নবম পে স্কেলে এমপিও ভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের অন্তর্ভুক্তি
আমরা আশা করি এমপিও ভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীরাগণ নবম পে স্কেল অনুযায়ী সকল ভাতা প্রাপ্তি হবে। সর্বশেষ অবস্থান
৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের নবম জাতীয় পে-স্কেলে অন্তর্ভুক্তির জন্য আলাদা প্রজ্ঞাপন জারির প্রয়োজন হবে না। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক জানান, সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য জারি করা পে-স্কেলের গেজেটের মাধ্যমেই এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা নতুন বেতন-ভাতা পাবেন।
আলোচনা কীভাবে এগিয়েছে
এর আগে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এমপিওভুক্তদের জন্য পৃথক প্রজ্ঞাপন জারির কথা বলা হয়েছিল।
২৯ সেপ্টেম্বর অর্থ ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের মধ্যে আলোচনা হয়।
ওই আলোচনায় অর্থ বিভাগের পক্ষ থেকে মত দেওয়া হয় যে, মূল পে-স্কেল প্রজ্ঞাপনেই এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের অন্তর্ভুক্তি কার্যকর করা সম্ভব।
৩০ সেপ্টেম্বর নায়েমের একটি প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সমাপনী অনুষ্ঠানে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব বিষয়টি প্রকাশ্যে নিশ্চিত করেন।
এর অর্থ কী
এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে এমপিওভুক্ত—
স্কুল ও কলেজের শিক্ষক-কর্মচারী,
মাদ্রাসার শিক্ষক-কর্মচারী,
কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারী
নিজ নিজ গ্রেড অনুযায়ী নতুন পে-স্কেলের বেতন-ভাতা পাবেন। তবে বেতন বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট হিসাব, এমপিও সফটওয়্যার/নির্দেশনা এবং অর্থ ছাড়ের প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে হবে।
বেতন নির্ধারণের বিষয়
নতুন বেতন নির্ধারণে সাধারণত বিবেচনা করা হবে—
৩০ জুন তারিখে বিদ্যমান মূল বেতন;
বর্তমান গ্রেড;
নতুন পে-স্কেলে সংশ্লিষ্ট গ্রেডের বেতন কাঠামো;
কর্মচারী সংশ্লিষ্ট গ্রেডের প্রারম্ভিক ধাপে আছেন কি না;
নাকি প্রারম্ভিক ধাপের বেশি মূল বেতন ইতোমধ্যে পাচ্ছেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, নতুন কাঠামো ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর হওয়ার কথা বলা হয়েছে; তবে বেতন পুনর্নির্ধারণ ও বকেয়া পরিশোধের বাস্তব সময়সীমা পৃথক সরকারি নির্দেশনায় স্পষ্ট হবে। নতুন বেতন কাঠামো ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন এবং ভাতা পরবর্তী সময়ে পুনর্বিন্যাসের কথাও বিভিন্ন প্রতিবেদনে এসেছে।
গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা
এটি এখন পর্যন্ত মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের বক্তব্য ও সংবাদসূত্রভিত্তিক আপডেট। চূড়ান্ত বাস্তবায়নের জন্য সরকারি গেজেট, অর্থ বিভাগের প্রজ্ঞাপন/পরিপত্র, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা এবং মাউশির বেতন-নির্ধারণ সংক্রান্ত আদেশ দেখতে হবে। পৃথক প্রজ্ঞাপন না লাগলেও বাস্তব বেতন নির্ধারণের জন্য আলাদা অফিস আদেশ বা প্রয়োগবিধি জারি হতে পারে।
আপনার নির্দিষ্ট গ্রেড, পদবি ও বর্তমান মূল বেতন দিলে সম্ভাব্য নতুন মূল বেতন এবং বেতন-ভাতার হিসাব কাঠামো করে দেওয়া যাবে।
১৭
২৮ মন্তব্য