প্রধান শিক্ষক
০৪ অক্টোবর, ২০২৬ ০৮:৫০ অপরাহ্ণ
শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করলেন প্রাথমিকের সেই শিক্ষক
শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করলেন প্রাথমিকের সেই শিক্ষক
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের সঙ্গে দেখা করেছেন সেই নিয়োগ পাওয়া প্রাথমিক শিক্ষক মিশন আচার্য। এ সময় সঙ্গে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান।
রোববার ওই শিক্ষক ও রাশেদ খান শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে দেখা করেন।এর আগে ১ অক্টোবর ‘স্থায়ী ঠিকানা না থাকায় আটকে গেল শিক্ষক পদে চাকরি, এই শিরোনামে দৈনিক শিক্ষাডটকমে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। এরপর বিষয়টি শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের নজরে আসে। পরে তিনি ব্যবস্থা নেন।
সেই প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন মিশন আচার্য। তবে নিজের নামে কোনো স্থায়ী ঠিকানা না থাকায় এখনো নিয়োগপত্র পাননি তিনি। ঝিনাইদহ শহরের কলাবাগান এলাকায় ভাড়া বাসায় পরিবারের সঙ্গে বসবাস করা মিশন চাকরির নিয়োগপত্রের আশায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে ঘুরছেন।
মিশন আচার্যের মা ময়না আচার্য গৃহপরিচারিকার কাজ করে দুই ছেলেকে বড় করেছেন। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শেষ করার পর মিশন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নেন। পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে নিয়োগের জন্য সুপারিশপ্রাপ্তও হন তিনি।
মিশন জানান, তার সঙ্গে একই পদে মোট ১৮৩ জন সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছিলেন। তাদের মধ্যে ১৮০ জন ইতোমধ্যে নিয়োগপত্র পেয়েছেন। বাকি দুজনের একজনের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে। আর স্থায়ী ঠিকানা না থাকায় তাঁর নিয়োগপত্র আটকে আছে।
স্থায়ী ঠিকানা না থাকায় চাকরির আবেদনের সময় তিনি ঝিনাইদহ শহরের ভাড়া বাসার ঠিকানা ব্যবহার করেছিলেন।
১৮
২৮ মন্তব্য