প্রধান শিক্ষক
০৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১০:৩২ অপরাহ্ণ
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুর্নীতি নিরসনের জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করছি: শিক্ষামন্ত্রী
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুর্নীতি নিরসনের জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করছি: শিক্ষামন্ত্রী
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুর্নীতি নিরসনের জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করছি। ধরুন হার্ট অব দ্য এডুকেশন মিনিস্ট্রি বা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাবাঘর যদি আমি বলি সেটা হলো ডাইরেক্টরেট অব ইনস্পেকশন অ্যান্ড অডিট (ডিআইএ)। এই ডিআইএ-কে আমি ঢেলে সাজাচ্ছি।
আজ শনিবার রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে (আমাই) কচুয়ার উন্নয়নে জনমনের ভাবনা আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।ড. মিলন বলেন, আমার বিবেচনায় ও ইন্টালিজেন্স রিপোর্ট থেকে যাদের বেস্ট মনে করছি তাদের আনছি ডিআইএতে।
পাঠ্যবই ছাপা নিয়ে তিনি বলেন, ২০০১ থেকে ২০০৬ খ্রিষ্টাব্দে আমরা বই ছাপিয়ে সময়মতো দিয়েছি। শতভাগ নিশ্চিত বলতে পারি এবারো পাঠ্যবই ভালো হবে। সবার সহযোগিতা পেলে সময়মতো পাঠ্যবই পাবো এবং তা শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছাবে।
মন্ত্রী বলেন, সব থেকে বড় ব্যাপার কি জানেন একবার যদি কোনো প্রিন্টার্স চিট করে তাহলে আমি আগামীদিনে আর বই ছাপাতে দেবো না। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা রয়েছে লোকাল ইন্ডাট্রি ডেভলপ করার। আমি বলবো তারা যেনো ভেবেচিন্তে কাজ করেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিগত দিনে আমরা দেখেছি ভারত থেকে বই ছাপিয়ে আনা হতো। এবার প্রিন্টিং কোয়ালিটি কিছুটা ব্যাতিক্রম আছে আমি যতদূর দেখেছি। আমাদের প্রিন্টার্সরা সহযোগিতা করছেন। সবাই সহযোগিতা করলে আমরা বই সময়মতো পাবো।
তিনি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রতিষ্ঠান প্রসঙ্গ টেনে বলেন, আগের সরকার এ বিষয়ে কাজ করেছিলো। কিন্তু মিসকেস হয়েছে। যেমন আমাদের কচুয়ায় সাবেক মন্ত্রীর বাড়িতে একটি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ করা হয়েছে। এখন একটি আস্ত কলেজকে তো উঠিয়ে আনা যায় না। আমরা সব উপজেলায় একটা করে টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ করবো।আমাদের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, তৃতীয় ভাষা থাকতে হবে। আমাদের আট মাসের ভিতরে অনেকটা এগিয়েছি। আমরা চীন থেকে টিচার নিয়ে আসতেছি। চায়নার টেকনিক্যাল মডেল টেকনিক্যাল শিক্ষায় আনছি।
মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মাদ্রাসা এডুকেশন একটু ডিফারেন্স হয়ে যাচ্ছে। তবে আগাচ্ছে। স্কুল ও মাদ্রাসায় একই প্রশ্নে পরীক্ষা হবে।
রেমিটেন্স বাড়ানো প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমাদের জনশক্তি কাজে লাগিয়ে রেমিট্যান্স বাড়ানো যায়। সেজন্য সৌদি আরবে আমাদের একটি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছি।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমি কোন বিষয়ে আমার এলাকাকে প্রাধান্য দেবো বা অন্য একজন সংসদ সদস্য কোন বিষয়কে প্রাধান্য দেবেন? সেই জায়গায় আমি বলবো শিক্ষা ব্যববস্থাকে প্রাধান্য দেয়া উচিত।
এবার আমাদের কচুয়া থেকে সাড়ে ৫ হাজার পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেবে তারা যেনো একজনও ফেল না করেন। এটা করতে পারলেই সংসদ সদস্য হিসেবে আমার কাজটা সফল হবে। আমাদের প্রধানমন্ত্রী শিক্ষাকে সব থেকে বেশি গুরুত্ব দেন। শিক্ষাই হলো জাতি গঠনের মূল ভিত।
শিক্ষায় তিনি বাজেট দিয়েছেন, এই বাজেট অপব্যয় হচ্ছে কিনা তা খতিয়ে দেখেন।
১৮
২৮ মন্তব্য