সহকারী শিক্ষক
০৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:৪৩ অপরাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘সোনার তরী’ কবিতায় মানবজীবনের ক্ষণস্থায়িত্ব, মানুষের কর্ম ও সৃষ্টিকর্মের চিরস্থায়িত্ব এবং মহাকালের অপ্রতিরোধ্য গতিকে প্রতীকীভাবে তুলে ধরা হয়েছে। কবিতার কৃষক মূলত কবির প্রতীক। কৃষক তার জীবনের পরিশ্রমে উৎপাদিত সোনার ধান একে একে মাঝির তরীতে তুলে দেয়। কিন্তু সব ধান নিয়ে তরী চলে গেলেও কৃষক নিজে তরীতে উঠতে পারে না। ফলে সে শূন্য নদীর তীরে একা পড়ে থাকে।
এখানে সোনার ধান মানুষের সৃষ্টিকর্ম ও কর্মফলের প্রতীক, আর মাঝি মহাকালের প্রতীক। মানুষ সারাজীবন পরিশ্রম করে নানা সৃষ্টি ও কর্ম রেখে যায়, কিন্তু একসময় তাকে পৃথিবী ছেড়ে চলে যেতে হয়। তার ব্যক্তিজীবন শেষ হয়ে গেলেও তার ভালো কাজ ও সৃষ্টিকর্ম মানুষের মধ্যে বেঁচে থাকতে পারে। নদীর প্রবহমান স্রোত মানুষের জীবন ও সময়ের গতিশীলতাকে নির্দেশ করে।
সজীব অনেক বছর ধরে একটি বড় স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য পরিশ্রম করল। শেষ পর্যন্ত তার স্বপ্ন পূরণ হলো, কিন্তু সেই সাফল্যের মুহূর্তে সে বুঝতে পারল, সময় তাকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে গেছে এবং অনেক কিছুই পিছনে পড়ে আছে।
৬০. উদ্দীপকের সঙ্গে ‘সোনার তরী’ কবিতার কোন দিকটির সবচেয়ে বেশি মিল?
ক) সময়ের প্রবাহ ও জীবনের ক্ষণস্থায়িত্ব
খ) বর্ষার সৌন্দর্য
গ) কৃষকের আনন্দ
ঘ) মাঝির গান
✅ উত্তর: ক) সময়ের প্রবাহ ও জীবনের ক্ষণস্থায়িত্ব
ব্যাখ্যা: ‘সোনার তরী’ কবিতায় কালস্রোতের প্রবাহে মানুষের জীবন ও ব্যক্তিগত অস্তিত্বের সীমাবদ্ধতা প্রকাশ পেয়েছে।
এরকম আরও সোনার তরী কবিতার MCQ পেতে আমাদের ওয়েবসাইটের লিংকে ক্লিক কর।
১৮
২৮ মন্তব্য