Loading..

ব্লগ

রিসেট

২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৮:২১ অপরাহ্ণ

সাইবার সিকিউরিটি প্রশিক্ষণ শেষে...

প্রাত্যহিক জীবনের সর্বস্তরেই ইন্টারনেট এখন অপরিহার্য।

মানবজীবনে ইন্টারনেটের গুরুত্বের কথা ভেবে কেউ ইন্টারনেটকে মৌলিক চাহিদায় অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাবও দিচ্ছেন। সেই ধারাবাহিকতায় জাতিসংঘ ইন্টারনেটে স্বাধীনভাবে মতামত প্রকাশ ও মৌলিক অধিকার চর্চার মাধ্যম হিসেবে স্বীকৃতি দিতে দেশগুলোকে সুপারিশ করেছে। সাসটেইনএইবল ডেভেলাপমেন্ট গোল এর টার্গেট ৯.সি-তে স্পষ্ট বলা হয়েছে— “স্বল্পোন্নত দেশগুলোতে তথ্যের অবাধ প্রবাহ এবং সার্বজনীন ও সাশ্রয়ী মূল্যে ইন্টারনেট অ্যাক্সেস বা প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা।”

 

Cyber-photo.JPG


আনন্দের কথা হচ্ছে, বাংলাদেশ সরকারও ইন্টারনেটকে সবপ্রান্তে পৌঁছে দিতে কাজ করছে অনেক বছর ধরে। বাংলাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ইন্টারনেটের কার্যকরী ও নিরাপদ ব্যবহারের লক্ষ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বিভিন্ন সময় বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। বিশেষ করে শিক্ষকদের নানান প্রশিক্ষণ কর্মসূচি প্রবর্তন করেছেন। এরই ধারাবাহিকতায় শিক্ষক বাতায়ন, মুক্তপাঠ, সাইবার সিকিউরিটি টিচার্স ট্রেনিংয়ের মতো কার্যক্রম শিক্ষকদের ই-লার্নি, ই-টিচিংসহ বিভিন্ন পেডাগজিক্যাল লার্নিং বাস্তবায়ন করছে।

 

সাইবার নিরাপত্তা শিক্ষক প্রশিক্ষণ কোর্স হচ্ছে উপর্যুক্ত কার্যক্রমগুলোর সর্বশেষ সংযোজন।

এই কোর্সে মোট ০৬টি মডিউল রয়েছে। মডিউলগুলোতে ভিডিও, অ্যানিমেশন, ভয়েস-ওভার ব্যবহার করে শিক্ষকদের বিভিন্ন সিমুলেশন কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হয়। এতে করে উদ্ভূত পরিস্থিতি সামলানোর দরকারি পদক্ষেপ নেওয়ার ধাপসমূহকে হাতে-কলমে শেখার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

 

সাইবার বুলিং, ট্রলিং, সাইবার সিকিউরিটি অ্যাক্ট, বিভিন্ন আইনি ধারা, শিক্ষার্থীদের সাইবার সুরক্ষায় করণীয়সমূহ সম্পর্কে অবহিতকরণে শিক্ষকদের ভূমিকা ও অনুশীলনের নানা টাস্ক রয়েছে। যা শিক্ষকদের জন্য যথেষ্ট প্রয়োজনীয় ও সময়ের চাহিদা অনুযায়ী প্রাসঙ্গিক।

 

বিশেষ করে সিনিয়র শিক্ষকেরা, যাদের আইসিটি অঙ্গনে পদচারণা তুলনামূলক কম ও অনভ্যস্ত, তাদের জন্য অনেক কাজের এই কোর্সটি। সেইসাথে যারা তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধিত্ব করছেন, সেসব শিক্ষকও আরেকবার তাদের করণীয় কী, সেই ব্যাপারে সচেতন হবেন। তাই এই কোর্সটি সবারই করা উচিত।


যদি মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষক হন, কোর্স লিংক-এ ক্লিক করে আপনিও কোর্সটি করে নিতে পারেন।


মন্তব্য করুন

ব্লগ