সহকারী অধ্যাপক
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৭:১৫ পূর্বাহ্ণ
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ডিজিটাল পরিবেশ সৃষ্টি
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ডিজিটাল পরিবেশ সৃষ্টি
ডঃ মোঃ সাজ্জাদ হোসেন
সহকারী অধ্যাপক
আলহাজ্ব আহেদ আলী বিশ্বাস ডিগ্রি কলেজ, পাবনা।
Digital campus environment বলতে বুঝায় “An integrated ecosystem where all academic, administrative and communication process are managed by using digital technologies” যা সম্পর্কিত আছে- শিক্ষার্থী, ফ্যাকাল্টি এবং প্রশাসনকে একই প্লাটফর্মে একত্রীভূত করে Digital platform ব্যবহারের মাধ্যমে পর্যাপ্ত শিখন পরিবেশ সৃষ্টি করার সাথে।
• ডিজিটাল ক্যাম্পাসের প্রধান উপকারিতা-
১. স্বয়ংক্রিয় প্রক্রিয়ায় ক্যাম্পাস পরিচালনার দক্ষতা বৃদ্ধি করে।
২. Digital learning platform গুলি ব্যবহার করে শিক্ষার্থীদের শিখন প্রক্রিয়ায় অধিকতর সম্পৃক্তকরণ সম্ভব।
৩. একাডেমি ও প্রশাসনিক ডাটা গুলো অল্প সময়ে দ্রুততার সাথে সঠিক ব্যবহার।
৪. ম্যানুয়াল ওয়ার্কলোড কমিয়ে paperless campus তৈরি।
৫. শিক্ষার্থীদের হাজিরা নেওয়া এবং দ্রুত অভিভাবকদের কাছে এসএমএস প্রেরণ।
৬. Digital Monitoring প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ক্যাম্পাসের শৃঙ্খলা উন্নয়ন।
• Digital Campus Environment শিখন প্রক্রিয়ার ওপর প্রভাব-
১. শিক্ষার্থীরা নিজস্ব দক্ষতার মাধ্যমে শিক্ষা লাভ করতে পারে।
২. যে কোনো সময় যে কোনো স্থান থেকে শিক্ষার্থীরা Study Materials এ প্রবেশ ব্যবহার করতে পারে।
৩. Virtual Classrooms এর মাধ্যমে সক্রিয় অংশগ্রহণে শিখন প্রক্রিয়া অধিক কার্যকর হয়।
৪. বিভিন্ন অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত শিক্ষার্থীরাও Virtual Class এর মাধ্যমে তাদের শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে পারে।
৫. Digital Campus Environment শিখন প্রক্রিয়াকে সহায়তা ও অধিকতর উৎসাহিত করে।
৬. শিক্ষা কার্যক্রমে শিক্ষার্থী অধিক বেশি অংশগ্রহণ করে।
৭. Digital Campus Environment শিক্ষার ফলাফল উন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের উচ্চমাত্রায় সন্তুষ্টির দিকে পরিচালিত করে।
৮. শিক্ষার্থীরা সহজে দেশি-বিদেশি Study Materials ব্যবহার করতে পারে।
৯. ব্লেন্ডেড লার্নিং পদ্ধতি প্রয়োগ করা সম্ভব।
• Smart Digital Campus তৈরিতে অত্যাবশ্যকীয় Technology গুলি হলো-
১. Campus এ ‘ERP Software’ প্রশাসনিক ও পরিচালনায ব্যবস্থাপনায় প্রয়োগ।
২. Student information system এ শিক্ষার্থীদের ডাটা প্রক্রিয়াকরণ ও সংরক্ষণ করা।
৩. অনলাইন শিক্ষা প্রদানে Learning Management System ( LMS) software ব্যবহার করা।
৪. সহজ, স্থায়ীত্ব ও প্রবেশাধিকারের জন্য Cloud Based Platform ব্যবহার করা।
৫. যোগাযোগ ও অংশগ্রহণের জন্য Mobile Application ব্যবহার করা।
৬. Artificial intelligence ব্যবহার করা। ডিজিটাল ক্যাম্পাসের জন্য যা data analyzing, predicting, student performance improving, decision making এর কাজে সহায়তা করে।
• ডিজিটাল ক্যাম্পাস ইনভারনমেন্ট তৈরির প্রক্রিয়া-
ধাপ-১. বর্তমান ক্যাম্পাসের অবকাঠামো এবং ডিজিটাল সামগ্রীর মূল্যায়ন ও তালিকা করন।
ধাপ-২. Digital transformation এর লক্ষ্য নির্ধারণ।
ধাপ-৩. সঠিক ক্যাম্পাস ব্যবস্থাপনা প্রক্রিয়া নির্ধারণ।
ধাপ-৪. Learning Management System (LMS) এবং virtual classroom স্থাপন।
ধাপ-৫. এগুলি ব্যবহারের শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং প্রশাসনিক ব্যক্তিদের জন্য আলাদা মডিউল তৈরি।
ধাপ-৬. শিক্ষক কর্মচারী এবং শিক্ষার্থীদের Digital Equipment গুলি ব্যবহারের জন্য প্রশিক্ষণ প্রদান।
ধাপ-৭. Digital campus এর সকল কাজের সঠিক মনিটর এবং নিয়ন্ত্রণের মাত্রা নির্ধারণ।
• Digital Campus তৈরিতে চ্যালেঞ্জ সমূহ-
১. বাজেটের সীমাবদ্ধতা।
২. পরিবর্তনের প্রতিরোধ সমূহ। বিশেষ করে যে সমস্ত শিক্ষক কর্মচারীগণ ট্রেডিশনাল সিস্টেম ব্যবহার করে অভ্যস্ত। তারা চায় না নতুনভাবে কোন কিছু শিখি এটা তাদের কাছে খুব জটিল বেদনাদায়ক।
৩. তথ্যের নিরাপত্তা ঝুঁকি।
৪. টেকনিক্যাল কমপ্লেক্সসিটি, যদি তা সঠিকভাবে ব্যবস্থাপনা করা না যায়।
• চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় করণীয়-
১. যতটুকু সম্ভব cost effective করা যেতে পারে।
২. সাপোর্ট স্টাফ এবং শিক্ষার্থীদের পর্যাপ্ত ট্রেনিং এর ব্যবস্থা করা।
৩. Data security এর জন্য Cloud based platform ব্যবহার করা।
৪. অভিজ্ঞ service প্রোভাইডারদের সাথে কাজ করা।
মোটকথা কৌশলগত ভাবে বুদ্ধিমত্তার সাথে চ্যালেঞ্জ গুলি মোকাবেলা করে ডিজিটাল ক্যাম্পাস বাস্তবায়ন করা।
তথ্য উৎস-গুগল সহ অন্যান্য অনলাইন প্লাটফর্ম।
১৫
২৫ মন্তব্য