প্রভাষক
২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৭:৫৭ পূর্বাহ্ণ
প্রভাষক
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর কাঙ্ক্ষিত অনুপাত নিশ্চিত করতে চাহিদাভিত্তিতে শিক্ষকের নতুন পদ সৃষ্টির পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সাম্প্রতিক অর্জন, চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সংক্রান্ত প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদনে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা অংশে বলা হয়, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত গড় উপস্থিতি ৮০ শতাংশে উন্নীতকরণ। চাহিদাভিত্তিতে শিক্ষকের নতুন পদ সৃষ্টি এবং প্রতিটি ক্লাস্টারে একজন করে শারীরিক ও সংগীত শিক্ষক নিয়োগ করা হবে। সিভিল রেজিস্ট্রেশন অ্যান্ড ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস (সিআরভিএস) এর সঙ্গে সম্পৃক্ততা বজায় রেখে সব শিক্ষার্থীর ছবিসহ আইডি কার্ড ও ডাটাবেইজ প্রণয়ন। পর্যায়ক্রমে দুই শিফটের বিদ্যালয়কে এক শিফটে রূপান্তর করে কন্ট্যাক্ট সময় বৃদ্ধি করা হবে।
জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০ এর আলোকে প্রাক-প্রাথমিক স্তর এক বছর থেকে দুই বছরে উন্নীত করা হবে।
২০২৪-২৫ অর্থবছরের সম্ভাব্য প্রধান অর্জনগুলো উল্লেখ করা হয় প্রতিবেদনে। সেখানে বলা হয়, শিক্ষাবর্ষের শুরুতেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিনামূল্যের পাঠ্যবই বিতরণ, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন, পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের চাহিদা ভিত্তিক প্রশিক্ষণ, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল লেভেল ইম্পুভমেন্ট প্লান বাস্তবায়ন, প্রাপ্যতযোগ্য সব শিক্ষার্থীকে উপবৃত্তি দেয়া, শিক্ষক-শিক্ষার্থীর অনুপাত কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে উন্নিতকরণ, বিদ্যালয় এবং মাঠ পর্যায়ের দপ্তরগুলো নিবিড় পরিবীক্ষণ ও তত্তাবধান, সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কাবিং কার্যক্রম সম্প্রসারণ, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের উন্নয়ন।
১৭
২৮ মন্তব্য