বাংলাদেশে দুর্নীতির প্রধান কারণ হলো জবাবদিহিতার অভাব, রাজনৈতিক প্রভাব, দুর্বল প্রশাসনিক ব্যবস্থা এবং আইনের শাসনের শিথিলতা।
রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা: দলীয় বিবেচনায় নিয়োগ এবং ক্ষমতার অপব্যবহার crony capitalism বা স্বজনপ্রীতিমূলক অর্থনীতি তৈরি করে।
স্বল্প বেতন ও আর্থিক অসচ্ছলতা: সরকারি ও বেসরকারি খায়ে কর্মচারীদের অনেকের কম বেতন ও জীবনযাত্রার উচ্চ ব্যয়ের কারণে ঘুস নেওয়ার প্রবণতা বাড়ে।
জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতার অভাব: বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যাংকিং খাতে নজরদারির অভাব এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতি দুর্নীতিকে উৎসাহিত করে।
দীর্ঘসূত্রিতা ও জটিল প্রক্রিয়া: সরকারি সেবা পেতে অতিরিক্ত সময় ও জটিলতা থাকায় মানুষ দ্রুত কাজের জন্য 'স্পিড মানে' বা ঘুস দিতে বাধ্য হয়।
নৈতিক অবক্ষয়: সমাজে সততা ও মূল্যবোধের পরিবর্তে অতিরিক্ত অর্থবিত্ত অর্জনের অসুস্থ প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি পাওয়া।
আইনের কঠোর প্রয়োগ: দল-মত নির্বিশেষে অপরাধী ও দুর্নীতিবাজদের জন্য দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা ও বিচারহীনতার সংস্কৃতি দূর করা।
স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা: রাষ্ট্রীয় ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে ডিজিটাল বা অটোমেশন পদ্ধতি চালু করা, যাতে মানুষের সরাসরি যোগাযোগ ও দুর্নীতির সুযোগ কমে।
যথাযথ বেতন ও সুযোগ-সুবিধা: কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জীবনযাত্রার মান অনুযায়ী বেতন ও ভাতা বৃদ্ধি করা।
দুদকের স্বাধীনতা: দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুর্নীতি দমন কমিশন) রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত ও সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ দেওয়া।
নৈতিক শিক্ষা ও গণসচেতনতা: পারিবারিক ও সামাজিক স্তর থেকে সততা ও নৈতিকতার শিক্ষা প্রচার করা এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা।
৪
৭ মন্তব্য