Loading..

ব্লগ

রিসেট

১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০১:০৫ পূর্বাহ্ণ

জন্ম নিবন্ধন সংশোধন আবেদন করার নিয়ম ২০২৬ - Birth Certificate Correction

➡️এক ক্লিকে জন্ম নিবন্ধন সংশোধন আবেদন করুন

➡️এক ক্লিকে জন্ম নিবন্ধন সংশোধন আবেদন করুন



































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































জন্ম নিবন্ধন সনদ আমাদের জীবনের প্রথম এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দলিল। স্কুলে ভর্তি, NID কার্ড তৈরি, পাসপোর্ট আবেদন, চাকরির আবেদন, বিয়ে নিবন্ধন — প্রায় প্রতিটি কাজেই জন্ম নিবন্ধন সনদ লাগে। কিন্তু অনেক সময় সনদে নিজের নাম, বাবা-মায়ের নাম, জন্ম তারিখ বা ঠিকানায় ভুল থেকে যায়, যা পরবর্তীতে বড় ধরনের সমস্যা তৈরি করতে পারে।

সুখবর হলো — এখন ঘরে বসেই অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন সংশোধন আবেদন করা যায়। এই আর্টিকেলে আমরা একদম শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সবকিছু কভার করেছি — bdris.gov.bd-তে কীভাবে আবেদন করবেন, কী কী কাগজপত্র লাগবে, ফি কত, কতদিন সময় লাগে, এবং সবচেয়ে বেশি জিজ্ঞাসিত প্রশ্নের উত্তর।


জন্ম নিবন্ধন সংশোধন কী এবং কখন প্রয়োজন হয়

জন্ম নিবন্ধন সনদে থাকা যেকোনো তথ্যে ভুল থাকলে তা ঠিক করার সরকারি প্রক্রিয়াকে বলা হয় জন্ম নিবন্ধন সংশোধন। সাধারণত যেসব কারণে সংশোধনের প্রয়োজন হয়:

  • নিজের নাম বাংলা বা ইংরেজিতে ভুল বানানে লেখা

  • বাবা বা মায়ের নামে বানান ভুল

  • জন্ম তারিখ ভুল বা NID-এর সাথে না মেলা

  • জন্মস্থান বা স্থায়ী/বর্তমান ঠিকানায় ভুল তথ্য

  • লিঙ্গ ভুলভাবে এন্ট্রি হয়ে যাওয়া

  • জাতীয়তা সংক্রান্ত তথ্যে ভুল

সংশোধন না করলে ভবিষ্যতে NID, পাসপোর্ট বা শিক্ষাগত সনদের সাথে তথ্যের গরমিল দেখা দিতে পারে, যা পরে আরও জটিল সমস্যায় রূপ নেয়। তাই ভুল ধরা পড়ামাত্র দ্রুত সংশোধন করে ফেলাই ভালো।


জন্ম নিবন্ধন সংশোধন আবেদন করার আগে যা জেনে রাখা জরুরি

  • সংশোধনের জন্য আপনার জন্ম নিবন্ধন নম্বর (১৭ ডিজিট) এবং জন্ম তারিখ লাগবে

  • আবেদন করতে হয় bdris.gov.bd ওয়েবসাইটের মাধ্যমে (পুরনো bdris.gov.bd/br/correction লিংকও এখনো কার্যকর)

  • জন্ম নিবন্ধন কতবার সংশোধন করা যায়? — সাধারণত একই তথ্য একাধিকবার সংশোধন করা যায় না; তাই প্রথমবারেই সঠিকভাবে সব ডকুমেন্টসহ আবেদন করা উচিত

  • সংশোধনের ধরন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ভিন্ন হয় — নিচে বিস্তারিত দেওয়া হয়েছে

  • আবেদন সাবমিট করার পর প্রিন্ট কপি স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ/পৌরসভা/সিটি কর্পোরেশন অফিসে জমা দিতে হয় — শুধু অনলাইনে সাবমিট করলেই কাজ শেষ হয় না


জন্ম নিবন্ধন সংশোধন আবেদন করার ধাপে ধাপে নিয়ম (Online Birth Certificate Correction)

ধাপ ১: bdris.gov.bd পোর্টালে প্রবেশ করুন

ব্রাউজারে গিয়ে অফিসিয়াল ওয়েবসাইট bdris.gov.bd-তে যান। হোমপেজ থেকে "জন্ম নিবন্ধন" মেনুতে ক্লিক করে "সংশোধন" বা "জন্ম নিবন্ধন তথ্য সংশোধন আবেদন" অপশন খুঁজে নিন।

ধাপ ২: জন্ম নিবন্ধন সনদ অনুসন্ধান করুন

নির্ধারিত ঘরে আপনার ১৭ ডিজিটের জন্ম নিবন্ধন নম্বর এবং জন্ম তারিখ (YYYY-MM-DD ফরম্যাটে) দিয়ে সার্চ করুন। সঠিক তথ্য দিলে আপনার বিদ্যমান জন্ম নিবন্ধনের তথ্য স্ক্রিনে দেখা যাবে।

ধাপ ৩: সংশোধনের বিষয় নির্বাচন করুন

কোন তথ্যটি সংশোধন করতে চান তা তালিকা থেকে বেছে নিন — যেমন নাম (বাংলা/ইংরেজি), বয়স/জন্ম তারিখ, পিতার নাম, মাতার নাম, ঠিকানা ইত্যাদি। একাধিক তথ্য একসাথে সংশোধন করতে চাইলে সবগুলো সিলেক্ট করুন।

ধাপ ৪: সংশোধিত তথ্য ও কারণ লিখুন

প্রতিটি সংশোধনের জন্য সঠিক (নতুন) তথ্য এবং সংশোধনের কারণ স্পষ্টভাবে লিখতে হবে। এই কারণ যত স্পষ্ট ও যৌক্তিক হবে, আবেদন অনুমোদন হওয়ার সম্ভাবনা তত বেশি থাকবে।

ধাপ ৫: প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট আপলোড করুন

সংশোধনের ধরন অনুযায়ী সাপোর্টিং ডকুমেন্ট স্ক্যান করে আপলোড করতে হবে (বিস্তারিত তালিকা নিচে দেওয়া আছে)।

ধাপ ৬: OTP ভেরিফিকেশন ও আবেদন সাবমিট

মোবাইল নম্বর বা ইমেইলে পাঠানো OTP দিয়ে ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করুন এবং আবেদন সাবমিট করুন। সাবমিট করার পর একটি আবেদন আইডি ও রেফারেন্স নম্বর পাবেন — এটি ভবিষ্যতে আবেদনের অবস্থা যাচাইয়ের জন্য সংরক্ষণ করুন।

ধাপ ৭: আবেদনপত্র প্রিন্ট করে জমা দিন

আবেদন সাবমিট হওয়ার পর সেটি ডাউনলোড ও প্রিন্ট করুন। প্রিন্ট করা আবেদনপত্রের সাথে প্রয়োজনীয় মূল কাগজপত্র সংযুক্ত করে নির্ধারিত তারিখের মধ্যে সংশ্লিষ্ট নিবন্ধক কার্যালয়ে (ইউনিয়ন পরিষদ/পৌরসভা/সিটি কর্পোরেশন/উপজেলা কার্যালয়) জমা দিন।

গুরুত্বপূর্ণ: শুধু অনলাইনে আবেদন সাবমিট করলেই সংশোধন সম্পন্ন হয় না — সংশ্লিষ্ট অফিসে গিয়ে কাগজপত্রসহ আবেদন জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক।


জন্ম নিবন্ধন সংশোধনের জন্য কী কী কাগজপত্র লাগে

সংশোধনের ধরন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট ভিন্ন হয়। সাধারণভাবে যেসব কাগজপত্র লাগতে পারে:

সংশোধনের বিষয়

প্রয়োজনীয় প্রমাণপত্র

নিজের নাম সংশোধন

EPI টিকা কার্ড, জাতীয় পরিচয়পত্র (থাকলে), শিক্ষাগত সনদ (JSC/SSC/HSC), পাসপোর্ট বা ড্রাইভিং লাইসেন্স

জন্ম তারিখ/বয়স সংশোধন

হাসপাতালের প্রত্যয়নপত্র, EPI টিকা কার্ড, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সনদ, NID সার্ভার কপি

পিতা/মাতার নাম সংশোধন

পিতা-মাতার জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্ম নিবন্ধন সনদ

ঠিকানা সংশোধন

হোল্ডিং ট্যাক্স রসিদ, ইউটিলিটি বিল বা স্থানীয় প্রত্যয়নপত্র

বিবাহ-সংক্রান্ত তথ্য

বিবাহ নিবন্ধন সনদ (কাবিননামা)

ওয়ারিশ-সংক্রান্ত সংশোধন

ওয়ারিশ সনদ

উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, নাম বা জন্ম তারিখ সংশোধনের ক্ষেত্রে পাসপোর্টও একটি গ্রহণযোগ্য প্রমাণপত্র হিসেবে বিবেচিত হয়। পিতা-মাতা মৃত হলেও তাদের মৃত্যুর আলাদা কোনো প্রমাণপত্র দাখিল করতে হয় না। সব কাগজপত্র রঙিন স্ক্যান করে প্রস্তুত রাখা ভালো, যাতে অনলাইনে আপলোড করতে সমস্যা না হয়।


জন্ম নিবন্ধন সংশোধন ফি ২০২৬ (কত টাকা লাগে)

জন্ম নিবন্ধন সংশোধনের ফি নির্ভর করে আপনি কোন তথ্য সংশোধন করছেন তার ওপর:

  • জন্ম তারিখ ব্যতীত অন্যান্য তথ্য সংশোধন (নাম, পিতা-মাতার নাম, ঠিকানা ইত্যাদি) — দেশের ভেতরে ৫০ টাকা, প্রবাসীদের জন্য ১ মার্কিন ডলার

  • জন্ম তারিখ সংশোধন — সাধারণত তুলনামূলক বেশি ফি এবং অতিরিক্ত প্রমাণপত্র প্রয়োজন হয়, কারণ জন্ম তারিখ পরিবর্তন সংবেদনশীল বিষয় হিসেবে বিবেচিত হয়

ফি পরিশোধ করা যায় অনলাইনে ই-পেমেন্টের (eservices.bdris.gov.bd) মাধ্যমে, অথবা সরাসরি সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ বা পৌরসভা অফিসে জমা দিয়ে। প্রবাসী আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে ফি সাধারণত সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশ মিশন/দূতাবাসের মাধ্যমে গ্রহণ করা হয়।

মনে রাখবেন: সরকারি ফি সময়ে সময়ে পরিবর্তিত হতে পারে। আবেদন করার আগে bdris.gov.bd-তে সর্বশেষ ফি তালিকা যাচাই করে নেওয়া উত্তম।


জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করতে কতদিন সময় লাগে

সাধারণত আবেদন যাচাই-বাছাই ও অনুমোদনের জন্য নির্দিষ্ট কর্মদিবস সময় লাগে, তবে এটি নির্ভর করে:

  • আপনার সংশোধনের ধরন কতটা জটিল (সাধারণ বানান ভুল দ্রুত সমাধান হয়, জন্ম তারিখ সংশোধনে বেশি সময় লাগে)

  • সংশ্লিষ্ট নিবন্ধক কার্যালয়ের কর্মচাপ

  • আপনার জমা দেওয়া প্রমাণপত্র পর্যাপ্ত ও সঠিক কিনা

সাধারণত সাধারণ সংশোধন কয়েক কর্মদিবসের মধ্যেই সম্পন্ন হয়ে যায়, তবে জটিল ক্ষেত্রে (যেমন জন্ম তারিখ বা জাতীয়তা সংক্রান্ত) কয়েক সপ্তাহ পর্যন্তও সময় লাগতে পারে।


নতুন জন্ম নিবন্ধন আবেদন করার নিয়ম (সংক্ষেপে)

যাদের এখনো জন্ম নিবন্ধনই করা হয়নি, তাদের জন্য সংক্ষেপে নিয়ম:

  1. bdris.gov.bd/br/application লিংকে প্রবেশ করুন

  2. নিবন্ধনের ঠিকানা সিলেক্ট করুন

  3. নিবন্ধনাধীন ব্যক্তির তথ্য, তার ঠিকানা ও পিতা-মাতার তথ্য দিন

  4. আবেদনকারীর তথ্য পূরণ করুন

  5. প্রয়োজনীয় কাগজপত্র (হাসপাতালের প্রত্যয়নপত্র/EPI টিকা কার্ড ইত্যাদি) আপলোড করুন

  6. OTP ভেরিফাই করে আবেদন সাবমিট করুন

প্রবাসী বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রে পিতা-মাতার জাতীয়তা নির্বাচন করে ১ মার্কিন ডলার ফি পরিশোধ করে আবেদন সম্পন্ন করতে হয়।


সাধারণ সমস্যা ও সমাধান (Troubleshooting)

আবেদন কতদূর এগিয়েছে তা কীভাবে জানব? (আবেদনের বর্তমান অবস্থা যাচাই) bdris.gov.bd-তে "আবেদনের অবস্থা" বা Application Status অপশনে গিয়ে আবেদন আইডি বা রেফারেন্স নম্বর দিয়ে সহজেই যাচাই করা যায়।

আবেদনপত্র বাতিল হয়ে গেলে করণীয় কী? পর্যাপ্ত প্রমাণপত্র না থাকার কারণে আবেদন বাতিল হলে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ বা পৌরসভা কার্যালয়ে সরাসরি যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় অতিরিক্ত প্রমাণপত্র জমা দিতে হবে।

ফাইল আপলোড হচ্ছে না বা এরর দেখাচ্ছে ফাইলের সাইজ ও ফরম্যাট (সাধারণত JPG/PDF, নির্দিষ্ট সাইজ সীমার মধ্যে) ঠিক আছে কিনা যাচাই করুন। ব্রাউজার ক্যাশ ক্লিয়ার করে অথবা ভিন্ন ব্রাউজার দিয়ে চেষ্টা করুন।

মোবাইল নাম্বার পরিবর্তন করতে চাই জন্ম নিবন্ধনের সাথে যুক্ত মোবাইল নম্বর পরিবর্তনের জন্যও bdris পোর্টালে আলাদা আবেদন অপশন রয়েছে, যেখানে নতুন নম্বর দিয়ে OTP ভেরিফিকেশনের মাধ্যমে আপডেট করা যায়।

জন্ম নিবন্ধন হারিয়ে গেলে করণীয় মূল সনদ হারিয়ে গেলে জন্ম নিবন্ধন নম্বর ও জন্ম তারিখ দিয়ে bdris.gov.bd থেকে অনলাইন কপি যাচাই করে প্রতিলিপি (Reprint) আবেদন করা যায়।


প্রবাসীদের জন্য জন্ম নিবন্ধন সংশোধন

বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশিরাও bdris.gov.bd-এর মাধ্যমে অনলাইনে সংশোধন আবেদন করতে পারেন। তবে ফি সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশ দূতাবাস/হাইকমিশনের মাধ্যমে পরিশোধ করতে হয়, এবং কিছু ক্ষেত্রে সরাসরি মিশনে গিয়ে ডকুমেন্ট যাচাই করাতে হতে পারে।


প্রায়জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)

জন্ম নিবন্ধন সংশোধন আবেদন করতে কি টাকা লাগে? হ্যাঁ। জন্ম তারিখ ছাড়া অন্যান্য তথ্য সংশোধনে দেশে ৫০ টাকা এবং প্রবাসীদের জন্য ১ মার্কিন ডলার ফি লাগে। জন্ম তারিখ সংশোধনের ফি তুলনামূলক বেশি হতে পারে।

জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করতে কতদিন সময় লাগে? সাধারণ সংশোধন সাধারণত কয়েক কর্মদিবসের মধ্যে হয়ে যায়, তবে জন্ম তারিখ বা জটিল সংশোধনে কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত সময় লাগতে পারে — নির্ভর করে সংশ্লিষ্ট অফিসের প্রসেসিং সময়ের ওপর।

জন্ম নিবন্ধন কতবার সংশোধন করা যায়? নিয়মিতভাবে একই তথ্য বারবার সংশোধন করার সুযোগ নেই। তাই প্রথমবারেই সঠিক তথ্য ও পর্যাপ্ত প্রমাণপত্রসহ আবেদন করা উচিত।

জন্ম নিবন্ধন নাম সংশোধন করতে কি কি লাগে? EPI টিকা কার্ড, জাতীয় পরিচয়পত্র (থাকলে), শিক্ষাগত সনদ (JSC/SSC/HSC), পাসপোর্ট বা ড্রাইভিং লাইসেন্স — এর যেকোনো একটি বা একাধিক প্রমাণপত্র প্রয়োজন হয়।

অনলাইনে আবেদন করলেই কি সংশোধন সম্পন্ন হয়ে যায়? না। অনলাইনে আবেদন সাবমিট করার পর সেটি প্রিন্ট করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ/পৌরসভা/সিটি কর্পোরেশন অফিসে জমা দিতে হয়।

জন্ম তারিখ সংশোধন করার নিয়ম কী আলাদা? হ্যাঁ, জন্ম তারিখ সংশোধন সংবেদনশীল বলে বিবেচিত হয় এবং সাধারণত অতিরিক্ত ও শক্তিশালী প্রমাণপত্র (হাসপাতালের প্রত্যয়নপত্র, শিক্ষাগত সনদ ইত্যাদি) প্রয়োজন হয়, ফি-ও তুলনামূলক বেশি হতে পারে।

পাসপোর্ট দিয়ে কি জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করা যায়? হ্যাঁ, নাম বা জন্ম তারিখ সংশোধনের ক্ষেত্রে পাসপোর্ট একটি গ্রহণযোগ্য প্রমাণপত্র হিসেবে ব্যবহার করা যায়।

সংশোধন আবেদনের বর্তমান অবস্থা কীভাবে চেক করব? bdris.gov.bd-তে গিয়ে আবেদন সাবমিট করার সময় পাওয়া রেফারেন্স নম্বর বা আবেদন আইডি দিয়ে "Application Status" অপশনে চেক করা যায়।


শেষ কথা

জন্ম নিবন্ধন সংশোধন আগে যতটা জটিল মনে হতো, এখন bdris.gov.bd-এর ডিজিটাল সিস্টেমের কল্যাণে তা অনেকটাই সহজ হয়ে গেছে। সঠিক প্রমাণপত্র প্রস্তুত রেখে ধাপে ধাপে আবেদন করলে এবং সময়মতো প্রিন্ট কপি স্থানীয় অফিসে জমা দিলে স্বল্প সময়েই আপনার সংশোধিত জন্ম নিবন্ধন সনদ হাতে পাবেন। কোনো ধাপে সমস্যা হলে সরাসরি স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ বা পৌরসভা কার্যালয়ে যোগাযোগ করাই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য সমাধান।

এই তথ্যগুলো জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন কার্যালয়ের বর্তমান নিয়মের ওপর ভিত্তি করে তৈরি। ফি বা প্রক্রিয়ায় ভবিষ্যতে পরিবর্তন আসতে পারে, তাই আবেদনের আগে bdris.gov.bd-তে সর্বশেষ তথ্য যাচাই করে নিন।

মন্তব্য করুন

ব্লগ