সহকারী শিক্ষক
২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১০:০৪ পূর্বাহ্ণ
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে ভেরিফিকেশনে বাদ, পুনর্বিবেচনা ও নিয়োগের দাবি
এআই জেনারেটেড প্রতীকী ছবি
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫ প্রক্রিয়ায় ভেরিফিকেশনে বাদ পড়া প্রার্থীদের পুনর্বিবেচনা করে নিয়োগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক-২০২৫। একই সঙ্গে আটকে থাকা নিয়োগপত্র দ্রুত প্রদানেরও দাবি জানায় সংগঠনটি।
বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সংগঠনটির পক্ষ থেকে দেওয়া এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব দাবি জানানো হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক চূড়ান্ত পর্যায়ে সুপারিশপ্রাপ্ত একজন দৈনিক শিক্ষাডটকমকে এ সংবাদ বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়েছেন।
বলা হয়, দীর্ঘ আট মাস অপেক্ষা, মানসিক চাপ ও প্রশাসনিক জটিলতার পর প্রশাসনিক যাচাই-বাছাই বা ভেরিফিকেশনের মাধ্যমে কোনো সুস্পষ্ট কারণ ছাড়াই অসংখ্য যোগ্য প্রার্থীকে চূড়ান্ত তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি প্রায় ১ হাজার ৫০০ জনের নিয়োগপত্র ইস্যু করা হয়নি বলে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের বরাত দেওয়া হয়।
আরো বলা হয়, দীর্ঘ অপেক্ষার কারণে অনেকেই অন্য চাকরির সুযোগ ছেড়ে দিয়েছেন। কেউ পূর্বের চাকরি ছেড়েছেন, আবার কেউ নতুন চাকরিতে যোগ না দিয়ে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের অপেক্ষায় ছিলেন। তাদের ভাষ্য, অনেক প্রার্থীর বয়স এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে নতুন করে সরকারি চাকরিতে আবেদন করার সুযোগ সীমিত হয়ে গেছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, হঠাৎ নিয়োগপত্র না পাওয়ার ঘটনায় অনেক প্রার্থী ও তাদের পরিবার আর্থিক ও মানসিক সংকটে পড়েছেন। তাই প্রতিটি প্রার্থীর বিষয় সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও ন্যায়সংগতভাবে পুনর্বিবেচনার দাবি জানানো হয়েছে। তবে কোনো অনিয়মকারী বা অযোগ্য ব্যক্তির পক্ষে তারা সুপারিশ করছে না বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
পাঁচ দফা দাবি: প্রার্থীরা ভেরিফিকেশনে বাদ পড়া প্রত্যেকের নথি নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় পুনরায় যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তথ্যগত ভুল বা অসঙ্গতির শিকার প্রার্থীদের আত্মপক্ষ সমর্থন ও প্রশাসনিক আপিলের সুযোগ দেওয়ার দাবি করা হয়েছে।
এ ছাড়া প্রশাসনিক ভুল, ভুল তথ্য বা কোনো কর্মকর্তার গাফিলতির কারণে কোনো প্রার্থী বাদ পড়ে থাকলে তা সংশোধন করে নিয়োগ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে। চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত অথচ নিয়োগপত্র পাননি—এমন প্রার্থীদের বিষয়ে ২৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ইতিবাচক পদক্ষেপ নেওয়ারও দাবি জানানো হয়।
নিয়োগপ্রক্রিয়ায় কেন এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হলো এবং কী কারণে এতসংখ্যক সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থী বাদ পড়লেন, তার সুস্পষ্ট ও দায়িত্বশীল ব্যাখ্যা প্রকাশের দাবিও জানিয়েছে প্রার্থীরা।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কোনো ভুল হয়ে থাকলে তা সংশোধন করে যোগ্য প্রার্থীদের প্রাপ্য নিয়োগপত্র দিতে হবে। একই সঙ্গে শিক্ষকপ্রার্থীদের আবার রাজপথে আন্দোলনে নামার পরিস্থিতি তৈরি না করে আলোচনার মাধ্যমে প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায় সংকট সমাধানের আহ্বান জানানো হয়েছে।
শিক্ষাসহ সব খবর সবার আগে জানতে দৈনিক শিক্ষাডটকমের ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গেই থাকুন। ভিডিয়োগুলো মিস করতে না চাইলে এখনই দৈনিক শিক্ষাডটকমের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন এবং বেল বাটন ক্লিক করুন। বেল বাটন ক্লিক করার ফলে আপনার স্মার্ট ফোন বা কম্পিউটারে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভিডিয়োগুলোর নোটিফিকেশন পৌঁছে যাবে।


১৫
২৫ মন্তব্য