বাংলাদেশের মাটি, ভূ-প্রকৃতি, পানি এবং জলবায়ুর ভিন্নতার ওপর ভিত্তি করে সমগ্র দেশকে ৩০টি কৃষি-পরিবেশ অঞ্চল (Agro-Ecological Zone বা AEZ) এবং ৮১টি উপ-অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে। এই অঞ্চলগুলোর বিস্তারিত বিবরণ নিচে দেওয়া হলো:
কৃষি পরিবেশ অঞ্চল নির্ধারণের মূল ভিত্তি
ভূমিরূপ: মাটির গঠন ও জমির উচ্চতা (উঁচু, মাঝারি ও নিচু ভূমি)।
মৃত্তিকা: মাটির গুণাগুণ, বুনট ও পুষ্টি উপাদান।
পানি পরিস্থিতি: বন্যা, জলাবদ্ধতা ও মাটির আর্দ্রতা।
কৃষি জলবায়ু: তাপমাত্রা, বৃষ্টিপাত ও ঋতুভিত্তিক আবহাওয়া।
প্রধান বৈশিষ্ট্য ও আঞ্চলিক বৈচিত্র্য
প্লাবনভূমি অঞ্চল: দেশের অধিকাংশ এলাকা নদীমাতৃক পলিগঠিত প্লাবনভূমির অন্তর্ভুক্ত, যা ধান ও অন্যান্য ফসল চাষের জন্য খুবই উপযোগী।
বরেন্দ্র অঞ্চল: রাজশাহী ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের উচ্চ ও সমতল বরেন্দ্রভূমিতে খরা প্রবণতা ও ভিন্ন ধরনের মাটি দেখা যায়।
হাওর অঞ্চল: উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জলাভূমি ও বেসিন এলাকায় মৌসুমি বন্যা ও জলজ কৃষির প্রাধান্য রয়েছে।
উপকূলীয় অঞ্চল: দক্ষিণাঞ্চলের লবণাক্ততা ও জোয়ার-ভাটা প্রভাবিত এলাকায় বিশেষ ধরনের লবণাক্ততা সহনশীল ফসল চাষ করা হয়।
পার্বত্য অঞ্চল: পূর্বাঞ্চলীয় পাহাড়ি এলাকায় জুম চাষ ও উদ্যান ফসল ভালো জন্মে।
১৮
২৮ মন্তব্য