Loading..

ব্লগ

রিসেট

১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৭:০৬ অপরাহ্ণ

সরকারি পলিটেকনিক ভর্তি পরীক্ষা ২০২৬: আবেদনের সময় বেড়ে ২০ সেপ্টেম্বর, জেনে নিন তারিখ, সিলেবাস ও মানবণ্টন

এসএসসি পাস করার পর কারিগরি শিক্ষায় ক্যারিয়ার গড়তে চাওয়া লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থীর জন্য সবচেয়ে বড় সংবাদ হলো, প্রায় এক দশক বিরতির পর বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড (বিটিইবি) আবারও সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ভর্তির জন্য লিখিত ভর্তি পরীক্ষা চালু করেছে। ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষের এই ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ তারিখে। আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খবর হলো, আবেদনের শেষ সময়সীমা বাড়িয়ে দিয়েছে বোর্ড। এই পোস্টে ভর্তি পরীক্ষার সবশেষ আপডেট, তারিখ, যোগ্যতা, মানবণ্টন, বিষয়ভিত্তিক সিলেবাস, ফলাফল প্রক্রিয়া, কোটা পদ্ধতি এবং শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি কৌশল পর্যন্ত সব তথ্য একসাথে দেওয়া হলো, যাতে আপনাকে আর অন্য কোথাও খুঁজতে না হয়।

সর্বশেষ আপডেট: আবেদনের সময় বেড়ে ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত

বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড সম্প্রতি একটি নোটিশের মাধ্যমে জানিয়েছে যে, ০৪ (চার) বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা পর্যায়ের শিক্ষাক্রমে সরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহে ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে ভর্তির জন্য অনলাইনে আবেদন গ্রহণের সময়সীমা বাড়িয়ে ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ (রোববার) পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থাৎ আগের নির্ধারিত ১৮ সেপ্টেম্বরের পরিবর্তে এখন আরও দুই দিন বাড়তি সময় পাচ্ছেন আবেদনপ্রার্থীরা। যারা এখনও আবেদন সম্পন্ন করতে পারেননি, তারা এই বাড়তি সময়ের মধ্যে আবেদন সম্পন্ন করতে পারবেন।

আবেদনের সময় বাড়ানোর ফলে প্রবেশপত্র ডাউনলোডের সময়সূচিতেও পরিবর্তন আসতে পারে, তাই সর্বশেষ ও নির্ভুল তথ্যের জন্য নিয়মিত অফিসিয়াল ওয়েবসাইট www.btebadmission.gov.bd ভিজিট করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

সরকারি পলিটেকনিক ভর্তি পরীক্ষা ২০২৬ কবে?

বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড গত ২৭ আগস্ট ২০২৬ তারিখে ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি সংক্রান্ত সময়সূচি প্রকাশ করে। সাম্প্রতিক সংশোধনী অনুযায়ী হালনাগাদ সময়সূচি নিম্নরূপ:

  • অনলাইনে আবেদন শুরু: ২৯ আগস্ট ২০২৬ (শনিবার)

  • অনলাইনে আবেদনের বর্ধিত শেষ তারিখ: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ (রোববার)

  • প্রবেশপত্র (অ্যাডমিট কার্ড) ডাউনলোড: পূর্বনির্ধারিত ছিল ২১ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ (আবেদনের সময় বাড়ায় এই তারিখ পরিবর্তিত হতে পারে, বোর্ডের পরবর্তী নোটিশ অনুসরণ করুন)

  • ভর্তি পরীক্ষার তারিখ: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ (শনিবার), সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত

  • ১ম পর্যায়ের ফলাফল: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, নিশ্চায়নের শেষ তারিখ ১ অক্টোবর

  • ২য় পর্যায় (অপেক্ষমান তালিকা) ফলাফল: ২ অক্টোবর ২০২৬, নিশ্চায়ন ৪ অক্টোবরের মধ্যে

  • ৩য় পর্যায়ের ফলাফল (আসন ফাঁকা থাকা সাপেক্ষে): ৭ অক্টোবর ২০২৬, নিশ্চায়ন ৮ অক্টোবরের মধ্যে

  • প্রতিষ্ঠানে সরাসরি ভর্তি: ১০ থেকে ১১ অক্টোবর ২০২৬

  • ক্লাস শুরু: ১১ অক্টোবর ২০২৬ (রোববার)

মনে রাখা জরুরি, এই লিখিত ভর্তি পরীক্ষা শুধুমাত্র সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ভর্তির ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। বেসরকারি পলিটেকনিক প্রতিষ্ঠানগুলো শুধু এসএসসি-র জিপিএ-এর ভিত্তিতেই শিক্ষার্থী ভর্তি করবে, সেখানে কোনো লিখিত পরীক্ষা দিতে হবে না।

ভর্তির যোগ্যতা কী কী?

সরকারি পলিটেকনিকে ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে আবেদনের জন্য মূল শর্তগুলো হলো:

  • ২০২৩, ২০২৪ বা ২০২৫ সালে এসএসসি/দাখিল/এসএসসি (ভোকেশনাল)/দাখিল (ভোকেশনাল) বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে

  • ছাত্র-ছাত্রী উভয়ের জন্য সাধারণ গণিত বা উচ্চতর গণিতে ন্যূনতম জিপিএ ২.০০ সহ সর্বমোট ন্যূনতম জিপিএ ৩.০০ থাকতে হবে

  • ‘ও’ লেভেল উত্তীর্ণদের জন্য একটি বিষয়ে ন্যূনতম ‘সি’ গ্রেড এবং গণিতসহ অন্য যেকোনো দুটি বিষয়ে ন্যূনতম ‘ডি’ গ্রেড থাকতে হবে

এছাড়া কৃষি, ফরেস্ট্রি, ফিসারিজ ও লাইভস্টক ডিপ্লোমার ক্ষেত্রে ন্যূনতম জিপিএ ২.৫০ হলেই আবেদন করা যায়। আর ডিপ্লোমা-ইন-মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের জন্য শুধু বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ন্যূনতম জিপিএ ৩.৫০ (গণিত, পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়নসহ) এবং সেই সাথে উচ্চতা, দৃষ্টিশক্তি ও ওজন সংক্রান্ত শারীরিক যোগ্যতাও পূরণ করতে হয়।

আবেদনের সময় সর্বোচ্চ বয়সসীমা ১৮ বছর নির্ধারিত রয়েছে।

ভর্তি পরীক্ষার মানবণ্টন: কোন বিষয়ে কত নম্বর

এবারের ভর্তি প্রক্রিয়ায় মোট স্কোর হবে ১০০, যার মধ্যে লিখিত পরীক্ষার নম্বর এবং এসএসসি-র জিপিএ দুটোই যুক্ত হবে। বিস্তারিত মানবণ্টন নিচে দেওয়া হলো:

  • বাংলা: ১০ নম্বর

  • ইংরেজি: ১০ নম্বর

  • গণিত: ২০ নম্বর

  • বিজ্ঞান (পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়ন): ২০ নম্বর

  • অ্যাপটিচুড টেস্ট: ১০ নম্বর

  • লিখিত পরীক্ষার মোট: ৭০ নম্বর

  • এসএসসি-র জিপিএ থেকে প্রাপ্ত নম্বর: ৩০ নম্বর

  • সর্বমোট স্কোর: ১০০ নম্বর

পরীক্ষা হবে সম্পূর্ণভাবে এসএসসি/সমমান সিলেবাসের ওপর ভিত্তি করে, তাই আলাদা কোনো নতুন সিলেবাস মুখস্থ করার প্রয়োজন নেই— নবম-দশম শ্রেণির বই ভালোভাবে রিভিশন দিলেই যথেষ্ট।

বিষয়ভিত্তিক সিলেবাস: কী কী পড়তে হবে

বাংলা ও ইংরেজি

বাংলায় সাধারণত ব্যাকরণ (সন্ধি, সমাস, কারক, বাগধারা, এক কথায় প্রকাশ), শুদ্ধ বানান ও বাক্য শুদ্ধিকরণ থেকে প্রশ্ন আসে। ইংরেজিতে গুরুত্ব পায় Right Form of Verb, Preposition, Article, Tense, Voice Change, Sentence Correction এবং Vocabulary।

গণিত

পাটিগণিত, বীজগণিত ও জ্যামিতি— এই তিন ভাগ থেকেই প্রশ্ন আসে। বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ:

  • একক রূপান্তর (দৈর্ঘ্য, ওজন, ক্ষেত্রফল, আয়তন)

  • শতকরা, লাভ-ক্ষতি, অনুপাত-সমানুপাত

  • সূচক ও লগারিদম, বীজগাণিতিক সূত্রাবলি

  • ত্রিভুজ, বৃত্ত, চতুর্ভুজের ক্ষেত্রফল ও পরিমিতি

  • রেখা, কোণ সম্পর্কিত জ্যামিতিক উপপাদ্য

বিজ্ঞান (পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়ন)

পদার্থবিজ্ঞান থেকে সাধারণত কাজ, শক্তি, ক্ষমতা, গতি, বল, ত্বরণ, শব্দ, আলো, প্রতিফলন-প্রতিসরণ, লেন্স ও সরল মেশিন সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে। রসায়ন থেকে পদার্থের অবস্থা, রাসায়নিক বন্ধন, মৌলিক ও যৌগিক পদার্থ, অ্যাসিড-ক্ষার-লবণ এবং দৈনন্দিন জীবনে রসায়নের ব্যবহার সংক্রান্ত বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ।

অ্যাপটিচুড টেস্ট

এই অংশে সাধারণত যুক্তি নির্ভর প্রশ্ন (রিজনিং), সাধারণ জ্ঞান, কারিগরি শিক্ষা সম্পর্কিত প্রাথমিক ধারণা এবং সমস্যা সমাধানের দক্ষতা যাচাই করা হয়। এটি মুখস্থবিদ্যার চেয়ে বিশ্লেষণী দক্ষতার ওপর বেশি নির্ভরশীল, তাই নিয়মিত বিভিন্ন ধরনের রিজনিং প্রশ্ন অনুশীলন করা দরকার।

মেধাতালিকা কীভাবে তৈরি হয়

শুধু ভর্তি পরীক্ষার নম্বর দিয়েই মেধাতালিকা তৈরি হয় না, এসএসসি-র জিপিএও এখানে সমান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। প্রথমে মোট স্কোরের (লিখিত পরীক্ষা + জিপিএ) ভিত্তিতে মেধাতালিকা তৈরি হবে। দুইজন শিক্ষার্থীর স্কোর সমান হলে ধারাবাহিকভাবে যেসব বিষয় বিবেচনা করা হবে:

  1. সাধারণ গণিতের জিপিএ

  2. উচ্চতর গণিত বা সাধারণ বিজ্ঞানের সর্বোচ্চ জিপিএ

  3. ইংরেজির জিপিএ

  4. পদার্থ ও রসায়নের সর্বোচ্চ জিপিএ

  5. সবশেষে মোট নম্বর

তাই শুধু ভর্তি পরীক্ষা নয়, এসএসসি-র বিষয়ভিত্তিক জিপিএও চান্স পাওয়ার ক্ষেত্রে সরাসরি প্রভাব ফেলে।

কোটা পদ্ধতি

সরকারি পলিটেকনিকে ভর্তির ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কিছু কোটা সংরক্ষিত থাকে:

  • মুক্তিযোদ্ধা, শহিদ মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনার সন্তানদের জন্য ৫%

  • শারীরিক প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের প্রার্থীদের জন্য ১%

  • ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জন্য ১%

কোনো কোটার আসন ফাঁকা থাকলে তা সাধারণ মেধাতালিকা থেকে পূরণ করা হয়। এছাড়া মহিলা শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে নিজ জেলা ও নিজ বিভাগকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়।

আবেদন ও পরীক্ষার ফি

  • আবেদন ফি: প্রতি শিফটের জন্য ১৬২ টাকা (১৬০ টাকা আবেদন ফি + ২ টাকা মোবাইল অপারেটর ফি)

  • ভর্তি পরীক্ষার ফি (শুধু সরকারি প্রতিষ্ঠানের জন্য): ৫০০ টাকা, একবার প্রদান করলেই একাধিক শিক্ষাক্রমের জন্য প্রযোজ্য

  • পেমেন্ট মাধ্যম: বিকাশ, নগদ, রকেট, উপায়, ট্যাপ ও ওকে ওয়ালেট

সরকারি প্রতিষ্ঠানে আবেদনের জন্য আবেদন ফি ও ভর্তি পরীক্ষার ফি— দুটোই পরিশোধ করলে তবেই আবেদনকারীর ইউজার ইন্টারফেস সক্রিয় হয়।

আবেদন প্রক্রিয়া সংক্ষেপে

  1. www.btebadmission.gov.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে নির্ধারিত পেমেন্ট কোড অনুসরণ করে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ফি জমা দিতে হবে

  2. এসএসসি রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, বোর্ডের নাম, পাসের সন ও মোবাইল নম্বর দিয়ে আবেদন শুরু করতে হবে

  3. পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি (JPEG ফরম্যাট, ৫০ কেবি, ১৫০x১২০ পিক্সেল) আপলোড করতে হবে

  4. সরকারি প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১০টি প্রতিষ্ঠান/টেকনোলজির পছন্দক্রম দেওয়া যাবে; বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে শুধু ১টি

  5. প্রযোজ্য কোটা থাকলে তা নির্বাচন করে প্রমাণপত্র পিডিএফ আকারে আপলোড করতে হবে

  6. সবশেষে সাবমিট করে আবেদনপত্রের প্রিন্ট সংরক্ষণ করতে হবে

বর্ধিত সময়সীমার সুযোগ নিয়ে যারা এখনও আবেদন করেননি, তারা দেরি না করে ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যেই আবেদন সম্পন্ন করে ফেলুন, কারণ এই সময়সীমা আবারও বাড়বে এমন নিশ্চয়তা নেই।

ফলাফল প্রকাশ ও নিশ্চায়ন

ফলাফল তিনটি ধাপে প্রকাশিত হবে— ২৯ সেপ্টেম্বর প্রথম পর্যায়, ২ অক্টোবর দ্বিতীয় পর্যায় (অপেক্ষমান তালিকা), এবং আসন ফাঁকা থাকলে ৭ অক্টোবর তৃতীয় পর্যায়। নির্বাচিত হলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিশ্চায়ন ফি (৩৮৫ টাকা) পরিশোধ করে আসন নিশ্চিত করতে হবে। নির্ধারিত সময়ে নিশ্চায়ন না করলে সেই আবেদন বাতিল বলে গণ্য হবে।

অটো মাইগ্রেশন অপশন সাধারণত চালু থাকে, অর্থাৎ পরবর্তী পর্যায়ে পছন্দের তালিকার ওপরের দিকের কোনো প্রতিষ্ঠানে আসন খালি থাকলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেখানে স্থানান্তর হয়ে যেতে পারে। নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানেই পড়তে চাইলে অটো মাইগ্রেশন বন্ধ করে দিতে হবে।

ভর্তি নিশ্চায়নের পর করণীয়

নিশ্চায়নের পর নির্ধারিত তারিখের মধ্যে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে গিয়ে শারীরিকভাবে ভর্তি সম্পন্ন করতে হবে (১০-১১ অক্টোবর)। এই সময় প্রয়োজন হবে:

  • নিশ্চায়ন স্লিপ

  • এসএসসি-র মূল নম্বরপত্র/ট্রান্সক্রিপ্ট ও টেস্টিমোনিয়াল

  • পাসপোর্ট সাইজের ছবি

  • এনআইডি বা জন্মনিবন্ধনের কপি

ক্লাস শুরুর তারিখ থেকে ৪৫ দিনের মধ্যে অনলাইন রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করতে হবে।

শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি কৌশল

হাতে খুব বেশি সময় নেই, তাই কৌশলী প্রস্তুতি জরুরি:

  • নবম-দশম শ্রেণির পাঠ্যবই থেকে গণিত ও বিজ্ঞানের সূত্র ও উদাহরণগুলো দ্রুত রিভিশন দিন, যেহেতু এই দুই বিষয়েই সর্বোচ্চ ২০ করে নম্বর বরাদ্দ

  • প্রতিদিন অন্তত একটি করে পূর্ণাঙ্গ মডেল টেস্ট দিন, যাতে ১ ঘণ্টার মধ্যে ৭০ নম্বরের প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার গতি তৈরি হয়

  • বাংলা ও ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়মগুলো শর্ট নোট আকারে গুছিয়ে রাখুন, পরীক্ষার আগের দিন দ্রুত চোখ বুলানোর জন্য এটি কাজে দেবে

  • অ্যাপটিচুড টেস্টের জন্য বিভিন্ন ধরনের রিজনিং ও সাধারণ জ্ঞানের প্রশ্ন অনুশীলন করুন, কারণ এই অংশে মুখস্থের চেয়ে বোঝার দক্ষতা বেশি কাজে লাগে

  • নেগেটিভ মার্কিং আছে কিনা তা প্রবেশপত্রের সাথে দেওয়া নির্দেশনায় নিশ্চিত হয়ে নিন এবং সেই অনুযায়ী উত্তর দেওয়ার কৌশল ঠিক করুন

  • পরীক্ষার আগের দিন অ্যাডমিট কার্ড, প্রয়োজনীয় কলম ও কেন্দ্রের অবস্থান আগেভাগে যাচাই করে রাখুন, যাতে শেষ মুহূর্তে তাড়াহুড়ো করতে না হয়

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

আবেদনের সময় কি বাড়ানো হয়েছে?
হ্যাঁ, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড সরকারি প্রতিষ্ঠানে ভর্তির অনলাইন আবেদনের সময়সীমা বাড়িয়ে ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ (রোববার) পর্যন্ত করেছে।

সরকারি পলিটেকনিক ভর্তি পরীক্ষা কবে হবে?
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শনিবার, সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত।

পরীক্ষায় মোট কত নম্বর থাকবে?
লিখিত পরীক্ষায় ৭০ নম্বর এবং এসএসসি-র জিপিএ থেকে ৩০ নম্বর মিলিয়ে সর্বমোট ১০০ নম্বরের ভিত্তিতে মেধাতালিকা তৈরি হবে।

বেসরকারি পলিটেকনিকেও কি ভর্তি পরীক্ষা দিতে হবে?
না, এই লিখিত ভর্তি পরীক্ষা শুধু সরকারি প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রযোজ্য। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে শুধু জিপিএ-এর ভিত্তিতেই ভর্তি হওয়া যায়।

নূন্যতম কত জিপিএ থাকলে আবেদন করা যাবে?
ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের জন্য গণিতে ন্যূনতম জিপিএ ২.০০ সহ সর্বমোট ন্যূনতম জিপিএ ৩.০০ প্রয়োজন।

কতটি প্রতিষ্ঠান পছন্দ দেওয়া যাবে?
সরকারি প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১০টি প্রতিষ্ঠান/টেকনোলজি পছন্দক্রম আকারে দেওয়া যাবে।

মন্তব্য করুন

ব্লগ