সহকারী অধ্যাপক
২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৯:৫৭ অপরাহ্ণ
সহকারী অধ্যাপক
মার্কিন পুঁজিবাজার, সরকারি সংস্থা, বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে এআই বটের অনধিকার প্রবেশ
আগস্ট থেকে মানুষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়া এআই টুলগুলোর সম্ভাব্য গুরুতর, এমনকি জীবনহানির মতো ঝুঁকি নিয়ে জনমনে উদ্বেগ বেড়েছে
ওপেনএআই বটগুলো ভুলভাবে কাজ করায় বিশ্বের বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে অনধিকার প্রবেশ বা হস্তক্ষেপ হয়ে থাকতে পারে। এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানগুলোকে সতর্ক করা হয়েছে। ওপেনএআই এ তথ্য স্বীকার করেছে।
ওপেনএআই বলেছে, তাদের এআই এজেন্টগুলো সরকার, বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারি সংস্থা এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে তথ্য পাওয়ার চেষ্টা করেছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি), সেন্সাস ব্যুরো (আদমশুমারি ব্যুরো) এবং শিক্ষা বিভাগও ছিল।
ওপেনএআইয়ের এই ঘোষণার মাত্র কয়েক দিন আগে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্টনি আলবানিজ জানিয়েছিলেন, ওপেনএআইয়ের এআই এজেন্টগুলো দেশটির সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রকল্পের ওয়েবসাইটে থাকা নথিতে ঢুকেছে। এসব নথি সবার জন্য উন্মুক্ত নয়।
আগস্ট থেকে মানুষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়া এআই টুলগুলোর ঝুঁকি নিয়ে জনমনে উদ্বেগ বেড়েছে। এমনকি এগুলো থেকে জীবনহানির মতো ঝুঁকি হতে পারে।
ওপেনএআই বলেছে, এআই এজেন্টের মাধ্যমে কিছু তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছিল। বিশেষ করে এমন বটগুলোর মাধ্যমে, যেগুলো কিছুটা স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করার জন্য বানানো ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত। এসব বট ‘সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত তথ্যের নির্ভরযোগ্য উৎস’ খুঁজে বের করার কাজ করছিল।
কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) থেকে তাদের বটগুলো যে তথ্য সংগ্রহ করেছিল, পরে এআই এজেন্টরা সেগুলো অন্য একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে। ওপেনএআই বলেছে, কাজটি ইচ্ছাকৃত ছিল না।
গতকাল শুক্রবার প্রকাশ করা আরও কিছু ঘটনায় ওপেনএআই জানিয়েছে, কিছু ক্ষেত্রে তাদের এআই এজেন্টের এমন তথ্যও অন্যত্র পাঠানোর ঘটনা ঘটেছে, যা তাদের পাঠানো উচিত ছিল না।
এ ধরনের কর্মকাণ্ডের ফলে অন্তত ৫৩টি ঘটনায় ওপেনএআইয়ের কোনো এআই এজেন্ট চ্যাটজিপিটি ব্যবহারকারীর কার্যক্রমের একটি ছবি নিয়ে সেটি অন্যত্র পাঠিয়েছে।
যদিও এআই এজেন্ট কোনো ব্যবহারকারীর ছবি ব্যবহার ও অন্যত্র পাঠানোর প্রতিটি ঘটনায় ওই ব্যবহারকারী ওপেনএআইকে তাঁদের তথ্য ব্যবহার করে মডেল প্রশিক্ষণের অনুমতি দিয়েছিলেন। তারপরও ‘এই তথ্য এভাবে ব্যবহার করা যথাযথ নয়’ বলে ওপেনএআই স্বীকার করেছে।
ওপেনএআই আরও জানিয়েছে, ব্যবহারকারীদের ছবি ফাঁসের ঘটনাগুলো ঘটেছিল এআই প্রশিক্ষণের জন্য নতুন সুরক্ষাব্যবস্থা চালু করার আগে। তৃতীয় পক্ষের কাছে পাঠানো ব্যবহারকারীদের সব ছবি সরিয়ে ফেলতে তারা কাজ করছে।
রয়টার্স প্রথম এ নিয়ে বিস্তৃত তদন্তের খবর প্রকাশ করে। ওপেনএআইও তাদের পাবলিক ব্লগে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছে।
১৫
২৫ মন্তব্য