুগম করা হয়েছে।
১৪
২৪ মন্তব্য